- readaim.com
- 0
উত্তর::ভূমিকা: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নেপালের রাজনীতিতে বারবার যে টালমাটাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্যই নয়, দেশটির অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের পথেও বড় বাধা। দীর্ঘ সময় ধরে চলমান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতার লড়াই, দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, এবং বহিরাগত প্রভাব নেপালের এই অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ। এই নিবন্ধে নেপালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার নেপথ্যের মূল কারণগুলো সহজ ও আকর্ষণীয় ভাষায় আলোচনা করা হলো।
দীর্ঘস্থায়ী অন্তর্দলীয় কোন্দল: নেপালের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরে ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে তীব্র কোন্দল চলে আসছে। বিশেষ করে, কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল (ইউনিফাইড মার্কসিস্ট-লেনিনিস্ট) বা CPN (UML) এবং নেপালি কংগ্রেসের মতো বড় দলগুলোতে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই এতটাই প্রকট যে তা সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অস্থিরতা সৃষ্টি করে। এই দলীয় কোন্দলের জেরে বারবার সরকার পরিবর্তিত হয়, যার ফলে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এর ফলে জনকল্যাণমূলক কাজগুলোও প্রায়শই পিছিয়ে যায়। (১)
সংবিধানের দুর্বলতা ও অস্পষ্টতা: ২০১৫ সালে প্রণীত নেপালের সংবিধানকে অনেকে একটি আপোষমূলক দলিল হিসেবে দেখেন, যেখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়ে গেছে। উদাহরণস্বরূপ, প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর মতো নির্বাহী প্রধানদের ক্ষমতা ও অপসারণ প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু বিধান এতই শিথিল যে, সামান্য অজুহাতেই সরকার ভেঙে দেওয়া বা অনাস্থা আনা সহজ হয়ে যায়। এই সাংবিধানিক দুর্বলতা ঘন ঘন রাজনৈতিক অস্থিরতার পথ প্রশস্ত করে, কারণ রাজনৈতিক দলগুলো তাদের স্বার্থ অনুযায়ী সংবিধানের ব্যাখ্যা করার সুযোগ পেয়ে যায়। ফলে একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি হতে পারছে না। (২)
রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতা: নেপালের রাজনৈতিক নেতারা প্রায়শই জাতীয় স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেন। দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং দুর্নীতি দমনে তাদের সদিচ্ছার অভাব স্পষ্ট। ঐতিহ্যগতভাবে প্রভাবশালী ও একই পরিবারের সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত হওয়ার কারণে নতুন এবং দক্ষ নেতৃত্বের উত্থানও বাধাগ্রস্ত হয়। এই নেতৃত্ব জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে রাজনীতি ও রাজনীতিবিদদের প্রতি ব্যাপক অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে, যা সামগ্রিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর। (৩)
দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা: নেপালের সরকার ব্যবস্থা ও আমলাতন্ত্রে দুর্নীতি একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। সরকারি তহবিল আত্মসাৎ, ঘুষ লেনদেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এই ব্যাপক দুর্নীতি কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নকেই বাধাগ্রস্ত করছে না, বরং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নৈতিকতার মান কমিয়ে দিয়েছে। যখন জনগণের ট্যাক্সের টাকা অন্যায়ভাবে লোপাট হয়, তখন তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার উপর আস্থা হারায়, যা সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং অস্থিরতার জন্ম দেয়। জবাবদিহিতার অভাবে এই সমস্যা আরও বাড়ছে। (৪)
আঞ্চলিক ও জাতিগত বিভেদ: নেপালে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, ভাষাভাষী এবং আঞ্চলিক সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সামাজিক কারণে বিভেদ বিদ্যমান। বিশেষত, মদেশি এবং অন্যান্য প্রান্তিক গোষ্ঠীগুলোর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব এবং অধিকারের দাবিতে আন্দোলন প্রায়শই সহিংস রূপ নেয়। এই জাতিগত ও আঞ্চলিক দাবিগুলো সংবিধান সংশোধন এবং ক্ষমতার কাঠামো নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করে। রাজনৈতিক দলগুলো এই বিভেদকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে ভোট ব্যাংক তৈরি করে, যা জাতীয় সংহতিকে দুর্বল করে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বজায় রাখে। (৫)
বিশাল প্রতিবেশী প্রভাব: নেপালের দুটি বৃহৎ প্রতিবেশী দেশ, ভারত ও চীনের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। এই দুই দেশের মধ্যে নেপালের উপর প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা প্রায়শই নেপালী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রক্সি লড়াইয়ের জন্ম দেয়। কিছু দল ভারতের প্রতি এবং অন্যরা চীনের প্রতি বেশি ঝুঁকে থাকার কারণে সরকার গঠনে এবং নীতি নির্ধারণে বহিরাগত চাপ একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করে। এই বিদেশী হস্তক্ষেপ নেপালের স্বাধীন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকে কঠিন করে তোলে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ায়। (৬)
দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো: নেপালের বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়শই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের শিকার হয়। রাজনৈতিক দলগুলো এই প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতাকে খর্ব করে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার চেষ্টা করে। আইনের শাসন দুর্বল হওয়ায় এবং প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারায়, গণতন্ত্রের ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে যায়। একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা এই দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কারণে নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। (৭)
পরিবর্তিত সংসদীয় সমীকরণ: নেপালের সংসদীয় রাজনীতিতে বারবার জোট সরকার গঠিত হয়, যেখানে কোনো একক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না। এই জোটগুলো প্রায়শই দুর্বল হয় এবং ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে মতবিরোধের কারণে দ্রুত ভেঙে যায়। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরও দলগুলোর মধ্যে স্থিতিশীল ঐকমত্যের অভাব দেখা যায়। এই ঘন ঘন জোট পরিবর্তন দেশের নীতি ও কর্মসূচির বাস্তবায়নে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্ম দেয়। (৮)
ক্ষমতা-কেন্দ্রিক রাজনীতি: নেপালের রাজনীতিতে আদর্শ বা নীতিভিত্তিক রাজনীতির চেয়ে ক্ষমতা দখল এবং ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রবণতা অত্যন্ত বেশি। রাজনৈতিক দলগুলো আদর্শগত বিভেদ ভুলে কেবলমাত্র ক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা লাভের জন্য জোট গঠন ও ভাঙা করে। এই সুবিধাবাদী রাজনীতি জনগণের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে মনোযোগ দিতে ব্যর্থ হয়, যার ফলে জনগণের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ে। এই ক্ষমতা-কেন্দ্রিক মনোভাবই রাজনৈতিক অস্থিরতার একটি প্রধান উৎস। (৯)
মাওবাদী অতীত ও প্রভাব: নেপালের রাজনীতিতে একসময়কার বিদ্রোহী মাওবাদী আন্দোলন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। যদিও মাওবাদীরা এখন মূলধারার রাজনীতিতে যোগ দিয়েছে, তাদের সশস্ত্র সংগ্রামের অতীত এবং বিপ্লবী মনোভাব এখনো অনেক রাজনৈতিক নেতার মধ্যে বিদ্যমান। পুরোনো বিপ্লবী আদর্শ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যেকার দ্বৈততা অনেক সময় রাজনৈতিক সংঘাতের জন্ম দেয়। মাওবাদীদের মূলধারায় আসার প্রক্রিয়া পুরোপুরি মসৃণ না হওয়ায় এটিও মাঝে মাঝে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। (১০)
যুব সমাজের হতাশা ও অনাস্থা: নেপালের তরুণ প্রজন্ম রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার উপর ক্রমশ আস্থা হারাচ্ছে। কর্মসংস্থানের অভাব, শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা, এবং রাজনীতির স্থিতিশীলতার অভাবের কারণে তারা হতাশ। এই হতাশা প্রায়শই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নেতিবাচকভাবে প্রতিফলিত হয়, হয় তারা ভোটদানে অনাগ্রহী হয় অথবা বিক্ষোভ ও আন্দোলনে অংশ নেয়। রাজনৈতিক দলগুলো যুব সমাজের এই হতাশা দূর করতে ব্যর্থ হওয়ায় এটি রাজনৈতিক অস্থিরতার একটি সামাজিক কারণ হয়ে উঠেছে। (১১)
দুর্যোগ মোকাবিলায় দুর্বলতা: নেপাল একটি ভূমিকম্প-প্রবণ দেশ এবং বন্যা, ভূমিধসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়। এই দুর্যোগগুলো মোকাবিলায় সরকারের দুর্বল প্রস্তুতি, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা প্রায়শই তীব্র জনরোষ সৃষ্টি করে। যখন সরকার জনগণের মৌলিক নিরাপত্তা ও ত্রাণ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তখন এটি রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ জন্ম দেয়। এই জনরোষ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেকার অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দেয়। (১২)
রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অসহিষ্ণুতা: নেপালের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের অভাব এবং অসহিষ্ণুতা লক্ষ্য করা যায়। দলগুলোর মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা ও ঐকমত্যের পরিবর্তে একে অপরের প্রতি দোষারোপ এবং ব্যক্তিগত আক্রমণ সাধারণ ঘটনা। এই অসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিবেশ গণতন্ত্রের সুস্থ চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করে এবং যেকোনো সংকটের সময় দলগুলোকে এক টেবিলে আনা কঠিন করে তোলে। এই অসুস্থ সংস্কৃতি রাজনৈতিক অস্থিরতাকেই উসকে দেয়। (১৩)
ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের সমস্যা: সংবিধান অনুযায়ী, কেন্দ্রীয়, প্রাদেশিক ও স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। তবে, এই তিন স্তরের সরকারের মধ্যে ক্ষমতা ও সম্পদের বন্টন নিয়ে প্রায়শই জটিলতা ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। কেন্দ্রীয় সরকার অনেক সময় প্রদেশের ক্ষমতাকে খর্ব করার চেষ্টা করে, যা প্রাদেশিক সরকারগুলোর মধ্যে অসন্তোষ ও বিরোধ সৃষ্টি করে। এই আন্তঃ-সরকার দ্বন্দ্ব জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করে। (১৪)
সামরিক হস্তক্ষেপের ভয়: যদিও নেপালে এখন একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার রয়েছে, অতীতে রাজকীয় সরকারের সময় সামরিক বাহিনীর প্রভাব একটি বড় বিষয় ছিল। যদিও সামরিক অভ্যুত্থানের আশঙ্কা কম, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র সংঘাতের সময় কখনও কখনও এই ঐতিহাসিক ভয় একটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। রাজনৈতিক দলগুলো যখন নিজেদের মধ্যে মীমাংসা করতে ব্যর্থ হয়, তখন অসাংবিধানিক শক্তির উত্থানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। (১৫)
অর্থনৈতিক বৈষম্য ও দারিদ্র্য: নেপালের অর্থনীতি মূলত কৃষি ও রেমিটেন্সের উপর নির্ভরশীল, এবং দেশটিতে অর্থনৈতিক বৈষম্য প্রকট। ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান বাড়ছে, যা সামাজিক অসন্তোষ ও শ্রেণিসংঘাতের জন্ম দেয়। রাজনৈতিক দলগুলো এই অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো সমাধানে ব্যর্থ হওয়ায় সাধারণ মানুষ সরকারের উপর আস্থা হারায়। এই ব্যাপক দারিদ্র্য ও বৈষম্য রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য একটি উর্বর ক্ষেত্র তৈরি করে। (১৬)
সুশীল সমাজের দুর্বল ভূমিকা: নেপালে সুশীল সমাজ (সিভিল সোসাইটি) অতীতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও, বর্তমানে তাদের ভূমিকা কিছুটা দুর্বল ও বিভক্ত। রাজনৈতিক দলগুলোর উপর সঠিক চাপ সৃষ্টি এবং জনগণের পক্ষে আওয়াজ তোলার ক্ষেত্রে তাদের দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়। একটি শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ সুশীল সমাজের অভাবে রাজনৈতিক দলগুলো প্রায়শই জবাবদিহিতার বাইরে থেকে যায়, যা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা নিরসনে সহায়ক নয়। (১৭)
উপসংহার: নেপালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কোনো একক কারণে সৃষ্ট নয়, বরং এটি দীর্ঘস্থায়ী দলীয় কোন্দল, সাংবিধানিক দুর্বলতা, ব্যাপক দুর্নীতি এবং বহিরাগত প্রভাবের সম্মিলিত ফল। এই সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে হলে নেপালী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে, সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতে হবে, এবং দুর্নীতি দমনে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। নেপালের স্থিতিশীলতা কেবল দেশের উন্নয়নের জন্যই নয়, বরং বৃহত্তর দক্ষিণ এশিয়ার শান্তির জন্যও অপরিহার্য।

