• Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Digital Tools
    • Home
    • Class 0-12
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Digital Tools
  • mdreadaim@gmail.com
  • Read at Home
Login > Register
Read Aim
Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Digital Tools
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের সবল দিকসমূহ তুলে ধর।

উত্তর::ভূমিকা: ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশটি বাংলাদেশের পারিবারিক আইনের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি মুসলিম পারিবারিক জীবনের বিভিন্ন দিক, যেমন – বিবাহ, তালাক, বহুবিবাহ, এবং উত্তরাধিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে যুগোপযোগী সংস্কার এনেছে। এই আইনটি নারীর অধিকার রক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। এর মাধ্যমে বহুবিবাহের উপর কঠোরতা আরোপ, তালাকের বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া এবং নাবালক সন্তানের ভরণপোষণের বিধান যুক্ত হয়, যা তৎকালীন সমাজে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের সবল দিকসমূহ:-

১. বহুবিবাহের উপর নিয়ন্ত্রণ: এই আইন বহুবিবাহের ক্ষেত্রে স্ত্রীর সম্মতি ও সালিশি পরিষদের অনুমতি বাধ্যতামূলক করেছে। এর ফলে, পুরুষরা যথেচ্ছভাবে একাধিক বিবাহ করতে পারতেন না। এটি মুসলিম সমাজে বহুবিবাহের প্রবণতা কমাতে সাহায্য করেছে এবং নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ অনেকাংশে হ্রাস করেছে। পুরুষ যদি বিনা অনুমতিতে দ্বিতীয় বিবাহ করেন, তাহলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এটি পারিবারিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

২. তালাকের বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া: ১৯৬১ সালের এই আইনটি তালাক প্রদানের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক করে। তালাক কার্যকর করার জন্য স্বামীর জন্য চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত নোটিশ প্রদান এবং ৯০ দিনের মধ্যে সালিশি পরিষদের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করার বিধান রাখা হয়েছে। এই ব্যবস্থাটি তালাককে তাৎক্ষণিক ও নির্বিচারভাবে কার্যকর হওয়া থেকে রক্ষা করে, যা স্ত্রীর জন্য অপ্রত্যাশিত তালাকের ঝুঁকি কমায়। এটি তালাকের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে আরও বেশি চিন্তা-ভাবনার সুযোগ তৈরি করে।

৩. সালিশি পরিষদের ভূমিকা: এই আইনে গঠিত সালিশি পরিষদ বিবাহ, তালাক, এবং ভরণপোষণের মতো বিষয়গুলোতে মধ্যস্থতা করার ক্ষমতা পায়। এই পরিষদ পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা আদালতে যাওয়ার ঝামেলা ও খরচ থেকে পরিবারকে মুক্তি দেয়। সালিশি পরিষদ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমঝোতার সুযোগ তৈরি করে এবং সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজার চেষ্টা করে। এটি মূলত একটি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (Alternative Dispute Resolution) মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যা পারিবারিক বন্ধন রক্ষায় সাহায্য করে।

৪. দেনমোহর আদায় সহজীকরণ: এই আইন দেনমোহর পরিশোধের প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও সহজ করে তুলেছে। দেনমোহরকে একটি ঋণ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা তালাকের পর বা স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীকে অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে। এই বিধানটি মুসলিম নারীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। দেনমোহর আদায়ে ব্যর্থ হলে এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকায় নারীরা তাদের প্রাপ্য অধিকার আদায়ে আরও বেশি সুরক্ষিত অনুভব করে। এটি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

৫. উত্তরাধিকারের বিধিমালা: এই আইন মৃত ব্যক্তির পুত্র বা কন্যার নাতি-নাতনিদের উত্তরাধিকারী হওয়ার অধিকার নিশ্চিত করেছে। যদি কোনো ব্যক্তি তার জীবিত সন্তান রেখে মারা যান এবং সেই জীবিত সন্তানের পুত্র বা কন্যা থাকে, তবে সেই নাতি-নাতনিরা তাদের মৃত পিতার বা মাতার অংশ পাবে। এটি উত্তরাধিকার আইনকে আরও মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক করেছে। এর ফলে, কোনো পরিবারে হঠাৎ কোনো সদস্যের মৃত্যু হলে তার সন্তানেরা যেন উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

৬. বিবাহ রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক: এই অধ্যাদেশ অনুসারে মুসলিম বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে, বিবাহ সংক্রান্ত তথ্যের একটি সরকারি রেকর্ড থাকে, যা বিভিন্ন আইনি জটিলতা নিরসনে সাহায্য করে। বিশেষ করে, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর আদায়, এবং ভরণপোষণের মতো বিষয়গুলোতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। এই বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা নারীর অধিকারকে আরও সুরক্ষিত করে এবং বিবাহকে একটি বৈধ ও স্বীকৃত সামাজিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে।

৭. ভরণপোষণের সুনির্দিষ্ট বিধান: এই আইনটি বিবাহ বিচ্ছেদ বা স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর ভরণপোষণের অধিকারকে আইনিভাবে সুরক্ষিত করেছে। তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী ইদ্দতকালীন সময়ে স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী। এটি সেই নারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যারা বিবাহ বিচ্ছেদের পর অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। এটি নারীর প্রতি স্বামীর দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করে এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ না পাওয়া পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়।

৮. তালাকের নোটিশ পদ্ধতি: এই আইনের অধীনে স্বামী তালাক প্রদান করলে তাকে চেয়ারম্যানের কাছে নোটিশ পাঠাতে হয়। এই নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে তালাকের প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং ৯০ দিনের মধ্যে কার্যকর হয়। এই সময়টুকু স্বামী-স্ত্রীকে নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ দেয় এবং সালিশি পরিষদের মাধ্যমে মধ্যস্থতা করার সুযোগ থাকে। এটি তাৎক্ষণিক তালাক বা ‘তালাক-ই-বিদাত’ প্রথাকে নিরুৎসাহিত করে এবং পারিবারিক বন্ধন রক্ষার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে কাজ করে।

৯. প্রকৃত তালাকের স্বীকৃতি: এই অধ্যাদেশ তালাক-ই-বিদাত বা তাৎক্ষণিক তিন তালাকের পরিবর্তে তালাকের একটি সুনির্দিষ্ট ও সময়সাপেক্ষ পদ্ধতি চালু করে। এটি তালাককে একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করে যেখানে উভয় পক্ষই তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুযোগ পায়। এর ফলে তাড়াহুড়ো করে নেওয়া তালাকের সিদ্ধান্ত থেকে উদ্ভূত পারিবারিক ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা হ্রাস পায়। এই পদ্ধতি মূলত একটি মধ্যস্থতামূলক প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করে, যা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুনরায় সম্পর্ক স্থাপন বা সমঝোতার সুযোগ দেয়।

১০. স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা: যদিও এই আইনটি মূলত স্বামীর তালাকের ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করে, এটি স্ত্রীকে ‘তালাক-ই-তাফويض’ এর মাধ্যমে তালাক প্রদানের ক্ষমতা দেয়। বিবাহের সময় কাবিননামায় এই ক্ষমতা স্ত্রীর কাছে অর্পণ করা হলে স্ত্রী নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে স্বামীকে তালাক দিতে পারেন। এটি নারীর ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই বিধানটি পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করতে এবং তাদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

১১. নাবালকের অভিভাবকত্ব: এই আইনে নাবালক সন্তানের অভিভাবকত্ব এবং তাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। তালাক বা বিচ্ছেদের পর সন্তানেরা কার কাছে থাকবে এবং তাদের ভরণপোষণের ব্যয় কে বহন করবে, তা এই আইনের অধীনে নির্ধারিত হয়। এটি শিশুদের সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করে এবং তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। নাবালক সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব থেকে কোনো পক্ষই যেন সহজে এড়িয়ে যেতে না পারে, তা নিশ্চিত করে এই আইন।

১২. যৌতুক নিরোধে প্রভাব: যদিও এই আইন সরাসরি যৌতুক নিরোধ আইন নয়, তবে এটি বিবাহ রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে যৌতুক প্রথাকে অপ্রত্যক্ষভাবে নিরুৎসাহিত করে। বিবাহের বৈধতা নিশ্চিত করার জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন হওয়ায়, অনেক ক্ষেত্রে গোপনে যৌতুক লেনদেন কঠিন হয়ে পড়ে। উপরন্তু, দেনমোহর ও ভরণপোষণের অধিকার নিশ্চিত হওয়ায় নারীরা তাদের নিজস্ব আর্থিক সুরক্ষায় আরও বেশি সচেতন হন, যা যৌতুকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।

১৩. নারীর অধিকারের আইনি সুরক্ষা: সামগ্রিকভাবে, এই আইনটি মুসলিম নারীর আইনি অধিকারকে সুসংহত ও সুরক্ষিত করেছে। বহুবিবাহের উপর নিয়ন্ত্রণ, তালাকের বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া, দেনমোহর ও ভরণপোষণের অধিকার এবং উত্তরাধিকারের বিধানগুলো নারীকে পারিবারিক জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইনি সুরক্ষা প্রদান করে। এটি পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর অবস্থানকে শক্তিশালী করে এবং তাদের প্রতি অন্যায় ও বৈষম্যমূলক আচরণ হ্রাস করতে সাহায্য করে।

১৪. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: এই অধ্যাদেশ পারিবারিক জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছে। সালিশি পরিষদের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হওয়ায় বিচারপ্রার্থীরা সহজেই ন্যায়বিচার পায়। এটি নারীর প্রতি সহিংসতা ও বঞ্চনা রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। আইনটি পারিবারিক জীবনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছে এবং সমাজের স্থিতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করেছে।

১৫. আইনের সহজ প্রয়োগ: আইনটি সহজ ভাষায় রচিত হওয়ায় এবং এর নিয়মাবলী সুস্পষ্ট হওয়ায় সাধারণ মানুষের পক্ষে এর বিধানগুলো বোঝা সহজ। তালাক, বিবাহ বা উত্তরাধিকার সংক্রান্ত যেকোনো আইনি পদক্ষেপের জন্য সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি দেওয়া হয়েছে, যা আইনি প্রক্রিয়াকে জটিলতাহীন করে। এটি সাধারণ মানুষকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে এবং তা প্রয়োগ করতে সাহায্য করে। এই আইনের সরলতা এর কার্যকারিতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

১৬. সামাজিক সংস্কারের পথপ্রদর্শক: এই অধ্যাদেশটি মুসলিম সমাজে একটি বড় ধরনের সামাজিক সংস্কারের সূচনা করে। এটি প্রচলিত প্রথাগত আইনের পরিবর্তে একটি লিখিত ও বিধিবদ্ধ আইন চালু করে, যা সামাজিক বিবর্তনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই আইন বহুবিবাহ ও তাৎক্ষণিক তালাকের মতো ক্ষতিকর প্রথাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করে এবং আধুনিক পারিবারিক জীবনের ধারণাকে উৎসাহিত করে। এটি সমাজের প্রগতিশীল চিন্তাধারার একটি প্রতিফলন।

১৭. সালিশি পরিষদের ক্ষমতা বৃদ্ধি: এই আইনের অধীনে গঠিত সালিশি পরিষদ শুধুমাত্র মধ্যস্থতাকারী হিসেবেই নয়, বরং কিছু ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাও রাখে। যেমন, বহুবিবাহের অনুমতি দেওয়া বা না দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ক্ষমতা পারিবারিক বিচার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে এবং দ্রুত ও কার্যকর সমাধান প্রদানে সাহায্য করে। এটি বিচার ব্যবস্থার উপর চাপও কমাতে সাহায্য করে।

১৮. আইনের ধারাবাহিক উন্নয়ন: ১৯৬১ সালের এই আইনটি পরবর্তী সময়ে মুসলিম পারিবারিক আইন সংস্কারের একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। যদিও এই আইনটি কিছু ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা দেখায়, তবে এটিই প্রথম আইন যা পারিবারিক জীবনে রাষ্ট্রের আইনি হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী ও নতুন আইনের মাধ্যমে এর দুর্বলতাগুলো দূর করা সম্ভব হয়। এটি বাংলাদেশের পারিবারিক আইন ব্যবস্থার একটি ধারাবাহিক বিবর্তনের সূচনা করে।

১৯. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: এই আইনটি তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের উদ্যোগে প্রণীত হয় এবং তার শাসনামলে এটি মুসলিম পারিবারিক জীবনের উপর গভীর প্রভাব ফেলে। এটি ঐতিহ্যবাহী হানাফি আইনের অনেক পুরনো বিধানকে আধুনিক সমাজের প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্কার করে। এর ফলে মুসলিম বিশ্বে একটি আধুনিক পারিবারিক আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে এটি একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

উপসংহার: ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশটি মুসলিম সমাজে পারিবারিক জীবনের বিভিন্ন দিক, বিশেষ করে নারী অধিকারের সুরক্ষায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এটি বহুবিবাহের লাগাম টেনে ধরে, তালাকের ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি চালু করে, এবং উত্তরাধিকার ও দেনমোহর আদায়ের মতো বিষয়গুলোকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনে। এই আইনটি নারীর ক্ষমতায়ন, পারিবারিক স্থিতি ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে।

একনজরে উত্তর দেখুন

১. 💍 বহুবিবাহের উপর নিয়ন্ত্রণ ২. 📝 তালাকের বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া ৩. 🤝 সালিশি পরিষদের ভূমিকা ৪. 💸 দেনমোহর আদায় সহজীকরণ ৫. 👨‍👩‍👧‍👦 উত্তরাধিকারের বিধিমালা ৬. 📄 বিবাহ রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক ৭. 💰 ভরণপোষণের সুনির্দিষ্ট বিধান ৮. 📬 তালাকের নোটিশ পদ্ধতি ৯. ⌛ প্রকৃত তালাকের স্বীকৃতি ১০. 👩‍⚖️ স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা ১১. 👧 নাবালকের অভিভাবকত্ব ১২. 🚫 যৌতুক নিরোধে প্রভাব ১৩. 💪 নারীর অধিকারের আইনি সুরক্ষা ১৪. ⚖️ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ১৫. 📜 আইনের সহজ প্রয়োগ ১৬. 🌍 সামাজিক সংস্কারের পথপ্রদর্শক ১৭. 🗣️ সালিশি পরিষদের ক্ষমতা বৃদ্ধি ১৮. 📈 আইনের ধারাবাহিক উন্নয়ন ১৯. 🕰️ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ভিত্তি ছিল ১৯৫৬ সালে গঠিত মুসলিম পারিবারিক আইন কমিশন। এই কমিশন তৎকালীন মুসলিম সমাজে প্রচলিত প্রথাগত আইনের বিভিন্ন ত্রুটি ও সমস্যা চিহ্নিত করে এবং আধুনিক সমাজের চাহিদা পূরণের জন্য সুপারিশ প্রদান করে। এই আইনটি ১৯৫৯ সালে প্রণীত হয় এবং পরে ১৯৬১ সালের ২রা মার্চ কার্যকর করা হয়। আইনটির গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো হলো ধারা ৬, যা বহুবিবাহ নিয়ন্ত্রণ করে; ধারা ৭, যা তালাকের পদ্ধতি নির্ধারণ করে; এবং ধারা ৪, যা উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান দেয়। এই অধ্যাদেশ প্রণয়নের সময় এটি মুসলিম বিশ্বে একটি প্রগতিশীল আইন হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল, যা মুসলিম পারিবারিক আইনের সংস্কারে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। যদিও কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী এর বিরোধিতা করেছিল, তবে এই আইনটি নারী অধিকারের সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। পরবর্তীতে, ১৯৮৫ সালের পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ এই আইনের বিধানগুলো কার্যকর করার জন্য বিশেষ আদালত স্থাপন করে, যা আইনটির প্রয়োগকে আরও সহজ করে তোলে। এই আইনের মাধ্যমে প্রথম বারের মতো মুসলিম পারিবারিক জীবনের কিছু দিক বিধিবদ্ধ আইনের আওতায় আসে, যা পূর্ববর্তী প্রথাগত আইনের সীমাবদ্ধতা দূর করে।

Tags: ১৯৬১১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশমুসলিম পারিবারিক আইন
  • Previous ধর্ম কি? সমাজকর্মের বিকাশে ইসলামের অবদান বিশ্লেষণ কর।
  • Next সামাজিক আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া লেখ।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1336)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    উত্তর আধুনিকতাবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
    উত্তর আধুনিকতাবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
    সেন্ট সাইমন ও রবার্ট ওয়েনের কাল্পনিক সমাজতন্ত্রের রূপরেখা বিশ্লেষণ কর।
    কাল্পনিক ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM