• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- বিশ্বব্যাংকের কাঠামো ও কার্যাবলী আলোচনা কর। কেন বিশ্বব্যাংক সমালোচনার সম্মুখীন হয়?

উত্তর।।উপস্থাপনা: বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী ও সাহায্য সংস্থাসমূহের অবদান অত্যন্ত গভীর ও বহুমাত্রিক। স্বাধীনতা-উত্তর যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন থেকে শুরু করে আজকের ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই সংস্থাগুলো অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। দেশের সামাজিক রূপান্তর এবং রাজনৈতিক প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে তাদের বহুমুখী ভূমিকা ও প্রভাব নিচে মূল্যায়ন করা হলো।

১। অবকাঠামোগত উন্নয়ন: দাতাগোষ্ঠীগুলো বাংলাদেশের রাস্তাঘাট, সেতু, বন্দর এবং বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে ব্যাপক অর্থায়ন করে থাকে। এই ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন গ্রামীণ ও নগর জীবনের মধ্যকার অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করতে সাহায্য করেছে। যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতি গতিশীল হয়েছে এবং মানুষের সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তিই হলো এই শক্তিশালী অবকাঠামো।

২। শিক্ষার সম্প্রসারণ: সাহায্য সংস্থাগুলো প্রাথমিক ও নারী শিক্ষার প্রসারে দীর্ঘকাল ধরে সরকারকে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। এর ফলে দেশে সাক্ষরতার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষিত জনগোষ্ঠী নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠায় তা রাজনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। এই সচেতনতা দেশের নাগরিকদের সুস্থ রাজনৈতিক চর্চায় অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করে।

৩। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ: গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন, টিকাদান কর্মসূচি এবং পুষ্টিহীনতা দূরীকরণে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির মতো সংস্থাগুলোর অবদান অনস্বীকার্য। স্বাস্থ্য খাতের এই উন্নয়নের ফলে দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে এবং শিশু মৃত্যুর হার কমেছে। একটি সুস্থ ও সবল জনগোষ্ঠী দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে। স্বাস্থ্যবান নাগরিকরাই মূলত একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

৪। নারীর ক্ষমতায়ন: বাংলাদেশে জেন্ডার সমতা আনয়ন এবং নারীর সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে দাতাগোষ্ঠীগুলো নানা প্রকল্প পরিচালনা করে। তারা নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্রঋণ প্রদান এবং আইনি অধিকার সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। এর ফলে নারীরা এখন স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। নারীর এই সামাজিক উত্থান দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে।

৫। দারিদ্র্য বিমোচন: দাতাগোষ্ঠীর অর্থায়নে পরিচালিত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিগুলো দেশের চরম দারিদ্র্য দূরীকরণে দারুণ ভূমিকা রেখেছে। তারা বিভিন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলেছে। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নাগরিকরা রাজনৈতিকভাবে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হন। ফলে ভোটের বাজারে অর্থের অপব্যবহার হ্রাস পায় এবং রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।

৬। সুশাসন প্রতিষ্ঠা: সাহায্য সংস্থাগুলো বাংলাদেশে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর বিভিন্ন সময় ইতিবাচক চাপ সৃষ্টি করে। তারা দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অর্থায়ন করে। সুশাসন নিশ্চিত হলে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক কাঠামো শক্তিশালী হয় এবং জনগণের আস্থা বাড়ে। এর ফলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করার সুযোগ পায়।

৭। নির্বাচন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন: বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী ও আধুনিক করতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দিয়ে থাকে। ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে তারা অর্থায়ন করেছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা রাজনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত। এই সংস্থাগুলোর সহায়তার ফলে দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে।

৮। আইনি সংস্কার: বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং প্রচলিত আইনসমূহের আধুনিকায়নে দাতাগোষ্ঠীগুলো আইনি ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে। লিগ্যাল এইড বা সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করার পেছনেও তাদের বড় ভূমিকা রয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য আইনের শাসন ও বিচার প্রাপ্তি সহজ হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। এটি সমাজে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহনশীলতা ও নিয়মতান্ত্রিকতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

৯। কৃষি আধুনিকায়ন: দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য সংস্থাগুলো উন্নত বীজ, সার এবং আধুনিক সেচ প্রযুক্তির প্রসারে অর্থায়ন করে। কৃষি খাতের এই বৈপ্লবিক পরিবর্তন গ্রামীণ অর্থনীতিকে মজবুত করেছে এবং কৃষকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করেছে। সামাজিক এই পরিবর্তন গ্রামীণ সমাজকে রাজনৈতিকভাবে আরও সচেতন ও সংগঠিত হতে সাহায্য করেছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করায় দেশ রাজনৈতিকভাবেও আন্তর্জাতিক মহলে শক্তিশালী অবস্থান পায়।

১০। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে প্রশংসিত, যার পেছনে আন্তর্জাতিক সাহায্য রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসনে দাতাগোষ্ঠী বিপুল অর্থ ও প্রযুক্তি দিয়ে থাকে। এই দুর্যোগ স্থিতিস্থাপকতা দেশের সামাজিক কাঠামোকে ভেঙে পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে। সুরক্ষিত নাগরিক সমাজ স্বাভাবিকভাবেই একটি দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে অবদান রাখে।

১১। নাগরিক সমাজ গঠন: বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন নাগরিক সমাজ বা সিভিল সোসাইটি গড়ে তুলতে সাহায্য সংস্থাগুলো অর্থায়ন করে। বিভিন্ন এনজিও এবং থিংক-ট্যাংক প্রতিষ্ঠানগুলোর গবেষণামূলক কাজে তারা নিয়মিত অনুদান দিয়ে থাকে। এই নাগরিক সমাজ সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরে এবং গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে। এর ফলে দেশে একটি ভারসাম্যপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

১২। মানবাধিকার রক্ষা: আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং এর উন্নয়নে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে। সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় তারা সরকারকে বিভিন্ন পরামর্শ ও আর্থিক সহায়তা দেয়। মানবাধিকার রক্ষা পাওয়ার মাধ্যমে সমাজে সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পরমতসহিষ্ণুতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটায়।

১৩। প্রযুক্তিগত রূপান্তর: ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের যাত্রায় আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো আইসিটি খাতের উন্নয়নে বড় বিনিয়োগ করেছে। সরকারি সেবা ডিজিটালাইজেশন করার ফলে দুর্নীতি হ্রাস পেয়েছে এবং নাগরিক সেবা প্রাপ্তি অনেক সহজ হয়েছে। এই প্রযুক্তিগত রূপান্তর তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগে আরও সক্রিয় করে তুলেছে। ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

১৪। বিকেন্দ্রীকরণ জোরদার: স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা তথা ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদকে শক্তিশালী করতে দাতারা বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন সহজ হয়েছে। ক্ষমতার এই বিকেন্দ্রীকরণ তৃণমূল পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিকাশে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সাধারণ মানুষ সরাসরি স্থানীয় রাজনীতি ও শাসন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।

১৫। শরণার্থী সংকট মোকাবেলা: রোহিঙ্গা সংকটের মতো বিশাল মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী বাংলাদেশকে শুরু থেকেই বিশাল আর্থিক ও লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে। এই মানবিক সহায়তা না থাকলে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি, পরিবেশ ও সমাজ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটত। এই সংকট সামাল দেওয়ার ফলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা এবং ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। আন্তর্জাতিক সাহায্য এক্ষেত্রে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাল হিসেবে কাজ করেছে।

১৬। পরিবেশ সংরক্ষণ: বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে দাতারা পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে। বনায়ন, নদী দূষণ রোধ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে তারা পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থাকে কারিগরি জ্ঞান দিচ্ছে। টেকসই পরিবেশ সামাজিক জীবনের গুণগত মান বৃদ্ধি করে এবং সম্পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব কমায়। পরিবেশগত এই স্থিতিশীলতা পরোক্ষভাবে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে দীর্ঘস্থায়ী করে।

১৭। যুব উন্নয়ন: দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে সাহায্য সংস্থাগুলো কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় বিনিয়োগ করছে। বেকারত্ব দূরীকরণ এবং উদ্যোক্তা তৈরিতে তারা সহজ শর্তে ঋণ ও প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করে থাকে। দক্ষ ও কর্মসংস্থানমুখী তরুণ সমাজ কখনো রাজনৈতিক অপব্যবহার বা সহিংসতার শিকার সহজে হয় না। যুবকদের এই সামাজিক উন্নয়ন দেশের রাজনীতিতে মেধা ও সুস্থ ধারার চর্চা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

শেষকথা: পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের সামাজিক রূপান্তর এবং রাজনৈতিক প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী ও সাহায্য সংস্থাসমূহের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তবে বাহ্যিক এই সাহায্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কখনো কখনো দেশের নীতি নির্ধারণে সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। তাই জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রেখে নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দাতাগোষ্ঠীর সহায়তার সুষম ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

Tags: বিশ্বব্যাংক সমালোচনাবিশ্বব্যাংকের কাঠামোবিশ্বব্যাংকের কার্যাবলী
  • Previous বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে সামাজিক পরিবর্তন ও রাজনৈতিক উন্নয়নে আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী ও সাহায্য সংস্থাসমূহের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।
  • Next বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের কার্যক্রম আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1434)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    গণচীনের উন্নয়ন মডেল আলোচনা কর।
    জাপানের উন্নয়ন মডেল আলোচনা কর।
    ভারতের উন্নয়ন মডেল নিয়ে আলোচনা কর।
    উন্নয়ন মডেল বা কৌশলসমূহ বর্ণনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM