• Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
    • Home
    • Class 0-12
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
  • mdreadaim@gmail.com
  • Read at Home
Login > Register
Read Aim
Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • readaim.com
  • 0
সামাজিক গুবেষণা কী বাংলাদেশে কোন পদ্ধাতি উপযোগী এবং কেন

প্রশ্ন:- সামাজিক গবেষণা কাকে বলে? বাংলাদেশের সামাজিক গবেষণায় কোন পদ্ধতি সার্বিক উপযোগী এবং কেন?

সামাজিক গবেষণার পরিচয়:-

সামাজিক গবেষণা পদ্ধতি হলো একটি পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন সমস্যা, রীতিনীতি, আচরণ ও সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হয়। এটি তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যার মাধ্যমে সমাজকে বোঝার চেষ্টা করে।আমরা সাধারণত মনে করি, গবেষণা শুধু বিজ্ঞান বা মেডিকেল ক্ষেত্রেই হয়। কিন্তু সমাজের নানা দিক বুঝতেও গবেষণা প্রয়োজন। যেমন—

  • মানুষ কেন নির্দিষ্টভাবে ভোট দেয়?
  • দারিদ্র্য কমাতে কি পদক্ষেপ নেওয়া যায়?
  • সমাজে লিঙ্গ সমতা কীভাবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব?
  • এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে সামাজিক গবেষণা অপরিহার্য।
বিজ্ঞানীদের দেওয়া সংজ্ঞা:

১.এমিল ডুর্খেইম (Emile Durkheim):- “সামাজিক গবেষণা হলো সমাজের ঘটনাগুলোকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা, যাতে তাদের কারণ ও প্রভাব বোঝা যায়।”(“Social research is the scientific study of social phenomena to understand their causes and effects.”)

২.ম্যাক্স ওয়েবার (Max Weber):- “সামাজিক গবেষণা মানুষের সামাজিক কর্মকাণ্ডের অর্থ ও উদ্দেশ্য অনুধাবনের একটি পদ্ধতি।” (“Social research is a method to interpret the meaning and purpose of human social actions.”)

৩.কার্ল মার্ক্স (Karl Marx):- “সামাজিক গবেষণা হলো সমাজের শ্রেণীসংগ্রাম ও অর্থনৈতিক কাঠামো বিশ্লেষণের মাধ্যমে সামগ্রিক পরিবর্তন বোঝার প্রক্রিয়া।” (“Social research is the analysis of class struggle and economic structures to understand societal change.”)

৪.পল লাজার্সফেল্ড (Paul Lazarsfeld):- “সামাজিক গবেষণা হলো তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সামাজিক সমস্যার সমাধান খোঁজা।” (“Social research is the collection and analysis of data to find solutions to social problems.”)

৫.আগস্ট কোঁৎ (Auguste Comte):- “সামাজিক গবেষণা হলো সমাজের নিয়মাবলি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানের নীতির প্রয়োগ।” (“Social research is the application of scientific principles to discover the laws of society.”)

৬.জন ডিউই (John Dewey):- “সামাজিক গবেষণা হলো বাস্তব সমস্যার সমাধান খুঁজতে অভিজ্ঞতা ও যুক্তির ব্যবহার।” (“Social research is the use of experience and reasoning to solve practical problems.”)

উপরের সংজ্ঞাগুলোর আলোকে বলা যায়—

“সামাজিক গবেষণা হলো একটি বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন ঘটনা, আচরণ ও সমস্যাকে পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করা হয়, যাতে সমাজের উন্নয়ন ও সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়।”

বাংলাদেশের সামাজিক গবেষণায় কোন পদ্ধতি সার্বিক উপযোগী এবং কেন? :-

বাংলাদেশে সামাজিক গবেষণায় কোনো একটি বিশেষ পদ্ধতিকে সার্বিকভাবে উপযোগী বলা কঠিন। কারণ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা ও প্রেক্ষাপটের বিশ্লেষণে বিভিন্ন পদ্ধতির নিজস্ব সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে, একটি মিশ্র পদ্ধতি (Mixed Method Approach) ব্যবহারের যৌক্তিকতা অনেক বেশি, যা (Qualitative) এবং পরিমাণগত (Quantitative) উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত।

বাংলাদেশের সমাজ বহুমাত্রিক এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল। এখানকার সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি এবং মানুষের জীবনযাত্রা জটিল আন্তঃসম্পর্কের জালে আবদ্ধ। এই জটিলতাকে অনুধাবন করতে এবং কার্যকর নীতি প্রণয়নের জন্য প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য সামাজিক গবেষণা। তবে প্রশ্ন হলো, এই প্রেক্ষাপটে কোন গবেষণা পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি সার্বিক উপযোগী এবং কেন? বিভিন্ন পদ্ধতির নিজস্ব সুবিধা এবং সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও, গুণগত এবং পরিমাণগত পদ্ধতির সমন্বিত প্রয়োগ বাংলাদেশের সামাজিক গবেষণায় একটি সামগ্রিক এবং গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিতে পারে।

১.মিশ্র পদ্ধতির অপরিহার্যতা: বাংলাদেশের সামাজিক গবেষণায় একক কোনো পদ্ধতি সার্বিকভাবে উপযোগী নয়। গুণগত গবেষণা মানুষের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস এবং প্রেক্ষাপট গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, পরিমাণগত গবেষণা বৃহৎ পরিসরে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে সাধারণীকরণের সুযোগ তৈরি করে। এই দুটি পদ্ধতির সমন্বিত প্রয়োগ গবেষণাকে আরও নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ করে তোলে। যেমন, কোনো একটি নির্দিষ্ট এলাকায় বাল্যবিবাহের কারণ অনুসন্ধানে গুণগত সাক্ষাৎকার যেমন গভীর তথ্য দিতে পারে, তেমনি পরিমাণগত জরিপ এর ব্যাপকতা ও প্রকোপ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে।

২.সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা: বাংলাদেশের সমাজ ঐতিহ্য, মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় বিশ্বাস দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত। তাই সামাজিক গবেষণায় এমন পদ্ধতি ব্যবহার করা জরুরি যা স্থানীয় সংস্কৃতি ও রীতিনীতির প্রতি সংবেদনশীল। উদাহরণস্বরূপ, প্রশ্নপত্র তৈরির সময় ভাষা, শব্দচয়নের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যাতে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা বিশ্বাস আহত না হয়। গুণগত গবেষণা, যেমন অংশগ্রহণমূলক পর্যবেক্ষণ, গবেষককে স্থানীয়দের সাথে মিশে তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সরাসরি ধারণা লাভ করতে সাহায্য করে।

৩.নমনীয়তা ও অভিযোজনযোগ্যতা: সামাজিক বাস্তবতা স্থির নয়; এটি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। তাই গবেষণার নকশা এবং পদ্ধতি এমন হওয়া উচিত যা প্রয়োজনে পরিবর্তন করা যায়। বিশেষ করে গুণগত গবেষণায় নতুন ধারণা বা অপ্রত্যাশিত তথ্য উঠে এলে সে অনুযায়ী প্রশ্ন বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্র পরিবর্তন করার সুযোগ থাকে। কোভিড-১৯ pandemic এর সময় অনেক সামাজিক গবেষণা পদ্ধতিগত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিল এবং গবেষকদের দ্রুত অনলাইন ডেটা সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণের মতো নতুন পদ্ধতির সাথে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে হয়েছিল।

৪.স্থানীয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার গুরুত্ব: বাংলাদেশের সামাজিক গবেষণায় স্থানীয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন গবেষকদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা স্থানীয় ভাষা, সংস্কৃতি এবং সামাজিক রীতিনীতি সম্পর্কে গভীরভাবে অবগত থাকেন, যা গবেষণার গুণমান বৃদ্ধি করে। এছাড়া, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ গবেষণাকে আরও প্রাসঙ্গিক ও কার্যকর করে তোলে।

৫.বহুমাত্রিক উপাত্ত বিশ্লেষণ: বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যাগুলো প্রায়শই একাধিক কারণের সাথে জড়িত থাকে। দারিদ্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের মতো বিষয়গুলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। তাই সামাজিক গবেষণায় এমন পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত যা এই জটিল আন্তঃসম্পর্কগুলো বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। পরিমাণগত গবেষণায় রিগ্রেশন বিশ্লেষণ এবং গুণগত গবেষণায় বিষয়ভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই জটিলতা অনুধাবন করা সম্ভব।

৬.নীতি নির্ধারণে প্রভাব: সামাজিক গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হলো নীতি নির্ধারণে সহায়তা করা এবং সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখা। তাই গবেষণার ফলাফল এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত যা নীতিনির্ধারকদের কাছে সহজে বোধগম্য হয় এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে উৎসাহিত করে। এক্ষেত্রে পরিমাণগত তথ্যের সুস্পষ্ট পরিসংখ্যান এবং গুণগত গবেষণার গভীর অন্তর্দৃষ্টি উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৭.অংশগ্রহণমূলক গবেষণা: প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সমস্যাগুলো ভালোভাবে বোঝার জন্য অংশগ্রহণমূলক গবেষণা পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর। এই পদ্ধতিতে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা কেবল তথ্য সরবরাহকারী নয়, বরং তারা গবেষণা প্রক্রিয়ার অংশীদার হন। এর মাধ্যমে তাদের চাহিদা ও দৃষ্টিভঙ্গি সরাসরি উঠে আসে।

৮.দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা: অনেক সামাজিক পরিবর্তন দীর্ঘ সময় ধরে ঘটে। বাল্যবিবাহের প্রভাব বা জলবায়ু পরিবর্তনের সামাজিক পরিণতি একদিনে বোঝা সম্ভব নয়। এই ধরনের বিষয়গুলো অনুধাবন করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা পদ্ধতি (লঙ্গিটিউডিনাল স্টাডি) প্রয়োজন।

৯.তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার: বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি সামাজিক গবেষণার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করেছে। অনলাইন জরিপ, সোশ্যাল মিডিয়া বিশ্লেষণ এবং বৃহৎ ডেটা সেটের ব্যবহার গবেষণার পরিধি এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি করেছে। তবে ডেটা গোপনীয়তা এবং নৈতিক বিষয়গুলির প্রতি খেয়াল রাখা জরুরি।

১০.আন্তঃবিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গি: বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যাগুলো প্রায়শই অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশ বিজ্ঞানের মতো বিভিন্ন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। তাই সামাজিক গবেষণায় একটি আন্তঃবিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞান একত্রিত করে একটি সমস্যার সামগ্রিক চিত্র পাওয়া সম্ভব।

১১.গুণগত গবেষণার গভীরতা: গুণগত গবেষণা যেমন সাক্ষাৎকার, ফোকাস গ্রুপ আলোচনা এবং নৃতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ মানুষের চিন্তাভাবনা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতার গভীরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। এটি “কেন” এবং “কীভাবে” এর মতো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার জন্য অপরিহার্য।

১২.পরিমাণগত গবেষণার ব্যাপকতা: পরিমাণগত গবেষণা যেমন জরিপ এবং আদমশুমারি বৃহৎ সংখ্যক মানুষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রবণতা ও প্যাটার্ন identificar করতে সাহায্য করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর বিভিন্ন জরিপ (যেমন, household income and expenditure survey) জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচক সম্পর্কে ধারণা দেয়।

১৩.কেস স্টাডি: কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের গভীরভাবে অধ্যয়নের জন্য কেস স্টাডি পদ্ধতি অত্যন্ত উপযোগী। এটি একটি বিশেষ প্রেক্ষাপট বুঝতে এবং নীতি নির্ধারণের জন্য মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করতে পারে।

১৪.ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ: বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক কাঠামো এবং সমস্যাগুলো বুঝতে হলে এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট জানা জরুরি। ঐতিহাসিক তথ্য, দলিলপত্র এবং আর্কাইভের বিশ্লেষণের মাধ্যমে বর্তমানের অনেক ঘটনার শিকড় খুঁজে পাওয়া যায়।

১৫.তুলনামূলক গবেষণা: বিভিন্ন অঞ্চল, গোষ্ঠী বা সময়ের মধ্যে তুলনা করার মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তনের ধরণ এবং কারণ সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।

১৬.জরিপের নকশা ও বাস্তবায়ন: পরিমাণগত গবেষণার ক্ষেত্রে জরিপের নকশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্নপত্রের ভাষা, প্রশ্নের ধরণ এবং নমুনা নির্বাচন গবেষণার ফলাফলের নির্ভরযোগ্যতাকে প্রভাবিত করে।

১৭.নৈতিক বিষয়াবলী: সামাজিক গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের গোপনীয়তা রক্ষা করা, তাদের সম্মতির ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করা এবং গবেষণার সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে অবহিত করা অপরিহার্য।

১৮.ফলাফলের উপস্থাপন: গবেষণার ফলাফল এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত যা একাডেমিক সম্প্রদায় এবং নীতিনির্ধারক উভয়পক্ষের কাছেই গ্রহণযোগ্য এবং বোধগম্য হয়।

১৯.প্রশিক্ষিত গবেষক: মানসম্মত সামাজিক গবেষণা পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষিত এবং দক্ষ গবেষক প্রয়োজন। তাদের পদ্ধতিগত জ্ঞান এবং বিশ্লেষণের ক্ষমতা গবেষণার গুণমান নিশ্চিত করে।

২০.গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত তহবিল: গুণগত এবং সময়োপযোগী সামাজিক গবেষণা পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। সরকারি এবং বেসরকারি উভয় উৎস থেকে গবেষণার জন্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা উচিত।

২১.সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়: বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা এবং জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে সামাজিক গবেষণার মান উন্নয়ন করা সম্ভব।

উপসংহার:- পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের সামাজিক গবেষণায় একক কোনো পদ্ধতি সার্বিকভাবে উপযোগী না হলেও, যথাযথভাবে পরিকল্পিত এবং প্রয়োগকৃত মিশ্র পদ্ধতি একটি শক্তিশালী এবং গঠনমূলক পন্থা যা সামাজিক সমস্যাগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরতে এবং কার্যকর সমাধানে পৌঁছাতে সহায়ক হতে পারে।

 
একনজরে উত্তর দেখুন

এক নজরে সমাজবিজ্ঞানকে ‘মূল্যবোধ নিরক্ষেপ বিজ্ঞান’ বলার কারণ:-

  • 🌍 ১।মানুষের আচরণের মূল্যবোধের উপর প্রভাব
  • ⚖️ ২।নৈতিকতার ওপর গভীর বিশ্লেষণ
  • 🌱 ৩। সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের অর্ন্তনিহিত সম্পর্ক
  • 👥 ৪।সামাজিক সম্পর্ক এবং মূল্যবোধ
  • 🛠️ ৫। সমাজের প্রতি পরিবর্তনের প্রভাব
  • 📊 ৬।গবেষণায় মূল্যবোধের ভূমিকা
  • 💡 ৭।স্বাধীন চিন্তা এবং সমালোচনা
  • 🌍 ৮।বিশ্বজনীন দৃষ্টিকোণ
  • ⚡ ৯।ধর্মের ভূমিকা
 
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

সমাজবিজ্ঞানকে ‘মূল্যবোধ নিরেক্ষ বিজ্ঞান’ বলা হয় কারণ এটি সমাজ ও মানুষের আচরণকে নিরপেক্ষভাবে বিশ্লেষণ করে এবং তা মূল্যায়ন বা বিচার না করে শুধু পর্যবেক্ষণ করে। পিওর সোসিওলজি বা সমাজবিজ্ঞানের প্রথম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ইউগেনিয়াস ডি’জিরণের নাম উল্লেখ করা যায়, যিনি ১৮৫০ সালে প্রথম সমাজবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ম্যাক্স ওয়েবার (১৯১৮) মূল্যবোধ নিরপেক্ষতার কথা বলেন, যেখানে তিনি সমাজবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য হিসেবে গবেষণায় পক্ষপাতিত্ব না করার কথা উল্লেখ করেন। সমাজবিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় নৈতিকতার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে চান, যেন তা সঠিক তথ্য প্রদান করতে পারে।

Tags: বাংলাদেশের সামাজিক গবেষণায় কোন পদ্ধতি উপযোগী ও কেন?সামাজিক গবেষণা পদ্ধতিসামাজিক গবেষণা পদ্ধতি কাকে বলে?সামাজিক গবেষণা পদ্ধতি কী?
  • Previous অগবার্ন প্রদত্ত সংস্কৃতির অসম অগ্রগতি তত্ত্বটি পর্যালোচনা কর।
  • Next সামাজিক জরিপ পদ্ধতির ধাপসমূহ আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE


    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1082)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1253)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    পাকিস্তানের গণতন্ত্রায়নের সমস্যা সমাধানের উপায় আলোচনা কর।
    ভারতে সংসদীয় গণতন্ত্রের সফলতার কারণগুলো ব্যাখ্যা কর।
    সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে নেপালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণসমূহ আলোচনা কর।
    পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM