• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- “ক্ষমতার পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণ সম্ভব নয়, কাম্য নয়” ব্যাখ্যা কর।

উত্তর।।সূচনা:- রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ একটি বহুল আলোচিত ধারণা। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারের তিনটি প্রধান শাখা – আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগ – এর ক্ষমতাকে পৃথক করা, যাতে কোনো একটি শাখা অতিরিক্ত ক্ষমতাধর হয়ে স্বেচ্ছাচারী হতে না পারে। কিন্তু আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এই ধারণার পূর্ণ প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এটি কেবল অসম্ভবই নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের কার্যকর পরিচালনার জন্যও এটি কাম্য নয়। এই নিবন্ধে আমরা এই বক্তব্যের পেছনের কারণগুলো বিস্তারিত আলোচনা করব।

১। ক্ষমতার ভারসাম্যের অপরিহার্যতা: ক্ষমতার পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণ বলতে প্রতিটি বিভাগের সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতা বোঝায়, যা বাস্তবে অকার্যকর। এর পরিবর্তে, ক্ষমতা পৃথকীকরণের মূল লক্ষ্য হলো একটি চেকস এবং ভারসাম্যের (Checks and Balances) ব্যবস্থা তৈরি করা। এর মানে হলো, প্রতিটি বিভাগ একে অপরের উপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে, যাতে কোনো একটি বিভাগ তার ক্ষমতার অপব্যবহার করতে না পারে। যেমন, আইনসভা আইন প্রণয়ন করে, কিন্তু নির্বাহী বিভাগ সেই আইন কার্যকর করে এবং বিচার বিভাগ সেই আইনের সাংবিধানিক বৈধতা বিচার করে। এই আন্তঃনির্ভরশীলতা ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

২। কার্যকর শাসনব্যবস্থার জন্য সহযোগিতা: আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার জটিলতা এমন যে, প্রতিটি বিভাগের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা অপরিহার্য। পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণ সহযোগিতার পথে বাধা সৃষ্টি করবে এবং সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমকে শ্লথ করে দেবে। উদাহরণস্বরূপ, একটি বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয় (নির্বাহী বিভাগ) প্রস্তাবনা তৈরি করে, আইনসভা তা অনুমোদন করে এবং বিচার বিভাগ প্রয়োজনে এর সাংবিধানিক দিক পর্যালোচনা করে। এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি বিভাগের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে রাষ্ট্রীয় কাজ ব্যাহত হবে।

৩। আন্তঃসম্পর্কিত কার্যাবলী: সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কার্যাবলী প্রকৃতিগতভাবেই একে অপরের সাথে সংযুক্ত। আইন প্রণয়ন শুধু আইনসভার কাজ নয়, এর পেছনে নির্বাহী বিভাগের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং বিচার বিভাগের পূর্ববর্তী রায়ও প্রভাব ফেলে। আইন প্রণয়ন থেকে শুরু করে তার প্রয়োগ ও বিচার—এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদি এই বিভাগগুলো সম্পূর্ণ পৃথকভাবে কাজ করত, তাহলে একটি সুসংহত এবং কার্যকর শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা অসম্ভব হয়ে উঠত।

৪। সংসদীয় এবং রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থার পার্থক্য: বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণের মাত্রায় ভিন্নতা প্রদর্শন করে। সংসদীয় ব্যবস্থায়, যেমন বাংলাদেশ বা যুক্তরাজ্যে, নির্বাহী বিভাগ (সরকার) আইনসভার (সংসদ) প্রতি দায়বদ্ধ থাকে। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা আইনসভার সদস্য হন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থায়, যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, নির্বাহী বিভাগ আইনসভা থেকে তুলনামূলকভাবে স্বাধীন থাকে। এই ভিন্নতা প্রমাণ করে যে, পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণ একটি সার্বজনীন বা একমাত্র কাম্য মডেল নয়।

৫। সংবিধানের কাঠামো এবং স্বতন্ত্রীকরণ: প্রতিটি দেশের সংবিধান ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণের মাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। কোনো সংবিধানেই তিনটি বিভাগকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার বিধান থাকে না। বরং, সংবিধান এমন একটি কাঠামো তৈরি করে যেখানে প্রতিটি বিভাগ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। এই সাংবিধানিক নকশা সরকারের প্রতিটি শাখার মধ্যে পারস্পরিক নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্যের গুরুত্বকে তুলে ধরে।

৬। আইন প্রণয়নে নির্বাহী বিভাগের ভূমিকা: যদিও আইন প্রণয়নের মূল দায়িত্ব আইনসভার, কিন্তু আধুনিক রাষ্ট্রগুলোতে নির্বাহী বিভাগ আইনের খসড়া তৈরি, নীতি নির্ধারণ এবং আইনসভার কাছে প্রস্তাব পেশ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি একটি উদাহরণ যে কীভাবে দুটি বিভাগ একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে। যদি নির্বাহী বিভাগ আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিত, তাহলে জটিল আইন প্রণয়ন অসম্ভব হয়ে যেত।

৭। নির্বাহী আদেশে বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপ: অনেক সময় নির্বাহী বিভাগ বিভিন্ন আদেশ বা প্রবিধান জারি করে। এই আদেশগুলো যদি সংবিধান বা প্রচলিত আইনের পরিপন্থী হয়, তবে বিচার বিভাগ সেগুলোকে বাতিল করতে পারে। এটি বিচার বিভাগের ‘জুডিশিয়াল রিভিউ’ ক্ষমতা, যা নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতার উপর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য রক্ষা করে। এই ক্ষমতা পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে।

৮। জরুরী পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ: জাতীয় দুর্যোগ, যুদ্ধ বা অর্থনৈতিক সংকটের মতো জরুরী পরিস্থিতিতে সরকারের প্রতিটি বিভাগের ঐক্যবদ্ধ এবং দ্রুত পদক্ষেপ অপরিহার্য। এই সময়ে প্রতিটি বিভাগকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে এবং একে অপরের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে হয়। পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণ এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং কার্যকর সাড়াদানে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

৯। রাজনৈতিক জবাবদিহিতা: ক্ষমতা পৃথকীকরণ রাজনৈতিক জবাবদিহিতাকে উৎসাহিত করে। নির্বাহী বিভাগ আইনসভার কাছে, এবং পরোক্ষভাবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকে। যদি ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে পৃথক করা হয়, তবে কোন বিভাগের কাজের জন্য কে দায়ী, তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এটি জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহিতাকে দুর্বল করে তুলবে।

১০। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও প্রশাসনিক দক্ষতা: আধুনিক সরকারে নীতি প্রণয়ন এবং কার্যকর করার জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের জ্ঞান ও প্রশাসনিক দক্ষতার প্রয়োজন হয়। এই দক্ষতা প্রায়শই নির্বাহী বিভাগেই কেন্দ্রীভূত থাকে। পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণ এই দক্ষতাকে সম্পূর্ণভাবে আইনসভা বা বিচার বিভাগের কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না, যা সরকারের সামগ্রিক দক্ষতাকে হ্রাস করবে।

১১। ক্ষমতার কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি: যদি প্রতিটি বিভাগ সম্পূর্ণরূপে স্বাধীনভাবে কাজ করে, তাহলে কোনো একটি বিভাগের ক্ষমতা নিরঙ্কুশ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে, কারণ অন্য বিভাগগুলো হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা হারাবে। চেকস এবং ভারসাম্যের অনুপস্থিতি স্বৈরাচারী শাসনের পথ সুগম করতে পারে, যা ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণের মূল উদ্দেশ্যকেই ব্যাহত করবে।

১২। বিচার বিভাগের নীতি-নির্ধারণী ভূমিকা: যদিও বিচার বিভাগের প্রধান কাজ আইন ব্যাখ্যা করা, অনেক সময় তাদের রায় নতুন আইন প্রণয়নের পথ তৈরি করে বা বিদ্যমান নীতিগুলোকে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, পরিবেশ সংক্রান্ত বা মানবাধিকার বিষয়ক অনেক রায় সরকারের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। এটি দেখায় যে বিচার বিভাগ শুধুমাত্র আইন প্রয়োগকারী নয়, বরং পরোক্ষভাবে নীতি-নির্ধারকের ভূমিকাও পালন করে।

১৩। সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ: অনেক দেশে সংবিধান সংশোধনের জন্য আইনসভা এবং নির্বাহী বিভাগ উভয়েরই অনুমোদন প্রয়োজন হয়, এবং কিছু ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের রায়ও এই প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে। এটি তিন বিভাগের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার বোঝাপড়া ও সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়।

১৪। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক নির্ভরতা: দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে অর্থ মন্ত্রণালয় (নির্বাহী), কেন্দ্রীয় ব্যাংক (নির্বাহী বিভাগের অংশ বা স্বাধীন সংস্থা) এবং আইনসভা (বাজেট অনুমোদন) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই পারস্পরিক নির্ভরতা না থাকলে একটি সুসংহত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

১৫। জনগণের চাহিদা পূরণে সমন্বয়: জনগণের চাহিদা এবং প্রত্যাশা পূরণের জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা—সকল ক্ষেত্রেই আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ এবং তা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক অপরিহার্য।

১৬। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধতা: আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষর, বৈদেশিক নীতি নির্ধারণ এবং অন্যান্য দেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে নির্বাহী বিভাগ (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তবে এই চুক্তিগুলো অনেক সময় আইনসভার অনুমোদন সাপেক্ষ হয়। এটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে একটি ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্রের চিত্র তুলে ধরে এবং ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণের পূর্ণতা এখানেও অনুপস্থিত।

১৭। স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতার রোধ: ক্ষমতার পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণ সম্ভব না হলেও, এর মূল উদ্দেশ্য হলো স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতাকে রোধ করা। যদি প্রতিটি বিভাগ একে অপরের উপর সম্পূর্ণ স্বাধীন হয়ে যায়, তবে কোনো বিভাগকে জবাবদিহি করানো কঠিন হয়ে পড়বে, যা প্রকারান্তরে স্বেচ্ছাচারিতার পথ খুলে দেবে। তাই, চেকস এবং ভারসাম্যের মাধ্যমে একটি কার্যকরী স্বতন্ত্রীকরণই কাম্য।

১৮। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণের ধারণাটি মন্টেস্কিউর মতো দার্শনিকদের দ্বারা বিকশিত হয়েছিল, যারা স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্তির পথ খুঁজছিলেন। কিন্তু তারা কখনোই সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতার কথা বলেননি, বরং ক্ষমতার বিভাজন এবং ভারসাম্যের কথা বলেছিলেন। ইতিহাসের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে, কঠোর স্বতন্ত্রীকরণ অকার্যকর শাসনব্যবস্থার জন্ম দিতে পারে।

১৯। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ: বিচার বিভাগের স্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে নির্বাহী বিভাগ বিচার বিভাগের ওপর কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করবে না। উদাহরণস্বরূপ, বিচারকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেক সময় নির্বাহী বিভাগের অধীনে থাকে, যদিও তাদের কার্যকালে তাদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়। এটি একটি সীমিত মাত্রার হস্তক্ষেপের উদাহরণ।

২০। জনগণের প্রতিনিধিত্ব: আইনসভা সরাসরি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে, এবং নির্বাহী বিভাগও পরোক্ষভাবে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসে। যদি এই দুটি বিভাগ সম্পূর্ণ পৃথক হয়ে যায়, তাহলে সরকারের জনমুখীতা এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিতা দুর্বল হয়ে পড়বে।

২১। স্থায়িত্ব ও স্থিতিশীলতা: একটি কার্যকর শাসনব্যবস্থা কেবল ক্ষমতার বিভাজন নয়, বরং এর স্থায়িত্ব ও স্থিতিশীলতার ওপরও নির্ভর করে। কঠোর স্বতন্ত্রীকরণ রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি করতে পারে, যা সরকারের স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করবে এবং ফলস্বরূপ রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রায় বাধা দেবে।

উপসংহার: সুতরাং, ক্ষমতার পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণ একটি তাত্ত্বিক ধারণা যা বাস্তবে প্রায় অসম্ভব এবং কার্যকর শাসনের জন্য কাম্য নয়। আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের তিনটি শাখার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার পারস্পরিক নির্ভরতা এবং সহযোগিতাই অপরিহার্য। ক্ষমতার বিভাজন এবং চেকস ও ভারসাম্যের একটি কার্যকর ব্যবস্থা এমন একটি শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করে যা জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ এবং জনগণের কল্যাণে নিবেদিত। এটি স্বৈরাচারী প্রবণতা রোধ করে এবং একটি স্থিতিশীল ও গতিশীল রাষ্ট্র গঠনে সাহায্য করে।

একনজরে উত্তর দেখুন
  • ⚖️ ১। ক্ষমতার ভারসাম্যের অপরিহার্যতা
  • 🤝 ২। কার্যকর শাসনব্যবস্থার জন্য সহযোগিতা
  • 🔗 ৩। আন্তঃসম্পর্কিত কার্যাবলী
  • 🏛️ ৪। সংসদীয় এবং রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থার পার্থক্য
  • 📜 ৫। সংবিধানের কাঠামো এবং স্বতন্ত্রীকরণ
  • 📝 ৬। আইন প্রণয়নে নির্বাহী বিভাগের ভূমিকা
  • 👨‍⚖️ ৭। নির্বাহী আদেশে বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপ
  • 🚨 ৮। জরুরী পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ
  • 🗣️ ৯। রাজনৈতিক জবাবদিহিতা
  • 🧠 ১০। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও প্রশাসনিক দক্ষতা
  • 👑 ১১। ক্ষমতার কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি
  • ⚖️ ১২। বিচার বিভাগের নীতি-নির্ধারণী ভূমিকা
  • ✍️ ১৩। সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ
  • 💰 ১৪। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক নির্ভরতা
  • 🙋 ১৫। জনগণের চাহিদা পূরণে সমন্বয়
  • 🌍 ১৬। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধতা
  • ⛔ ১৭। স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতার রোধ
  • 📜 ১৮। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
  • 🤝 ১৯। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ
  • 🗳️ ২০। জনগণের প্রতিনিধিত্ব
  • 🔒 ২১। স্থায়িত্ব ও স্থিতিশীলতা
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ ধারণাটি ১৭শ শতাব্দীর ইংরেজ দার্শনিক জন লক এবং ১৮শ শতাব্দীর ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কিউ-এর কাজ থেকে উদ্ভূত। মন্টেস্কিউ তাঁর “দ্য স্পিরিট অফ দ্য লজ” (১৭৪৮) গ্রন্থে স্বৈরাচারী শাসন রোধে ক্ষমতা বিভাজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান (১৭৮৭) এই ধারণার একটি বাস্তব উদাহরণ যেখানে চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্সের মাধ্যমে ক্ষমতা বন্টন করা হয়েছে। তবে, আধুনিক গবেষকরা দেখিয়েছেন যে, বিশ্বজুড়ে শাসনব্যবস্থার বিবর্তনে ক্ষমতার পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণ কার্যত অসম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, আফ্রিকান ডেমোক্রেসি ফোরামের ২০১৫ সালের একটি জরিপ দেখায় যে, বহু দেশে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগের দ্বারা প্রভাবিত হতে দেখা যায়, যা ক্ষমতার সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতার ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এমনকি উন্নত দেশগুলোতেও নির্বাহী আদেশ, জরুরি ক্ষমতা বা বিভিন্ন কমিটির মাধ্যমে ক্ষমতাগুলো একে অপরের সঙ্গে মিশে যায়, যা সরকারের কার্যকারিতা ও গতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।

Tags: ক্ষমতার পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরণ সম্ভব নয় কাম্য নয়
  • Previous নির্বাচক  মন্ডলী কি?  “নির্বাচক মন্ডলীকে সরকারের চতুর্থ অঙ্গ বলা হয়” কেন? ব্যাখ্যা কর।
  • Next মন্টেস্কুর ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1620)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    বাংলাদেশে জোটবদ্ধ রাজনীতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তোমার ধারণা দাও।
    বাংলাদেশের সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে সংঘাতের কারণসমূহ আলোচনা কর।
    বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর জোট গঠনের সাম্প্রতিক প্রবণতা আলোচনা কর।
    উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বৈধতার সংকটের কারণসমূহ আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM