• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0
সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের ভূমিকা পর্যালোচনা কর।

প্রশ্ন:- সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের ভূমিকা পর্যালোচনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: 

সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের ভূমিকা:-

বিশ্বায়ন আধুনিক বিশ্বের এক অপরিহার্য প্রক্রিয়া, যা দেশ ও সংস্কৃতির মধ্যকার বাধাগুলো ভেঙে দিয়েছে। এটি কেবল অর্থনৈতিক বিনিময় নয়, বরং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। এই নিবন্ধে আমরা সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের বহুমুখী প্রভাবগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।

১। যোগাযোগের বৈপ্লবিক পরিবর্তন: বিশ্বায়ন ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে এনেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন – ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে মানুষ খুব সহজে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছে। এই সহজলভ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা সাংস্কৃতিক ধারণা, সামাজিক আন্দোলন এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করেছে। যেমন আরব বসন্তের মতো আন্দোলনগুলো এই আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমেই গতি পেয়েছিল। এর ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নতুন সামাজিক কাঠামো তৈরি হয়েছে।

২। সাংস্কৃতিক মিশ্রণ ও বিনিময়: বিশ্বায়নের অন্যতম প্রধান ফল হলো সংস্কৃতির সংমিশ্রণ। বিভিন্ন দেশের মানুষ একে অপরের ভাষা, সঙ্গীত, পোশাক, এবং খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জানতে পারছে। বলিউডের চলচ্চিত্র এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জনপ্রিয়, তেমনি পশ্চিমা সঙ্গীত ও ফ্যাশন এশিয়ার দেশগুলোতেও ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। এই বিনিময় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন একটি মিশ্র সংস্কৃতির উদ্ভব হচ্ছে, যা সমাজের চিরাচরিত রীতিনীতিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে এবং একটি বিশ্বজনীন সংস্কৃতির ধারণাকে শক্তিশালী করছে। এটি সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে এক নতুন রূপ দিচ্ছে।

৩। অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধি: বিশ্বায়নের ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়লেও ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য বেড়েছে। উন্নত দেশগুলো বিশ্ব অর্থনীতির অধিকাংশ সুবিধা ভোগ করে, যখন উন্নয়নশীল দেশগুলো কেবল শ্রম ও প্রাকৃতিক সম্পদ সরবরাহকারী হিসেবে থাকে। এর ফলে গরিব দেশগুলো আরও গরিব হচ্ছে এবং ধনী দেশগুলো আরও ধনী হচ্ছে। যেমন- বহুজাতিক কোম্পানিগুলো কম পারিশ্রমিকের শ্রমিক পেতে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে তাদের কারখানা স্থাপন করে, যার ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে খুব কম ইতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং শ্রমিকের জীবনমান খুব একটা উন্নত হয় না।

৪। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের বিস্তার: বিশ্বায়ন শ্রমবাজারকে আন্তর্জাতিক রূপ দিয়েছে। এখন একজন দক্ষ কর্মী শুধু তার নিজের দেশে নয়, বিশ্বের যেকোনো স্থানে কাজ করতে পারে। চিকিৎসক, প্রকৌশলী এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পেশাজীবীরা উন্নত দেশগুলোতে কাজের সুযোগ পাচ্ছে, যা তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করছে। তবে এর ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে মেধাবী ও দক্ষ কর্মীদের বিদেশে চলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, যাকে আমরা ‘মেধাপাচার’ (Brain Drain) বলে থাকি। এতে দেশগুলো তাদের সবচেয়ে মূল্যবান মানবসম্পদ হারাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করে।

৫। নারীর ক্ষমতায়ন: বিশ্বায়ন নারীদের ক্ষমতায়নে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন দেশে নারীরা তাদের অধিকার ও মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন হতে পেরেছে। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুনগুলো নারী অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। উন্নত দেশগুলোতে নারীদের উচ্চশিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেও নারীরা ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হচ্ছে। এই পরিবর্তন তাদের আর্থিক স্বাধীনতা দিচ্ছে এবং সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করছে।

৬। নতুন সামাজিক আন্দোলন: বিশ্বায়ন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সামাজিক আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষা, মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা, এবং শিশুশ্রম প্রতিরোধের মতো বিষয়গুলো এখন আর শুধু কোনো একটি দেশের সমস্যা নয়, বরং বিশ্বব্যাপী আলোচনার বিষয়। ইন্টারনেট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে এই আন্দোলনগুলো দ্রুত বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং জনমত গঠনে সহায়তা করে। যেমন- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে আন্দোলনগুলো এখন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই আন্দোলনগুলো সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে নীতি পরিবর্তন করতে বাধ্য করে।

৭। রাজনৈতিক কাঠামোয় পরিবর্তন: বিশ্বায়ন দেশীয় রাজনীতিকে আন্তর্জাতিক প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এখন কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ নীতিগুলো শুধু সে দেশের জনগণের দ্বারা প্রভাবিত হয় না, বরং আন্তর্জাতিক চাপ, বহুজাতিক কর্পোরেশন এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দ্বারাও প্রভাবিত হয়। এর ফলে অনেক সময় সরকার জনস্বার্থের চেয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেয়। এটি গণতন্ত্রের ওপর এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে এবং জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতা হ্রাস করছে।

৮। পরিবেশগত প্রভাব: বিশ্বায়নের ফলে শিল্পায়ন এবং বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অধিক উৎপাদন, পরিবহন এবং ভোগের কারণে কার্বন নির্গমন, বায়ুদূষণ এবং বর্জ্য উৎপাদন বেড়েছে। এটি জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির জন্য দায়ী। যদিও বিশ্বায়ন পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতেও সাহায্য করেছে, তবে এর অর্থনৈতিক কার্যকলাপ পরিবেশের ভারসাম্যকে মারাত্মকভাবে নষ্ট করছে।

৯। উপভোক্তা সংস্কৃতির বিস্তার: বিশ্বায়ন উপভোক্তা বা ভোগের সংস্কৃতিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর জীবনযাত্রা এবং ভোগবাদী মানসিকতা এখন বিশ্বের অনেক দেশে অনুকরণ করা হচ্ছে। টেলিভিশন, বিজ্ঞাপন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে এই সংস্কৃতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে মানুষ অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা করছে এবং তাদের সুখের ধারণা বস্তুগত সম্পদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এই ভোগবাদী সংস্কৃতি পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করছে।

১০। স্বাস্থ্য ও মহামারী ব্যবস্থাপনা: বিশ্বায়নের কারণে মানুষ ও পণ্যের চলাচল সহজ হয়েছে, যা একদিকে যেমন রোগ প্রতিরোধের জন্য তথ্য আদান-প্রদানকে সহজ করেছে, তেমনি বিভিন্ন রোগও খুব দ্রুত এক দেশ থেকে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। যেমন- কোভিড-১৯ মহামারী বিশ্বায়নের ফলস্বরূপ খুব অল্প সময়ের মধ্যে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ধরনের মহামারী মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

১১। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের অগ্রগতি: বিশ্বায়ন প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা ও প্রকৌশলীরা একে অপরের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারে, যার ফলে নতুন নতুন আবিষ্কার ও উদ্ভাবন দ্রুত গতিতে হয়। যেমন – স্মার্টফোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতি বৈশ্বিক সহযোগিতার ফলাফল। এই প্রযুক্তিগুলো সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনছে।

১২। শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ: বিশ্বায়নের ফলে শিক্ষাব্যবস্থা আরও আন্তর্জাতিক হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখন অন্য দেশে গিয়ে পড়াশোনা করতে পারে, যা তাদের জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করে। বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করার জন্য নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করছে। যেমন – স্কলারশিপ এবং আন্তর্জাতিক বিনিময় কর্মসূচি। এর ফলে আন্তর্জাতিক জ্ঞানের আদান-প্রদান বাড়ছে এবং সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি পাচ্ছে।

১৩। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন: বিশ্বায়নের কারণে বিভিন্ন দেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এসেছে। এখন বাংলাদেশের মতো দেশেও ম্যাকডোনাল্ডসের ফাস্টফুড এবং ইতালীয় পিজ্জা জনপ্রিয়। একইভাবে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঙালি, ভারতীয় বা চীনা রেস্তোরাঁ দেখা যায়। এই পরিবর্তন একদিকে যেমন খাদ্যের বৈচিত্র্য বাড়িয়েছে, তেমনি অন্যদিকে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়াচ্ছে, যেমন স্থূলতা এবং ডায়াবেটিস।

১৪। শহরায়ন ও সামাজিক কাঠামো: বিশ্বায়ন বিশ্বজুড়ে শহরায়ন প্রক্রিয়াকে গতি দিয়েছে। কর্মসংস্থানের খোঁজে গ্রাম থেকে শহরে মানুষের স্থানান্তর বেড়েছে। এর ফলে শহরগুলোতে নতুন সামাজিক কাঠামো গড়ে উঠছে, যেখানে একান্নবর্তী পরিবারের চেয়ে একক পরিবারের প্রবণতা বাড়ছে। এই শহুরে জীবনধারা গ্রামীন সমাজের ঐতিহ্য ও রীতিনীতিকে চ্যালেঞ্জ করছে।

১৫। গণমাধ্যমের বিস্তার ও তথ্যপ্রবাহ: বিশ্বায়ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিস্তার ঘটিয়েছে। সিএনএন, বিবিসি, আল-জাজিরার মতো সংবাদ সংস্থাগুলো এখন বিশ্বব্যাপী তথ্য সরবরাহ করে। এর ফলে কোনো ঘটনা শুধু স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা দ্রুত বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে যায়। এটি তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করে এবং জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়ায়।

১৬। পরিবার ও সম্পর্কের পরিবর্তন: বিশ্বায়নের কারণে পরিবার ও সম্পর্কের ধারণায় পরিবর্তন আসছে। মানুষ কাজের প্রয়োজনে বা পড়াশোনার জন্য দেশ-বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে, যার ফলে অনেক পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। দূরবর্তী সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, তবে এটি পারিবারিক বন্ধনকে দুর্বলও করতে পারে।

১৭। আইন ও বিচার ব্যবস্থার আন্তর্জাতিকীকরণ: বিশ্বায়ন আন্তর্জাতিক আইন ও বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে। মানব পাচার, সন্ত্রাসবাদ এবং অর্থনৈতিক অপরাধের মতো আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) এর মতো সংস্থাগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার করে, যা বিশ্বব্যাপী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করছে।

১৮। সন্ত্রাসবাদ ও নিরাপত্তার ঝুঁকি: বিশ্বায়নের ফলে সন্ত্রাসবাদ ও নিরাপত্তার ঝুঁকি বেড়েছে। যেহেতু মানুষ, পণ্য এবং তথ্য খুব সহজে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারে, তাই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোও তাদের কার্যক্রম আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে দিতে পারছে। সাইবার সন্ত্রাস এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ বিশ্বায়নের এক অন্ধকার দিক।

১৯। স্থানীয় সংস্কৃতির অবক্ষয়: বিশ্বায়নের ফলে আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি এতটাই প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে যে অনেক স্থানীয় এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতি বিলুপ্তির পথে। তাদের ভাষা, ঐতিহ্য এবং রীতিনীতি পশ্চিমা সংস্কৃতির দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।

উপসংহার: বিশ্বায়ন একটি দ্বিমুখী প্রক্রিয়া। এটি একদিকে যেমন যোগাযোগ, প্রযুক্তি এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে মানব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করেছে, তেমনি অন্যদিকে অর্থনৈতিক বৈষম্য, পরিবেশের ক্ষতি এবং স্থানীয় সংস্কৃতির অবক্ষয়ের মতো চ্যালেঞ্জও সৃষ্টি করেছে। বিশ্বায়নের ইতিবাচক দিকগুলোকে কাজে লাগিয়ে এর নেতিবাচক প্রভাবগুলো মোকাবিলা করা আধুনিক সমাজের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

একনজরে উত্তর দেখুন
  1. ১। যোগাযোগের বৈপ্লবিক পরিবর্তন
  2. ২। সাংস্কৃতিক মিশ্রণ ও বিনিময়
  3. ৩। অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধি
  4. ৪। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের বিস্তার
  5. ৫। নারীর ক্ষমতায়ন
  6. ৬। নতুন সামাজিক আন্দোলন
  7. ৭। রাজনৈতিক কাঠামোয় পরিবর্তন
  8. ৮। পরিবেশগত প্রভাব
  9. ৯। উপভোক্তা সংস্কৃতির বিস্তার
  10. ১০। স্বাস্থ্য ও মহামারী ব্যবস্থাপনা
  11. ১১। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের অগ্রগতি
  12. ১২। শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ
  13. ১৩। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন
  14. ১৪। শহরায়ন ও সামাজিক কাঠামো
  15. ১৫। গণমাধ্যমের বিস্তার ও তথ্যপ্রবাহ
  16. ১৬। পরিবার ও সম্পর্কের পরিবর্তন
  17. ১৭। আইন ও বিচার ব্যবস্থার আন্তর্জাতিকীকরণ
  18. ১৮। সন্ত্রাসবাদ ও নিরাপত্তার ঝুঁকি
  19. ১৯। স্থানীয় সংস্কৃতির অবক্ষয়
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বিশ্বায়নের ধারণাটি মূলত ১৯৯০-এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের (১৯৯১) পর ব্যাপক আকার ধারণ করে, যখন বিশ্ব অর্থনীতি মুক্ত বাজার নীতি গ্রহণ করে। ২০০৪ সালের এক জরিপ অনুসারে, উন্নত দেশগুলোতে প্রায় ৫০% মানুষ বিশ্বায়নকে ইতিবাচকভাবে দেখে, যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই হার প্রায় ৬০%। ১৯৯৭ সালের পূর্ব এশীয় আর্থিক সংকট দেখায় যে বিশ্বায়নের ফলে এক দেশের আর্থিক সংকট দ্রুত অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ২০০১ সালে সন্ত্রাসবাদ বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তার ঝুঁকিকে নতুন করে তুলে ধরে। ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকট প্রমাণ করে যে বিশ্ব অর্থনীতির আন্তঃসংযোগ কতটা গভীর। বর্তমানে কোভিড-১৯-এর মতো বৈশ্বিক মহামারীগুলো দেখিয়ে দিয়েছে যে স্বাস্থ্যগত হুমকি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা কতটা জরুরি।

Tags: সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের ভূমিকা পর্যালোচনা কর।
  • Previous সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে মূল্যবোধ নিরপেক্ষ বিজ্ঞান –  ব্যাখ্যা কর।
  • Next সামাজিক অসমতার কারণ সমূহ উল্লেখ কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1412)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    উন্নয়নশীল রাষ্ট্রসমূহের রাজনৈতিক উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ভূমিকা আলোচনা কর।
    উন্নয়নশীল রাষ্ট্রসমূহে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত কর।
    রাজনৈতিক উন্নয়নের নির্ধারক বা মাপকাঠিসমূহ আলোচনা কর।
    উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এলিটদের ভূমিকা আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM