• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের মাধ্যমসমূহ বর্ণনা কর।

উত্তর।।উপস্থাপনা: রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ হলো এমন একটি চলমান প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ব্যক্তি সমাজের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, মূল্যবোধ, আদর্শ এবং বিশ্বাস নিজের মধ্যে ধারণ করে। এটি নাগরিককে রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত ও সচেতন করে তোলে। রাজনৈতিক দল, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম এই রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।

রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের মাধ্যমসমূহ: 

১। পরিবার: মানুষের জীবনের প্রথম ও প্রধান পাঠশালা হলো তার পরিবার। শৈশবে পিতা-মাতা এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের আচরণ ও কথোপকথন থেকে শিশু রাষ্ট্রের প্রতি প্রাথমিক ধারণা লাভ করে। পরিবারের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, আলোচনা এবং মূল্যবোধ শিশুর অবচেতন মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। মূলত পারিবারিক পরিবেশ থেকেই একজন মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা এবং নাগরিক গুণাবলীর ভিত্তি গড়ে ওঠে।

২। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের একটি অন্যতম আনুষ্ঠানিক ও শক্তিশালী মাধ্যম। পাঠ্যপুস্তকের ইতিহাস, নাগরিক অধিকার এবং দেশপ্রেমের অধ্যায়গুলো শিক্ষার্থীদের মনে রাজনৈতিক চেতনার জন্ম দেয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সহপাঠী এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরমতসহিষ্ণুতা ও নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন করে। প্রাতিষ্ঠানিক এই শিক্ষাই তরুণ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে থাকে।

৩। গণমাধ্যম: বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রাজনৈতিক সামাজিকীকরণে বিশাল ভূমিকা রাখছে। গণমাধ্যমের পরিবেশিত খবর, টকশো এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণ দেখে সাধারণ মানুষ দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারে। এর ফলে জনগণের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক সচেতনতা ও নিজস্ব মতামত তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়। জনমত গঠনে এবং সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনায় গণমাধ্যম সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

৪। রাজনৈতিক দল: রাজনৈতিক দলগুলো সরাসরি জনগণকে রাজনৈতিক শিক্ষায় দীক্ষিত করার কাজ করে থাকে। দলীয় আদর্শ, সভা-সমাবেশ, কর্মশালা, ইশতেহার এবং আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষকে নিজেদের পক্ষে টানার চেষ্টা করে। এসব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার ফলে জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণ বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। রাজনৈতিক দলগুলো নাগরিকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় করে তোলে।

৫। খেলার সাথি: শৈশব ও কৈশোরে খেলার সাথি বা বন্ধুদের দল মানুষের আচরণ গঠনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আড্ডা ও আলোচনার মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীরা পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার শিক্ষা পায়। দলের মধ্যে নিজের অবস্থান তৈরি এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া তাদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক আচরণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। সমবয়সীদের এই মানসিক প্রভাব মানুষের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে নীরবে কাজ করে যায়।

৬। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা প্যাগোডার মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে সাহায্য করে। ধর্মীয় নেতারা প্রায়শই তাদের আলোচনায় ন্যায়বিচার, সততা এবং আনুগত্যের মতো রাজনৈতিক সংস্কৃতির মৌলিক বিষয়গুলো তুলে ধরেন। ধর্মীয় অনুশাসন মানুষের রাজনৈতিক আচরণ, সততা ও রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে পরোক্ষভাবে অনুপ্রাণিত করে। অনেক সময় ধর্মীয় চেতনা দেশের রাজনৈতিক আন্দোলন বা দলের আদর্শ নির্ধারণেও গভীর প্রভাব ফেলে।

৭। রাষ্ট্রীয় আইন: রাষ্ট্রের সংবিধান, প্রচলিত আইনকানুন এবং বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের রাজনৈতিক সামাজিকীকরণকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকারের উপস্থিতি জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা ও আনুগত্য সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রীয় আইন ও নিয়মনীতি মেনে চলার মাধ্যমে নাগরিকরা একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হয়ে ওঠে। রাষ্ট্র যখন নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করে, তখন নাগরিকদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও দায়িত্ববোধ শতভাগ বৃদ্ধি পায়।

৮। পেশাজীবী সংগঠন: শিক্ষক সমিতি, আইনজীবী সমিতি, চিকিৎসক বা শ্রমিক সংগঠনগুলো রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সংগঠনগুলো তাদের পেশাগত অধিকার আদায়ের পাশাপাশি দেশের সার্বিক রাজনীতি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা ও আন্দোলন করে থাকে। পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সদস্যরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং নেতৃত্বের কলাকৌশল সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান লাভ করে। এই অভিজ্ঞতা তাদের জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

৯। সামাজিক উৎসব: বিভিন্ন জাতীয় ও সামাজিক উৎসব যেমন স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস কিংবা পয়লা বৈশাখ মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করে। এসব উৎসব উদযাপনের মাধ্যমে নাগরিকরা দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং রাজনৈতিক সংগ্রামের গৌরবময় অতীত সম্পর্কে জানতে পারে। জাতীয় উৎসবগুলো সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে একতাবদ্ধ করে এবং তাদের মধ্যে গভীর রাজনৈতিক সংহতি গড়ে তোলে। এটি নাগরিকদের মনে রাষ্ট্রের প্রতি মমত্ববোধ এবং দায়িত্বশীলতা সৃষ্টিতে দারুণ ভূমিকা রাখে।

১০। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল: বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং বিভিন্ন বিশ্ব সংস্থা মানুষের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করছে। জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ঘটনার প্রভাব সরাসরি আমাদের দেশীয় রাজনীতি ও সমাজ ব্যবস্থার ওপর এসে পড়ে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যান্য দেশের রাজনৈতিক অধিকার ও আন্দোলনের খবর তরুণ সমাজকে ব্যাপকভাবে আলোড়িত করে। আন্তর্জাতিক এই যোগাযোগ ও জ্ঞান মানুষের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেক বেশি উদার ও আধুনিক করে তোলে।

১১। নেতৃত্ব: সমাজের প্রভাবশালী ও সৎ রাজনৈতিক নেতাদের আদর্শিক ব্যক্তিত্ব সাধারণ মানুষকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করে। মহান নেতাদের ভাষণ, জীবনসংগ্রাম এবং দেশপ্রেম দেখে মানুষ তাদের রাজনৈতিক আদর্শকে নিজের জীবনে গ্রহণ করে। অনুসারীরা প্রিয় নেতার পথ অনুসরণ করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয় এবং দেশের কল্যাণে কাজ করে। যোগ্য নেতৃত্ব এভাবে সাধারণ জনসমষ্টিকে একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ ও সামাজিকীকরণ করতে পারে।

১২। সাহিত্য-সংস্কৃতি: গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক এবং চলচ্চিত্র মানুষের মনোজগতকে গভীরভাবে নাড়া দিতে সক্ষম। প্রগতিশীল সাহিত্য ও সংস্কৃতি সবসময় শোষণের বিরুদ্ধে এবং অধিকার আদায়ের পক্ষে জনগণকে সচেতন করে তোলে। রাজনৈতিক উপন্যাস বা ঐতিহাসিক নাটক পড়ে তরুণ সমাজ দেশের অতীত রাজনৈতিক সংগ্রাম ও বীরত্বগাথা সম্পর্কে জানতে পারে। এই সাংস্কৃতিক চেতনা নাগরিকদের মনের সংকীর্ণতা দূর করে প্রগতিশীল রাজনৈতিক আদর্শ গঠনে সাহায্য করে।

১৩। অর্থনৈতিক অবস্থা: একজন মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থান বা সামাজিক শ্রেণি তার রাজনৈতিক চিন্তাভাবনাকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করে। ধনী, মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণির মানুষের রাজনৈতিক চাওয়া-পাওয়া এবং দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির হয়ে থাকে। অর্থনৈতিক সংকট, বেকারত্ব কিংবা মুদ্রাস্ফীতির মতো বিষয়গুলো মানুষকে সরকারের নীতি ও রাজনীতি সম্পর্কে ভাবতে বাধ্য করে। নিজের অধিকার রক্ষায় এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষে মানুষ নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি ধাবিত হয়।

১৪। বেসরকারি সংস্থা: বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বা এনজিও গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। তারা মানবাধিকার, নারী অধিকার, ভোটাধিকার এবং স্থানীয় সরকার সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা তৃণমূল পর্যায়ের মানুষকে নিজেদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার এবং সংগঠিত হতে শেখায়। এই ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুন্নত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সামাজিকীকরণে দারুণ ভূমিকা পালন করে।

১৫। পাড়া-মহল্লা: মানুষ যে স্থানীয় সমাজ বা পাড়া-মহল্লায় বসবাস করে, সেখান থেকেও রাজনৈতিক শিক্ষা লাভ করে। স্থানীয় ক্লাবের কর্মকাণ্ড, শালিস বৈঠক এবং আঞ্চলিক নানা সমস্যা সমাধানে মানুষের অংশগ্রহণ রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়ায়। প্রতিবেশীদের রাজনৈতিক মতামত ও আলোচনা একজন ব্যক্তির রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব ফেলে। স্থানীয় পর্যায়ের এই সামাজিক মিথস্ক্রিয়া নাগরিককে বৃহত্তর রাষ্ট্রীয় রাজনীতির জন্য তৈরি হতে সাহায্য করে।

১৬। ইন্টারনেট: আধুনিক যুগে ইন্টারনেট ও অনলাইন পোর্টালগুলো রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের সবচেয়ে দ্রুততম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। মানুষ এখন ঘরে বসেই বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্লগ, ই-বুক এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রাজনৈতিক তত্ত্ব ও তথ্য জানতে পারছে। ইন্টারনেটের মুক্ত প্রবাহের কারণে নাগরিকরা খুব সহজেই যেকোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ভালো-মন্দ দিক মূল্যায়ন করতে পারে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বর্তমান প্রজন্মের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা ও মতামত প্রকাশের ধরন আমূল বদলে দিয়েছে।

১৭। নির্বাচন ব্যবস্থা: দেশের সামগ্রিক নির্বাচন ব্যবস্থা এবং ভোট প্রদানের প্রক্রিয়া নাগরিকদের সরাসরি রাজনীতিতে অংশ নিতে শেখায়। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচার-প্রচারণা, লিফলেট এবং নির্বাচনী ইশতেহারের মাধ্যমে জনগণ রাজনৈতিক জ্ঞান লাভ করে। নিজের মূল্যবান ভোটটি দেওয়ার মাধ্যমে নাগরিকরা রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় নিজেদের অংশীদারিত্ব সরাসরি অনুভব করতে পারে। এই নির্বাচনী অভিজ্ঞতা জনগণের রাজনৈতিক অধিকার বোধ ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে অনেক বেশি শক্তিশালী করে।

১৮। চাকরি ক্ষেত্র: সরকারি বা বেসরকারি বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রের পরিবেশও মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়াতে বিশেষভাবে কাজ করে। অফিসের নিয়মকানুন, পদোন্নতির নীতি এবং সহকর্মীদের সাথে বৈচিত্র্যময় আলোচনা মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করে। কর্মক্ষেত্রের অধিকার আদায়ের আন্দোলন বা আলোচনা মানুষকে বৃহত্তর রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। পেশাগত জীবনের এই বাস্তব অভিজ্ঞতা নাগরিককে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো সম্পর্কে বাস্তবসম্মত ধারণা প্রদান করে।

উপসংহার: পরিশেষে বলা যায় যে, রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ কোনো সাময়িক বিষয় নয়, বরং এটি মানুষের আমৃত্যু চলমান একটি প্রক্রিয়া। পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক দলসমূহ নাগরিকের রাজনৈতিক চেতনা গঠনে নিরলসভাবে কাজ করে। এই মাধ্যমগুলোর সঠিক ও ইতিবাচক ভূমিকার ওপরই একটি দেশের সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং শক্তিশালী গণতন্ত্র নির্ভর করে। সুনাগরিক গড়ে তোলার স্বার্থে এই মাধ্যমগুলোর কার্যকর ও নিরপেক্ষ বিকাশ অত্যন্ত জরুরি।

Tags: রাজনৈতিক সামাজিকীকরণরাজনৈতিক সামাজিকীকরণের মাধ্যমসামাজিকীকরণ
  • Next উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণসমূহ আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1415)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের মাধ্যমসমূহ বর্ণনা কর।
    উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণসমূহ আলোচনা কর।
    বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন একটি “মোহ” তুমি কি’এ বক্তব্য সমর্থন কর? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন কর।
    উন্নয়নশীল রাষ্ট্রসমূহের রাজনৈতিক উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ভূমিকা আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM