- readaim.com
- 0
উত্তর::সূচনা: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সরাসরি ভোটে হয় না, বরং হয় একটি বিশেষ পদ্ধতিতে, যার নাম ইলেক্টোরাল কলেজ (Electoral College)। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি ব্যবস্থা।কল্পনা করুন, আপনি একটি বড় পরিবারের নেতা নির্বাচন করছেন, কিন্তু সরাসরি সবাই ভোট না দিয়ে কয়েকজন প্রতিনিধি দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এমনই একটি ব্যবস্থা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলেকটোরাল কলেজ! এটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তৈরি একটি বিশেষ দল, যা ৫৩৮ জন ইলেকটর নিয়ে গঠিত।
ইলেক্টোরাল কলেজ হল একটি প্রক্রিয়া, কোনও physical প্রতিষ্ঠান নয়, যার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ভোটে নয়, বরং পরোক্ষভাবে তাদের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে। জনগণ আসলে ইলেক্টর (Electors) নামক ব্যক্তিদের ভোট দেয়, যারা পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ভোট দেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলেক্টোরাল কলেজ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য গঠিত। প্রতিটি রাজ্যের ইলেক্টর সংখ্যা নির্ধারিত হয় কংগ্রেসে প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে: দুইজন সিনেটর এবং হাউস সদস্য সংখ্যা। ডিস্ট্রিক্ট অফ কলাম্বিয়া ৩টি ইলেক্টর পায়। মোট ৫৩৮ জন ইলেক্টর রয়েছে; জয়ের জন্য ২৭০ ভোট প্রয়োজন। রাজ্যের আইনসভা ইলেক্টর নির্বাচনের পদ্ধতি নির্ধারণ করে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ইলেক্টর তালিকা তৈরি করে। নির্বাচনের দিন জনপ্রিয় ভোটে বিজয়ী দলের ইলেক্টররা নিয়োগ পায়। বেশিরভাগ রাজ্যে “উইনার-টেক-অল” পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়, তবে মেইন ও নেব্রাস্কা জেলা পদ্ধতি অনুসরণ করে। ইলেক্টররা ডিসেম্বরে রাজ্যের রাজধানীতে ভোট দেন। ভোট গণনা জানুয়ারিতে কংগ্রেসে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপ-রাষ্ট্রপতি সভাপতিত্ব করেন।
উপসংহার: ইলেক্টোরাল কলেজ মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের একটি জটিল কিন্তু মৌলিক প্রক্রিয়া, যা ফেডারেল কাঠামো এবং রাজ্যের স্বায়ত্তশাসনের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য সৃষ্ট। এটি নিয়মিত বিতর্কের বিষয় হলেও, সংবিধানের অংশ হওয়ায় এটি পরিবর্তন করতে দুই-তৃতীয়াংশ কংগ্রেস এবং তিন-চতুর্থাংশ রাজ্যের সম্মতি প্রয়োজন।
উত্তর::উপস্থাপনা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য গঠিত একটি সংস্থা হলো ইলেক্টোরাল কলেজ। এটি কোনো স্থান নয়, বরং একটি প্রক্রিয়া। আমেরিকার সংবিধান অনুযায়ী, জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নয়, বরং এই ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
ইলেক্টোরাল কলেজের গঠন প্রক্রিয়া
ইলেক্টোরাল কলেজ মোট ৫৩৮ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে একজন প্রার্থীর ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেতে হয়। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোট সংখ্যা নির্ধারণ করা হয় সেই রাজ্যের কংগ্রেসে সদস্য সংখ্যার ভিত্তিতে (হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস-এর সদস্য সংখ্যা + ২ জন সিনেটর)। এছাড়া, ওয়াশিংটন ডি.সি. ৩টি ইলেক্টোরাল ভোট পায়।
- নির্বাচকদের মনোনয়ন: নির্বাচনের কয়েক মাস আগে প্রতিটি রাজনৈতিক দল তাদের নিজস্ব নির্বাচকদের একটি তালিকা তৈরি করে।
- জনগণের ভোট: নভেম্বরে সাধারণ নির্বাচনের দিনে ভোটাররা সরাসরি রাষ্ট্রপতি বা উপরাষ্ট্রপতিকে ভোট দেন না, বরং তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীর জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ নির্বাচকদের ভোট দেন।
- ‘উইনার-টেক-অল’ ব্যবস্থা: মেইন ও নেব্রাস্কা ছাড়া অন্য সব রাজ্যে ‘উইনার-টেক-অল’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। অর্থাৎ, যে প্রার্থী রাজ্যে জনগণের সবচেয়ে বেশি ভোট পান, সেই প্রার্থী সেই রাজ্যের সব ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে যান। মেইন ও নেব্রাস্কায় এই পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন, সেখানে ভোটের আনুপাতিক বন্টন হয়।
- নির্বাচকদের বৈঠক ও ভোটদান: নির্বাচনের পর ডিসেম্বরের দ্বিতীয় বুধবারের পরের প্রথম মঙ্গলবার নির্বাচকরা তাদের নিজ নিজ রাজ্যে একত্রিত হন এবং তাদের ভোট দেন। এই ভোট আনুষ্ঠানিকভাবে গণনা করার জন্য কংগ্রেসের কাছে পাঠানো হয়।
- ভোট গণনা ও ফলাফল: জানুয়ারী মাসের ৬ তারিখে কংগ্রেসের একটি যৌথ অধিবেশনে ইলেক্টোরাল ভোট গণনা করা হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীকে ঘোষণা করা হয়।
উপসংহার: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সরাসরি জনগণের ভোটে হয় না, বরং ইলেক্টোরাল কলেজের মাধ্যমে হয়। প্রতিটি রাজ্যের জনসংখ্যা অনুযায়ী নির্ধারিত নির্বাচকদের ভোটেই প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হয়। এই জটিল ব্যবস্থাটি সংবিধান অনুযায়ী কার্যকর রয়েছে, যা দেশটির নির্বাচনী প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
উত্তর::উপস্থাপনা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলেক্টোরাল কলেজ (Electoral College) হলো রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রক্রিয়া, যা মার্কিন সংবিধানে বর্ণিত আছে। এটি কোনো শারীরিক স্থান নয়, বরং একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নির্বাচকরা (electors) রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। নিচে ইলেক্টোরাল কলেজের গঠন প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হলো:
১. ইলেক্টোরাল কলেজের মূল কাঠামো:-
- ইলেক্টর সংখ্যা: প্রতিটি রাজ্যের ইলেক্টর সংখ্যা নির্ধারিত হয় তার কংগ্রেসে প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে। এটি হলো:
- প্রতিটি রাজ্যের দুইজন সিনেটর (সব রাজ্যের জন্য সমান, অর্থাৎ ২টি ইলেক্টর)।
- রাজ্যের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস-এর সদস্য সংখ্যা (জনসংখ্যার উপর নির্ভর করে)।
- উদাহরণস্বরূপ, ক্যালিফোর্নিয়ার ৫২টি হাউস সদস্য এবং ২টি সিনেটর রয়েছে, তাই এর মোট ইলেক্টর ৫৪ জন। ডেলাওয়্যারের ১টি হাউস সদস্য এবং ২টি সিনেটর, তাই এর ইলেক্টর ৩ জন।
- ডিস্ট্রিক্ট অফ কলাম্বিয়া (D.C.): ২৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে ওয়াশিংটন ডি.সি.-কে ৩টি ইলেক্টর দেওয়া হয়েছে।
- মোট ইলেক্টর: বর্তমানে মোট ৫৩৮ জন ইলেক্টর রয়েছে (৫০টি রাজ্য + ডি.সি.)। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন।
২. ইলেক্টর নির্বাচন প্রক্রিয়া:-
- রাজ্যের ভূমিকা: সংবিধানের আর্টিকল II, সেকশন ১, ক্লজ ২ অনুযায়ী, প্রতিটি রাজ্যের আইনসভা তাদের ইলেক্টর নিয়োগের পদ্ধতি নির্ধারণ করে। বর্তমানে, সকল রাজ্যই জনপ্রিয় ভোটের (popular vote) মাধ্যমে ইলেক্টর নির্বাচন করে।
- রাজনৈতিক দলের ভূমিকা: প্রতিটি রাজ্যে রাজনৈতিক দলগুলো (যেমন, ডেমোক্র্যাটিক ও রিপাবলিকান) তাদের নিজস্ব ইলেক্টরদের তালিকা (slate of electors) তৈরি করে। এই ইলেক্টররা সাধারণত দলের প্রতি অনুগত ব্যক্তি, যেমন রাজ্যের নির্বাচিত কর্মকর্তা, দলীয় নেতা বা গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
- জনপ্রিয় ভোট: নির্বাচনের দিন (Election Day, সাধারণত নভেম্বরের প্রথম পূর্ণ সপ্তাহের মঙ্গলবার) ভোটাররা তাদের পছন্দের রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর জন্য ভোট দেন। কিন্তু আসলে তারা সেই প্রার্থীর জন্য নির্ধারিত ইলেক্টরদের তালিকার (slate) জন্য ভোট দিচ্ছেন।
৩. ইলেক্টর নিয়োগ:-
- সার্টিফিকেট অফ অ্যাসারটেইনমেন্ট: নির্বাচনের পর, প্রতিটি রাজ্যের নির্বাহী (সাধারণত গভর্নর) একটি সার্টিফিকেট অফ অ্যাসারটেইনমেন্ট তৈরি করেন, যাতে নির্বাচিত ইলেক্টরদের নাম এবং তাদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা উল্লেখ থাকে। এই সার্টিফিকেট ন্যাশনাল আর্কাইভসে পাঠানো হয়।
- বিজয়ী তালিকা: বেশিরভাগ রাজ্যে “উইনার-টেক-অল” (winner-take-all) পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়, যেখানে রাজ্যের জনপ্রিয় ভোটে বিজয়ী প্রার্থীর পুরো ইলেক্টর তালিকা নিয়োগ পায়। তবে, মেইন এবং নেব্রাস্কা “জেলা পদ্ধতি” (district method) ব্যবহার করে, যেখানে প্রতিটি কংগ্রেসনাল জেলার বিজয়ী একটি ইলেক্টর পায় এবং রাজ্যব্যাপী বিজয়ী অতিরিক্ত দুটি ইলেক্টর পায়।
৪. ইলেক্টরদের ভোটদান:-
- ভোটদানের সময়: নির্বাচনের পর ডিসেম্বর মাসের দ্বিতীয় বুধবারের পর প্রথম মঙ্গলবারে ইলেক্টররা তাদের রাজ্যের রাজধানীতে মিলিত হয়ে রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতির জন্য পৃথকভাবে ভোট দেয়।
- শপথবদ্ধতা: ইলেক্টররা সাধারণত তাদের দলের প্রার্থীর জন্য ভোট দেওয়ার জন্য শপথবদ্ধ বা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকেন। তবে, কিছু ক্ষেত্রে “ফেইথলেস ইলেক্টর” (faithless electors) তাদের প্রতিশ্রুতির বাইরে ভোট দিতে পারেন, যদিও এটি বিরল এবং ফলাফল পরিবর্তনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি।
- সার্টিফিকেট অফ ভোট: ভোটদানের পর, ইলেক্টররা একটি সার্টিফিকেট অফ ভোট তৈরি করে, যা সিনেটের প্রেসিডেন্ট (বর্তমান উপ-রাষ্ট্রপতি), রাজ্যের সেক্রেটারি অফ স্টেট, ন্যাশনাল আর্কাইভস এবং স্থানীয় ফেডারেল জেলা আদালতে পাঠানো হয়।
৫. কংগ্রেসে ভোট গণনা:-
- জয়েন্ট সেশন: নির্বাচনের পরবর্তী বছরের ৬ জানুয়ারি কংগ্রেসের একটি যৌথ অধিবেশনে (জয়েন্ট সেশন) ইলেক্টোরাল ভোট গণনা করা হয়। উপ-রাষ্ট্রপতি, সিনেটের প্রেসিডেন্ট হিসেবে, এই প্রক্রিয়ার সভাপতিত্ব করেন।
- ফলাফল ঘোষণা: যদি কোনো প্রার্থী ২৭০ বা ততোধিক ইলেক্টোরাল ভোট পান, তবে তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষিত হন। যদি কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পান, তবে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে (প্রতি রাজ্য একটি ভোট পায়) এবং সিনেট উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে। এটি “কন্টিনজেন্ট ইলেকশন” নামে পরিচিত।
৬. ইতিহাস ও সংশোধনী:-
- গঠনের উৎপত্তি: ১৭৮৭ সালের সাংবিধানিক সম্মেলনে ইলেক্টোরাল কলেজ সৃষ্টি হয়েছিল। এটি ছিল কংগ্রেসের ভোট এবং সরাসরি জনপ্রিয় ভোটের মধ্যে একটি সমঝোতা। দক্ষিণের দাসপ্রথা-সমর্থক রাজ্যগুলোর জনসংখ্যা গণনায় “তিন-পঞ্চমাংশ নিয়ম” (three-fifths rule) এর কারণে ইলেক্টোরাল কলেজ তাদের অতিরিক্ত ক্ষমতা দিয়েছিল।
- ১২তম সংশোধনী (১৮০৪): মূলত, ইলেক্টররা দুটি ভোট দিতেন, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থী রাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত উপ-রাষ্ট্রপতি হতেন। ১৮০০ সালের নির্বাচনে টাই হওয়ার পর এই পদ্ধতি পরিবর্তন করে ইলেক্টরদের রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতির জন্য পৃথকভাবে ভোট দেওয়ার নিয়ম করা হয়।
- ২৩তম সংশোধনী (১৯৬১): ডিস্ট্রিক্ট অফ কলাম্বিয়াকে ৩টি ইলেক্টর দেওয়া হয়।
৭. ইলেক্টরদের যোগ্যতা:-
- সংবিধানের আর্টিকল II, সেকশন ১, ক্লজ ২ অনুযায়ী, কোনো সিনেটর, প্রতিনিধি বা ফেডারেল সরকারের কোনো পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি ইলেক্টর হতে পারবেন না।
- ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বা বিদ্রোহে সহায়তা করেছেন, তারা ইলেক্টর হতে পারবেন না।
৮. ইলেক্টোরাল কলেজের সমালোচনা:-
- জনপ্রিয় ভোটের সাথে অমিল: কিছু নির্বাচনে (যেমন, ২০০০ এবং ২০১৬), জনপ্রিয় ভোটে হেরে যাওয়া প্রার্থী ইলেক্টোরাল কলেজে জিতেছেন।
- অসম প্রতিনিধিত্ব: কম জনসংখ্যার রাজ্যগুলো তাদের জনসংখ্যার তুলনায় বেশি ইলেক্টোরাল প্রভাব পায়।
- সংস্কারের প্রস্তাব: অনেকে জাতীয় জনপ্রিয় ভোট (national popular vote) পদ্ধতির পক্ষে যুক্তি দেন, তবে এটির জন্য সাংবিধানিক সংশোধনী প্রয়োজন।
উপসংহার:- ইলেক্টোরাল কলেজ মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের একটি জটিল কিন্তু মৌলিক প্রক্রিয়া, যা ফেডারেল কাঠামো এবং রাজ্যের স্বায়ত্তশাসনের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য সৃষ্ট। এটি নিয়মিত বিতর্কের বিষয় হলেও, সংবিধানের অংশ হওয়ায় এটি পরিবর্তন করতে দুই-তৃতীয়াংশ কংগ্রেস এবং তিন-চতুর্থাংশ রাজ্যের সম্মতি প্রয়োজন।

