• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- উন্নয়নশীল দেশে নারীর অধস্তনতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর::ভূমিকা: নারীর অধস্তনতা একটি গভীর সামাজিক সমস্যা, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নানাভাবে নারীর অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। ঐতিহাসিকভাবেই নারী লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য, শোষণ এবং নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছে। এই প্রবন্ধে আমরা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নারীর অধস্তনতার মূল কারণগুলো বিশ্লষণ করবো।

উন্নয়নশীল দেশে নারীর অধস্তনতার কারণ:-

১। পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা: পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে পুরুষকে পরিবারের প্রধান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হিসেবে দেখা হয়। এই ব্যবস্থায় পুরুষরা ক্ষমতা, প্রতিপত্তি এবং সম্পত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে, এবং এর ফলে নারী গৃহস্থালী ও সামাজিক জীবনে গৌণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের সমাজে নারীর ভূমিকা গৃহের অভ্যন্তরে সীমাবদ্ধ করে রাখা হয়, যেখানে তাদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত থাকে। নারীর মতামত বা ইচ্ছাকে সাধারণত উপেক্ষা করা হয়, যা তাদের নিজস্ব জীবন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। এর ফলস্বরূপ, সমাজে নারীর অবস্থান নিম্নগামী হয় এবং তারা পুরুষের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

২। শিক্ষার অভাব: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নারীদের জন্য শিক্ষার সুযোগ প্রায়শই সীমিত। অনেক পরিবারে কন্যাশিশুকে বিদ্যালয়ে পাঠানোর চেয়ে গৃহস্থালী কাজে সাহায্য করার জন্য উৎসাহিত করা হয়। এর কারণ হতে পারে দারিদ্র্য, সামাজিক রীতিনীতি বা নিরাপত্তার অভাব। শিক্ষার অভাবের কারণে নারীরা তাদের অধিকার, স্বাস্থ্য এবং আইনি বিষয় সম্পর্কে সচেতন হতে পারে না। এটি তাদের কর্মসংস্থান এবং ভালো আয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে, যার ফলে তারা অর্থনৈতিকভাবে পুরুষের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। অশিক্ষিত নারীরা প্রায়শই সহজে শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়।

৩। অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা: নারীর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী না হওয়া তাদের অধস্তনতার একটি বড় কারণ। অনেক উন্নয়নশীল দেশে নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, সমাজের প্রচলিত নিয়মের কারণে নারীদেরকে ঘরের বাইরে কাজ করতে নিরুৎসাহিত করা হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, পুরুষদের তুলনায় নারীদের কাজের জন্য কম মজুরি দেওয়া হয়, যা সমাজে বিদ্যমান বৈষম্যের প্রতিফলন ঘটায়। এই অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা নারীদেরকে তাদের পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা থেকে দূরে রাখে এবং তাদের জীবনসঙ্গী বা পরিবারের পুরুষ সদস্যদের ওপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল করে তোলে।

৪। বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ: বাল্যবিবাহ এবং বহুবিবাহ নারীর অধস্তনতার অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক উন্নয়নশীল দেশে কম বয়সেই মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে তাদের শিক্ষা গ্রহণ বন্ধ হয়ে যায় এবং তারা শিশু বয়সেই মাতৃত্ব ও সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে বাধ্য হয়। এটি তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে, বহুবিবাহের কারণে একজন নারী তার স্বামীর মনোযোগ এবং ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়। এই ধরনের বিবাহ প্রথা নারীকে কেবল একজন সন্তান জন্মদানের যন্ত্র হিসেবে গণ্য করে এবং তার ব্যক্তিত্ব ও স্বাধীনতাকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করে।

৫। স্বাস্থ্যসেবার অভাব: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অনেক নারী স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। এর কারণ হতে পারে দারিদ্র্য, দূরবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্র, অথবা পরিবারে পুরুষ সদস্যদের দ্বারা তাদের স্বাস্থ্যকে কম গুরুত্ব দেওয়া। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় এই সমস্যাটি প্রকট। গর্ভকালীন সময়ে সঠিক পরিচর্যা ও পুষ্টির অভাবের কারণে মা ও শিশু উভয়ের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। উপরন্তু, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে নারীরা বিভিন্ন রোগের শিকার হয়। এই স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো নারীর কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং তাদের জীবনযাত্রার মান হ্রাস করে।

৬। সম্পত্তি ও উত্তরাধিকারের অধিকারের অভাব: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীদের সম্পত্তি বা উত্তরাধিকারের ওপর কোনো অধিকার থাকে না। প্রচলিত আইন এবং প্রথার কারণে পৈতৃক সম্পত্তি কেবল পুরুষ সদস্যরাই পায়। এর ফলে নারীরা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং তাদের পুরুষ আত্মীয়দের উপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। এটি নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং আত্মসম্মানকে ক্ষুন্ন করে। এমনকি যদি কোনো নারী স্বাবলম্বী হয়েও থাকে, সম্পত্তি অধিকার না থাকায় তার সামাজিক অবস্থান দুর্বল থাকে এবং তাকে প্রায়শই বৈষম্যের শিকার হতে হয়।

৭। প্রথাগত ও ধর্মীয় গোঁড়ামি: অনেক সমাজ ও ধর্মের প্রচলিত গোঁড়ামি নারীর অধস্তনতাকে সমর্থন করে। কিছু ধর্মীয় রীতিনীতি এবং প্রথা নারীকে পুরুষের চেয়ে নিচু স্তরের মনে করে। যেমন- নারীর গতিবিধি, পোশাক এবং শিক্ষাকে সীমিত করে রাখা। এই ধরনের বিশ্বাস সমাজে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক মনোভাবকে আরও শক্তিশালী করে এবং পুরুষদেরকে তাদের ওপর কর্তৃত্ব করার বৈধতা দেয়। এসব গোঁড়ামির কারণে নারীরা সমাজের মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে এবং তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না।

৮। রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের অভাব: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীদের অংশগ্রহণ খুবই সীমিত। রাজনৈতিক দলগুলোতে নারীর প্রতিনিধিত্ব কম থাকে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পদেও তারা খুব কমই থাকে। এর ফলে নীতি প্রণয়ন বা আইন তৈরির সময় নারীদের চাহিদা এবং সমস্যার দিকটি প্রায়শই উপেক্ষিত হয়। রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের অভাবে নারীরা তাদের অধিকার ও নিরাপত্তার জন্য লড়াই করার সুযোগ পায় না। এটি সমাজে নারীর মর্যাদা হ্রাস করে এবং তাদের কণ্ঠস্বরকে দুর্বল করে দেয়।

৯। গৃহস্থালী ও পারিবারিক শ্রমের স্বীকৃতিহীনতা: নারীর গৃহস্থালী কাজ, যেমন: সন্তান লালন-পালন, রান্না এবং ঘরের কাজকে প্রায়শই ‘কাজ’ হিসেবে গণ্য করা হয় না এবং এর কোনো অর্থনৈতিক মূল্য দেওয়া হয় না। সমাজের প্রচলিত প্রথায় নারীর এই শ্রমকে স্বাভাবিক এবং অলিখিত দায়িত্ব হিসেবে দেখা হয়। এটি নারীর কাজের অর্থনৈতিক গুরুত্বকে অস্বীকার করে এবং তাদের অবদানকে অপ্রধান হিসেবে গণ্য করে। এর ফলে নারীরা তাদের কঠোর পরিশ্রমের জন্য কোনো স্বীকৃতি বা মজুরি পায় না, যা তাদের মানসিক ও সামাজিক মর্যাদা হ্রাস করে এবং তাদের পুরুষের উপর নির্ভরশীল করে তোলে।

১০। লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নারীরা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়। যেমন- পারিবারিক সহিংসতা, ধর্ষণ, যৌন হয়রানি এবং অ্যাসিড নিক্ষেপ। এই ধরনের সহিংসতা নারীর মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর চরম নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সমাজের প্রচলিত বিশ্বাস এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দুর্বলতার কারণে অনেক সময় অপরাধীরা পার পেয়ে যায়, যা এই ধরনের সহিংসতাকে আরও উৎসাহিত করে। সহিংসতার ভয়ে নারীরা ঘরের বাইরে কাজ করতে বা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে ভয় পায়, যা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।

১১। বিচারিক ব্যবস্থার দুর্বলতা: নারীদের প্রতি বৈষম্য এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থার দুর্বলতা নারীর অধস্তনতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। অনেক ক্ষেত্রে, নারীরা বিচার চাইতে গিয়ে সামাজিক চাপ, ভয়, বা আইনি জটিলতার শিকার হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর অসংবেদনশীলতা এবং বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অনেক অপরাধী শাস্তি পায় না। এর ফলে, নারীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয় এবং তাদের ওপর হওয়া অপরাধগুলো চাপা পড়ে যায়। দুর্বল বিচার ব্যবস্থা অপরাধীদের সাহস যোগায় এবং নারীর ওপর সহিংসতা ও বৈষম্য আরও বেড়ে যায়।

১২। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাধা নারীর অধস্তনতার পেছনে সমাজের প্রচলিত কিছু রীতিনীতি ও প্রথা দায়ী। কিছু সমাজে নারীদের জন্য বিশেষ পোশাক পরিধান, নির্দিষ্ট পেশায় কাজ না করা বা পরিবারের পুরুষ সদস্যের অনুমতি ছাড়া বাইরে না যাওয়ার মতো নিয়ম প্রচলিত আছে। এগুলো নারীর চলাফেরা এবং স্বাধীনতাকে সীমিত করে। এমনকি কিছু সংস্কৃতিতে নারীদেরকে কম বুদ্ধিমান বা দুর্বল হিসেবে দেখা হয়। এসব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাধা নারীর স্বকীয়তা এবং স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করে।

১৩। কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কর্মক্ষেত্রে নারীরা নানা ধরনের বৈষম্যের শিকার হয়। পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় তাদের কম বেতন দেওয়া হয়। এমনকি পদোন্নতির ক্ষেত্রেও নারীদেরকে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়। অনেক সময় নারীদেরকে এমন পেশা বেছে নিতে বাধ্য করা হয় যেখানে তাদের বেতন কম। এছাড়াও, কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি একটি গুরুতর সমস্যা। এই ধরনের বৈষম্য নারীদেরকে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা অর্জন থেকে বাধা দেয় এবং তাদের কর্মজীবনের অগ্রগতিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

১৪। গণমাধ্যমের ভূমিকা: গণমাধ্যম নারীর অধস্তনতা প্রচারে পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। অনেক বিজ্ঞাপনে নারীদেরকে কেবল গৃহস্থালী সামগ্রী বা সৌন্দর্যবর্ধক পণ্যের মডেল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। চলচ্চিত্রেও তাদের সাধারণত দুর্বল, আবেগপ্রবণ বা পুরুষের ওপর নির্ভরশীল চরিত্র হিসেবে দেখানো হয়। এই ধরনের চিত্রায়ন সমাজে নারীর প্রথাগত ভূমিকাগুলোকে আরও দৃঢ় করে এবং তাদের ব্যক্তিত্বকে সীমিত করে রাখে। গণমাধ্যমের এই চিত্রায়ন নারীদেরকে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা সম্পর্কে সচেতন হতে বাধা দেয় এবং তাদের আত্মবিশ্বাসকে কমিয়ে দেয়।

১৫। প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকারের অভাব: উন্নয়নশীল দেশে নারীদের জন্য প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং অধিকারের অভাব নারীর অধস্তনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। অনেক নারী গর্ভনিরোধক পদ্ধতি বা গর্ভধারণ সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নিজেদের ইচ্ছামতো নিতে পারে না। এই সিদ্ধান্ত সাধারণত স্বামী বা পরিবারের অন্য পুরুষ সদস্যের দ্বারা নেওয়া হয়। এর ফলে নারীরা ঘন ঘন গর্ভধারণ এবং অপ্রীতিকর মাতৃত্বের শিকার হয়, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সঠিক প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার না থাকায় নারীরা তাদের জীবনের উপর নিয়ন্ত্রণ হারায়।

১৬। আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকারের অভাব: আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে নারীর প্রবেশাধিকারের অভাব তাদের অধস্তনতাকে বাড়িয়ে তোলে। মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, এবং কম্পিউটারের মতো ডিজিটাল মাধ্যমগুলোতে নারীদের ব্যবহার সীমিত থাকে। অনেক পরিবারে নারী সদস্যদের জন্য এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারকে অপ্রয়োজনীয় বা অনুপযুক্ত মনে করা হয়। এর ফলে নারীরা আধুনিক জ্ঞান, তথ্য, এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। ডিজিটাল সাক্ষরতার অভাবে তারা বৈশ্বিক তথ্যের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে না এবং নিজেদেরকে সমাজের মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করে।

১৭। মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ: নারীর ওপর মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ অধস্তনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। সমাজে তাদের ওপর বিদ্যমান বৈষম্যমূলক মনোভাব এবং নিপীড়ন তাদের আত্মবিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীদের প্রায়শই দুর্বল এবং নির্ভরশীল হিসেবে গণ্য করা হয়, যা তাদের নিজেদেরকে একইভাবে দেখতে উৎসাহিত করে। এর ফলে, তারা নিজেদের ক্ষমতা এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করে। এই মানসিক চাপ তাদের ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

উপসংহার উন্নয়নশীল দেশে নারীর অধস্তনতা একটি বহুমাত্রিক সমস্যা, যা পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা, শিক্ষার অভাব, অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা, এবং প্রথাগত গোঁড়ামির মতো বিভিন্ন কারণের ওপর নির্ভরশীল। এই সমস্যা সমাধানে শিক্ষা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন, এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি খুবই জরুরি। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠন সম্ভব।

একনজরে উত্তর দেখুন

১। 🎨 পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা
২। 📚 শিক্ষার অভাব
৩। 💰 অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা
৪। 💍 বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ
৫। 🏥 স্বাস্থ্যসেবার অভাব
৬। 🏡 সম্পত্তি ও উত্তরাধিকারের অধিকারের অভাব
৭। 🙏 প্রথাগত ও ধর্মীয় গোঁড়ামি
৮। 🗳️ রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের অভাব
৯। 🧹 গৃহস্থালী ও পারিবারিক শ্রমের স্বীকৃতিহীনতা
১০। 🤕 লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা
১১। ⚖️ বিচারিক ব্যবস্থার দুর্বলতা
১২। 🌍 সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাধা
১৩। 💼 কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য
১৪। 📺 গণমাধ্যমের ভূমিকা
১৫। ❤️‍🩹 প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকারের অভাব
১৬। 💻 আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকারের অভাব
১৭। 🧠 মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বিশ্বব্যাংকের ২০১৯ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ মাত্র ২৩%, যা বিশ্বের সর্বনিম্ন হারগুলোর মধ্যে অন্যতম। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে, বেগম রোকেয়া ১৮৮২ সালে ‘স্ত্রী জাতির অবনতি’ প্রবন্ধে নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছিলেন। ১৯৯৫ সালে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল, যেখানে নারী-পুরুষের সমতার ওপর জোর দেওয়া হয়। ২০০০ সালে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (MDGs) লিঙ্গ সমতাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সম্প্রতি, ২০২১ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে এখনও প্রায় ৫১% নারী তাদের স্বামীর অনুমতি ছাড়া ঘরের বাইরে যেতে পারেন না, যা নারীর স্বাধীনতার অভাবকে নির্দেশ করে।

Tags: উন্নয়নশীল দেশে নারীর অধস্তনতার কারণউন্নয়নশীল দেশে নারীর অধস্তনতার কারণ ব্যাখ্যা কর।
  • Previous সমাজ জীবনের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আলোচনা কর।
  • Next দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ধাপসমূহ আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1564)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহের উপর বিশ্বায়নের অভিঘাত আলোচনা কর।
    বিশ্বায়নের ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাবসমূহ উল্লেখ কর।
    মানব নিরাপত্তার প্রধান হুমকিসমূহ আলোচনা কর।
    পরিবেশগত নিরাপত্তা ধারণাটির সংজ্ঞা দাও। এই নিরাপত্তা কী দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে? ব্যাখ্যা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM