• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0
যান্ত্রিক সংহতি ও জৈবিক সংহতির পার্থক্য কর।

প্রশ্ন:- যান্ত্রিক সংহতি ও জৈবিক সংহতির পার্থক্য কর।

উত্তর::ভূমিকা: সমাজবিজ্ঞানী এমিল ডুর্খেইম (Emile Durkheim) তাঁর ‘শ্রম বিভাজন’ (Division of Labor) তত্ত্বে যান্ত্রিক সংহতি ও জৈবিক সংহতি-র ধারণা দুটি তুলে ধরেন। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে এই দুটি ভিন্ন ধরনের সামাজিক সংহতি সমাজকে একত্রে ধরে রাখে। এই দুটি ধারণা মূলত সরল ও জটিল সমাজের মধ্যেকার সম্পর্ক ও সংহতির ভিন্নতাকে ব্যাখ্যা করে। যান্ত্রিক সংহতি হলো এমন এক ধরনের সংহতি যা সরল, ছোট এবং ঐতিহ্যবাহী সমাজে দেখা যায়, যেখানে সবাই একই ধরনের কাজ করে। অন্যদিকে, জৈবিক সংহতি হলো আধুনিক, জটিল এবং শিল্পোন্নত সমাজের বৈশিষ্ট্য, যেখানে শ্রমের বিশেষ বিভাজন রয়েছে।

যান্ত্রিক সংহতি ও জৈবিক সংহতির পার্থক্য:-

১। শ্রম বিভাজন: যান্ত্রিক সংহতি হলো এমন এক ধরনের সমাজ, যেখানে শ্রমের বিশেষ কোনো বিভাজন নেই। এখানে প্রতিটি মানুষই একই ধরনের কাজ করে এবং একে অপরের ওপর নির্ভরতা কম থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি আদিম বা কৃষিভিত্তিক সমাজে কৃষকরা সবাই একই কাজ করে – খাদ্য উৎপাদন। এই ধরনের সমাজে সবাই প্রায় একই রকম দক্ষতা ও জ্ঞান ধারণ করে, ফলে একে অপরের থেকে আলাদা করে চেনার সুযোগ কম থাকে। তাই, এখানে সংহতি গড়ে ওঠে মানুষের মধ্যেকার সাদৃশ্যের ভিত্তিতে।

অন্যদিকে, জৈবিক সংহতি হলো আধুনিক সমাজের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, যেখানে শ্রমের ব্যাপক বিভাজন দেখা যায়। এই সমাজে প্রত্যেকেই কোনো না কোনো বিশেষায়িত কাজ করে। যেমন – একজন ডাক্তার, একজন প্রকৌশলী, একজন শিক্ষক, একজন ব্যবসায়ী – প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। এই বিশেষায়িত কাজের কারণে সবাই একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এই পারস্পরিক নির্ভরতাই হলো জৈবিক সংহতির মূল ভিত্তি। আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় এই পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সমাজের সংহতিকে সুদৃঢ় করে।

২। সামাজিক সম্পর্ক: যান্ত্রিক সংহতির সমাজে মানুষের মধ্যেকার সম্পর্কগুলো খুবই সরল এবং সরাসরি হয়। সাধারণত, এই সম্পর্কগুলো ব্যক্তিগত, আবেগপ্রবণ এবং ঘনিষ্ঠ হয়ে থাকে। মানুষ একে অপরকে ব্যক্তিগতভাবে চেনে, কারণ এই সমাজগুলো ছোট এবং সবাই একই ধরনের পরিবেশে বেড়ে ওঠে। ফলে তাদের মধ্যেকার বন্ধন অত্যন্ত দৃঢ় হয়। এটি অনেকটা একটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যেকার সম্পর্কের মতো। এখানে সম্পর্কগুলো মূলত প্রথা, রীতিনীতি এবং সাধারণ মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়।

জৈবিক সংহতির সমাজে সম্পর্কগুলো তুলনামূলকভাবে কম ব্যক্তিগত এবং অনেক বেশি কার্যকরী হয়। এখানে সম্পর্কগুলো প্রধানত পেশা, কাজ এবং অর্থনৈতিক লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। মানুষ একে অপরের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে কারণ তাদের একে অপরের দক্ষতার প্রয়োজন হয়। যেমন – একজন গ্রাহক একটি দোকানদারের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে কেবল পণ্য কেনার জন্য। এই ধরনের সম্পর্ক সাধারণত আবেগ বা ঘনিষ্ঠতার ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং এটি একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। এই কার্যকরী সম্পর্কই সমাজের জটিল কার্যক্রমকে সহজ করে তোলে।

৩। অপরাধ ও শাস্তি: যান্ত্রিক সংহতির সমাজে অপরাধকে একটি গুরুতর নৈতিক বা ধর্মীয় অপরাধ হিসেবে দেখা হয়। এখানে সবাই একই ধরনের মূল্যবোধ এবং নৈতিকতা পোষণ করে, তাই যখন কেউ সেই সাধারণ মূল্যবোধ ভঙ্গ করে, তখন পুরো সমাজ এটিকে নিজের ওপর আঘাত হিসেবে দেখে। শাস্তির উদ্দেশ্য হয় মূলত প্রতিশোধ নেওয়া এবং অপরাধীকে সমাজের চোখে হেয় প্রতিপন্ন করা। এর কারণ, এই ধরনের সমাজে সাধারণ মানুষের আবেগ ও মূল্যবোধের সুরক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে সমাজ তার নিজস্ব নৈতিকতাকে পুনর্বহাল করে।

জৈবিক সংহতির সমাজে অপরাধকে একটি কার্যকরী বা আইনগত ত্রুটি হিসেবে দেখা হয়। এখানে অপরাধকে এমন একটি কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা সমাজের স্বাভাবিক কাজকে ব্যাহত করে। এই ধরনের সমাজে শাস্তি মূলত প্রতিকারমূলক হয়, অর্থাৎ অপরাধের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে তা মেরামত করার চেষ্টা করা হয়। যেমন, আর্থিক ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসন ব্যবস্থা। এখানে শাস্তির প্রধান উদ্দেশ্য প্রতিশোধ নয়, বরং সমাজের স্বাভাবিক কাজ পুনরায় চালু করা এবং অপরাধীকে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনা। এখানে আইন এবং বিচার ব্যবস্থা পেশাদার এবং আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।

৪। সামাজিক নিয়ন্ত্রণ: যান্ত্রিক সংহতির সমাজে সামাজিক নিয়ন্ত্রণ সাধারণত অনানুষ্ঠানিক এবং অপ্রকাশ্য হয়। সমাজের রীতিনীতি, ঐতিহ্য, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং পারিবারিক প্রথা এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পরিচালনা করে। এখানে সামাজিক চাপ এবং লোকনিন্দার ভয়ে মানুষ অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, গ্রামের সালিশ বা পঞ্চায়েতের মাধ্যমে সামাজিক সমস্যার সমাধান করা হয়। এই ধরনের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর কারণ সবাই একে অপরের সাথে পরিচিত এবং সামাজিক সম্মান হারানোর ভয় থাকে।

জৈবিক সংহতির সমাজে সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিক এবং প্রকাশিত হয়। এই সমাজে আইন, পুলিশ, আদালত এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সংস্থাগুলো সামাজিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। মানুষের আচরণ এই আনুষ্ঠানিক নিয়ম এবং আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। এখানে সামাজিক চাপ বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং আইনের ভয় এবং আনুষ্ঠানিক শাস্তির সম্ভাবনাই মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। আধুনিক সমাজের জটিলতা এবং বৃহৎ আকারের কারণে অনানুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়, তাই আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হয়।

৫। ব্যক্তির স্বাধীনতা: যান্ত্রিক সংহতির সমাজে ব্যক্তির স্বাধীনতা তুলনামূলকভাবে কম। এখানে ব্যক্তি তার সামাজিক গোষ্ঠীর নিয়ম, ঐতিহ্য এবং রীতিনীতির দ্বারা আবদ্ধ থাকে। স্বতন্ত্র চিন্তাভাবনা বা আচরণকে প্রায়শই সন্দেহের চোখে দেখা হয়। সমাজের প্রতিটি সদস্যকে তার পূর্বনির্ধারিত ভূমিকা এবং দায়িত্ব পালন করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, একজন কৃষকের সন্তানও সাধারণত কৃষকই হয়। এখানে ব্যক্তি নিজেকে সমাজের একটি ক্ষুদ্র অংশ হিসেবে দেখে এবং নিজের পরিচয় সমাজের সামগ্রিক পরিচয়ের সাথে মিশিয়ে দেয়।

জৈবিক সংহতির সমাজে ব্যক্তির স্বাধীনতা অনেক বেশি থাকে। এখানে ব্যক্তি তার নিজের ইচ্ছা এবং দক্ষতা অনুযায়ী পেশা এবং জীবনধারা বেছে নিতে পারে। সমাজের বিভিন্ন অংশে স্বতন্ত্র ব্যক্তিরা তাদের নিজস্ব পরিচয় এবং ব্যক্তিগত লক্ষ্য নিয়ে বসবাস করে। যদিও এই সমাজে ব্যক্তি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল, তবুও তারা তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীন। এই স্বাধীনতা আধুনিক সমাজের উদ্ভাবন এবং ব্যক্তিগত উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৬। সামাজিক পরিবর্তনের গতি: যান্ত্রিক সংহতির সমাজে সামাজিক পরিবর্তনের গতি খুবই ধীর হয়। এই ধরনের সমাজে ঐতিহ্য এবং প্রথাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলে নতুন কোনো ধারণা বা প্রযুক্তির আগমন সহজে হয় না। এখানে মানুষ পূর্বপুরুষদের জীবনধারা অনুসরণ করতে পছন্দ করে এবং পরিবর্তনকে প্রায়শই বাধাগ্রস্ত করে। স্থিতিশীলতা এবং ধারাবাহিকতাই এই সমাজের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এটি অনেকটা একটি পাথরখণ্ডে নকশা করার মতো – কাজটা ধীরে হয় এবং একবার হয়ে গেলে পরিবর্তন করা কঠিন।

জৈবিক সংহতির সমাজে সামাজিক পরিবর্তনের গতি অনেক দ্রুত। নতুন প্রযুক্তি, নতুন ধারণা এবং নতুন উদ্ভাবন এই সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানুষ পরিবর্তনের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেয় এবং পরিবর্তনকে উন্নয়নের একটি সুযোগ হিসেবে দেখে। শিল্পায়ন, নগরায়ন এবং প্রযুক্তির বিকাশ এই সমাজের পরিবর্তনের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করে। এই সমাজে পরিবর্তনকে স্বাগত জানানো হয় এবং এটি সমাজের অগ্রগতি ও বিকাশের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়।

৭। সামাজিক কাঠামোর জটিলতা: যান্ত্রিক সংহতির সমাজের কাঠামো সরল এবং সমজাতীয় হয়। এখানে সমাজের সকল স্তর এবং শ্রেণী প্রায় একই রকম কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি আদিম সমাজের প্রত্যেকেই শিকার করে বা কৃষিকাজ করে। এই সমাজে সামাজিক স্তরবিন্যাস খুব বেশি স্পষ্ট হয় না। এখানে সমাজের কাঠামো সহজে বোঝা যায় এবং এর বিভিন্ন অংশ একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকে। এটি অনেকটা একটি সরল জ্যামিতিক নকশার মতো, যেখানে সব অংশই একই রকম এবং সহজেই বোঝা যায়।

জৈবিক সংহতির সমাজের কাঠামো অত্যন্ত জটিল এবং অসমজাতীয় হয়। এখানে সমাজের বিভিন্ন অংশ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে এবং বিভিন্ন পেশা, শ্রেণী এবং গোষ্ঠীর সমন্বয়ে সমাজ গঠিত হয়। সমাজের প্রতিটি অংশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হলেও তাদের ভূমিকা এবং কাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই জটিল কাঠামো সমাজের কার্যকারিতাকে বাড়িয়ে তোলে, কিন্তু এর ফলে সমাজের বিভিন্ন অংশের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাবও দেখা যেতে পারে। এটি অনেকটা একটি জটিল যন্ত্রের মতো, যেখানে প্রতিটি ক্ষুদ্র অংশই তার নির্দিষ্ট কাজ করে এবং পুরো যন্ত্রের কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৮। সংহতির ভিত্তি: যান্ত্রিক সংহতির মূল ভিত্তি হলো মানুষের মধ্যেকার সাদৃশ্য এবং একাত্মতা। এই সমাজে মানুষ একই বিশ্বাস, একই রীতিনীতি, এবং একই মূল্যবোধ ধারণ করে, যা তাদের মধ্যে এক গভীর বন্ধন তৈরি করে। এই সাদৃশ্য তাদের মধ্যে পারস্পরিক সংহতি গড়ে তোলে। এটি অনেকটা একদল ফুটবল দলের মতো, যেখানে সবাই একই জার্সি পরে এবং একই লক্ষ্য নিয়ে খেলে। এখানে সংহতি ব্যক্তিগত নয়, বরং সমষ্টিগত।

জৈবিক সংহতির মূল ভিত্তি হলো মানুষের মধ্যেকার পার্থক্য এবং পারস্পরিক নির্ভরশীলতা। এই সমাজে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে এবং একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়। এই নির্ভরতা তাদের মধ্যে এক কার্যকরী বন্ধন তৈরি করে। যেমন, একজন কৃষক খাদ্য উৎপাদন করে, একজন ডাক্তার অসুস্থদের সেবা করে, একজন শিক্ষক শিক্ষা প্রদান করে, এবং এই প্রত্যেকেই একে অপরের সেবার ওপর নির্ভরশীল। এটি সমাজের বৈচিত্র্য এবং পার্থক্যের মধ্য দিয়ে এক নতুন ধরনের সংহতি তৈরি করে।

৯। সামাজিক পরিবর্তন ও সংঘাত: যান্ত্রিক সংহতির সমাজে সামাজিক সংঘাত তুলনামূলকভাবে কম হয়। এই সমাজের স্থিতিশীলতা এবং রীতিনীতির প্রতি সম্মান সংঘাত প্রতিরোধে সাহায্য করে। যখন সংঘাত দেখা দেয়, তা সাধারণত ব্যক্তিগত এবং অনানুষ্ঠানিক উপায়ে সমাধান করা হয়। তবে, এই সমাজের রীতিনীতি ভঙ্গ হলে তার প্রতিক্রিয়া তীব্র হতে পারে।

জৈবিক সংহতির সমাজে সংঘাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে, কারণ এখানে বিভিন্ন পেশা, গোষ্ঠী এবং স্বার্থের মানুষের মধ্যে প্রতিযোগিতা দেখা যায়। এই সংঘাতগুলো সাধারণত আনুষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে সমাধান করা হয়। তবে, এই সংঘাতগুলো সমাজের নতুন পরিবর্তনের পথ খুলে দেয় এবং সমাজের কাঠামোগত দুর্বলতাগুলোকে প্রকাশ করে।

১০। সাংস্কৃতিক উপাদান: যান্ত্রিক সংহতির সমাজে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে মানুষ তাদের পূর্বপুরুষদের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য অনুসরণ করে। এখানকার গান, কবিতা, শিল্প, সাহিত্য এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানগুলি সমাজে এক ধরনের একাত্মতা সৃষ্টি করে। এই সমাজের সাংস্কৃতিক উপাদানগুলি মূলত স্থির এবং পরিবর্তনশীলতা কম।

জৈবিক সংহতির সমাজে সংস্কৃতির উপাদানগুলি ভিন্ন এবং বৈচিত্র্যময়। এখানে মানুষ বিভিন্ন দেশের এবং ভিন্ন সংস্কৃতির উপাদানগুলির সাথে পরিচিত হয়। তাই, এখানে সংস্কৃতিগুলি মিশ্র এবং পরিবর্তনশীল। এই সমাজের সাংস্কৃতিক পরিবর্তন আধুনিকতা, নতুনত্ব এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান দ্বারা প্রভাবিত হয়। এই কারণে, একটি বৃহৎ সমাজে বিভিন্ন ধরনের উপ-সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।

উপসংহার: যান্ত্রিক সংহতি ও জৈবিক সংহতির ধারণা দুটি ভিন্ন ধরনের সমাজ ব্যবস্থাকে ব্যাখ্যা করে। যেখানে যান্ত্রিক সংহতি প্রধানত সরল, ছোট এবং সমজাতীয় সমাজে দেখা যায়, সেখানে জৈবিক সংহতি হলো আধুনিক, জটিল এবং বৈচিত্র্যময় সমাজের বৈশিষ্ট্য। এমিল ডুর্খেইম এই দুটি ধারণার মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে, সংহতি বিভিন্ন সমাজে বিভিন্ন রূপ ধারণ করে, যা মানব সমাজের বিবর্তনকে বুঝতে সাহায্য করে। এই দুটি ধারণাই সমাজের কার্যকারিতা এবং স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য, যদিও তাদের ভিত্তি ও প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন।

একনজরে উত্তর দেখুন
  1. শ্রম বিভাজন
  2. সামাজিক সম্পর্ক
  3. অপরাধ ও শাস্তি
  4. সামাজিক নিয়ন্ত্রণ
  5. ব্যক্তির স্বাধীনতা
  6. সামাজিক পরিবর্তনের গতি
  7. সামাজিক কাঠামোর জটিলতা
  8. সংহতির ভিত্তি
  9. সামাজিক পরিবর্তন ও সংঘাত
  10. সাংস্কৃতিক উপাদান
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ডুর্খেইমের এই তত্ত্বটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৯৩ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য ডিভিশন অব লেবার ইন সোসাইটি’-তে। তিনি ফরাসি সমাজের শিল্পায়ন প্রক্রিয়া এবং এর ফলে উদ্ভূত সামাজিক পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে এই ধারণা দুটি প্রণয়ন করেন। ডুর্খেইমের মতে, শিল্প বিপ্লব সমাজের সংহতিকে যান্ত্রিক থেকে জৈবিক সংহতির দিকে নিয়ে এসেছে। এই তত্ত্বটি আধুনিক সমাজবিজ্ঞানের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এখনও সমাজের বিবর্তন ও সংহতি বোঝার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি শ্রম বিভাজন, সংহতি ও সামাজিক পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা এবং জরিপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Tags: জৈবিক সংহতিযান্ত্রিক সংহতিযান্ত্রিক সংহতি ও জৈবিক সংহতিযান্ত্রিক সংহতি ও জৈবিক সংহতির পার্থক্যযান্ত্রিক সংহতি ও জৈবিক সংহতির পার্থক্য কর।
  • Previous দৃষ্টবাদ কাকে বলে?
  • Next অগাস্ট কোঁতের ত্রয়স্তর সূত্র লিখ।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1432)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    ভারতের উন্নয়ন মডেল নিয়ে আলোচনা কর।
    উন্নয়ন মডেল বা কৌশলসমূহ বর্ণনা কর।
    বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে সামাজিক পরিবর্তন ও রাজনৈতিক উন্নয়নে আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী ও সাহায্য সংস্থাসমূহের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।
    বিশ্বব্যাংকের কাঠামো ও কার্যাবলী আলোচনা কর। কেন বিশ্বব্যাংক সমালোচনার সম্মুখীন হয়?

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM