• Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Digital Tools
    • Home
    • Class 0-12
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Digital Tools
  • mdreadaim@gmail.com
  • Read at Home
Login > Register
Read Aim
Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Digital Tools
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- যুক্তরাজ্যের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বিকাশে বিভারিজ রিপোর্টের অবদান ব্যাখ্যা কর।

উত্তর::ভূমিকা: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকার একটি নতুন সমাজ গঠনের রূপরেখা তৈরির জন্য একটি কমিটি গঠন করে। এই কমিটির নেতৃত্ব দেন স্যার উইলিয়াম বিভারিজ, যিনি ১৯৪২ সালে “সামাজিক বীমা এবং সংশ্লিষ্ট পরিষেবা” শীর্ষক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন। এটিই ইতিহাসে বিভারিজ রিপোর্ট নামে পরিচিত, যা যুক্তরাজ্যের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করে।

যুক্তরাজ্যের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বিকাশে বিভারিজ রিপোর্টের অবদান:-

১। সামাজিক নিরাপত্তার রূপরেখা: বিভারিজ রিপোর্ট যুক্তরাজ্যের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি কাঠামোগত পরিকল্পনা তুলে ধরেছিল। এটি শুধু একটি খণ্ডকালীন ব্যবস্থা ছিল না, বরং নাগরিকদের জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দারিদ্র্য, অসুস্থতা, বেকারত্ব এবং বার্ধক্য মোকাবেলার জন্য একটি সমন্বিত ও সর্বজনীন ব্যবস্থার প্রস্তাব করেছিল। এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যেখানে কোনো নাগরিককে মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য সংগ্রাম করতে হবে না।

২। পাঁচটি বিশাল দানব: রিপোর্টটি সমাজের পাঁচটি প্রধান সমস্যাকে চিহ্নিত করেছিল, যেগুলোকে বিভারিজ “পাঁচটি দৈত্য” বা “Five Giants” হিসেবে বর্ণনা করেন। এগুলো হলো – দারিদ্র্য (Want), রোগ (Disease), অজ্ঞতা (Ignorance), মলিনতা (Squalor) এবং বেকারত্ব (Idleness)। এই সমস্যাগুলো একে অপরের সাথে সম্পর্কিত এবং একটির সমাধান অন্যটির উপর নির্ভরশীল। বিভারিজের মতে, এই পাঁচটি দৈত্যকে পরাজিত করতে পারলে একটি সুস্থ ও উন্নত সমাজ গঠন করা সম্ভব।

৩। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা: বিভারিজ রিপোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ ছিল সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রবর্তন। এই সুপারিশের ভিত্তিতেই ১৯৪৮ সালে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (NHS) গঠিত হয়। এই সেবার মূলনীতি ছিল যে, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি কোনো ব্যক্তির আর্থিক সামর্থ্যের উপর নির্ভরশীল হবে না, বরং এটি একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হবে। এর ফলে সমাজের দরিদ্রতম থেকে ধনী পর্যন্ত সকলেই বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ পায়, যা ব্রিটিশ সমাজের বৈষম্য কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৪। বেকারত্ব বীমা: রিপোর্টটি বেকারত্ব বীমার প্রস্তাব করেছিল, যা বেকার মানুষকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে। এর উদ্দেশ্য ছিল কর্মসংস্থান হারানো মানুষেরা যেন চরম দারিদ্র্যের শিকার না হয় এবং তাদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে পারে। এই ব্যবস্থা বেকারদের নতুন চাকরির সন্ধান করা বা নতুন দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও সুযোগ দিত, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ছিল।

৫। বার্ধক্য ভাতা: বিভারিজ রিপোর্টে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়েছিল। এর ফলে বৃদ্ধ বয়সে কর্মক্ষমতা হারানো মানুষজন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সহায়তা পাবে, যা তাদের জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য। এটি শুধু প্রবীণদের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করত না, বরং তাদের পরিবারের উপর অর্থনৈতিক চাপও কমাত। এই পদক্ষেপটি ব্রিটিশ সমাজে প্রবীণদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা বৃদ্ধি করেছিল।

৬। শিশু ভাতা: বিভারিজ রিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ছিল শিশু ভাতার প্রবর্তন। এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের শিশুদের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এর উদ্দেশ্য ছিল শিশুদের পুষ্টি, শিক্ষা এবং সামগ্রিক বিকাশের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা। এই ব্যবস্থা বিশেষত দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক ছিল এবং সমাজের সব শিশুর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে সাহায্য করেছিল।

৭। মাতৃত্ব ভাতা: গর্ভবতী নারী এবং সদ্য মা হওয়া নারীদের জন্য মাতৃত্ব ভাতার ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়েছিল। এই ভাতার উদ্দেশ্য ছিল মায়েদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিশ্চিত করা এবং শিশুদের জীবনের প্রথম বছরগুলোতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। এই পদক্ষেপটি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।

৮। সামাজিক নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়: রিপোর্টটি একটি নতুন সামাজিক নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করেছিল। এর মূল কাজ ছিল সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনা করা। এর ফলে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বিচ্ছিন্নভাবে কাজ না করে একটি সমন্বিত কাঠামোর অধীনে কার্যকরভাবে পরিষেবা প্রদান করতে পারত। এটি সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দক্ষতা এবং জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করেছিল।

৯। জাতীয় বীমা ব্যবস্থা: বিভারিজের প্রধান প্রস্তাব ছিল একটি জাতীয় বীমা ব্যবস্থা চালু করা। এই ব্যবস্থায় প্রতিটি কর্মক্ষম ব্যক্তি বাধ্যতামূলকভাবে সাপ্তাহিক প্রিমিয়াম প্রদান করবে এবং বিনিময়ে অসুস্থতা, বেকারত্ব, বার্ধক্য বা মাতৃত্বের সময় আর্থিক সহায়তা পাবে। এই ব্যবস্থাটি বীমার ঝুঁকিকে সমাজের সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিল, যা একে আরও স্থিতিশীল এবং কার্যকর করে তুলেছিল।

১০। নিয়মিত প্রিমিয়াম প্রদান: এই ব্যবস্থার একটি মূল দিক ছিল নিয়মিত প্রিমিয়াম প্রদান। কর্মজীবী মানুষরা তাদের বেতনের একটি অংশ নিয়মিতভাবে এই তহবিলে জমা দেবে। এর ফলে যখন তাদের প্রয়োজন হবে, তখন তারা আর্থিক সহায়তা পাবে। এই প্রিমিয়াম ব্যবস্থা সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আর্থিক ভিত্তি মজবুত করে এবং এটি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ মডেল হিসেবে কাজ করে।

১১। রাষ্ট্রীয় তহবিল: বিভারিজ রিপোর্টে প্রস্তাবিত জাতীয় বীমা ব্যবস্থা একটি রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে পরিচালিত হবে। এই তহবিল জনগণের প্রিমিয়াম এবং সরকারি অনুদান দিয়ে গঠিত হবে। এর ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে তহবিল সংকটের ঝুঁকি কমবে এবং সরকার জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রদানের সক্ষমতা অর্জন করবে।

১২। ব্যক্তিগত অধিকার: বিভারিজ রিপোর্ট সামাজিক নিরাপত্তাকে ব্যক্তিগত অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক পরিবর্তন ছিল। এর আগে সামাজিক সহায়তা অনেক সময় দাতব্য বা করুণার বিষয় হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু বিভারিজের প্রস্তাবের পর এটি নাগরিকদের প্রাপ্য অধিকার হিসেবে বিবেচিত হতে শুরু করে, যা তাদের আত্মসম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করে।

১৩। জাতীয় সংহতি: এই রিপোর্টটি জাতীয় সংহতি বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছিল। একটি জাতি যখন তাদের সব নাগরিকের নিরাপত্তা ও bienestar-এর দায়িত্ব নেয়, তখন জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা ও সংহতি বৃদ্ধি পায়। বিভারিজের প্রস্তাবিত ব্যবস্থা ব্রিটিশদের মধ্যে এই ধারণা প্রতিষ্ঠা করে যে, তারা একসঙ্গে একটি শক্তিশালী সমাজ গঠন করছে।

১৪। যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠন: বিভারিজ রিপোর্ট যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটেন বিধ্বস্ত ছিল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তা ছিল। বিভারিজের প্রস্তাবগুলো একটি আশার আলো দেখিয়েছিল যে, যুদ্ধ শেষে একটি উন্নত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব, যা জনগণের মনোবল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

১৫। রাজনৈতিক প্রভাব: রিপোর্টটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এটি শ্রমিক দল (Labour Party) এবং লিবারেল দল (Liberal Party)-এর মধ্যে সামাজিক সংস্কারের জন্য একটি নতুন প্রেরণা তৈরি করে। ১৯৪৫ সালের নির্বাচনে শ্রমিক দলের বিপুল জয়ের পেছনে বিভারিজ রিপোর্টের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি একটি প্রধান কারণ ছিল।

১৬। আন্তর্জাতিক প্রভাব: বিভারিজ রিপোর্টের ধারণা এবং সুপারিশগুলি শুধু যুক্তরাজ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং আন্তর্জাতিকভাবেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। অনেক দেশ, বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলো, তাদের নিজস্ব সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিভারিজের মডেলকে অনুসরণ করেছিল। এটি একটি আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণার জন্ম দিয়েছিল।

১৭। জনপ্রিয়তা: এই রিপোর্টটি জনগণের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। এর সহজবোধ্য ভাষা এবং স্পষ্ট লক্ষ্য জনগণের মনে আশার সঞ্চার করেছিল। ১৯৪২ সালে যখন রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়, তখন এর প্রায় ৭০,০০০ কপি মাত্র এক দিনে বিক্রি হয়েছিল, যা এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে।

১৮। আর্থিক দিক: বিভারিজ রিপোর্টে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আর্থিক দিক নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছিল। তিনি দেখিয়েছিলেন যে এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে কত খরচ হবে এবং কীভাবে তা জনগণের প্রিমিয়াম ও সরকারি অনুদান থেকে সংস্থান করা সম্ভব। এটি সরকারের জন্য একটি বাস্তবসম্মত এবং কার্যকর কর্মপরিকল্পনা ছিল।

১৯। স্থায়ী কল্যাণ রাষ্ট্র: সবশেষে, বিভারিজ রিপোর্ট যুক্তরাজ্যে একটি স্থায়ী কল্যাণ রাষ্ট্র (Welfare State) প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করেছিল। এটি একটি অস্থায়ী বা সাময়িক ব্যবস্থা ছিল না, বরং নাগরিকদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে নিরাপত্তা ও সহায়তা প্রদানের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছিল। এর মাধ্যমে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের প্রতি দায়বদ্ধতা স্বীকার করে নেয়।

উপসংহার: বিভারিজ রিপোর্ট শুধু একটি প্রশাসনিক দলিল ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সামাজিক বিপ্লবের ইশতেহার। এই রিপোর্টটি ব্রিটিশ সমাজের মৌলিক রূপান্তর ঘটিয়েছিল এবং আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। এর ফলে দারিদ্র্য, রোগ ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে এক সমন্বিত যুদ্ধ শুরু হয়, যা কোটি কোটি মানুষের জীবনকে সুরক্ষিত ও উন্নত করেছে। এই রিপোর্টটি আজও সামাজিক নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

একনজরে উত্তর দেখুন

🟣 সামাজিক নিরাপত্তার রূপরেখা 🟣 পাঁচটি বিশাল দানব 🟣 সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা 🟣 বেকারত্ব বীমা 🟣 বার্ধক্য ভাতা: 🟣 শিশু ভাতা 🟣 মাতৃত্ব ভাতা 🟣 সামাজিক নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় 🟣 জাতীয় বীমা ব্যবস্থা 🟣 নিয়মিত প্রিমিয়াম প্রদান 🟣 রাষ্ট্রীয় তহবিল 🟣 ব্যক্তিগত অধিকার 🟣 জাতীয় সংহতি 🟣 যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠন 🟣 রাজনৈতিক প্রভাব: 🟣 আন্তর্জাতিক প্রভাব 🟣 জনপ্রিয়তা 🟣 আর্থিক দিক 🟣 স্থায়ী কল্যাণ রাষ্ট্র।

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১৯৪২ সালে প্রকাশিত বিভারিজ রিপোর্টটি ব্রিটিশ সমাজের জন্য এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যে যখন ব্রিটিশ জনগণ চরম অনিশ্চয়তায় ছিল, তখন এই রিপোর্টটি আশার আলো দেখায়। ১৯৪৫ সালের নির্বাচনে ক্লিমেন্ট অ্যাটলি-এর নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি বিভারিজ রিপোর্টের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। ১৯৪৬ সালে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স অ্যাক্ট এবং ১৯৪৮ সালে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (NHS) গঠিত হয়, যা রিপোর্টটির মূল সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করে। এই দুটি আইন ব্রিটিশ কল্যাণ রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করে এবং নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বেকারত্ব ভাতা, বার্ধক্য ভাতা এবং অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা নিশ্চিত করে। বিভারিজ রিপোর্টের মূলনীতিগুলো পরবর্তীতে অন্যান্য দেশের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Tags: বিভারিজ রিপোর্টবিভারিজ রিপোর্টের অবদানযুক্তরাজ্যের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বিকাশে বিভারিজ রিপোর্টের অবদান
  • Previous ১৬০১ সালের দারিদ্র আইন কী? ১৬০১ সালের দারিদ্র আইনের বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর।
  • Next ১৮৩৪ সালের দারিদ্র আইন সংস্কারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1336)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    উত্তর আধুনিকতাবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
    উত্তর আধুনিকতাবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
    সেন্ট সাইমন ও রবার্ট ওয়েনের কাল্পনিক সমাজতন্ত্রের রূপরেখা বিশ্লেষণ কর।
    কাল্পনিক ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM