• Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
    • Home
    • Class 0-12
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
  • mdreadaim@gmail.com
  • Read at Home
Login > Register
Read Aim
Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • readaim.com
  • 0
বিভারিজ রিপোর্ট বলতে কি বুঝ

প্রশ্ন:- বিভারিজ রিপোর্ট কি?

Or, বিভারিজ রিপোর্ট কাকে বলে?

Or, বিভারিজ রিপোর্টের সজ্ঞা দাও।

Or, বিভারিজ রিপোর্ট বলতে কি বুঝ?

উত্তর::ভূমিকা: ‘বিভারিজ রিপোর্ট’ (Beveridge Report) হলো একটি ঐতিহাসিক দলিল যা বিংশ শতাব্দীর ব্রিটিশ ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যে যখন সমাজের নানা স্তরে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অসুস্থতার মতো সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে ওঠে, তখন একটি উন্নত ও মানবিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে এই রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছিল। এটি একটি কল্যাণরাষ্ট্রের (Welfare State) ভিত্তি স্থাপন করে, যা নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

বিভারিজ রিপোর্ট -এর পরিচয়:-

বিভারিজ রিপোর্ট-এর শাব্দিক অর্থ হলো ‘বিভারিজ প্রতিবেদন’। এই নামটি এসেছে এর প্রধান স্থপতি স্যার উইলিয়াম বিভারিজের (Sir William Beveridge) নাম থেকে। ১৯৪২ সালে প্রকাশিত এই রিপোর্টটির আসল নাম ছিল “Social Insurance and Allied Services”।

এই রিপোর্টটি মূলত একটি বিস্তারিত প্রস্তাবনা, যেখানে পাঁচটি প্রধান সামাজিক সমস্যা সমাধানের পথ দেখানো হয়েছে। এই সমস্যাগুলো হলো: অভাব (Want), রোগ (Disease), অজ্ঞতা (Ignorance), মলিনতা (Squalor) এবং বেকারত্ব (Idleness)। এই পাঁচটি সমস্যার সমাধান করে একটি উন্নত ও নিরাপদ সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই বিভারিজ এই রিপোর্টটি তৈরি করেন।

১. উইলিয়াম বিভারিজ: বিভারিজ নিজেই তার রিপোর্টে সমাজ সংস্কারের মূল লক্ষ্য ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেছেন, “একটি আধুনিক, সভ্য সমাজের ভিত্তি হলো প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণের নিশ্চয়তা এবং তাদের জীবনকে দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার ভয় থেকে মুক্ত করা।” (The objective of a modern, civilized society is to guarantee the basic needs of every citizen and to free their lives from the fear of poverty and uncertainty.)

২. জেমস সি. স্কট: তিনি তার “Moral Economy of the Peasant” গ্রন্থে বিভারিজ রিপোর্টের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, “বিভারিজ রিপোর্ট একটি মানবিক অর্থনীতির ধারণাকে প্রতিষ্ঠা করে, যেখানে বাজারের কঠোরতার পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বেষ্টনী মানুষের জীবনকে সুরক্ষিত করে।” (The Beveridge Report established the concept of a moral economy, where a state safety net, rather than market harshness, secures human lives.)

৩. অ্যারিস্টটল: যদিও তিনি বিভারিজ রিপোর্টের সময়কালে ছিলেন না, তার ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞান’ (Politics) গ্রন্থে একটি কল্যাণরাষ্ট্রের ধারণা কিছুটা পরোক্ষভাবে বিদ্যমান। তিনি বলেছেন, “রাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো নাগরিকদের ভালো জীবন নিশ্চিত করা, কেবল বেঁচে থাকা নয়।” (The aim of the state is to ensure a good life for its citizens, not just to exist.)

৪. জন লক: তিনি তার ‘সরকারের দুটি চুক্তি’ (Two Treatises of Government) গ্রন্থে সামাজিক চুক্তির (Social Contract) কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “সরকারের প্রধান কাজ হলো জনগণের জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির অধিকার রক্ষা করা।” বিভারিজ রিপোর্ট এই ধারণাকে সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেছে। (The main function of the government is to protect the people’s rights to life, liberty, and property.)

৫. হ্যারল্ড জে. লাস্কি: ব্রিটিশ এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বিভারিজ রিপোর্টের মতো সামাজিক নীতির সমর্থক ছিলেন। তিনি বলেছেন, “একটি গণতান্ত্রিক সমাজের ভিত্তি হলো সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতা, যা রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সম্ভব নয়।” (The foundation of a democratic society is social and economic equality, which is not possible without state intervention.)

৬. ডিমক ও ডিমক (Dimok and Dimok): তাদের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের উপর লেখা বইয়ে তারা বলেছেন, “বিভারিজ রিপোর্টের মতো কর্মসূচিগুলো জন প্রশাসনের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে, যেখানে প্রশাসন কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, বরং জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করে।” (Programs like the Beveridge Report open a new horizon for public administration, where the administration acts not just as an enforcer of laws, but as a servant of the people.)

৭. এল.ডি. হোয়াইট (L.D. White): তিনি তার “Introduction to the Study of Public Administration” বইয়ে বলেছেন, “বিভারিজ রিপোর্টের প্রস্তাবনাগুলো আধুনিক রাষ্ট্রকে একটি প্রশাসনিক কাঠামো প্রদান করে যা কেবল কর সংগ্রহ বা প্রতিরক্ষা নয়, বরং নাগরিকদের সামাজিক কল্যাণে নিবেদিত।” (The proposals of the Beveridge Report provide a modern state with an administrative framework dedicated not just to tax collection or defense, but to the social welfare of its citizens.)

উপরোক্ত সংজ্ঞা ও আলোচনার আলোকে আমরা বলতে পারি, বিভারিজ রিপোর্ট হলো এমন একটি ঐতিহাসিক পরিকল্পনা যা দারিদ্র্য ও সামাজিক অনিশ্চয়তা দূর করে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রস্তাব করে।

এই রিপোর্টের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের পাঁচটি মৌলিক ভয় দূর করা: অভাব, রোগ, অজ্ঞতা, মলিনতা এবং বেকারত্ব। এর প্রস্তাবনাগুলো ১৯৪৬ সালের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা (National Health Service – NHS) এবং অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরাসরি প্রভাব ফেলে, যা ব্রিটিশ সমাজে এক আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে।

উপসংহার: বিভারিজ রিপোর্ট ছিল শুধু একটি দলিল নয়, বরং ব্রিটিশ সমাজের জন্য এক নতুন আশার আলো। এটি মানব ইতিহাসের অন্যতম সফল সামাজিক সংস্কারের দৃষ্টান্ত। এই রিপোর্ট থেকে উদ্ভূত নীতিগুলো শুধু যুক্তরাজ্য নয়, সারা বিশ্বের অনেক দেশের কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। এর ফলে প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, বেকার ভাতা এবং পেনশন নিশ্চিত হয়েছে, যা একটি উন্নত ও মানবিক সমাজ গড়ার পথ খুলে দিয়েছে।

একনজরে উত্তর দেখুন

বিভারিজ রিপোর্ট হলো একটি ঐতিহাসিক দলিল যা দারিদ্র্য, রোগ ও বেকারত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করে।

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

এই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ সরকার জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা (NHS) চালু করে, যা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করে। ১৯৪৬ সালের জাতীয় বীমা আইনও (National Insurance Act) এই রিপোর্টের প্রস্তাবনার উপর ভিত্তি করে প্রণীত হয়। এই দুটি পদক্ষেপই ব্রিটেনের আধুনিক সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করে।

Tags: বিভারিজবিভারিজ রিপোর্টবিভারিজ রিপোর্ট কাকে বলে?বিভারিজ রিপোর্ট কি?বিভারিজ রিপোর্ট বলতে কি বুঝ?বিভারিজ রিপোর্টের সজ্ঞা দাও।
  • Previous ১৬০১ সালের দারিদ্র আইনের দুর্বল দিকগুলো লেখ।
  • Next ১৮৩৪ সালের দারিদ্র আইন সংস্কারের বৈশিষ্ট্যসমূহ লিখ।
Read Aim

SUBSCRIBE


    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1082)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1253)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    পাকিস্তানের গণতন্ত্রায়নের সমস্যা সমাধানের উপায় আলোচনা কর।
    ভারতে সংসদীয় গণতন্ত্রের সফলতার কারণগুলো ব্যাখ্যা কর।
    সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে নেপালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণসমূহ আলোচনা কর।
    পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM