• Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
    • Home
    • Class 0-12
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
  • mdreadaim@gmail.com
  • Read at Home
Login > Register
Read Aim
Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • readaim.com
  • 0
১৯৭২ সালের সংবিধানের প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ আলোচনা কর।

প্রশ্ন:- ১৯৭২ সালের সংবিধানের প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ আলোচনা কর।

উত্তর।।সূচনা: ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধান, যা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মৌলিক আইন, শুধু একটি রাষ্ট্রকাঠামোই নয় বরং জনগণের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় এক বলিষ্ঠ প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার স্বপ্নকে ধারণ করে প্রণীত এই সংবিধান নাগরিকদের জন্য এমন সব অধিকারের নিশ্চয়তা দিয়েছিল, যা তাদের মানবিক মর্যাদা, স্বাধীনতা ও বিকাশের জন্য অপরিহার্য। এই অধিকারগুলো ছিল সদ্য স্বাধীন একটি জাতির জন্য গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের ভিত্তি, যা রাষ্ট্রকে তার নাগরিকদের প্রতি দায়বদ্ধ করে তোলে।

১৯৭২ সালের সংবিধানের প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ:

১। আইনের দৃষ্টিতে সমতা: ১৯৭২ সালের সংবিধানে বলা হয়েছে যে, আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। এর অর্থ হলো, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা জন্মস্থান নির্বিশেষে সকল নাগরিকের প্রতি আইন সমানভাবে প্রযোজ্য হবে এবং কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এই বিধানের মাধ্যমে বৈষম্য দূর করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার করা হয়েছিল, যা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মূল ভিত্তি।

২। আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার: সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করেছে। এর মানে হলো, কোনো নাগরিকের অধিকার ক্ষুণ্ণ হলে বা তার বিরুদ্ধে কোনো অন্যায় করা হলে সে আদালতের শরণাপন্ন হতে পারবে এবং বিচার চাইতে পারবে। এই অধিকার নাগরিকের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় এবং রাষ্ট্রকে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ করে তোলে।

৩। জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার: সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর অর্থ হলো, আইনসম্মত প্রক্রিয়া ছাড়া কোনো ব্যক্তির জীবন বা স্বাধীনতা হরণ করা যাবে না। এই অধিকার ব্যক্তি সুরক্ষার চূড়ান্ত নিশ্চয়তা প্রদান করে এবং arbitrary গ্রেফতার বা আটক থেকে নাগরিকদের রক্ষা করে, যা একটি সভ্য সমাজের মৌলিক শর্ত।

৪। গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ: সংবিধানে গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে কিছু রক্ষাকবচ প্রদান করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হলে তাকে দ্রুত গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে এবং আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করার সুযোগ দিতে হবে। এছাড়াও, গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে। এই বিধানগুলো নাগরিকদের arbitrary আটক থেকে রক্ষা করে এবং আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলার বাধ্যবাধকতা তৈরি করে।

৫। জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ: ১৯৭২ সালের সংবিধান সকল প্রকার জবরদস্তি শ্রম বা বাধ্যতামূলক শ্রমকে নিষিদ্ধ করেছে। এর অর্থ হলো, কোনো ব্যক্তিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ করতে বাধ্য করা যাবে না। এই বিধান দাসত্ব ও শোষণের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ অবস্থান নিয়েছিল এবং শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করেছিল, যা একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজের জন্য অপরিহার্য।

৬। বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষাকবচ: সংবিধানে বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে বিভিন্ন রক্ষাকবচ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, একই অপরাধের জন্য একাধিকবার বিচার না করা, কার্যকরণোত্তর দণ্ড (Ex-post facto law) থেকে সুরক্ষা এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার। এই বিধানগুলো নাগরিকের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে, যা বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখে।

৭। চলাফেরার স্বাধীনতা: সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে বাংলাদেশের যে কোনো স্থানে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করা, বসবাস করা এবং দেশ ত্যাগ করার অধিকার দিয়েছে। এই অধিকার মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রতীক এবং স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের সুযোগ তৈরি করে। তবে, জনস্বার্থে এই অধিকারে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

৮। সমাবেশের স্বাধীনতা: সংবিধানে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এই অধিকার নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে তাদের মতামত প্রকাশ এবং দাবি উত্থাপনের সুযোগ দেয়। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি অপরিহার্য অংশ, তবে জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের প্রয়োজনে এই অধিকারে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

৯। সংগঠনের স্বাধীনতা: প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সমিতি বা সংঘ গঠনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের স্বার্থ রক্ষার্থে বা মতামত প্রকাশের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা পেশাজীবী সংগঠন তৈরি করতে পারে। এই অধিকার গণতান্ত্রিক সমাজের বহুমুখীতাকে উৎসাহিত করে, তবে এর সীমাও আইন দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে।

১০। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতা: সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করেছে। এর অর্থ হলো, নাগরিকরা স্বাধীনভাবে তাদের মতামত, বিশ্বাস ও চিন্তাভাবনা প্রকাশ করতে পারবে। এই অধিকার গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা বা মানহানি থেকে রক্ষার জন্য এই অধিকারে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

১১। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা: সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে যেকোনো আইনসঙ্গত পেশা বা বৃত্তি অবলম্বনের অধিকার দিয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের পছন্দের কাজ বেছে নিতে পারবে এবং জীবিকা নির্বাহের স্বাধীনতা লাভ করবে। এটি অর্থনৈতিক স্বাধীনতার একটি অংশ এবং প্রতিটি ব্যক্তির আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করে।

১২। ধর্মীয় স্বাধীনতা: সংবিধানে সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি নাগরিকের নিজ ধর্ম পালন করার, প্রচার করার এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র কোনো বিশেষ ধর্মকে পৃষ্ঠপোষকতা করবে না এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে সমান অধিকার ভোগ করবে। এই বিধান ধর্মনিরপেক্ষতার মূলনীতিকে প্রতিষ্ঠিত করে।

১৩। সম্পত্তির অধিকার: সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে সম্পত্তির অধিকার প্রদান করেছে। আইনসম্মত প্রক্রিয়া ছাড়া কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে তাকে বঞ্চিত করা যাবে না। এই অধিকার ব্যক্তির অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তবে জনস্বার্থে আইন দ্বারা যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

১৪। গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ: সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিকের গৃহ ও যোগাযোগের গোপনীয়তা রক্ষা করার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, আইনসম্মত প্রক্রিয়া ছাড়া কোনো ব্যক্তির গৃহে প্রবেশ করা যাবে না বা তার ব্যক্তিগত যোগাযোগে হস্তক্ষেপ করা যাবে না। এই অধিকার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়।

১৫। মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ: সংবিধানে বলা হয়েছে যে, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদনের মাধ্যমে তার প্রতিকার চাওয়া যাবে। এই বিধান মৌলিক অধিকারের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করে এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় বিচার বিভাগের ভূমিকা শক্তিশালী করে। এটি নাগরিকের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।

১৬। মৌলিক অধিকার ও জাতীয়তাবাদ: সংবিধানে বাঙালি জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হলেও, মৌলিক অধিকারের মাধ্যমে সকল নাগরিকের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল, যা জাতীয়তাবাদী চেতনার মধ্যেও সকল মানুষের অন্তর্ভুক্তির বার্তা দেয়।

১৭। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মের স্বাধীনতা: সংবিধানে বলা হয়েছে যে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে কোনো শিক্ষার্থীকে বাধ্য করা যাবে না, যদি না সে বা তার অভিভাবক তাতে সম্মতি দেন। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্মীয় স্বাধীনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

১৮। সম-বেতন ও সম-অধিকার: যদিও সরাসরি মৌলিক অধিকারের অংশ নয়, তবুও সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে (অনুচ্ছেদ ১৫ ও ১৬) নারী-পুরুষের সমতা, সম-কাজে সম-বেতন এবং অন্যান্য সামাজিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে, যা মৌলিক অধিকারের পরিপূরক।

১৯। সংবিধানের প্রাধান্য: সংবিধানের মৌলিক অধিকারগুলো রাষ্ট্রের সকল আইনের ঊর্ধ্বে স্থান পেয়েছে। কোনো আইন যদি মৌলিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবে সেই আইন বাতিল বলে গণ্য হবে। এটি সংবিধানের প্রাধান্য এবং মৌলিক অধিকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব নিশ্চিত করে।

২০। জনগণের জন্য সংবিধান: ১৯৭২ সালের সংবিধান ছিল মূলত জনগণের জন্য প্রণীত একটি সংবিধান। এর প্রতিটি অনুচ্ছেদ ও ধারা জনগণের অধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বিক কল্যাণের উপর জোর দিয়েছিল, যা একটি কল্যাণমুখী ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করে।

উপসংহার: ১৯৭২ সালের সংবিধান বাংলাদেশের জনগণের জন্য এক বিস্তৃত পরিসরের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দিয়েছিল, যা একটি সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য ছিল এক বিপ্লবী পদক্ষেপ। আইনের দৃষ্টিতে সমতা, জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং বিচার পাওয়ার অধিকারের মতো বিষয়গুলো এই সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে এটি গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের এক মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছিল। যদিও সময়ের পরিক্রমায় এই অধিকারগুলোর প্রয়োগে কিছু সীমাবদ্ধতা দেখা গেছে, তবুও এই সংবিধান বাঙালির অধিকার সচেতনতা এবং একটি প্রগতিশীল রাষ্ট্রের স্বপ্নকে চিরকাল বাঁচিয়ে রেখেছে।

একনজরে উত্তর দেখুন

১। ⚖️ আইনের দৃষ্টিতে সমতা
২। 🏛️ আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
৩। 🕊️ জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার
৪। 👮 গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
৫। 🚫 জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ
৬। 📜 বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষাকবচ
৭। 🚶‍♀️ চলাফেরার স্বাধীনতা
৮। 👥 সমাবেশের স্বাধীনতা
৯। 🤝 সংগঠনের স্বাধীনতা
১০। 🗣️ চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতা
১১। 💼 পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
১২। 🕌 ধর্মীয় স্বাধীনতা
১৩। 🏡 সম্পত্তির অধিকার
১৪। 🏠 গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
১৫। ⚖️ মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
১৬। 🇧🇩 মৌলিক অধিকার ও জাতীয়তাবাদ
১৭। 🏫 শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মের স্বাধীনতা
১৮। 👫 সম-বেতন ও সম-অধিকার
১৯। 👑 সংবিধানের প্রাধান্য
২০। 👨‍👩‍👧‍👦 জনগণের জন্য সংবিধান

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১৯৭২ সালের সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ তারিখে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়। এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৭) মৌলিক অধিকারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এটি ছিল বিশ্বের অন্যতম দ্রুত প্রণীত সংবিধান। ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদ এই চারটি মূলনীতি সংবিধানে স্থান পায়, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রতিফলিত করে। সংবিধানে ১৮ বছর বয়সের সকল নাগরিককে ভোটাধিকার প্রদান করা হয়, যা সার্বজনীন ভোটাধিকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

Tags: ১৯৭২ মৌলিক অধিকারসমূহ১৯৭২ সালের সংবিধানের প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ
  • Previous It’s not cancer! Causes of unpleasant mouth odor?
  • Next ১৯৭২ সংবিধানের বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE


    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1082)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1253)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    পাকিস্তানের গণতন্ত্রায়নের সমস্যা সমাধানের উপায় আলোচনা কর।
    ভারতে সংসদীয় গণতন্ত্রের সফলতার কারণগুলো ব্যাখ্যা কর।
    সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে নেপালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণসমূহ আলোচনা কর।
    পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM