• Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Digital Tools
    • Home
    • Class 0-12
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Digital Tools
  • mdreadaim@gmail.com
  • Read at Home
Login > Register
Read Aim
Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Digital Tools
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস গঠনের পটভূমি আলোচনা কর।

উত্তর।।উপস্থাপনা: ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা একটি যুগান্তকারী ঘটনা। ১৮৮৫ সালে স্যার অ্যালান অক্টাভিয়ান হিউম (A.O. Hume) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি ছিল মূলত ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ এবং সচেতনতার ফসল হিসেবে কংগ্রেসের জন্ম ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে।

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস গঠনের পটভূমি আলোচনা-

রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি: ব্রিটিশ শাসনের তীব্র শোষণের ফলস্বরূপ শিক্ষিত ভারতীয়দের মধ্যে ধীরে ধীরে রাজনৈতিক সচেতনতার বিকাশ ঘটে। ইংরেজি শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমে পশ্চিমা উদারনৈতিক ধারণা, গণতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদের ভাবধারা যুব সমাজকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে। সংবাদপত্র, সাহিত্য ও বিভিন্ন সভা-সমিতির মাধ্যমে এই রাজনৈতিক ভাবনা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে, যা একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক মঞ্চের প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি করে। এই সচেতনতা বৃদ্ধির কারণেই আঞ্চলিক সমিতিগুলি একটি বৃহত্তর কাঠামোর অধীনে আসার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে, যা শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস গঠনের পথ প্রশস্ত করে। (১)

অর্থনৈতিক শোষণ: ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ভারতের সম্পদ নির্গমন (Drain of Wealth) এবং দেশীয় শিল্পের ধ্বংস ভারতীয় অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছিল। কৃষকদের উপর অতিরিক্ত ভূমি রাজস্বের বোঝা এবং ঔপনিবেশিক সরকারের একচেটিয়া বাণিজ্য নীতির ফলে দেশের সাধারণ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হয়। এই অর্থনৈতিক বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে শিক্ষিত ভারতীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, যা সরকারের কাছে সম্মিলিত দাবি জানানোর জন্য একটি শক্তিশালী সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করায়। কংগ্রেস গঠনের মাধ্যমে এই অর্থনৈতিক দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়। (২)

পরিবহন ও যোগাযোগ: ভারতে রেলপথ, টেলিগ্রাফ এবং আধুনিক ডাক ব্যবস্থার প্রবর্তন যদিও ব্রিটিশদের নিজস্ব স্বার্থে হয়েছিল, তবুও তা ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সহায়ক হয়। এই উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের মধ্যে সহজ সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। এই যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলস্বরূপ, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ তাদের সাধারণ দুঃখ-দুর্দশা ও রাজনৈতিক মতামত আদান-প্রদান করতে সক্ষম হয়, যা সর্বভারতীয় স্তরে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে এবং কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা ত্বরান্বিত করে। (৩)

ইংরেজি শিক্ষার প্রভাব: ব্রিটিশ প্রবর্তিত ইংরেজি শিক্ষা ভারতীয়দের পশ্চিমা সাহিত্য, ইতিহাস ও রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে অবগত করে। জন স্টুয়ার্ট মিল, রুশো, লক প্রমুখ দার্শনিকের স্বাধীনতা, সাম্য ও অধিকার সংক্রান্ত ধারণাগুলি ভারতীয় যুব সমাজকে প্রভাবিত করে। এই শিক্ষা ভারতীয়দের মধ্যে একটি সাধারণ ভাষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সেতুবন্ধন তৈরি করে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষকে একত্রিত করে একটি অভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করায়। এই শিক্ষাই তাদেরকে নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। (৪)

সংবাদপত্রের ভূমিকা: সংবাদপত্রগুলি তৎকালীন ভারতীয় সমাজের রাজনৈতিক চেতনা বৃদ্ধিতে এবং জনমত গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘অমৃত বাজার পত্রিকা’, ‘হিন্দু’, ‘কেশরী’, ‘ইন্ডিয়ান মিরর’ -এর মতো সংবাদপত্রগুলি ব্রিটিশ সরকারের সমালোচনা করে এবং সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরে। এই সংবাদপত্রগুলি বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সমস্যাগুলিকে একসূত্রে গেঁথে একটি জাতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে সাহায্য করে, যার ফলে সর্বভারতীয় একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের দাবি জোরদার হয়। এই গণমাধ্যমগুলিই ছিল জাতীয় চেতনার প্রধান বাহক। (৫)

জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ: উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ভারতীয়দের মধ্যে নিজেদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অতীতের গৌরব সম্পর্কে এক নতুন সচেতনতা সৃষ্টি হয়। ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনগুলি এই জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। রামকৃষ্ণ মিশন, আর্য সমাজ এবং থিওসফিক্যাল সোসাইটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলি ভারতীয়দের মনে আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে, যা তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হওয়ার প্রেরণা যোগায় এবং কংগ্রেসের মতো প্রতিষ্ঠানের জন্য পথ তৈরি করে। (৬)

ভারতীয়দের প্রতি বৈষম্য: ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ভারতীয়দের প্রতি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে জাতিগত বৈষম্যমূলক আচরণ করা হতো, তা শিক্ষিত ভারতীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে। সরকারি উচ্চ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ভারতীয়দের সুযোগ সীমিত রাখা, বিচারব্যবস্থায় পক্ষপাতিত্ব এবং সাধারণ সামাজিক মেলামেশার ক্ষেত্রে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ভারতীয়দের গভীরভাবে আঘাত করে। এই বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য একটি জাতীয় স্তরের প্ল্যাটফর্মের অভাব অনুভূত হয়, যা কংগ্রেস গঠনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। (৭)

লিটন ও রিপনের নীতি: লর্ড লিটনের প্রতিক্রিয়াশীল ও দমনমূলক নীতি, যেমন – অস্ত্র আইন (Arms Act, ১৮৭৮) এবং দেশীয় সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, ১৮৭৮) ভারতীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, লর্ড রিপনের প্রগতিশীল কিন্তু বিতর্কিত ইলবার্ট বিল (১৮৮৩) ভারতীয়দের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এই বিলের বিরুদ্ধে ইউরোপীয়দের তীব্র আন্দোলন ভারতীয়দের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য একটি সংগঠিত সর্বভারতীয় মঞ্চের কতটা প্রয়োজন। (৮)

মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বিকাশ: ব্রিটিশ প্রশাসনের অধীনে কাজ করা শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী, যেমন – উকিল, ডাক্তার, শিক্ষক এবং কেরানিরা একটি নতুন সামাজিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। এই শ্রেণীটিই ছিল ব্রিটিশ শাসনের ভাল-মন্দ দিকগুলি অনুধাবন করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সক্ষম। তাদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য এবং সরকারের কাছে তাদের বক্তব্য তুলে ধরার জন্য তারা একটি জাতীয় স্তরের সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে, যা ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। (৯)

ভারতীয় সভা সমিতির ভূমিকা: কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার আগে ভারতে আঞ্চলিক স্তরে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা সমিতি গড়ে উঠেছিল, যেমন – দাদাভাই নওরোজীর ‘ইস্ট ইন্ডিয়া অ্যাসোসিয়েশন’, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন’ এবং পুণা সার্বজনিক সভা। এই সংস্থাগুলি বিভিন্ন স্থানীয় সমস্যা নিয়ে কাজ করলেও, একটি সর্বভারতীয় মঞ্চের প্রয়োজনীয়তা ক্রমশ বাড়ছিল। এই আঞ্চলিক সমিতিগুলির অভিজ্ঞতা ও কর্মকাণ্ডই পরবর্তীকালে জাতীয় কংগ্রেসের মতো একটি বৃহত্তর জাতীয় সংগঠনের জন্ম দেওয়ার জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। (১০)

ইলবার্ট বিল বিতর্ক: ১৮৮৩ সালে লর্ড রিপন কর্তৃক প্রবর্তিত ইলবার্ট বিল, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয়দের মামলা বিচার করার ক্ষমতা দেওয়া, ইউরোপীয় সমাজে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। ইউরোপীয়দের সংঘবদ্ধ ও সফল প্রতিবাদ ভারতীয়দেরকে শিক্ষা দেয় যে, সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদ জানালে তা কতটা শক্তিশালী হতে পারে। এই ঘটনা ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস গঠনের পটভূমিতে এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে কাজ করে এবং জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে। (১১)

স্বেচ্ছাসেবী নিরাপত্তা কপাট: অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ আইসিএস অফিসার অ্যালান অক্টাভিয়ান হিউম কংগ্রেস গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। কথিত আছে, তিনি লর্ড ডাফরিনের পরামর্শে এবং ভারতীয়দের মধ্যে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অসন্তোষকে ‘নিরাপত্তা কপাট’ (Safety Valve) হিসেবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল জনরোষকে একটি বৈধ পথে চালিত করা যাতে তা কোনো সহিংস বিদ্রোহের রূপ না নেয়। তবে ভারতীয় নেতারা এর সুযোগ নিয়ে একে জাতীয় আন্দোলনের হাতিয়ার করে তোলেন। (১২)

আইনজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের উদ্যোগ: ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম দিকের নেতৃত্ব প্রধানত আইনজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং অন্যান্য বুদ্ধিজীবী শ্রেণী থেকে এসেছিল। এই পেশার কারণে তারা ব্রিটিশ আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং সরকারের কাছে যুক্তিসঙ্গত দাবি তুলে ধরার দক্ষতা রাখতেন। তাদের সম্মিলিত প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা একটি কার্যকরী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে কংগ্রেসকে প্রতিষ্ঠা করতে অপরিহার্য ছিল। তাদের উদ্যোগেই এই মঞ্চ বাস্তবে রূপ নেয়। (১৩)

সরকারি চাকুরিতে বৈষম্য: সরকারি চাকুরিতে উচ্চ পদগুলিতে ভারতীয়দের প্রবেশাধিকার ছিল অত্যন্ত সীমিত। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বয়সসীমা কমানো (যা লিটন সরকার করেছিল) এবং পরীক্ষা কেন্দ্র শুধুমাত্র লন্ডনে থাকার কারণে ভারতীয় মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছিলেন। এই বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষিত ভারতীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ছিল, যা তাদেরকে একত্রিত হয়ে সরকারের কাছে ন্যায়সঙ্গত দাবি জানানোর জন্য একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করায়। (১৪)

রাজনৈতিক সভার আয়োজন: ১৮৮৩ সালে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক আয়োজিত ‘জাতীয় সম্মেলন’ (National Conference) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বসূরি হিসেবে কাজ করে। এই সম্মেলন ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক নেতাদের একত্রিত করার একটি সফল প্রয়াস ছিল। এই ধরনের সফল সভার অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে, একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক মঞ্চ গঠনের পরিবেশ সম্পূর্ণ তৈরি। এটিই কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পথে চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে গণ্য হয়। (১৫)

জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা: ভারতীয় নেতাদের মধ্যে দেশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা এবং সরকারের কাছে ভারতীয়দের পক্ষ থেকে সম্মিলিত দাবি পেশ করার জন্য একটি স্থায়ী এবং কেন্দ্রীয় মঞ্চের তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল। বিচ্ছিন্নভাবে আঞ্চলিক সমস্যা নিয়ে প্রতিবাদ করার চেয়ে একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদ জানালে তা যে অনেক বেশি কার্যকর হবে, এই ভাবনা থেকেই কংগ্রেস গঠনের দিকে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এটি ছিল জাতীয় ঐক্য ও সম্মিলিত প্রতিবাদের মঞ্চ। (১৬)

ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার: ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনগুলি সমাজের কুসংস্কার দূর করে এবং ভারতীয়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও মর্যাদাবোধ জাগিয়ে তোলে। রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, দয়ানন্দ সরস্বতী এবং অন্যান্য সংস্কারকদের কাজ জাতিকে একটি নতুন পথে চালিত করে। এই সংস্কারগুলি সামাজিক ঐক্যকে মজবুত করে এবং রাজনৈতিক চেতনাকে আরও গভীর করে তোলে, যা একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক সংগঠন গঠনের জন্য উপযুক্ত সামাজিক ভিত্তি তৈরি করে। (১৭)

উপসংহার: ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা ছিল দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অসন্তোষের অনিবার্য ফল। শিক্ষিত মধ্যবিত্তের আকাঙ্ক্ষা, ব্রিটিশের দমনমূলক নীতি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং নিরাপত্তা কপাট তত্ত্ব – সব মিলিয়ে ১৮৮৫ সালে বম্বের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজে এই সংগঠনটির জন্ম হয়। কংগ্রেসের জন্ম ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে এবং জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে একটি সুসংগঠিত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।

Tags: কংগ্রেসকংগ্রেস গঠনের পটভূমিভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস গঠনের পটভূমি আলোচনা কর।
  • Previous শ্রীলংকার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণসমূহ আলোচনা কর।
  • Next বর্তমান পাকিস্তানের জাতীয় সংহতির সমস্যাসমূহ আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1336)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    উত্তর আধুনিকতাবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
    উত্তর আধুনিকতাবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
    সেন্ট সাইমন ও রবার্ট ওয়েনের কাল্পনিক সমাজতন্ত্রের রূপরেখা বিশ্লেষণ কর।
    কাল্পনিক ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM