• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- ব্রিটেনে দি দলীয় ব্যবস্থার কারণ গুলো আলোচনা কর।

উত্তর::উপস্থাপনা: ব্রিটেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রধানত দুটি রাজনৈতিক দলের আধিপত্য বিদ্যমান। এই ব্যবস্থা, যা দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা নামে পরিচিত, দেশের শাসনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এটি একটি বিশেষ ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিবর্তনের ফসল, যার পেছনে রয়েছে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ। এই প্রবন্ধে আমরা সেই কারণগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

ব্রিটেনে দি দলীয় ব্যবস্থার কারণ:-

১। ঐতিহাসিক পটভূমি: ব্রিটেনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ঐতিহাসিক বিবর্তনের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে। সপ্তদশ শতকে হুইগ (Whig) এবং টোরি (Tory) নামে দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের উদ্ভব হয়। এই দুটি দলই পার্লামেন্টারি ব্যবস্থার কাঠামো তৈরি এবং বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সময়ের সাথে সাথে, এই দল দুটিই আধুনিক লিবারেল (Liberal) এবং কনজারভেটিভ (Conservative) দলে রূপান্তরিত হয়, যা পরবর্তীতে লেবার (Labour) দলের উত্থানের সাথে প্রতিযোগিতা করে। এই দীর্ঘকালীন ঐতিহ্যের ফলে মানুষের মনে একটি স্বাভাবিক ধারণা তৈরি হয়েছে যে, দুটি প্রধান দলই ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকবে। এটিই বর্তমান দ্বি-দলীয় ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছে।

২। প্রথম আসা-যাওয়ার নীতি: ব্রিটেনের নির্বাচনী ব্যবস্থায় “ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট” (First-Past-the-Post) বা প্রথম আসা-যাওয়ার নীতি প্রচলিত। এই পদ্ধতিতে, প্রতিটি আসনে যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি ভোট পান, তিনিই জয়ী হন, এমনকি যদি তার প্রাপ্ত ভোট মোট ভোটের অর্ধেকেরও কম হয়। এর ফলে ছোট দলগুলো প্রায়শই কোনো আসন জিততে পারে না, কারণ তাদের ভোট বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় ছড়িয়ে থাকে। এই ব্যবস্থা কার্যকরভাবে ছোট দলগুলোকে পার্লামেন্টে প্রবেশ করতে বাধা দেয় এবং ভোটারদের দুটি প্রধান দলের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে উৎসাহিত করে, যাতে তাদের ভোট নষ্ট না হয়।

৩। সংসদীয় ব্যবস্থা: ব্রিটিশ সংসদীয় ব্যবস্থা সরকারের গঠনকে সরলীকৃত করে। এখানে সরকার গঠন করতে হয় নিম্নকক্ষ (হাউস অফ কমন্স)-এর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে। এর ফলে, একটি দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সরকার গঠন সহজ হয় এবং জোট সরকারের জটিলতা এড়ানো যায়। যখন কোনো একটি দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে না, তখন সাধারণত দুটি প্রধান দলের একটি জোট গঠন করে, যা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। এই ব্যবস্থাটি দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখে এবং দুটি প্রধান দলকে ক্ষমতার লড়াইয়ে আটকে রাখে।

৪। ভোটারদের মানসিকতা: ব্রিটিশ ভোটারদের মধ্যে একটি বড় অংশ কৌশলগতভাবে ভোট দেয়। যেহেতু ছোট দলগুলোর জেতার সম্ভাবনা কম, অনেক ভোটার মনে করেন তাদের ভোট ছোট দলকে দেওয়া অর্থহীন। তাই তারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি দলের একটিকে ভোট দেন, যাতে তাদের ভোট কার্যকর হয়। এই মানসিকতাটি ভোটারদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত, যা দুটি প্রধান দলের ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে এবং অন্য দলগুলোর জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কঠিন করে তোলে।

৫। অর্থনৈতিক প্রভাব: একটি রাজনৈতিক দলকে সফলভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। প্রধান দলগুলো যেমন কনজারভেটিভ এবং লেবার, বড় বড় কর্পোরেশন, ট্রেড ইউনিয়ন এবং ধনী দাতাদের কাছ থেকে বিশাল অঙ্কের অনুদান পায়। এই অর্থনৈতিক সমর্থন ছোট দলগুলোর পক্ষে অর্জন করা প্রায় অসম্ভব। এর ফলে, ছোট দলগুলো পর্যাপ্ত প্রচার, গবেষণা বা সাংগঠনিক কাজ করতে পারে না, যা তাদের নির্বাচনী সফলতা অর্জনে বাধা দেয়। এটি প্রধান দুটি দলের আর্থিক আধিপত্যকে আরও সুদৃঢ় করে।

৬। গণমাধ্যমের মনোযোগ: ব্রিটিশ গণমাধ্যম, বিশেষ করে প্রধান টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্র, প্রধানত দুটি বড় দলকে নিয়েই তাদের প্রতিবেদন ও আলোচনা করে। প্রায়শই, বিতর্ক, সংবাদ সম্মেলন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণ শুধুমাত্র কনজারভেটিভ এবং লেবার পার্টির নেতাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এটি ছোট দলগুলোকে প্রচারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে এবং তাদের বার্তা জনসাধারণের কাছে পৌঁছাতে বাধা দেয়। এই গণমাধ্যমের আধিপত্যের কারণে ভোটাররা প্রধান দুটি দল সম্পর্কেই বেশি জানতে পারে।

৭। নির্বাচনী অর্থায়ন বিধি: ব্রিটেনে নির্বাচনী অর্থায়ন সংক্রান্ত কড়াকড়ি আইন রয়েছে। যদিও এই আইনগুলি স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য তৈরি, এটি ছোট দলগুলির জন্য অর্থ সংগ্রহ করা আরও কঠিন করে তোলে। বড় দলগুলির প্রতিষ্ঠিত নেটওয়ার্ক এবং সমর্থক গোষ্ঠী রয়েছে যা তাদের অর্থ সংগ্রহের কাজ সহজ করে তোলে। ছোট দলগুলিকে প্রায়শই বিভিন্ন আইনি জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়, যা তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতিকে দুর্বল করে দেয়।

৮। সাংগঠনিক কাঠামো: কনজারভেটিভ এবং লেবার পার্টির মতো বড় দলগুলোর দেশজুড়ে বিস্তৃত এবং শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে। তাদের স্থানীয় শাখা, কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে, যা নির্বাচনের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সুসংগঠিত কাঠামো তাদের নির্বাচনী প্রচার, ভোটারদের তালিকা তৈরি এবং ভোটদানে উৎসাহিত করার কাজে সহায়তা করে। ছোট দলগুলোর এই ধরনের শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো নেই, যা তাদের সাফল্যের পথে একটি বড় বাধা।

৯। সরকার গঠনের সহজতা: দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। যেহেতু একটি দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তারা একটি স্থিতিশীল সরকার গঠন করতে পারে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এটি জনগণের কাছে একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর শাসনব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেয়। অন্যদিকে, বহু-দলীয় ব্যবস্থায় প্রায়শই জোট সরকার গঠিত হয়, যা অনেক সময় রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে এবং নীতি নির্ধারণে বিলম্ব ঘটায়। এই স্থিতিশীলতার ধারণা ভোটারদের আকর্ষণ করে।

১০। সরকারের ধারাবাহিকতা: একটি দ্বি-দলীয় ব্যবস্থায় সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম থাকে। যখন একটি দল ক্ষমতায় আসে, তারা সাধারণত পূর্ববর্তী সরকারের কিছু নীতি অনুসরণ করে বা ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনে। এর ফলে, প্রশাসনিক এবং অর্থনৈতিক নীতিতে একটি ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। এই ধারাবাহিকতা দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের জন্য উপকারী হতে পারে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ায়। ভোটাররাও একটি স্থিতিশীল ও ধারাবাহিক সরকার পছন্দ করে।

১১। সংসদের কার্যকারিতা: দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা ব্রিটিশ সংসদের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করে তোলে। যেহেতু সরকার এবং বিরোধী দল সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত, তাই বিতর্ক এবং আলোচনায় একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকে। সরকার তাদের নীতিগুলো সহজেই পাস করাতে পারে এবং বিরোধী দল একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করে। এটি সংসদীয় কার্যক্রমকে মসৃণ ও কার্যকর রাখে।

১২। দলীয় আনুগত্য: ব্রিটিশ সংসদ সদস্য (MP)-দের মধ্যে দলীয় আনুগত্য অত্যন্ত শক্তিশালী। দলের হুইপ (Whip) ব্যবস্থা নিশ্চিত করে যে সদস্যরা দলের সিদ্ধান্তের প্রতি অনুগত থাকেন এবং দলের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোট দেন। এই দলীয় আনুগত্যের কারণে দুটি প্রধান দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঐক্য বজায় থাকে, যা তাদের পার্লামেন্টে আরও শক্তিশালী করে তোলে। ছোট দলগুলোর মধ্যে অনেক সময় এই ধরনের শক্তিশালী আনুগত্য দেখা যায় না।

১৩। নেতৃত্বের সুস্পষ্টতা: দ্বি-দলীয় ব্যবস্থায় ভোটারদের জন্য নেতৃত্বের পছন্দ স্পষ্ট। ভোটাররা সহজেই দুটি প্রধান দলের নেতাকে তুলনা করতে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি ভোটারদের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণকে সহজ করে তোলে। ছোট দলগুলোর নেতৃত্বের পরিচিতি কম থাকায় ভোটাররা তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয় না।

১৪। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: একটি দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। যেহেতু সরকার গঠনে জোটের প্রয়োজন হয় না, তাই রাজনৈতিক সংকট ও জোট ভাঙার ঝুঁকি কম থাকে। এটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই স্থিতিশীলতা ভোটারদের নিরাপত্তা বোধ দেয় এবং তারা এমন একটি ব্যবস্থা পছন্দ করে যেখানে সরকার পরিবর্তন হলেও দেশ পরিচালনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

১৫। বিরোধী দলের ভূমিকা: দ্বি-দলীয় ব্যবস্থায় বিরোধী দল (Her Majesty’s Loyal Opposition) একটি শক্তিশালী এবং গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে। তারা সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে এবং তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করে। বিরোধী দল একটি বিকল্প সরকার হিসেবে কাজ করে এবং পরবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার জন্য প্রস্তুত থাকে। এই ব্যবস্থাটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে।

১৬। ক্যাবিনেট ব্যবস্থার প্রভাব: ব্রিটিশ সরকারে ক্যাবিনেট ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী। প্রধানমন্ত্রী এবং তার ক্যাবিনেট সদস্যরা নীতি নির্ধারণ এবং দেশ পরিচালনায় চূড়ান্ত ক্ষমতা রাখেন। এই ব্যবস্থাটি দলীয় নেতৃত্বের ক্ষমতাকে আরও কেন্দ্রীভূত করে, যা দুটি প্রধান দলের মধ্যে শক্তিশালী নেতৃত্ব সৃষ্টি করে। ছোট দলগুলোর পক্ষে এমন শক্তিশালী ক্যাবিনেট ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

১৭। ঐতিহ্যগত বিশ্বাস: ব্রিটিশ জনগণের মধ্যে দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রতি একটি গভীর ঐতিহ্যগত বিশ্বাস রয়েছে। তারা মনে করে যে দুটি প্রধান দলই দেশের নেতৃত্ব দিতে সবচেয়ে উপযুক্ত। এই ঐতিহ্যগত বিশ্বাস প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এবং এটি দ্বি-দলীয় ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করেছে।

১৮। নির্বাচনী প্রচারাভিযান: নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় প্রধান দলগুলো তাদের বার্তা সহজে প্রচার করতে পারে। তাদের কাছে প্রচুর সম্পদ এবং জনবল থাকে, যা তাদের বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয়। ছোট দলগুলো প্রায়শই এই ধরনের বিস্তৃত প্রচারাভিযান চালাতে পারে না, যা তাদের নির্বাচনী ফলাফলকে প্রভাবিত করে।

১৯। রাজনীতির সরলীকরণ: দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা রাজনীতিকে সহজ করে তোলে। ভোটারদের দুটি প্রধান আদর্শিক বিকল্পের মধ্যে একটি বেছে নিতে হয়: সাধারণত বামপন্থী (লেবার) এবং ডানপন্থী (কনজারভেটিভ)। এই সরলীকরণ ভোটারদের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণকে সহজ করে তোলে এবং রাজনৈতিক বিতর্কে অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে।

উপসংহার: ব্রিটেনের দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা একটি জটিল কিন্তু স্থিতিশীল রাজনৈতিক কাঠামোর ফল। ঐতিহাসিক পটভূমি থেকে শুরু করে বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থা, গণমাধ্যমের প্রভাব, এবং ভোটারদের মানসিকতা—সবকিছুই এই ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে। যদিও এর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেমন ছোট দলগুলোর প্রতিনিধিত্বের অভাব, তবে এটি ব্রিটেনের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করেছে, যা দেশটির গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে।

একনজরে উত্তর দেখুন

১. 📜 ঐতিহাসিক পটভূমি: হুইগ এবং টোরি দলের ঐতিহ্যবাহী বিভাজন যা বর্তমানের কনজারভেটিভ এবং লেবার পার্টির ভিত্তি।

২. 🗳️ প্রথম আসা-যাওয়ার নীতি: ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট নির্বাচনী ব্যবস্থা, যা ছোট দলগুলোকে আসন জেতা থেকে বিরত রাখে।

৩. 🏛️ সংসদীয় ব্যবস্থা: সংখ্যাগরিষ্ঠ দল কর্তৃক সরকার গঠনের সহজতা এবং জোট সরকারের জটিলতা এড়ানো।

৪. 🧠 ভোটারদের মানসিকতা: কৌশলগত ভোটদান যেখানে ভোটাররা দুটি প্রধান দলের একটিকে ভোট দেয় যাতে তাদের ভোট কার্যকর হয়।

৫. 💰 অর্থনৈতিক প্রভাব: বড় দলের বিশাল আর্থিক অনুদান এবং সম্পদ, যা ছোট দলের জন্য অপ্রাপ্য।

৬. 📰 গণমাধ্যমের মনোযোগ: মূলধারার মিডিয়াতে কেবল দুটি প্রধান দলের নেতাদের গুরুত্ব দেওয়া।

৭. ⚖️ নির্বাচনী অর্থায়ন বিধি: অর্থ সংগ্রহে বড় দলগুলোর সুবিধা এবং ছোট দলগুলোর জন্য আইনি জটিলতা।

৮. 🏢 সাংগঠনিক কাঠামো: প্রধান দলগুলোর দেশব্যাপী শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও কর্মী বাহিনী।

৯. 👨‍⚖️ সরকার গঠনের সহজতা: একক দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দ্রুত ও স্থিতিশীল সরকার গঠন।

১০. ➡️ সরকারের ধারাবাহিকতা: নীতি ও প্রশাসনে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা যা দেশের উন্নয়নে সহায়ক।

১১. 🗣️ সংসদের কার্যকারিতা: সরকার ও বিরোধী দলের স্পষ্ট ভূমিকা যা সংসদীয় কার্যক্রমকে মসৃণ করে।

১২. 🤝 দলীয় আনুগত্য: দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সদস্যদের কঠোর আনুগত্য যা ঐক্য বজায় রাখে।

১৩. 👑 নেতৃত্বের সুস্পষ্টতা: ভোটারদের জন্য দুটি প্রধান দলের নেতার মধ্যে তুলনা করা সহজ।

১৪. 🛡️ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: জোট সরকারের অস্থিতিশীলতা এড়িয়ে একটি সুদৃঢ় রাজনৈতিক কাঠামো।

১৫. 👥 বিরোধী দলের ভূমিকা: শক্তিশালী এবং গঠনমূলক বিরোধী দল, যা সরকারকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে।

১৬. 💼 ক্যাবিনেট ব্যবস্থার প্রভাব: প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণ এবং শক্তিশালী নেতৃত্বের সৃষ্টি।

১৭. ✨ ঐতিহ্যগত বিশ্বাস: দুটি প্রধান দলের প্রতি জনগণের গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী বিশ্বাস।

১৮. 📢 নির্বাচনী প্রচারাভিযান: প্রধান দলগুলোর বিস্তৃত ও কার্যকরী প্রচারণার সুযোগ।

১৯. 💡 রাজনীতির সরলীকরণ: বাম ও ডানপন্থী দুটি আদর্শিক বিকল্পের সহজ নির্বাচন।

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১৯ শতকের মাঝামাঝি থেকে ব্রিটিশ রাজনীতিতে দুটি প্রধান দলের আধিপত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ১৮৩২ সালের প্রথম সংস্কার আইন (First Reform Act) এর পর থেকে রাজনৈতিক ব্যবস্থা ধীরে ধীরে হুইগ-টোরি থেকে লিবারেল-কনজারভেটিভের দিকে মোড় নেয়। ১৯২০ এর দশকে, শ্রমিক শ্রেণি ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোর সমর্থন নিয়ে লেবার পার্টি দ্রুত উত্থান ঘটায় এবং লিবারেল পার্টিকে প্রতিস্থাপন করে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৪৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টির ভূমিধস বিজয় ছিল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা, যা ব্রিটেনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে চিরতরে পরিবর্তন করে দেয়। ২০১৯ সালের একটি জরিপ অনুযায়ী, ব্রিটেনের প্রায় ৮০% ভোটার কনজারভেটিভ বা লেবার পার্টির পক্ষে ভোট দিয়েছেন, যা দ্বি-দলীয় ব্যবস্থার শক্তিশালী জনপ্রিয়তার প্রমাণ। এই ঐতিহাসিক ঘটনা ও পরিসংখ্যানগুলো প্রমাণ করে যে, ব্রিটেনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা কতটা গভীরভাবে প্রোথিত।

Tags: ব্রিটেনব্রিটেনে দি দলীয় ব্যবস্থাব্রিটেনে দি দলীয় ব্যবস্থার কারণ
  • Previous “ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সার্বভৌম”-  আলোচনা কর।
  • Next আইনের অনুশাসন সম্পর্কে ডাইসির ধারণা সমালোচনা সহ ব্যাখ্যা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1623)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়নে রাজনৈতিক জোটের ভূমিকা আলোচনা কর।
    রাজনৈতিক জোটের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
    জোট রাজনীতির পক্ষে বিপক্ষে তোমার যুক্তি উপস্থাপন কর।
    বাংলাদেশে জোটবদ্ধ রাজনীতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তোমার ধারণা দাও।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM