• Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Digital Tools
    • Home
    • Class 0-12
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Digital Tools
  • mdreadaim@gmail.com
  • Read at Home
Login > Register
Read Aim
Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Digital Tools
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- লিঙ্গ বৈষম্য কি? লিঙ্গ বৈষম্যের ক্ষেত্রসমূহ আলোচনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: লিঙ্গ বৈষম্য হলো এমন একটি সামাজিক সমস্যা, যা মানব সমাজে নারী ও পুরুষের মধ্যে অসমতা তৈরি করে। এটি একটি জটিল বিষয়, যা কেবল ব্যক্তিগত আচরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং আমাদের সমাজের কাঠামো, সংস্কৃতি, এবং প্রথাগত মূল্যবোধের গভীরে প্রোথিত। এই বৈষম্য সমাজে নারী-পুরুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে, যা তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনে সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে।

লিঙ্গ বৈষম্যের পরিচয়:-

শাব্দিক অর্থ: লিঙ্গ বৈষম্য বা Gender discrimination দুটি শব্দ নিয়ে গঠিত—’লিঙ্গ’ এবং ‘বৈষম্য’। ‘লিঙ্গ’ বলতে এখানে নারী ও পুরুষকে বোঝানো হয়েছে। আর ‘বৈষম্য’ মানে হলো পক্ষপাত, অসম আচরণ বা পার্থক্য। অর্থাৎ, লিঙ্গ বৈষম্য বলতে নারী ও পুরুষের মধ্যে তাদের লিঙ্গের কারণে সৃষ্ট অসমতা বা পক্ষপাতমূলক আচরণকে বোঝায়।

যে সকল গবেষকগণ লিঙ্গ বৈষম্যের সংজ্ঞা প্রদান করেছেন তাদের কিছু উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞা নিচে তুলে ধরা হলো: ১। অগবার্ন (Ogburn) এবং নিমকফ (Nimkoff) এর মতে, লিঙ্গ বৈষম্য হলো এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে নারী ও পুরুষের মধ্যে তাদের জৈবিক পার্থক্যের ভিত্তিতে সামাজিক ভূমিকা, সুযোগ এবং মর্যাদা নির্ধারণ করা হয়, যা প্রায়শই নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক হয়।

২। কার্ল মার্কস (Karl Marx) সরাসরি লিঙ্গ বৈষম্যের সংজ্ঞা না দিলেও তার শ্রেণী সংগ্রামের ধারণার মধ্যে এর প্রতিফলন দেখা যায়। তিনি মনে করতেন, সম্পত্তির মালিকানার ভিত্তিতে যেমন সমাজে শ্রেণী বৈষম্য হয়, তেমনি পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরাও একটি শোষিত শ্রেণীর অংশ।

৩। এমিল ডুর্খেইম (Émile Durkheim) তার “সামাজিক সংহতি” ধারণার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে লিঙ্গ বৈষম্যের আলোচনা করেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, লিঙ্গ বৈষম্য সমাজের স্বাভাবিক সংহতিতে বিঘ্ন ঘটায় এবং তা এক ধরনের সামাজিক বিশৃঙ্খলা (Anomie) সৃষ্টি করে।

৪। ম্যাক্স ওয়েবার (Max Weber) তার সামাজিক স্তরবিন্যাসের আলোচনায় লিঙ্গ বৈষম্যকে ক্ষমতা, মর্যাদা ও সম্পত্তির অসম বন্টনের একটি রূপ হিসেবে দেখেছেন। তার মতে, লিঙ্গীয় পরিচয় প্রায়শই একজন ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা ও ক্ষমতার স্তরকে প্রভাবিত করে।

৫। অক্সফোর্ড ডিকশনারি (Oxford Dictionary) অনুযায়ী, লিঙ্গ বৈষম্য হলো “নারীর প্রতি পুরুষের চেয়ে কম মর্যাদা দেওয়া, যা তাদের মধ্যে অসমতা সৃষ্টি করে।” (The practice of giving women a lower social status than men, causing inequality between the sexes.)

৬। হ্যারল্ড জে. লাস্কি (Harold J. Laski) রাজনৈতিক বৈষম্য প্রসঙ্গে বলেন যে, “যে সমাজে ক্ষমতার বন্টন অসম, সেখানে লিঙ্গ বৈষম্য স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যমান।” (In a society where power is unevenly distributed, gender inequality is naturally present.)

৭। অধ্যাপক ফিফনার ও প্রেসথাস (P. Fiffner and Presthus) তাদের প্রশাসনিক আলোচনায় দেখিয়েছেন যে, লিঙ্গ বৈষম্য প্রায়শই প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা নারী কর্মীদের পদোন্নতি ও সুযোগ সীমিত করে।

উপরিউক্ত সংজ্ঞাগুলোর আলোকে আমরা বলতে পারি, লিঙ্গ বৈষম্য হলো এমন এক ধরনের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক অসমতা, যেখানে কেবল লিঙ্গের ভিত্তিতে নারী ও পুরুষের মধ্যে অসম সুযোগ, অধিকার এবং মর্যাদা সৃষ্টি করা হয়। এটি একটি বহুমাত্রিক সমস্যা যা সমাজের প্রতিটি স্তরে পরিলক্ষিত হয়।

লিঙ্গ বৈষম্য ক্ষেত্র সমূহ:-

১। শিক্ষায় বৈষম্য: শিক্ষা হলো মানুষের মৌলিক অধিকার, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ সীমিত করা হয়। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দরিদ্র পরিবারে মেয়েদের পরিবর্তে ছেলেদের শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এর ফলে মেয়েরা উচ্চ শিক্ষা এবং পেশাগত জীবনে পিছিয়ে পড়ে। শিক্ষা না থাকায় তারা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে না, যা তাদের জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করে।

২। স্বাস্থ্যসেবায় অসমতা: স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও লিঙ্গ বৈষম্য দেখা যায়। মেয়েদের স্বাস্থ্য সমস্যাকে অনেক সময় অবহেলা করা হয়। বিশেষ করে প্রজনন স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে যথেষ্ট মনোযোগ দেওয়া হয় না। গর্ভকালীন সময়ে সঠিক স্বাস্থ্যসেবার অভাবে অনেক নারী মারা যান বা জটিল রোগে আক্রান্ত হন। পুরুষের তুলনায় নারীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি প্রায়শই কঠিন হয়।

৩। কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য: কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে বেতন, পদোন্নতি এবং সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্য দেখা যায়। একই কাজ করেও নারীরা পুরুষের চেয়ে কম বেতন পান। উচ্চ পদে নারীদের সংখ্যা খুবই কম। অনেক সময় মাতৃত্বকালীন ছুটির কারণে নারীরা চাকরি থেকে বাদ পড়েন বা পদোন্নতির সুযোগ হারান। কর্মক্ষেত্রে নারীদের হেনস্তার শিকার হওয়ার ঘটনাও প্রায়শই ঘটে।

৪। রাজনৈতিক অংশগ্রহণে বাধা: রাজনীতি এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ সীমিত। সংসদ, স্থানীয় সরকার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদে পুরুষের তুলনায় নারীরা অনেক কম সুযোগ পান। অনেক সময় তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা দেওয়া হয়। এর ফলে সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর চাহিদা ও অগ্রাধিকার প্রায়শই উপেক্ষিত হয়।

৫। সম্পত্তির মালিকানায় অসমতা: বেশিরভাগ সমাজে নারীদের সম্পত্তির মালিকানা থেকে বঞ্চিত করা হয়। পৈতৃক সম্পত্তিতে নারীদের অধিকার সীমিত বা নেই বললেই চলে। এর ফলে নারীরা অর্থনৈতিকভাবে পুরুষের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এটি তাদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।

৬। পারিবারিক ও সামাজিক চাপ: পারিবারিক এবং সামাজিক প্রত্যাশা লিঙ্গ বৈষম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। নারীদেরকে গৃহস্থালি কাজ এবং সন্তান পালনের দায়িত্বে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। তাদের পেশাগত বা ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে অনেক সময় নিরুৎসাহিত করা হয়। এটি নারীদের মানসিক চাপ বাড়ায় এবং তাদের আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাস হ্রাস করে।

৭। আইন ও বিচার ব্যবস্থায় অসমতা: অনেক দেশে আইন এবং বিচার ব্যবস্থায় লিঙ্গ বৈষম্য বিদ্যমান। পারিবারিক আইন, বিবাহ এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইন প্রায়শই পুরুষের পক্ষে থাকে। নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে অনেক সময় ন্যায়বিচার পাওয়া কঠিন হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোও অনেক সময় পক্ষপাতিত্ব করে, যা নারীদের জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে।

৮। যৌন হয়রানি ও সহিংসতা: নারী ও শিশুরা বিভিন্ন ধরনের যৌন হয়রানি এবং সহিংসতার শিকার হয়। কর্মক্ষেত্রে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং জনসমাগমের স্থানে তারা প্রায়শই অনিরাপদ বোধ করে। এই ধরনের সহিংসতা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে এবং তাদের স্বাভাবিক চলাফেরার স্বাধীনতাকে সীমিত করে।

৯। প্রযুক্তি ও ডিজিটাল বৈষম্য: ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তির ব্যবহারেও লিঙ্গ বৈষম্য দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে নারীরা ইন্টারনেট, স্মার্টফোন এবং অন্যান্য প্রযুক্তির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। এর ফলে তারা আধুনিক তথ্য ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। ডিজিটাল মাধ্যমে নারীদের হয়রানির শিকার হওয়ার ঘটনাও বেড়েছে।

১০। খাদ্য ও পুষ্টিতে বৈষম্য: অনেক পরিবারে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পুষ্টির দিকে কম নজর দেওয়া হয়। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারে পুষ্টিহীনতা নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এর ফলে তারা বিভিন্ন রোগ এবং দুর্বলতায় ভোগেন, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বাধা দেয়।

১১। খেলধুলায় সীমিত সুযোগ: খেলাধুলা এবং শারীরিক কার্যকলাপে মেয়েদের অংশগ্রহণের সুযোগ কম। পারিবারিক এবং সামাজিক কারণে মেয়েদেরকে খেলাধুলা থেকে নিরুৎসাহিত করা হয়। এর ফলে তারা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। পেশাগত খেলোয়াড় হিসেবে তাদের ভবিষ্যৎও সীমিত হয়ে পড়ে।

১২। গণমাধ্যমে নারীর ভুল উপস্থাপন: গণমাধ্যম প্রায়শই নারীকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে। বিজ্ঞাপন, সিনেমা এবং টেলিভিশন সিরিজে নারীকে কেবল গৃহিণী বা সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়। এটি সমাজের মধ্যে নারীর চিরাচরিত ভূমিকা সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করে। গণমাধ্যমে নারীর বাস্তব ভূমিকা এবং ক্ষমতাকে প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়।

১৩। পেশা নির্বাচনে বাধা: নারীদেরকে নির্দিষ্ট কিছু পেশা যেমন শিক্ষকতা, নার্সিং বা গৃহস্থালি কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রাখা হয়। প্রকৌশল, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি বা সামরিক বাহিনীর মতো পেশাগুলোতে তাদের প্রবেশ কঠিন হয়। এই ধরনের সীমাবদ্ধতা তাদের পেশাগত পছন্দ এবং কর্মজীবনের সম্ভাবনাকে সীমিত করে।

১৪। পরিবেশগত বিপর্যয় ও লিঙ্গ বৈষম্য: জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশগত বিপর্যয় নারীদেরকে পুরুষের তুলনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। বন্যা, খরা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় নারীদের খাদ্য, আশ্রয় এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। অনেক সময় ত্রাণ কার্যক্রমেও তাদের বিশেষ চাহিদা উপেক্ষা করা হয়।

১৫। কৃষিক্ষেত্রে বৈষম্য: কৃষিক্ষেত্রে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তাদের শ্রমকে প্রায়শই স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। অনেক ক্ষেত্রে তারা ফসলের ন্যায্য মূল্য পায় না এবং তাদের মজুরি পুরুষের চেয়ে কম হয়। জমির মালিকানাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষের হাতে থাকে।

১৬। পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসমতা: অনেক পরিবারে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিতে পারেন না। তাদের মতামতকে উপেক্ষা করা হয় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পুরুষের হাতে থাকে। এটি তাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয় এবং তাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে সীমিত করে।

১৭। যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের অধিকার: অনেক ক্ষেত্রে নারীদের নিজেদের শরীর এবং প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার সীমিত। গর্ভধারণ, গর্ভপাত এবং পরিবার পরিকল্পনার মতো বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রায়শই পরিবারের পুরুষ সদস্য বা সমাজের দ্বারা প্রভাবিত হয়।

১৮। মানসিক স্বাস্থ্যে অবহেলা: মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে নারীদের সমস্যা প্রায়শই অবহেলিত হয়। পারিবারিক চাপ, কর্মক্ষেত্রের চাপ এবং অন্যান্য বৈষম্যের কারণে তারা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু তাদের এই সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না।

উপসংহার: লিঙ্গ বৈষম্য একটি জটিল এবং বহুমুখী সমস্যা যা মানব সমাজকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এর মূল কারণগুলি হলো সামাজিক রীতি, অর্থনৈতিক অসমতা এবং সাংস্কৃতিক মনোভাব। এই বৈষম্য দূর করতে হলে শিক্ষা, সচেতনতা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ প্রয়োজন। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের সমান অধিকার এবং সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে একটি ন্যায়সঙ্গত ও প্রগতিশীল সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে।

একনজরে উত্তর দেখুন
  • ১। শিক্ষায় বৈষম্য
  • ২। স্বাস্থ্যসেবায় অসমতা
  • ৩। কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য
  • ৪। রাজনৈতিক অংশগ্রহণে বাধা
  • ৫। সম্পত্তির মালিকানায় অসমতা
  • ৬। পারিবারিক ও সামাজিক চাপ
  • ৭। আইন ও বিচার ব্যবস্থায় অসমতা
  • ৮। যৌন হয়রানি ও সহিংসতা
  • ৯। প্রযুক্তি ও ডিজিটাল বৈষম্য
  • ১০। খাদ্য ও পুষ্টিতে বৈষম্য
  • ১১। খেলধুলায় সীমিত সুযোগ
  • ১২। গণমাধ্যমে নারীর ভুল উপস্থাপন
  • ১৩। পেশা নির্বাচনে বাধা
  • ১৪। পরিবেশগত বিপর্যয় ও লিঙ্গ বৈষম্য
  • ১৫। কৃষিক্ষেত্রে বৈষম্য
  • ১৬। পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসমতা
  • ১৭। যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের অধিকার
  • ১৮। মানসিক স্বাস্থ্যে অবহেলা
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

২০২১ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ‘গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ’ রিপোর্ট অনুযায়ী, অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগের দিক থেকে বিশ্বে নারী-পুরুষের বৈষম্য এখনো অনেক বেশি। ঐতিহাসিক ঘটনা অনুযায়ী, ১৯৪৮ সালে ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র’ নারীর অধিকারকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপরও ১৯৬০-এর দশকে দ্বিতীয় ঢেউয়ের নারীবাদী আন্দোলন শুরু হয়, যা নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যাপক ভূমিকা রাখে। ১৯৯৫ সালে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন নারীদের ক্ষমতায়নের ওপর জোর দেয়। এসব আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সত্ত্বেও বহু দেশেই লিঙ্গ বৈষম্য এখনো প্রকট।

Tags: লিঙ্গ বৈষম্য কাকে বলে?লিঙ্গ বৈষম্য কি?লিঙ্গ বৈষম্যেলিঙ্গ বৈষম্যের ক্ষেত্রলিঙ্গ বৈষম্যের ক্ষেত্রসমূহলিঙ্গ বৈষম্যের সজ্ঞা দাও।
  • Previous সামাজিক অসমতার উপাদান সমূহ আলোচনা কর।
  • Next জাতিবর্ণ প্রথার সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1336)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    উত্তর আধুনিকতাবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
    উত্তর আধুনিকতাবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
    সেন্ট সাইমন ও রবার্ট ওয়েনের কাল্পনিক সমাজতন্ত্রের রূপরেখা বিশ্লেষণ কর।
    কাল্পনিক ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM