সিলেবাস | সাজেশন | প্রশ্নউত্তর
ভাষা দর্শন
মাস্টার্স দর্শন বিভাগ
ক – বিভাগ: বিগত সালের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর ⮟
(ক) গাজালির পূর্ণ নাম কী?
উত্তর: তাঁর পূর্ণ নাম আবু হামিদ মুহাম্মদ ইবনে তাউস আহম্মদ আল তুসী আল শাফী আল নিশাপুরী।
(খ) গাজালির দার্শনিক পদ্ধতির নাম কী?
উত্তর: সর্বজনীন সংশয়বাদ পদ্ধতি।
(গ) ‘তাহাফুত-আল তাহাফুত’ এর অর্থ কী?
উত্তর: দার্শনিক বিনাশন।
(ঘ) বুদ্ধির কাজ কী?
উত্তর: বুদ্ধির কার্জ হলো প্রত্যাদেশ ও বিশ্বাসের যৌক্তিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করা।
(ঙ) গাজালির মতে মানবাত্মা কী?
উত্তর: আল গাজালির মতে, মানবত্মা একটি আধ্যাত্মাক পদার্থ কিন্তু স্বয়ং বর্তমান পদার্থ নয়।
(চ) ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ কার উপাধি?
উত্তর: ইমাম গাজালিকে ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ বলে অভিহিত করা হয়।
(ছ) ইবনে রুশদ-এর দর্শনে কার প্রভাব সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: এরিস্টটল-এর।
(জ) ‘Ihya Ulum ad-Din’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: আল গাজালি।
(ঝ) ‘ফালাসিফা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ফালাসিফা শব্দের অর্থ হলো দার্শনিক।
(ঞ) ইবনে রুশদ-এর পূর্ণ নাম কি?
উত্তর: আবুল ওলিদ মোহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মোহাম্মদ
ইবনে রুশদ।
(ট) কে ধর্মের সাথে দর্শনের সমন্বয় সাধন করেন?
উত্তর: ইবনে রুশদ।
(ঠ) ‘তাহফাতুল ফালাসিফা’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: ইমাম গাজালি (র)।
(ক) আল-গাজালির পূর্ণ নাম কী?
উত্তর: তাঁর প্রকৃত নাম আবু হামিদ মুহাম্মদ ইবনে তাউস আহম্মদ আল তুসী আল শাফী আল নিশাপুরী।
(খ) ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ এর অর্থ ইসলামের রক্ষক।
(গ) ‘তাহফাতুল ফালাসিকা’- এর অর্থ কী?
উত্তর: দার্শনিক বিনাশন।
(ঘ) মুতাকালিম কারা?
উত্তর: কালাম শাস্ত্রবিদদের মুতাকালিম বলা হয়।
(ঙ) সুফিবাদ কী?
উত্তর: উত্তম চরিত্রই সুফিবাদ।
(চ) গাজালির মতে আত্মার স্তর কয়টি?
উত্তর: গাজালির মতে, মানুষের আত্মার স্তর তিনটি। যথা-
১. না আম্মারা,
২. না লাওয়ামা এবং
৩. নফ মুতমায়েন্না।
(ছ) কিয়াস বলতে কী বুঝ?
উত্তর: ইসলামি পরিভাষায় কুরআন ও সুন্নাহর আইন বা নীতির সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করে পরবর্তীতে উদ্ভুত সমস্যার সমাধান দেয়াকে কিয়াস বলে।
(জ) আল-গাজালির মতে জ্ঞানের প্রকৃত উৎস কী?
উত্তর: আল-গাজালির মতে জ্ঞানের প্রকৃত উৎস হলো প্রত্যাদেশ।
(ঝ) এরিস্টটলের দর্শনের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার কে ছিলেন?
উত্তর: এরিস্টটলের ভাষ্যকার ছিলেন ইবনে রুশদ।
(ঞ) ‘কুলিয়াত ফিল-তিব্ব’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: ‘কুলিয়াত ফিল-তিব্ব’-গ্রন্থের রচয়িতা ইবনে রুশদ।
(ট) ইবনে রুশদ কিসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করেন?
উত্তর: ইবনে রুশদ ধর্ম ও দর্শনের মধ্যে সমন্বয়সাধন করেন।
(ঠ) “বসন্ত রোগ কারো দুইবার হয় না”- উক্তিটি কার?
উত্তর: এ অভিমতটি ইবনে রুশদের।
(ক) আল-গাজালির দার্শনিক পদ্ধতির নাম কী?
উত্তর: সর্বজনীন সংশয়বাদ পদ্ধতি।
(খ) ইজমা বলতে কী বুঝ?
উত্তর: ইজমা অর্থ ঐক্যমত পোষণ করা বিভিন্ন মতামতের সাথে ঐক্যমত পোষণ করাকেই ইজমা বলে।
(গ) সুফিবাদের ‘ত্রিরত্ন’ কারা?
উত্তর: আল গাজালি, ইবনে রুশদ, ইবনে সিন! ও আল ফারাবী।
(ঘ) আল-গাজালির মতে মানবাত্মা কী?
উত্তর: আল গাজালির মতে, মানবত্মা একটি আধ্যাত্মাক পদার্থ কিন্তু স্বয়ং বর্তমান পদার্থ নয়।
(ঙ) ‘তাহাফুত-আল তাহাফুত’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: Tahafut al-Tahafut গ্রন্থের রচয়িতা ইবনে রুশদ।
(চ) আল-গাজালির মতে প্রত্যাদেশ কী?
উত্তর: গাজালির মতে, আল্লাহর বাণী হলো প্রত্যাদেশ।
(ছ) নফসে মুতমাইন্না কাকে বলে?
উত্তর: পুন্যময় প্রশান্তির আলোকে নফসে মুতমাইন্না বলে।
(জ) ইবনে রুশদ-এর পূর্ণ নাম কী?
উত্তর: আবুল ওলিদ মোহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মোহাম্মদ ইবনে রুশদ।
(ঝ) ইবনে রুশদের চিকিৎসা শাস্ত্রের অন্যতম পুস্তকের নাম কী?
উত্তর: ইবনে রুশদের অমর গ্রন্থ হলো: ‘কুল্লিয়াত ফিত-তিব্ব’।
(ঞ) ইবনে রুশদের মতে জ্ঞান কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর: ইবনে রুশদের মতে জ্ঞান তিন প্রকার। যথা-
১. অলংকারিক জ্ঞান,
২. যৌক্তিক জ্ঞান বা.দ্বন্দ্বমূলক জ্ঞান ও
৩. প্রতিপাদক জ্ঞান।
(ট) আল-গাজালির দার্শনিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ইবনে রুশদ কোন গ্রন্থে খণ্ডন করেন?
উত্তর: আল-গাজালির দার্শনিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ইবনে রুশদ ‘তাহাফুত আল তাহাফুত’ গ্রন্থেখণ্ডন করেন।
(ঠ) ইবনে রুশদ-এর দর্শনে কার প্রভাব সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: এরিস্টটল-এর।
(ক) ‘তাহাফাতুল-ফালাসিফা’ এর অর্থ কী?
উত্তর: ‘তাহফাতুল-ফাল!সিফা’ অর্থ হলো দার্শনিক।
(খ) আল-গাজালীর পূর্ণনাম কী?
উত্তর: ইমাম গাজালীর প্রকৃত নাম আবু হাদিম মুহাম্মাদ ইবনে তাইস আহম্মদ আল-তুসী আল শাফী আল নিশাপুরী।
(গ) আল-গাজালীর মতে জ্ঞানের প্রকৃত উৎস কী?
উত্তর: প্রত্যাদেশ।
(ঘ) ‘Ihya Ulum ad-Din’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: ইমাম আল-গাজালী।
(ঙ) ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ইসলামের রক্ষক।
(চ) সুফিবাদ কী?
উত্তর: এক কথায় বলা যায় যে, ‘উত্তম চরিত্রই সুফিবাদ’।
(ছ) ‘কুল্লিয়াত ফিল-তিব্ব’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: ‘কুল্লিয়াত ফিল-তিব্ব’ গ্রন্থের রচয়িতা ইবনে রুশদ।
(জ) ইবনে রুশদ ইউরোপে কী নামে প্রসিদ্ধছিল?
উত্তর: ইবনে রুশদ ইউরোপে ব্যাখ্যাদাতা ও যুক্তিবাদের জনক নামে প্রসিদ্ধ ছিল।
(ঝ) কিয়াস বলতে কী বোঝ?
উত্তর: কিয়াস হলো উল্লিখিত আসল ও শাখা যেকোনো একটির হুকুমের নিজ স্বরূপকে এর ইল্লতর নিজ স্বরূপে অন্য কোথাও প্রকাশ করা।
(ঞ) কে ধর্মের সাথে দর্শনের সমন্বয়সাধন করেন?
উত্তর: ইবনে রুশদ।
(ট) এরিস্টটলের দর্শনের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার কে ছিলেন?
উত্তর: এরিস্টটলের দর্শনের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার ছিলেন ইবনে রুশদ।
(ঠ) আলংকারিক জ্ঞান কাকে বলে?
উত্তর: আলংকারিক জ্ঞান বলতে সাধারণত সাহিত্য বা কাব্যশাস্ত্রে ব্যবহৃত অলংকার, ছন্দ, রূপক ও শৈল্পিক সৌন্দর্য বিশ্লেষণের জ্ঞানকে বোঝায়।
(ক) আল-গাজালী কতসালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ইমাম আল-গাজালি ১০৫৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
(খ) ‘গাজালা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘গাজ্জাল’ শব্দের অর্থ হলো পশম।
(গ) নফসে মুতমাইন্না কাকে বলে?
উত্তর: পুণ্যময় প্রশান্তির আলোকে নফসে মুতমাইন্না বলে।
(ঘ) আল গাজালির-মতে বুদ্ধির কাজ কী?
উত্তর: বুদ্ধির কাজ হলো প্রত্যাদেশ ও বিশ্বাসের যৌক্তিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করা।
(ঙ) ‘তাহফাতুল ফালাসিফা’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: ইমাম আল গাজালি।
(চ) আল-গাজালীর মতে, প্রত্যাদেশ কী?
উত্তর: গাজালির মতে, আল্লাহর বাণী হলো প্রত্যাদেশ।
(ছ) ইজমা বলতে কী বোঝ?
উত্তর: ইজমা অর্থ ঐক্যমত পোষণ করা বিভিন্ন মতামতের সাথে ঐক্যমত পোষণ করাকেই ইজমা বলে।
(জ) ইবনে রুশদের দর্শনে কার প্রভাব সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: এরিস্টটল-এর।
(ঝ) ইবনে রুশদ কিসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করেন?
উত্তর: ইবনে রুশদ ধর্ম ও দর্শনের মধ্যে সমন্বয়সাধন করেন।
(ঞ) ‘বসস্ত রোগ কারো দুইবার হয়না’-উক্তিটি কার?
উত্তর: এ অভিমতটি ইবনে রুশদের।
(ট) ইবনে রুশদের চিকিৎসা শাস্ত্রের অন্যতম পুস্তকের নাম কী?
উত্তর: ইবনে রুশদের চিকিৎসা বিষয়কগ্রন্থ ‘কুল্লিয়াত ফিত-তিব্ব’।
(ঠ) ইবনে রুশদের মতে, জ্ঞান কত প্রকার?
উত্তর: ইবনে রুশদের মতে জ্ঞান তিন প্রকার। যথা:
১. অলংকারিক জ্ঞান,
২. যৌক্তিক জ্ঞান বা দ্বন্দ্বমূলক জ্ঞান ও
৩. প্রতিপাদক জ্ঞান।
(ক) আল গাজালীর পূর্ণনাম কী?
উত্তর: ইমাম গাজালির প্রকৃত নাম আবু হামিদ মুহাম্মদ ইবনে তাউস আহম্মদ আল তুসী আল শাফী আল নিশাপুরী।
(খ) মুতাকাল্লিম কারা?
উত্তর: কালাম শাস্ত্রবিদদের মুতাকাল্লিম বলা হয়।
(গ) আল-গাজালীর মতে আত্মার স্বর কয়টি?
উত্তর: গাজালির মতে, মানুষের আত্মার স্তর তিনটি। যথা- নাফ্ফস আম্মারা, ২. নাফস লাওয়ামা এবং ৩.নফসে মুতমায়েন্না।
(ঘ) মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠ মৌলিক চিন্তাবিদ কে?
উত্তর: ইমাম আল গাজালি।
(ঙ) কিয়াস’ বলতেকী বুঝ?
উত্তর: কিয়াস হলো উল্লিখিত আসল ও শাখা যেকোনো একটির হুকুমের নিজ স্বরূপকে এর ইল্লতর নিজ স্বরূপে অন্য কোথাও প্রকাশ করা।
(চ) ইবনে রুশদ ইউরোপে কী নামে প্রসিদ্ধ ছিল?
উত্তর: এ্যাভেরোজ!
(ছ) সুফিবাদের ‘ত্রি-রত্ন’কারা?
উত্তর: আল গাজালি, ইবনে রুশদ, ইবনেসিনা ও আল ফারাবী।
(জ) ‘তাহাফুত-আল-তাহাফুত’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: Tahafut al-Tahafut গ্রন্থের রচয়িতা ইবনে রুশদ।
(ঝ) সুফিবাদ কী?
উত্তর: এক কথায় বলা যায় যে, ‘উত্তম চরিত্রই সুফিবাদ’।
(ঞ) ‘ফালাসিফা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ফালাসিফা শব্দের অর্থ হলো দার্শনিক।
(ট) ‘lhyn ulum ad-Din’-গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: আল গাজালি।
(ঠ) বুদ্ধির কাজ কী?
উত্তর: বুদ্ধির কাজ হলো প্রত্যাদেশ ও বিশ্বাসের যৌক্তিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করা।
(ক) ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ এর অর্থ ইসলামের রক্ষক।
(খ) ইজমা বলতে কী বুঝ?
উত্তর: ইজমা অর্থ ঐক্যমত পোষণ করা বিভিন্ন মতামতের সাথে ঐক্যমত পোষণ করাকেই ইজমা বলে।
(গ) ‘তাহফাতুল ফালাসিফা’ গ্রন্থের বচয়িতা কে?
উত্তর: ইমাম গাজালি (র)।
(ঘ) গাজালা শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘গাজালা’ শব্দের অর্থ হলো পশম।
(ঙ) ইবনে রুশদের পূর্ণ নাম কী?
উত্তর: আবুল ওলিদ মোহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মোহাম্মদ ইবনে রুশদ।
(চ) আল-গাজালীর মতে জ্ঞানের প্রকৃত উৎসকী?
উত্তর: প্রত্যাদেশ।
(ছ) ইধনে রুশদের চিকিৎসা বিষয়ক গ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: ইবনে রুশদের চিবিৎসা বিষয়ক গ্রন্থ ‘কুল্লিয়াত ফিত-তিব্ব’।
(জ) “বসন্ত রোগ কারো দুইবার হয় না”-উক্তিটি কার?
উত্তর: এ অভিমতটি ইবনে রুশদের।
(ঝ) আল-গাজালির মতে, প্রত্যাদেশ কী?
উত্তর: গাজালির মতে, আল্লাহর বাণী হলো প্রত্যাদেশ।
(ঞ) এরিস্টটলের দর্শনে সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার কে ছিলেন?
উত্তর: এরিস্টটলের ভাষ্যকার ছিলেন ইবনে রুশদ।
(ট) অলংকারিক জ্ঞান বলতে কী বুঝ?
উত্তর: অলংকারিক জ্ঞান বলতে সাধারণত এমন জ্ঞানকে বোঝানো হয়, যা অলংকার.বা শৈল্পিক উপমা, রূপক ও চিত্রকল্পের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
(ঠ) ধর্মের সারসত্তা কী?
উত্তর: ধর্মের সারসত্তা বলতে ধর্মের মূল ও গভীর সত্যকে বোঝানো হয়, যা ধর্মের অন্তর্নিহিত মূলনীতি, আদর্শ ও উদ্দেশ্যকে প্রকাশ করে।
খ & গ বিভাগ প্রশ্নউত্তর ⮟
অধ্যায়- ১ (আল-গাজালি)
খ. বিভাগ- সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর
- আল গাজালিরনির্গমন তত্ত্ব সংক্ষেপে লিখ। জাবি. ২০১৬
- দৈহিক পুনরুত্থান বলতে কি বুঝ? জাবি. ২০১৫ ২০১৬ ২০১৮
- আল-গাজালীর সৃষ্টিতত্ত্ব বলতে কী বুঝ? ঢাবি. ২০১৬ জাবি. ২০১৪ ২০১৮
- আল-গাজালীর জ্ঞানতত্ত্ব সংক্ষেপে ব্যাখ্য কর। ঢাবি. ২০১৫ জাবি. ২০১০ ২০১৪ ২০১৬ ২০২১
- আত্মা সম্পর্কে আল-গাজালীর মত ব্যাখ্যা কর। জাবি. ২০১৬ ২০১৭ ২০১৮ ২০২০
- টীকা লিখ: তাহাফুত আল-ফালাসিকা। ঢাবি. ২০১৬
- কার্যকারণ নিয়ম সম্পর্কে আল গাজালি ও ডেভিড হিউমের মধ্যে পার্থক্য দেখাও। জাবি. ২০১৫ ২০১৭ ২০২০
- ঐশী জ্ঞান সম্পর্কিত আল-গাজালির অভিমত ব্যাখ্যা কর। জাবি. ২০২০
- মুসলিম দর্শনে আল-গাজালীর অবদান সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর। জাবি. ২০১৪ ২০১৬ ২০১৭ ২০১৮ ২০২১
- আল-গাজালীকে ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ বলা হয় কেন? ঢাবি. ২০১৫ ২০১৬ জাবি. ২০১০ ২০১৫ ২০১৮ ২০২০
- দৈহিক পুনরুত্থান সম্পর্কে আল-গাজালীরমত আলোচনা কর। ঢাবি. ২০১৬ জাবি. ২০১৪ ২০১৫ ২০১৮ ২০১৯ ২০২১
- আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণে দার্শনিকদের যুক্তিরসাথে আল-গাজালী ভিন্নমত পোষণকরেন কেন জাবি. ২০১৫ ২০১৭ ২০২০ ২০২১
- আল্লাহর গুণাবলি সম্পর্কে আল-গাজালির ধারণাব্যাখ্যা কর। জাবি. ২০১৪ ২০১৬ ২০১৭ ২০১৮ ২০২০ ২০২২
- কার্যকরণ সম্পর্কে আল-গাজালির মত ব্যাখ্যা কর। ঢাবি. ২০১৫ ২০১৬ জাবি. ২০১৪ ২০১৯ ২০২২
- সুফিবাদে আল-গাজালির অবদানসংক্ষেপে লেখ। জাবি. ২০১৪ ২০১৭ ২০২০ ২০২২
গ. বিভাগ- রচনামূলক প্রশ্নউত্তর
- ‘আল্লাহ শুধু সার্বিককে জানেন, বিশেষকে নয়, -দার্শনিকদের এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে আল্-গাজালির অভিমত কী? ব্যাখ্যা কর। ঢাবি. ২০১৬
- মুসলিম দর্শনে আল-গাজালির গুরুত্ব নির্ণয় কর। জাবি. ২০১৫ ২০১৭
- জগতের অনাদিত্ব সম্পর্কে আল-গাজালি কিভাবে দার্শনিকদের মডের সমালোচনা করেন? তুমি কি তাঁর সমালোচনা সমর্থন কর। জাবি. ২০১৪ ঢাবি. ২০১৬
- আল-গাজালীর সৃষ্টিতত্ত্বব্যাখ্যা কর। ঢাবি. ২০১৫ ২০১৬ জাবি. ২০১৪ ২০১৬ ২০১৯ ২০২১
- “প্রাকৃতিক নিয়মের ব্যতিক্রম অসম্ভব।”-দার্শনিকদের এ বক্তব্য আল-গাজালি কিভাবে খণ্ডন করেন? আলোচনা কর। ঢাবি. ২০১৫
- সমালোচনাসহ আল-গাজালির নির্গমন তত্ত্বব্যাখ্যা কর। জাবি. ২০১৫ ২১৭ ২০১৯
- জ্ঞান সম্পর্কিত আল-গাজালির মতবাদ ব্যাখ্যা কর। তাঁকে ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ বলা হয় কেন? ঢবি. ২০১৬ জাবি. ২০১৯
- তের নিত্যতা ও অনাদিতত্ত্ব সম্পর্কেগাজালী কী বলেছেন? ব্যাখ্যা কর। জাবি. ২০১৭ ২০২১
- আল গাজালির দৃষ্টিকোণ থেকে আল্লাহর গুণাবলিসমূহ সংক্ষেপে লিখ। জাবি. ২০১৪ ২০১৬ ২০১৮ ২০২১
- আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণে দার্শনিকদের যুক্তির সাথে আল-গাজালি ভিন্নমত পোষণ করেন কেন? জাবি. ২০২২
- কার্যকারণ নিয়ম সম্পর্কে আল-গাজালি মত ব্যাখ্যা কর। তাঁর মতের সাথে হিউমের মতের কোনো মিল আছেকি? জাবি. ২০১৪ ২০১৬ ২০১৮ ২০২২
- আল-গাজালি এবং ডেকার্টের সংশয়বাদের পার্থক্য নিরূপণ কর। জাবি. ২০১৫ ২০১৮ ২০২০ ২০২২
- মানবাত্মার স্বরূপ সম্পর্কে আল গাজালির মত ব্যাখ্যা ও মূল্যায়ন কর। জাবি. ২০১৬ ২০২০ ২০২২
- দৈহিক পুনরুত্থানসম্পর্কে আল-গাজালীর মত আলোচনা কর। ঢাবি. ২০১৬ জাবি. ২০১৪ ২০১৬ ২০১৮ ২০২২
অধ্যায়- ২ (ইবনে রুশদ)
খ. বিভাগ- সংক্ষিপ্ত প্রশ্নউত্তর
- ধর্ম ও দর্শন সম্পর্কে ইবনে রুশদের মত সংক্ষেপে লিখ। জাবি. ২০১৫ জাবি. ২০১৬
- আল্লাহর অস্তিত্বকে কিভাবে জানা যায়? ইবনে রুশদ অনুসরণে সংক্ষেপে লিখ। ঢাবি. ২০১৫ জাবি. ২০১৪ ২০১৯
- মুসলিম দর্শনে ইবনে রুশদের প্রভাব কী? জাবি. ২০১৬ ২০১৭ ২০১৮
- আল্লাহর গুণাবলি সম্পর্কে ইবনে রুশদের ধারণা ব্যাখ্যা কর। জাবি. ২০১৪ ২০১৫ ২০১৬ ২০১৭ ২০১৯
- ইবনে রুশদ কেন গাজালির বিরোধিতা করেন? জাবি. ২০১৭ ২০২০
- সত্তা সম্পর্কে ইবনে রুশদের ধারণা সংক্ষেপে লেখ। জাবি. ২০১৪ ২০১৭ ২০১৯
- জগতের অনাদি সম্পর্কে ইবনে রুশদের ধারণা ব্যাখ্যা কর। ঢবি. ২০১৫ জাবি. ২০১১ ২০১৪ ২০১৬ ২০১৮ ২০২০ ২০২২
- দৈহিক পুনরুত্থানের সম্ভাব্যতা সম্পর্কে ইবনে রুশদের মত লেখ। জাবি. ২০১৪ ২০১৭ ২০২০ ২০২২
- আল্লাহর অস্তিত্বের স্বপক্ষে ইবনে রুশদের মতামত ব্যাখ্যা কর। জাবি. ২০১৪ ২০১৫ ২০১৯ ২০২২
- ইবনে রুশদের চিন্তাধারায় এরিস্টটলের দর্শনের প্রভাব আলোচনা কর। জাবি. ২০১৪ ২০১৫ ২০১৮ ২০২০ ২০২১ ২০২২
- জ্ঞানতত্ত্বে ইবনে রুশদের অবদান আলোচনা কর। জাবি. ২০১৯ ২০২২
গ. বিভাগ- রচনামূলক প্রশ্নউত্তর
- আত্মার অবিনশ্বরতা বা অমরত্ব সম্পর্কে ইবনে রুশদের মতবাদ আলোচনা কর। ঢাবি. ২০১৬ জাবি. ২০১৫ ২০১৭ ২০১৯
- কার্যকারণতত্ত্ব কী? এ বিষয়ে ইবনে রুশদ কি দার্শনিকদের মতকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করেন? ঢাবি. ২০১৫
- দার্শনিকদের বিরুদ্ধে আল-গাজালির যুক্তিগুলো ইবনে রুশদ কিভাবে সমালোচনা করেন? তার ‘তাহাফুত আল-তাহাফুত’ অনুসরণে উত্তর দাও। জাবি. ২০১৫ ২০১৭ ২০১৯
- কার্যকারণ নিয়ম সম্পর্কে ইবনে রুশদের অভিমত ব্যাখ্যা কর। ঢবি. ২০১৫ জাবি. ২০১৯
- পাশ্চাত্য দর্শনে ইবনে রুশদ-এর দর্শনের প্রভাব ব্যাখ্যা কর। ঢাবি. ২০১৫ জাবি. ২০১৯
- ইবনে রুশদ কীভাবে ধর্ম ও দর্শনের মধ্যে সমন্বয় সাধন করেন? আলোচনা কর। জাবি. ২০২১
- দৈহিক পুনরুত্থান সম্পর্কিত সমস্যাগুলো ইবনে রুশদ কীভাবে সমাধানের চেষ্টা করেন? জাবি. ২০১৬ ২০১৮ ২০১৯ ২০২১
- জ্ঞানতত্ত্বে ইবনে-রুশদের অবদান আলোচনা কর। ঢাবি. ২০১৫ ২০১৭ জাবি. ২০১৪ ২০১৫ ২০১৬ ২০১৭ ২০১৮ ২০২১
- আল্লাহর অস্তিত্বের সপক্ষে ইবনে রুশদের যুক্তিগুলো ব্যাখ্যা কর। ঢাবি. ২০১৫ জাবি. ২০১৬ ২০১৮ ২০২১
- মানবাত্মার অমরত্ব প্রমাণে ইবনেরুশদ-এর যুক্তিগুলোর বিচারমূলক ব্যাখ্যা কর। জাবি. ২০১৯ ২০২১
- মুসলিম দর্শনের ইবনে রুশদের গুরুত্ব ও প্রভাব বর্ণনা কর। ঢাবি. ২০১৫ ২০১৭ জাবি. ২০১৪ ২০১৫ ২০১৬ ২০১৭ ২০১৮ ২০২২
- ইবনে রুশদ এর সৃষ্টিতত্ত্ব আলোচনাকর। জাবি. ২০২০ ২০২২
- যুক্তিবিদ্যার জ্ঞানসম্পর্কে ইবনে রুশদের ধারণা ব্যাখ্যা কর। জাবি. ২০২০ ২০২২

