• Digital Tools
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Copyable PDF maker
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
    • MASTERS
      • 📚 রাষ্ট্রবিজ্ঞান
        • ১। সাম্প্রতিক রাষ্ট্রচিন্তা
        • ২। সামাজিক পরিবর্তন ও রাজনৈতিক উন্নয়ন
        • ৩। বাংলাদেশের রাজনীতি ইসু ও প্রবণতাসমূহ
        • ৪। শাসনের সমস্যাবলি
        • ৫। নিরাপত্তা অধ্যয়ন
        • ৬। বাংলাদেশের দলীয় রাজনীতি
        • ৭। ভূ-রাজনীতি ও বাংলাদেশ
      • 📚 সমাজবিজ্ঞান
        • ১। সমসাময়িক সমাজবিজ্ঞানের তত্ত্ব
        • ২। মার্কসীয় সমাজবিজ্ঞান
        • ৩। উন্নয়ন ও অনুন্নয়নের সমাজবিজ্ঞান
        • ৪। সংখ্যালঘুর সমাজবিজ্ঞান
        • ৫। জনসংখ্যা, রাজনীতি ও উন্নয়ন
        • ৬। দারিদ্র্যের সমাজবিজ্ঞান
        • ৭। তুলনামূলক সমাজকাঠামো
      • 📚 সমাজকর্ম
        • ১। সামাজিক প্রশাসন
        • ২। উচ্চতর সামাজিক গবেষণা ও পরিসংখ্যান
        • ৩। শিল্প সম্পর্ক ও শ্রম আইন
        • ৪। সংশোধন ও সংশোধনমূলক সেবা
        • ৫। নারী ও পরিবার কল্যাণ
        • ৬। শিশু, যুব ও প্রবীণ কল্যাণ
        • ৭। সমাজকর্মের নির্দেশনা ও কাউন্সেলিং
      • 📚 ইতিহাস
        • ১। ইতিহাস তত্ত্ব ও গবেষণা পদ্ধতি
        • ২। ইউরোপ ও আমেরিকার ইতিহাস (১৯১৯খ্রিস্টাব্দ থেকে)
        • ৩। দক্ষিণ এশিয়ার জাতীয়তাবাদ ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (উনিশ ও বিশ শতক)
        • ৪। বাংলার সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিকসমূহ (নির্বাচিত বিষয়সমূহ)
        • ৫। বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ থেকে বর্তমান)
        • ৬। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস ১৯৪৭ থেকে (বাংলাদেশ ব্যতীত)
        • ৭। আন্তর্জাতিক আইন
      • 📚 ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
        • ১। ইসলামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাস
        • ২। বাংলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থতিক ইতিহাস (১২০০-১৭৬৫ খ্রি:)
        • ৩। মুসলিম ভারতের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ইতিহাস (৭১২-১৭৬৫)
        • ৪। তুরস্ক, ইরান ও আফগানিস্তানের ইতিহাস
        • ৫। আধুনিক মিশর ও উত্তর আফ্রিকার আরব রাষ্ট্রসমূহ
        • ৬। পশ্চিম এশিয়ার আরব রাষ্ট্রসমূহের ইতিহাস
        • ৭। দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাস (১৭৬৫-১৯৭১)
      • 📚বাংলা
        • ১। বাংলা কবিতা
        • ২। বাংলা উপন্যাস
        • ৩। বাংলা ছোটগল্প
        • ৪। বাংলা নাটক
        • ৫। বাংলা প্রবন্ধ
        • ৬। বাংলাদেশের সাহিত্য: কবিতা, গল্প, উপন্যাস এবং প্রবন্ধ
        • ৭। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য
      • 📚 দর্শন
        • ১। ভাষা দর্শন
        • ২। রূপতত্ত্ব ও অস্তিত্ববাদ
        • ৩। জি.ই. ম্যুর এবং রাসেলের দর্শন
        • ৪। প্রয়োগবাদ ও মানবতাবাদ
        • ৫। জ্ঞানবিদ্যা ও অধিবিদ্যা
        • ৬। আল-গাজালি ও ইবনে রুশদের দর্শন
        • ৭। সুফিবাদ
        • ৮। বৌদ্ধ দর্শন
        • ৯। বাঙালির দর্শন (আধুনিক ও সমকালীন)
        • ১০। সমকালীন রাষ্ট্রদর্শন
      • 📚 ব্যবস্থাপনা
        • ১। ব্যবস্থাপনা চিন্তাধারা
        • ২। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়
        • ৩। ব্যবসায় গবেষণা
        • ৪। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা
        • ৫। ব্যবস্থাপনা তথ্য পদ্ধতি
        • ৬। প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন
        • ৭। ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থাপনা
      • 📚 হিসাববিজ্ঞান
        • ১। প্রায়োগিক হিসাববিজ্ঞান তত্ত্ব
        • ২। উচ্চতর উৎপাদন ব্যয় হিসাববিজ্ঞান
        • ৩। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞান
        • ৪। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা
        • ৫। কর্পোরেট গভর্ন্য্যান্স
        • ৬। কর্পোরেট আর্থিক প্রর্তিবেদন
        • ৭। কর্পোরেট কর পরিকল্পনা
    • Member Account
    • Member Login
    • Member Logout
    • Member Profile
    • Member Registration
    • Members
    • MS Word
    • Reset Password
    • Rotate PDF
    • SYLLABUS 0-12 NCTB BD
    • DEGREE
      • স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (আবশ্যিক)
      • ডিগ্রী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
        • ১ম বর্ষ ডিগ্রী রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • রাজনৈতিক তত্ত্ব
    • HONOURS
      • 📚 অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
        • 📗 ১ম বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান (নতুন সিলেবাস)
        • 📗 ১ম বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান (পুরাতন সিলেবাস)
          • 🔴 স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস
          • 🔴 রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন
          • 🔴 পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা
          • 🔴 প্রধান প্রধান বৈদেশিক সরকার (UK, USA & France) ২১১৯০৫
          • 🔴 লোক প্রশাসন পরিচিতি
          • 🔴 সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি
          • 🔴 সমাজকর্ম পরিচিতি
          • 🔴 অর্থনীতির মৌলনীতি
        • 📗 ২য় বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৭৫৭-১৯৪৭)
          • 🔴 বাংলাদেশের রাজনৈতিক অর্থনীতি
          • 🔴 রাজনীতি ও উন্নয়নে নারী
          • 🔴 প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা
          • 🔴 বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান
          • 🔴 বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি
          • 🔴 বাংলাদেশের অর্থনীতি
        • 📗৩য় বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান
          • 🔴 আন্তর্জাতিক রাজনীতির মূলনীতি
          • 🔴 দক্ষিণ এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি ( ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকা )
          • 🔴 রাজনীতি অধ্যয়নের পদ্ধতি
          • 🔴 শান্তি এবং সংঘাত অধ্যায়ন পরিচিতি
          • 🔴 বাংলাদেশের লোক প্রশাসন
          • 🔴 গবেষণা পদ্ধতি ও পরিসংখ্যান
          • 🔴 রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান
        • 📗 ৪র্থ বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিবর্তন ও ধারাবাহিকতা
          • 🔴 বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন
          • 🔴 সরকারি নীতি পরিচিতি
          • 🔴 পূর্ব এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি চীন, জাপান ও দিক্ষণ কোরিয়া
          • 🔴 পরিবেশ ও উন্নয়ন
          • 🔴 বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক
          • 🔴 বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া
          • 🔴 বিশ্বায়ন, আঞ্চলিকতাবাদ ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান
      • 📚 অনার্স সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
        • ১ম বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • ১। প্রারম্ভিক সমাজবিজ্ঞান ২১২০০১
          • সামাজিক ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা ২১২০০৩
          • রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান ২১২০০৫
          • সামাজিক সমস্যা ২১২০০৭
          • স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ২১১৫০১
          • রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি ২১১৯০৯
          • অর্থনীতির মূলনীতি ২১১৯০৯
        • ২য় বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 💞 প্ররম্ভিক নৃ-বিজ্ঞান
          • 💞 ধ্রুপদী সমাজচিন্তা
          • 💞 সামাজিক পরিসংখ্যান
          • 💞 গবেষণা পদ্ধতি
          • 💞 রাজনৈতিক সংগঠন এবং যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থা
          • 💞 বাংলাদেশের অর্থনীতি
        • ৩য় বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳ধ্রুপদী সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্ব
          • 🌳গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳ধর্মের সমাজবিজ্ঞান ২৩২০০৫
          • 🌳সামাজিক অসমতা
          • 🌳 সমাজ ও সম্প্রদায়
          • 🌳বাংলাদেশের সমাজ কাঠামো
          • 🌳নগর সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳সমাজ মনোবিজ্ঞান
        • ৪র্থ বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 জেন্ডার, সমাজ ও উন্নয়ন
          • 📢 উন্নয়নের সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 সামাজিক জনবিজ্ঞান
          • 📢 পরিবেশ সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 সামাজিক পরিবর্তন
          • 📢 বিচ্যুতি ও অপরাধ
          • 📢 শিল্প সমাজবিজ্ঞান
          • কৃষক সমাজ ২৪২০১৭
    • HOME
      • About
      • Blog
      • Contact
      • News
      • Privacy
    • GRAMMAR
      • Arabic Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
    • JOB STUDY
      • Army/Police/BDR/Anchar
      • Bank
      • BCS
      • Govt. job
      • Medical Admission
      • Nibandhon
      • Primary
      • University Admission
      • Bangla
      • English
      • Math
      • General Knowledge Bangladesh
      • General Knowledge International
      • Computer & IT
      • Biology
      • Chemistry
      • Physics
      • Ethics, Values ​​and Good Governance
      • Geography/Environment/Disaster Management
    • JOBS
      • BRAC NGO Job Circular New All Jobs Notice 2023
      • Jobs CANADA
      • Jobs INDIA
      • Jobs USA
Read Aim
Read Aim Read Aim
  • readaim.com
  • 0
অস্টিনের সার্বভৌম তত্ত্ব মূল্যায়ন কর।

প্রশ্ন:- অস্টিনের সার্বভৌম তত্ত্বটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর::উপস্থাপনা: ঊনবিংশ শতাব্দীর ইংরেজ আইনবিদ জন অস্টিন প্রদত্ত সার্বভৌমত্বের ধারণাটি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ইতিহাসে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী সংযোজন। তাঁর “আইনশাস্ত্রের উপর বক্তৃতা” (Lectures on Jurisprudence, 1832) নামক গ্রন্থে তিনি এই তত্ত্বের বিশদ ব্যাখ্যা দেন। অস্টিনের মতে, সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ, চূড়ান্ত এবং অবাধ ক্ষমতা, যা এক বা একাধিক নির্দিষ্ট ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে এবং সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ অন্য কারো প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে না, বরং সমাজের অধিকাংশ মানুষ তাদের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে। তাঁর এই আইনগত ও দৃষ্টবাদী তত্ত্বটি পরবর্তীকালে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হলেও এর ঐতিহাসিক ও তাত্ত্বিক গুরুত্ব অপরিসীম।

অস্টিনের সার্বভৌম তত্ত্বের মূল্যায়নমূলক আলোচনা

১। নির্দিষ্ট মানবীয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ: অস্টিনের তত্ত্ব অনুযায়ী, প্রতিটি স্বাধীন রাজনৈতিক সমাজে একজন নির্দিষ্ট মানবীয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা সার্বভৌম বিদ্যমান থাকে। এই সার্বভৌম একজন ব্যক্তি বা একটি সংস্থা হতে পারে, যাকে সকলে মান্য করে কিন্তু তিনি কাউকে মান্য করতে বাধ্য নন। এই ধারণাটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুকে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে এবং এটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবধর্মী। তবে সমালোচকদের মতে, আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে, যেখানে ক্ষমতা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বণ্টিত, সেখানে এমন একজন নির্দিষ্ট সার্বভৌমকে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

২। সার্বভৌমের আদেশই আইন: অস্টিনের তত্ত্বের একটি মূল ভিত্তি হলো “সার্বভৌমের আদেশই আইন” (Law is the command of the sovereign)। এর অর্থ হলো, সার্বভৌম যা আদেশ করেন, তাই আইনে পরিণত হয় এবং তা অমান্য করলে শাস্তির বিধান থাকে। এই ধারণাটি আইনের একটি সুস্পষ্ট এবং সহজবোধ্য সংজ্ঞা প্রদান করে, যা আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের প্রক্রিয়াকে বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু এই সংজ্ঞা প্রথা, রীতিনীতি এবং বিচারকের দ্বারা সৃষ্ট আইনের মতো বিষয়গুলোকে আইনের উৎস হিসেবে অস্বীকার করে, যা বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।

৩। সার্বভৌম ক্ষমতা অবিভাজ্য: অস্টিন মনে করতেন যে, সার্বভৌম ক্ষমতাকে ভাগ করা যায় না। ক্ষমতা ভাগ করলে সার্বভৌমত্বের বিনাশ ঘটে। তাঁর মতে, একটি রাষ্ট্রে কেবল একটিই চূড়ান্ত ক্ষমতার উৎস থাকতে পারে। এই ধারণাটি রাষ্ট্রের একতাকে নির্দেশ করে এবং অখণ্ডতাকে গুরুত্ব দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায়, যেখানে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টিত থাকে, সেখানে অস্টিনের এই অবিভাজ্যতার ধারণাটি অচল বলে প্রমাণিত হয়।

৪। সার্বভৌম ক্ষমতা অবাধ ও অসীম: অস্টিনের সার্বভৌমের ক্ষমতা আইনগতভাবে চূড়ান্ত, অবাধ এবং অসীম। তাঁর উপর কোনো প্রকার আইনগত সীমাবদ্ধতা আরোপ করা যায় না, কারণ তিনি নিজেই সকল আইনের উৎস। এই ধারণাটি রাষ্ট্রের চূড়ান্ত কর্তৃত্বকে প্রতিষ্ঠা করে। কিন্তু বাস্তবে কোনো শাসকই চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হতে পারে না। জনমত, ধর্মীয় বিশ্বাস, নৈতিকতা, প্রথা এবং আন্তর্জাতিক আইন দ্বারা শাসকের ক্ষমতা সর্বদা সীমাবদ্ধ থাকে।

৫। জনগণের স্বভাবজাত আনুগত্য: অস্টিনের তত্ত্বানুযায়ী, সমাজের অধিকাংশ মানুষ সার্বভৌমের প্রতি স্বভাবজাতভাবেই আনুগত্য প্রদর্শন করে। এই আনুগত্যই সার্বভৌমত্বের ভিত্তি তৈরি করে। এই ধারণাটি শাসক ও শাসিতের মধ্যে একটি স্থিতিশীল সম্পর্ককে নির্দেশ করে, যা রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য। তবে এই ‘স্বভাবজাত আনুগত্য’ ধারণাটি অস্পষ্ট। মানুষ ভয়ের কারণে, অভ্যাসের বশে নাকি উপযোগিতার কথা ভেবে আনুগত্য করে, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

৬। আইন ও নৈতিকতার পৃথকীকরণ: অস্টিন আইনকে নৈতিকতা থেকে সম্পূর্ণ পৃথক করেছেন। তাঁর মতে, আইন ভালো না মন্দ, তা বিবেচ্য বিষয় নয়; আইন সার্বভৌম কর্তৃক আদিষ্ট কিনা, সেটাই মূল বিষয়। এই দৃষ্টবাদী (Positivist) দৃষ্টিভঙ্গি আইনকে একটি নিরপেক্ষ বিজ্ঞান হিসেবে অধ্যয়নের সুযোগ করে দেয়। কিন্তু আইনকে নৈতিকতা থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করলে তা স্বৈরাচারী শাসনের পথকে প্রশস্ত করতে পারে এবং আইনের মানবিক আবেদনকে অস্বীকার করে।

৭. আন্তর্জাতিক আইনের অস্বীকৃতি: অস্টিনের তত্ত্ব আন্তর্জাতিক আইনকে প্রকৃত আইন হিসেবে স্বীকার করে না। কারণ আন্তর্জাতিক আইনের পেছনে কোনো নির্দিষ্ট সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আদেশ এবং শাস্তির ভয় নেই। তিনি একে কেবল ‘ইতিবাচক নৈতিকতা’ (Positive Morality) বলে অভিহিত করেছেন। কিন্তু আধুনিক বিশ্বে রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুত্ব অনস্বীকার্য এবং রাষ্ট্রগুলো তা মানতে বাধ্য থাকে। তাই অস্টিনের এই ধারণা বর্তমান প্রেক্ষাপটে গ্রহণযোগ্য নয়।

৮। গণতন্ত্রের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ: অস্টিনের সার্বভৌমত্বের ধারণা গণতন্ত্রের মূল ভাবনার পরিপন্থী। গণতন্ত্রে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস এবং সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক বলে মনে করা হয়, যা ‘জনপ্রিয় সার্বভৌমত্ব’ নামে পরিচিত। কিন্তু অস্টিনের তত্ত্বে একজন নির্দিষ্ট মানবীয় ঊর্ধ্বতনকে ক্ষমতার অধিকারী করা হয়েছে, যা জনগণের ভূমিকাকে অস্বীকার করে এবং স্বৈরতন্ত্রকে সমর্থন যোগায়।

৯। প্রথাগত আইনের উপেক্ষা: অস্টিনের তত্ত্ব প্রথাগত আইনকে (Customary Law) সরাসরি অস্বীকার করে। তাঁর মতে, প্রথা কেবল তখনই আইনে পরিণত হয় যখন সার্বভৌম তা অনুমোদন করেন। কিন্তু স্যার হেনরি মেইনের মতো ঐতিহাসিক আইনবিদরা দেখিয়েছেন যে, বহু প্রাচীন সমাজে প্রথাই ছিল আইনের প্রধান উৎস এবং রাষ্ট্র বা সার্বভৌমের অস্তিত্ব ছাড়াই আইন কার্যকর ছিল। তাই অস্টিনের এই ধারণা ঐতিহাসিকভাবে সঠিক নয়।

১০। ক্ষমতার উৎস ব্যাখ্যায় ব্যর্থতা: অস্টিনের তত্ত্ব সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস কী, তা সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে না। তিনি শুধু বলেন যে, একজন নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু সেই কর্তৃপক্ষ কীভাবে এই ক্ষমতা অর্জন করলো, তার কোনো যৌক্তিক বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা তিনি দেন না। তিনি কেবল ক্ষমতার অস্তিত্বকে স্বীকার করে নিয়েছেন, তার বৈধতার ভিত্তি নিয়ে আলোচনা করেননি।

১১। যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সাথে বৈপরীত্য: অস্টিনের অবিভাজ্য সার্বভৌমত্বের ধারণা যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থার (Federal System) সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় সংবিধানের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার এবং অঙ্গরাজ্যগুলোর সরকারের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করে দেওয়া হয়। এখানে কোনো একক, নির্দিষ্ট ও অসীম ক্ষমতার অধিকারী সার্বভৌমকে খুঁজে পাওয়া যায় না। সংবিধানই এখানে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।

১২। রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের অবমূল্যায়ন: অস্টিন কেবল আইনগত সার্বভৌমত্বের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন এবং রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বকে উপেক্ষা করেছেন। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনগত সার্বভৌমের (যেমন- সংসদ) পেছনে নির্বাচকমণ্ডলী বা জনমতের আকারে রাজনৈতিক সার্বভৌম বিদ্যমান থাকে। আইনগত সার্বভৌমকে রাজনৈতিক সার্বভৌমের ইচ্ছার কাছে নতি স্বীকার করতে হয়, যা অস্টিনের তত্ত্বে অনুপস্থিত।

১৩। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সীমাবদ্ধতা: অস্টিনের তত্ত্বটি মূলত ঊনবিংশ শতাব্দীর ইংল্যান্ডের এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার দ্বারা প্রভাবিত। তৎকালীন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ক্ষমতাকে মাথায় রেখেই তিনি তাঁর তত্ত্বটি প্রদান করেন। তাই এটি সার্বজনীনভাবে সকল দেশের ও সকল কালের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না, যা এর অন্যতম বড় সীমাবদ্ধতা।

১৪। বাস্তবতার সাথে অমিল: অস্টিনের সার্বভৌম ক্ষমতার অসীমতার ধারণাটি বাস্তবসম্মত নয়। ইতিহাসে দেখা যায়, কোনো শাসকই নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন না। তুরস্কের সুলতানও শরিয়ত আইন দ্বারা সীমাবদ্ধ ছিলেন। এমনকি আধুনিক যুগের স্বৈরাচারী শাসকরাও বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তাদের ক্ষমতাকে অবাধে প্রয়োগ করতে পারেন না।

১৫। অধিকারের উৎস সংক্রান্ত ধারণা: অস্টিনের মতে, সার্বভৌমই সকল অধিকারের উৎস। যেহেতু সার্বভৌমের বিরুদ্ধে কোনো আইন থাকতে পারে না, সেহেতু জনগণেরও সার্বভৌমের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত অধিকার থাকতে পারে না। এই ধারণাটি ব্যক্তিস্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের ধারণার পরিপন্থী। আধুনিক রাষ্ট্রগুলোতে নাগরিকদের অধিকার সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত থাকে এবং শাসকের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করে দেয়।

১৬। সমাজের বহুত্ববাদী আকারে উপেক্ষা: আধুনিক সমাজবিজ্ঞানীরা রাষ্ট্রকে বহু সংঘের সমন্বয়ে গঠিত একটি ব্যবস্থা বলে মনে করেন। পরিবার, चर्च, ট্রেড ইউনিয়ন ইত্যাদি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়মকানুন ও কর্তৃত্ব রয়েছে, যা ব্যক্তির আনুগত্যকে প্রভাবিত করে। অস্টিনের তত্ত্ব রাষ্ট্রের চূড়ান্ত কর্তৃত্বকে স্বীকার করতে গিয়ে সমাজের এই বহুত্ববাদী (Pluralistic) स्वरूपকে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করেছে।

১৭। স্বৈরতন্ত্রের সমর্থক: সমালোচকদের মতে, অস্টিনের তত্ত্ব রাষ্ট্রকে একটি দমনমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে এবং স্বৈরতন্ত্রের পথকে সুগম করে। যেহেতু সার্বভৌম ক্ষমতার উপর কোনো নৈতিক বা আইনগত সীমাবদ্ধতা নেই, তাই শাসকের পক্ষে যা খুশি তাই করার একটি তাত্ত্বিক ভিত্তি তৈরি হয়। এটি রাষ্ট্রকে জনগণের কল্যাণের পরিবর্তে নিছক শক্তি প্রয়োগকারী যন্ত্রে পরিণত করে।

১৮। আইনের সরলীকরণ: অস্টিনের “আদেশমূলক” সংজ্ঞা আইনকে অত্যন্ত সরল করে দেখে। আইন শুধুমাত্র আদেশ বা নিষেধাজ্ঞার সমষ্টি নয়। আধুনিক আইন অনেক বেশি জটিল, যার মধ্যে অধিকার প্রদানকারী, ক্ষমতা প্রদানকারী এবং পদ্ধতিগত নানা নিয়ম অন্তর্ভুক্ত থাকে। অস্টিনের সংজ্ঞা আইনের এই বৈচিত্র্যময় প্রকৃতিকে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

উপসংহার সার্বিকভাবে বিবেচনা করলে, জন অস্টিনের সার্বভৌমত্বের তত্ত্বটি নানাভাবে সমালোচিত এবং আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অনেক ক্ষেত্রেই অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে হতে পারে। গণতন্ত্র, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আইনের যুগে তাঁর অবাধ, অসীম ও অবিভাজ্য সার্বভৌমত্বের ধারণাটি অচল। তাসত্ত্বেও, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ও আইনশাস্ত্রে তাঁর তত্ত্বের গুরুত্বকে অস্বীকার করা যায় না। তিনি প্রথম আইনকে একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্র হিসেবে অধ্যয়নের পথ দেখান এবং রাষ্ট্রের চূড়ান্ত আইনগত ক্ষমতার প্রকৃতি সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ও 논理पूर्ण ধারণা দেন, যা আজও আলোচনার দাবি রাখে।

একনজরে উত্তর দেখুন
  • 💠 ১। নির্দিষ্ট মানবীয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ
  • 📜 ২। সার্বভৌমের আদেশই আইন
  •  🔗 ৩। সার্বভৌম ক্ষমতা অবিভাজ্য
  • 👑 ৪। সার্বভৌম ক্ষমতা অবাধ ও অসীম
  • 🤝 ৫। জনগণের স্বভাবজাত আনুগত্য
  • ⚖️ ৬। আইন ও নৈতিকতার পৃথকীকরণ
  • 🌍 ৭। আন্তর্জাতিক আইনের অস্বীকৃতি
  •  🗳️ ৮। গণতন্ত্রের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ
  •  🏛️ ৯। প্রথাগত আইনের উপেক্ষা
  •  ❓ ১০। ক্ষমতার উৎস ব্যাখ্যায় ব্যর্থতা
  • 🌍 ১১। যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সাথে বৈপরীত্য
  • 🗣️ ১২। রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের অবমূল্যায়ন
  • ⏳ ১৩। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সীমাবদ্ধতা
  • 👁️ ১৪। বাস্তবতার সাথে অমিল
  • 👨‍👩‍👧‍👦 ১৬। সমাজের বহুত্ববাদী আকারে উপেক্ষা
  • ⛓️ ১৭। স্বৈরতন্ত্রের সমর্থক
  • 📝 ১৮। আইনের সরলীকরণ
 
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

জন অস্টিন (১৭৯০-১৮৫৯) তাঁর সার্বভৌমত্বের তত্ত্বটি দিয়েছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর ইংল্যান্ডের নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও আইনগত সংস্কারের প্রেক্ষাপটে। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ “The Province of Jurisprudence Determined” ১৮৩২ সালে প্রকাশিত হয়, যখন ইংল্যান্ড শিল্প বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল এবং একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় আইনসভার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছিল। এই সময় দৃষ্টবাদী (Positivism) দর্শনের উত্থান ঘটে, যা নৈতিকতা বা প্রাকৃতিক আইনের পরিবর্তে বাস্তব ও পর্যবেক্ষণযোগ্য তথ্যের উপর গুরুত্ব দিত। অস্টিনের তত্ত্ব ছিল মূলত জেরেমি বেন্থামের উপযোগবাদ এবং টমাস হবসের চরম সার্বভৌমত্বের ধারণার সমন্বয়। তবে আমেরিকার সংবিধান (১৭৮৭) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এবং পরবর্তীকালে ১৮৯৯ ও ১৯০৭ সালের হেগ কনভেনশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইনের ক্রমবিকাশ অস্টিনের চরম সার্বভৌমত্বের ধারণাকে শুরু থেকেই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়।

Tags: অস্টিনের সার্বভৌম তত্ত্ব
  • Previous আইনের উৎস গুলো আলোচনা কর।
  • Next আইনগত ও রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব এর মধ্যে পার্থক্য আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1336)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    উত্তর আধুনিকতাবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
    উত্তর আধুনিকতাবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
    সেন্ট সাইমন ও রবার্ট ওয়েনের কাল্পনিক সমাজতন্ত্রের রূপরেখা বিশ্লেষণ কর।
    কাল্পনিক ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM
    Have any question? 01745112569 md@readaim.com Free
    • Login
    • Registration
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools