• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- আমেরিকার পেশাদার সমাজকর্মের বিবর্তনের ইতিহাস বর্ণনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: আমেরিকার সমাজকর্মের ইতিহাস মানবিকতা, সংস্কার এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির এক দীর্ঘ যাত্রার গল্প। শুরুটা হয়েছিল দাতব্য কার্যক্রম দিয়ে, যা সময়ের সাথে সাথে পেশাদারী রূপ ধারণ করে। এই বিবর্তন কেবল দুস্থ মানুষের সহায়তাই নয়, বরং সমাজের কাঠামোগত সমস্যাগুলোর সমাধানের পথেও এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

আমেরিকার পেশাদার সমাজকর্মের বিবর্তনের ইতিহাস:-

১। দাতব্য সংস্থার উদ্ভব: ১৯ শতকের শেষ দিকে আমেরিকায় শিল্পায়ন ও নগরায়নের ফলে দারিদ্র্য, রোগ এবং সামাজিক সমস্যাগুলো ব্যাপক আকার ধারণ করে। এ সময় ব্যক্তি ও ধর্মীয় সংস্থাগুলোর উদ্যোগে দাতব্য সংস্থা (Charity Organization Societies-COS) গড়ে ওঠে। এই সংস্থাগুলো দরিদ্রদের সাহায্য করার জন্য একটি নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে শুরু করে। তারা কেবল অর্থ প্রদান না করে, বরং সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করত। COS-এর কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভাবগ্রস্তদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করত এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা করত। এই প্রাথমিক কাজগুলোই আধুনিক সমাজকর্মের ভিত্তি স্থাপন করে।

২। বসতবাড়ি আন্দোলন: ১৮৮০-এর দশকে বসতবাড়ি আন্দোলন (Settlement House Movement) শুরু হয়, যা ছিল সমাজকর্মের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ধনী ও শিক্ষিত শ্রেণির মানুষকে দরিদ্র এলাকার মানুষের সঙ্গে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়া, যাতে তারা তাদের জীবনযাত্রা ও সমস্যাগুলো সরাসরি উপলব্ধি করতে পারে। জেন অ্যাডামস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শিকাগোর ‘হুল হাউস’ এই আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এই আন্দোলন শুধু দাতব্য কাজ নয়, বরং সামাজিক পরিবর্তন, শিক্ষা এবং রাজনৈতিক সংস্কারের ওপরও জোর দেয়। এটি প্রমাণ করে যে, সামাজিক সমস্যাগুলো শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং সমাজের কাঠামোগত দুর্বলতার ফল।

৩। শিক্ষার পেশাদারীকরণ: সমাজকর্মকে একটি পেশা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এর শিক্ষার মান উন্নয়ন অপরিহার্য ছিল। ১৯ শতকের শেষের দিকে এবং ২০ শতকের প্রথম দিকে সমাজকর্মের পেশাদারীকরণ শুরু হয়। মেরী রিচমন্ডের মতো পথিকৃতরা এই ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯১৭ সালে তার লিখিত ‘Social Diagnosis’ বইটি সমাজকর্মের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। এই বইটি সমাজকর্মের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্থাপন করে এবং সমস্যা সমাধানের জন্য কেস ওয়ার্ক পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানে সমাজকর্মের উপর প্রশিক্ষণ ও কোর্স চালু হয়, যা এই পেশার মর্যাদা বৃদ্ধি করে।

৪। সামাজিক নিরাপত্তা আইন: ১৯৩৫ সালে রাষ্ট্রপতি ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের অধীনে সামাজিক নিরাপত্তা আইন (Social Security Act) পাশ হয়। এই আইন আমেরিকার সমাজকর্মের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। এটি বেকারত্ব, বার্ধক্য এবং অক্ষমতার মতো সমস্যার জন্য একটি কেন্দ্রীয় সহায়তা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে। এই আইনটি প্রমাণ করে যে, সামাজিক সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব শুধুমাত্র ব্যক্তিগত বা দাতব্য সংস্থার নয়, বরং রাষ্ট্রেরও। এর ফলে সমাজকর্মের পরিধি ব্যক্তি থেকে সম্প্রদায় এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

৫। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাজকর্মের উপর গভীর প্রভাব ফেলে। যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট মানসিক আঘাত এবং পুনর্বাসনের প্রয়োজন ক্লিনিকাল সমাজকর্মের জন্ম দেয়। সমাজকর্মীরা সৈনিকদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা প্রদান এবং তাদের সমাজে পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সময়ে, মানসিক স্বাস্থ্য ও পরিবার থেরাপির মতো ক্ষেত্রগুলোতে সমাজকর্মের নতুন শাখাগুলো বিকশিত হয়। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং সামাজিক পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমাজকর্মীরা আরও বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

৬। নাগরিক অধিকার আন্দোলন: ১৯৫০ ও ৬০ এর দশকে নাগরিক অধিকার আন্দোলন সমাজকর্মের ধারণাকে আরও সম্প্রসারিত করে। এই আন্দোলন জাতিগত বৈষম্য এবং সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়। সমাজকর্মীরা এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে। তারা বুঝতে পারে যে, শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানই যথেষ্ট নয়, বরং সামাজিক বৈষম্য দূর করাও তাদের দায়িত্বের অংশ। এই আন্দোলন সমাজকর্মে সামাজিক পরিবর্তনের গুরুত্বকে আরও শক্তিশালী করে।

৭। শিক্ষার প্রসার: ২০ শতকের মাঝামাঝি সময়ে সমাজকর্ম শিক্ষার প্রসার ঘটে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যাচেলর, মাস্টার্স এবং ডক্টরেট পর্যায়ের সমাজকর্ম প্রোগ্রাম চালু হয়। এই শিক্ষা কার্যক্রমগুলো শিক্ষার্থীদের তত্ত্ব, গবেষণা এবং ব্যবহারিক জ্ঞানের সমন্বয় ঘটিয়ে পেশাদার সমাজকর্মী হিসেবে তৈরি করে। এই সময়ে সমাজকর্মের বিভিন্ন বিশেষায়িত ক্ষেত্র, যেমন – স্বাস্থ্য সমাজকর্ম, স্কুল সমাজকর্ম, এবং শিশু ও পরিবার সমাজকর্ম বিকশিত হয়।

৮। সামাজিক নীতি ও অ্যাডভোকেসি: ১৯৩০-এর দশক থেকে সমাজকর্মীরা শুধু সমস্যা সমাধানের কাজই নয়, বরং সামাজিক নীতি প্রণয়ন ও অ্যাডভোকেসিতেও অংশ নিতে শুরু করে। তারা আইন প্রণেতাদের সঙ্গে কাজ করে যাতে দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার নিশ্চিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং আবাসন সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। এই সময়ে সমাজকর্মীরা নিজেদেরকে কেবল সাহায্যকারী হিসেবে নয়, বরং সামাজিক পরিবর্তনের প্রতিনিধি হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করে।

৯। চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্য সমাজকর্ম: বিশ শতকে চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্য সমাজকর্মের বিশেষীকরণ শুরু হয়। হাসপাতালের সমাজকর্মীরা রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের সামাজিক ও মানসিক প্রয়োজনগুলোও বিবেচনা করতে শুরু করে। একই সময়ে, মানসিক রোগের চিকিৎসায় সমাজকর্মীদের ভূমিকা অপরিহার্য হয়ে ওঠে। এই শাখায় রোগীকে তার পরিবার ও সামাজিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে বিবেচনা করে একটি সমন্বিত সহায়তা প্রদান করা হয়। এটি প্রমাণ করে যে, স্বাস্থ্য কেবল শারীরিক নয়, বরং মানসিক ও সামাজিক সুস্থতারও একটি সমন্বিত রূপ।

১০। কমিউনিটি অর্গানাইজেশন: ১৯৪০-এর দশক থেকে কমিউনিটি অর্গানাইজেশন বা সম্প্রদায় সংগঠন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এই পদ্ধতিতে সমাজকর্মীরা কোনো সম্প্রদায়ের মানুষদের একত্রিত করে তাদের নিজেদের সমস্যা সমাধানের জন্য উৎসাহিত করে। এটি কেবল সাহায্যগ্রহীতা নয়, বরং সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে মানুষকে ক্ষমতায়ন করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সম্প্রদায়কে স্বাবলম্বী করা এবং তাদের নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তা করা।

১১। জনগণের ক্ষমতায়ন: ১৯৭০-এর দশকে জনগণের ক্ষমতায়ন (Empowerment) ধারণাটি সমাজকর্মে জনপ্রিয়তা লাভ করে। এই ধারণা অনুযায়ী, সমাজকর্মী শুধু সমস্যার সমাধানকারী নয়, বরং ব্যক্তির সুপ্ত শক্তি ও সামর্থ্যকে জাগ্রত করার সহায়ক। এর মাধ্যমে ব্যক্তি নিজে তার জীবনের সিদ্ধান্ত নিতে এবং নিজের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করতে উৎসাহিত হয়। এটি সমাজকর্মকে একটি প্রগতিশীল এবং গণতান্ত্রিক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

১২। নারীবাদী সমাজকর্ম: ১৯৭০-এর দশকে নারীবাদী সমাজকর্মের একটি নতুন ধারা উন্মোচিত হয়। এই ধারা অনুযায়ী, সামাজিক সমস্যাগুলো প্রায়শই লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের ফল। নারীবাদী সমাজকর্মীরা নারীদের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে কাজ করে, কর্মক্ষেত্রে সমতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে এবং নারীদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসি করে। তারা লিঙ্গভিত্তিক ক্ষমতা কাঠামো এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়, যা সমাজকর্মের ধারণাকে আরও সমৃদ্ধ করে।

১৩। বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব: বর্তমান সময়ে, সমাজকর্মে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির (Diversity and Inclusion) গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজকর্মীরা বিভিন্ন জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে কাজ করে। তাই তাদের প্রশিক্ষণ এমনভাবে দেওয়া হয় যাতে তারা সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার সাথে কাজ করতে পারে। তারা জাতিগত বৈষম্য, ধর্মীয় নিপীড়ন এবং LGBTQ+ সম্প্রদায়ের অধিকার নিয়ে কাজ করে। এটি সমাজকর্মকে একটি আরও মানবিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক পেশা হিসেবে গড়ে তোলে।

১৪। নৈতিকতা ও পেশাদার আচরণবিধি: বিশ শতকে নৈতিকতা ও পেশাদার আচরণবিধি সমাজকর্মের একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সমাজকর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট নৈতিক মানদণ্ড ও আচরণবিধি প্রণয়ন করা হয়, যা তাদের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। আমেরিকান সমাজকর্মী সংস্থা (NASW) এই আচরণবিধি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি পেশার সম্মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সাহায্য করে।

১৫। প্রযুক্তি ও অনলাইন সমাজকর্ম: ২১ শতকে প্রযুক্তি ও অনলাইন সমাজকর্মের (Online Social Work) ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সময়ে, সমাজকর্মীরা প্রযুক্তির সহায়তায় দূরবর্তী এলাকায় মানুষকে সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম। টেলি-হেলথ, অনলাইন কাউন্সেলিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাডভোকেসি এই পেশার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ে এর গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যখন মুখোমুখি সেবা প্রদান সীমিত ছিল।

১৬। ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের প্রসার: ২০ শতকের মাঝামাঝি থেকে ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের প্রসার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। এই শাখায় সমাজকর্মীরা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, আসক্তি, এবং পারিবারিক সংকটের মতো বিষয়গুলোতে ব্যক্তিদের সরাসরি কাউন্সেলিং ও থেরাপি প্রদান করে। বর্তমানে, অনেক ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মী তাদের নিজস্ব চেম্বার খুলে বা বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে কাজ করে। এই বিশেষীকরণ পেশার পরিধি ও সম্মান বৃদ্ধি করেছে।

১৭। গবেষণা ও প্রমাণ-ভিত্তিক অনুশীলন: বর্তমানে গবেষণা ও প্রমাণ-ভিত্তিক অনুশীলন (Research and Evidence-Based Practice) সমাজকর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সমাজকর্মীরা তাদের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে এবং নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে গবেষণার সাহায্য নেয়। তারা কেবল ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি নয়, বরং বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণিত কার্যকর পদ্ধতিগুলোও ব্যবহার করে। এটি সমাজকর্মকে আরও বিজ্ঞানসম্মত এবং ফলপ্রসূ করে তোলে।

উপসংহার: আমেরিকার পেশাদার সমাজকর্মের বিবর্তন এক নিরন্তর যাত্রার ফল, যা দাতব্য কাজ থেকে শুরু হয়ে বৈজ্ঞানিক ও মানবিক পেশায় রূপান্তরিত হয়েছে। এই বিবর্তন সমাজের জটিল সমস্যাগুলো মোকাবিলা করার জন্য নতুন নতুন পদ্ধতি, নীতি ও দর্শনের জন্ম দিয়েছে। ভবিষ্যতে, প্রযুক্তির সহায়তায় এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি আরও গভীর প্রতিশ্রুতি নিয়ে সমাজকর্ম আরও বেশি কার্যকর ও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে।

একনজরে উত্তর দেখুন

১। 🎗️ দাতব্য সংস্থার উদ্ভব
২। 🏡 বসতবাড়ি আন্দোলন
৩। 🎓 শিক্ষার পেশাদারীকরণ
৪। 📜 সামাজিক নিরাপত্তা আইন
৫। 🛡️ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব
৬। ✊ নাগরিক অধিকার আন্দোলন
৭। 📚 শিক্ষার প্রসার
৮। ⚖️ সামাজিক নীতি ও অ্যাডভোকেসি
৯। 🩺 চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্য সমাজকর্ম
১০। 🤝 কমিউনিটি অর্গানাইজেশন
১১। 💪 জনগণের ক্ষমতায়ন
১২। 🚺 নারীবাদী সমাজকর্ম
১৩। 🌍 বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব
১৪। 📋 নৈতিকতা ও পেশাদার আচরণবিধি
১৫। 📱 প্রযুক্তি ও অনলাইন সমাজকর্ম
১৬। 🧠 ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের প্রসার
১৭। 🔬 গবেষণা ও প্রমাণ-ভিত্তিক অনুশীলন

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১৮৬০-এর দশকের দিকে প্রথম আমেরিকান দাতব্য সংস্থাগুলো (COS) গঠিত হয়। ১৮৮৯ সালে জেন অ্যাডামস ও এলেন গেটস স্টার শিকাগোতে হুল হাউস প্রতিষ্ঠা করেন, যা বসতবাড়ি আন্দোলনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ১৯১৭ সালে মেরি রিচমন্ডের ‘সোশ্যাল ডায়াগনোসিস’ বইটি প্রকাশিত হয়, যা সমাজকর্মের কেসওয়ার্ক পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করে। ১৯৩৫ সালের সামাজিক নিরাপত্তা আইনটি আমেরিকার ফেডারেল সরকার কর্তৃক দারিদ্র্য ও বেকারত্ব মোকাবিলায় গৃহীত প্রথম বড় পদক্ষেপ ছিল। ১৯৫৫ সালে বিভিন্ন সংস্থা একীভূত হয়ে ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব সোশ্যাল ওয়ার্কার্স (NASW) গঠিত হয়, যা বর্তমানে আমেরিকার পেশাদার সমাজকর্মীদের সবচেয়ে বড় সংগঠন। ১৯৬৪ সালে জনসন প্রশাসন ‘ওয়ার অন পোভার্টি’ কর্মসূচি ঘোষণা করে, যা সমাজকর্মের ভূমিকা আরও প্রসারিত করে। বর্তমানে, আমেরিকান সমাজকর্মীদের প্রায় ৭০% নারী এবং এই পেশাটি দ্রুত বর্ধনশীল পেশাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

  • Previous একে ফজলুল হক কে ছিলেন? সমাজ কল্যাণে তাঁর অবদান বর্ণনা কর।
  • Next ১৬০১ সালের দারিদ্র আইন কী? ১৬০১ সালের দারিদ্র আইনের বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1566)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের করণীয়সমূহ আলোচনা কর।
    অর্থনৈতিক নিরাপত্তা অর্জনে বাংলাদেশের করণীয়সমূহ আলোচনা কর।
    তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহের উপর বিশ্বায়নের অভিঘাত আলোচনা কর।
    বিশ্বায়নের ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাবসমূহ উল্লেখ কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM