• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের ক্ষেত্রে প্রধান বাধাসমূহ কী কী? এগুলো কীভাবে দূর করা সম্ভব তা আলোচনা কর।

উত্তর।।উপস্থাপনা: একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় গণতন্ত্রের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে স্বাধীনতার বহু বছর পরও এ দেশে গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে, এর প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়ণ এখনও পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের প্রধান বাধাসমূহ

১। রাজনৈতিক সহনশীলতার অভাব: বাংলাদেশে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার প্রচণ্ড ঘাটতি রয়েছে। এক দল অন্য দলকে শত্রু ভাবাপন্ন মনে করায় সুস্থ ধারার রাজনীতি ব্যাহত হচ্ছে। এই সংস্কৃতির কারণে জাতীয় স্বার্থের চেয়ে দলীয় স্বার্থ বড় হয়ে ওঠে। ফলে পরমতসহিষ্ণুতা ও সমঝোতার পথ বন্ধ হয়ে গণতন্ত্রের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

২। দুর্বল নির্বাচন কমিশন: একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ওপর গণতন্ত্রের ভিত নির্ভর করে। কিন্তু আমাদের দেশে নির্বাচন কমিশন প্রায়শই স্বাধীন ও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়। প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব এবং কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ভোটারদের আস্থা কমিয়ে দেয়। নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি এই অনাস্থা গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের পথকে কঠিন করে তোলে।

৩। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি: রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক স্তরে লাগামহীন দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতি গণতন্ত্রের বড় শত্রু। এর ফলে যোগ্য ব্যক্তিরা মূল্যায়িত হয় না এবং আইনের শাসন ভেঙে পড়ে। সাধারণ মানুষ যখন সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হয়, তখন ব্যবস্থার প্রতি ক্ষোভ জন্মায়। দুর্নীতি ক্ষমতার অপব্যবহার বাড়ায় যা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেতর থেকে একবারে নিস্তেজ করে দেয়।

৪। আইনের শাসনের অভাব: আইনের চোখে সবাই সমান—এই নীতির বাস্তব প্রতিফলন বাংলাদেশে বেশ দুর্বল। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেক সময় অপরাধীরা পার পেয়ে যায় এবং নিরপরাধ মানুষ হয়রানির শিকার হয়। বিচার ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের পূর্ণ আস্থা না থাকলে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় না। আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাবেই মূলত নাগরিক অধিকারগুলো আজ চরমভাবে বিপন্ন।

৫। দুর্বল সংসদীয় ব্যবস্থা: জাতীয় সংসদ হওয়ার কথা ছিল দেশের সব নীতি নির্ধারণ ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যায়, বিরোধী দলের অনুপস্থিতি বা বয়কটের কারণে সংসদ তার প্রাণ হারায়। কার্যকর তর্কের অভাব এবং একপেশে সিদ্ধান্তের কারণে আইনসভা তার মূল মর্যাদা বজায় রাখতে পারছে না। সংসদ শক্তিশালী না হলে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

৬। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সংকোচন: স্বাধীন গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়, যা সরকারের ভুলত্রুটি জনসমক্ষে তুলে ধরে। কিন্তু নানা ধরনের আইনি ও পরোক্ষ চাপের কারণে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে সত্য প্রকাশ করতে পারেন না। সেলফ-সেন্সরশিপ বা নিজস্বীতি মেনে চলার প্রবণতা সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা দিন দিন কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে জনগণের সচেতনতা এবং গণতন্ত্র—দুটিই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৭। নাগরিক সচেতনতার ঘাটতি: বাংলাদেশের একটি বড় অংশের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার নিয়ে সঠিক সচেতনতা নেই। অনেকে মনে করেন পাঁচ বছর পর পর ভোট দেওয়াই তাদের একমাত্র গণতান্ত্রিক দায়িত্ব। অধিকার আদায়ে জনগণের এই নিষ্ক্রিয়তা এবং উদাসীনতা শাসক শ্রেণীকে একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করে। সচেতন নাগরিক সমাজ গড়ে না উঠলে কোনো দেশেই গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করা সম্ভব নয়।

৮। দলের অভ্যন্তরে একনায়কতন্ত্র: আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নিজস্ব কোনো গণতন্ত্র বা কাউন্সিলিং চর্চা নেই বললেই চলে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হয় এবং নিচে কোনো জবাবদিহিতা থাকে না। তৃণমূলের কর্মীদের মতামতকে তোয়াক্কা না করে ওপর থেকে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়। যে দল নিজের ভেতর গণতন্ত্র চর্চা করে না, তারা রাষ্ট্রে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে না।

৯। আমলাতন্ত্রের রাজনৈতিকীকরণ: প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে জনগণের সেবা করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা ঘটছে না। আমলাতন্ত্রের ওপর তীব্র রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে মেধার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা হারিয়ে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত থাকে। এই প্রাতিষ্ঠানিক পতন সামগ্রিক গণতান্ত্রিক কাঠামোকে চরমভাবে দুর্বল করে দেয়।

১০। সুশীল সমাজের নিষ্ক্রিয়তা: সমাজের বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক ও গবেষকদের নিয়ে গঠিত সুশীল সমাজ আগে যেকোনো সংকটে সাহসী ভূমিকা রাখত। কিন্তু বর্তমান সময়ে সুশীল সমাজের একটি বড় অংশ দলীয় মেরুকরণে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। তারা সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা বলার নৈতিক সাহস হারিয়ে ফেলেছেন। এই নিরপেক্ষ কণ্ঠস্বরগুলোর নীরবতা স্বৈরাচারী মানসিকতা বিকাশের পথকে আরও সুগম করে তুলেছে।

বাধাসমূহ দূর করার উপায়

১। রাজনৈতিক সমঝোতা তৈরি: দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সুস্থ ধারা ফিরিয়ে আনতে দলগুলোর মধ্যে সংলাপের সংস্কৃতি চালু করতে হবে। জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সব পক্ষকে এক টেবিলে বসে ঐক্যমতে পৌঁছানো জরুরি। একে অপরের প্রতি কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি বন্ধ করে গঠনমূলক সমালোচনার অভ্যাস করতে হবে। এই রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও সহনশীলতাই পারে গণতান্ত্রিক চর্চাকে টেকসই এবং মজবুত ভিত্তি দিতে।

২। নির্বাচন কমিশন শক্তিশালীকরণ: একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করা এখন সময়ের দাবি। কমিশনকে আর্থিক ও প্রশাসনিকভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত রাখতে হবে যাতে তারা স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে এই কমিশন গঠন করলে জনগণের মাঝে ভোটের আস্থা ফিরে আসবে। অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই পারবে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপকে নিশ্চিত করতে।

৩। দুর্নীতি দমন জোরদার: দুর্নীতি দমন কমিশনকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সরকারি সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াকে সহজ ও প্রযুক্তিবান্ধব করলে স্বজনপ্রীতি অনেক কমে যাবে। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন করা গেলে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিজ গতিতে সঠিকভাবে চলতে পারবে।

৪। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা: আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত করে সবার জন্য সমান অধিকারের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে যাতে বিচারকরা নির্ভয়ে রায় দিতে পারেন। রাজনৈতিক বিবেচনায় মামলা প্রত্যাহার বা আসামি খালাস দেওয়ার সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করা প্রয়োজন। আইনের শাসন নিশ্চিত হলে নাগরিকরা তাদের অধিকার ফিরে পাবে এবং গণতন্ত্র সুসংহত হবে।

৫। কার্যকর সংসদ গঠন: জাতীয় সংসদকে দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের মূল কেন্দ্রবিন্দু বানাতে হবে। সরকারি ও বিরোধী দল—উভয় পক্ষকে সংসদে নিয়মিত উপস্থিত থেকে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিতর্কে অংশ নিতে হবে। বিরোধী দলের যৌক্তিক মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সংসদীয় কমিটিগুলোকে সক্রিয় ও কার্যকর করা প্রয়োজন। একটি প্রাণবন্ত সংসদই পারে সরকারের জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা জনগণের সামনে নিশ্চিত করতে।

৬। মুক্ত গণমাধ্যম নিশ্চিতকরণ: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণকারী সকল কালো আইন বাতিল বা সংশোধন করা অত্যন্ত জরুরি। সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহের অধিকার রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। গণমাধ্যম যখন নির্ভয়ে সরকারের ভুলত্রুটি ও দুর্নীতি তুলে ধরবে, তখন শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে। তথ্যের অবাধ প্রকাশ ও স্বাধীন সাংবাদিকতাই পারে সমাজ থেকে একনায়কতান্ত্রিক মানসিকতা দূর করতে।

৭। নাগরিক শিক্ষার প্রসার: জনগণের মাঝে তাদের মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে নাগরিক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। পাঠ্যপুস্তকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা এবং অধিকারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। নাগরিকরা যখন তাদের ভোটের ও মতপ্রকাশের মূল্যের ব্যাপারে সচেতন হবে, তখন তারা শাসকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারবে। একটি সচেতন সমাজই মূলত স্বৈরাচারী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ।

৮। দলীয় গণতন্ত্রের চর্চা: দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ভেতরে নিয়মিত কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য ও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পরিবারতন্ত্র বা একক নেতৃত্বের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। দলের ভেতরে এই গণতান্ত্রিক চর্চা রাষ্ট্রে সুস্থ ধারার রাজনীতি নিশ্চিত করবে।

৯। আমলাতন্ত্রের নিরপেক্ষতা রক্ষা: প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বদলি, পদোন্নতি ও নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্যের বদলে মেধাকে একমাত্র মানদণ্ড করতে হবে। আমলারা যেন কোনো নির্দিষ্ট দলের কর্মী হিসেবে কাজ না করে রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের কাজের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করার আইনি কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন। আমলাতন্ত্র নিরপেক্ষ হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি সেবা খাত সচল ও বৈষম্যহীন থাকবে।

১০। সুশীল সমাজের পুনর্জাগরণ: দেশের বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক এবং সচেতন নাগরিক সমাজকে দলীয় লেজুড়বৃত্তি ত্যাগ করে নিরপেক্ষ ভূমিকা নিতে হবে। সমাজের যেকোনো অন্যায়, অনিয়ম এবং অধিকার হরণের বিরুদ্ধে তাদের সোচ্চার হতে হবে। সুশীল সমাজ যখন জনগণের পক্ষে কথা বলবে, তখন সরকার সঠিক পথে চলতে বাধ্য হবে। এই নিরপেক্ষ ও সাহসী কণ্ঠস্বরগুলোই পারে গণতন্ত্রের পাহারাদার হিসেবে কাজ করতে।

শেষকথা: পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ কোনো অলীক স্বপ্ন নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা, শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং জনগণের সচেতনতাই পারে বিদ্যমান সব বাধা দূর করতে। একটি বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থা সংস্কার করে অবিলম্বে প্রকৃত গণতন্ত্রের চর্চা শুরু করতে হবে।

Tags: গণতন্ত্রগণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে বাধাসমূহপ্রধান বাধাসমূহপ্রাতিষ্ঠানিকীকরণ
  • Previous বাংলাদেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করার উপায়সমূহ আলোচনা কর।
  • Next বাংলাদেশের জোট রাজনীতির ক্ষেত্রে বিরাজমান সমস্যাগুলো আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1497)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠনের সমস্যাগুলো আলোচনা কর।
    বাংলাদেশের কয়েকজন স্বপ্নদর্শী রাজনৈতিক নেতার কার্যক্রম আলোচনা কর। 
    বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনার জন্য কী পদক্ষেপ বিবেচ্য হওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর।
    বাংলাদেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করার উপায়সমূহ আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM