• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্যমূলক নীতিসমূহ আলোচনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর জন্ম হয়েছিল পাকিস্তান নামক এক নতুন রাষ্ট্রের, যার দুটি অংশ ছিল পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) এবং পশ্চিম পাকিস্তান। ভৌগোলিকভাবে প্রায় ১২০০ মাইল ভারত দ্বারা বিচ্ছিন্ন এই দুই অংশের মধ্যে সংস্কৃতি, ভাষা এবং জীবনযাত্রায় বিস্তর ফারাক ছিল। স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি এক ধারাবাহিক বৈষম্যমূলক নীতি অবলম্বন করে, যা দুই অঞ্চলের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যকে প্রকট করে তোলে। এই বৈষম্যই পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

১। অর্থনৈতিক বৈষম্য: পূর্ব পাকিস্তান ছিল মূলত কৃষিনির্ভর, যেখানে পাট ছিল প্রধান অর্থকরী ফসল। এই পাট থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ ব্যয় হতো পশ্চিম পাকিস্তানের শিল্পায়ন ও উন্নয়নে। পূর্ব পাকিস্তানের শিল্প বিকাশকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা করা হয়। বাজেটে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ছিল খুবই নগণ্য, যার ফলে অবকাঠামো, শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তান অনেক পিছিয়ে পড়ে। এই বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল।

২। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বৈষম্য: পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রশাসনে পশ্চিম পাকিস্তানের বাঙালিদের চেয়ে পাঞ্জাবি ও মুহাজিরদের (ভারত থেকে আগত উর্দুভাষী মুসলমান) সংখ্যা ছিল অপ্রতুল। উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক পদে বাঙালিদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। যেমন, কেন্দ্রীয় সরকারের সচিব পদগুলোতে বাঙালিদের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫-১০ শতাংশ, যা তাদের জনসংখ্যা অনুপাতে অনেক কম। এই প্রশাসনিক বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানের দাবি-দাওয়া ও সমস্যাগুলো যথাযথভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তুলে ধরতে বাধা দিত।

৩। সামরিক ক্ষেত্রে বৈষম্য: পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে পশ্চিম পাকিস্তানের আধিপত্য ছিল প্রশ্নাতীত। সামরিক বাজেটের সিংহভাগ পশ্চিম পাকিস্তানে ব্যয় হতো এবং সামরিক সদর দফতরও ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে। বাঙালিদের সামরিক বাহিনীতে উচ্চ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অনীহা দেখা যেত, এবং তাদের সংখ্যা ছিল খুবই কম। ১৯৫৬ সালের এক হিসাবে দেখা যায়, সামরিক বাহিনীর মোট কর্মকর্তার মাত্র ৫% ছিল বাঙালি। এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল ছিল এবং বাঙালিরা নিজেদের অনিরাপদ মনে করত।

৪। রাজনৈতিক বৈষম্য: পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক এলিটরা পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে খর্ব করার চেষ্টা করে। কেন্দ্রীয় সরকারে পূর্ব পাকিস্তানের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়নি এবং বারবার নির্বাচন বিলম্বিত করা হয়। সামরিক শাসন জারি করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। এতে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক বঞ্চনার তীব্র অনুভূতি তৈরি হয়, যা গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে আন্দোলনকে উসকে দেয়।

৫। শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য: শিক্ষাক্ষেত্রেও পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি চরম বৈষম্য করা হয়েছিল। পশ্চিম পাকিস্তানের তুলনায় পূর্ব পাকিস্তানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, শিক্ষকের বেতন বৃদ্ধি এবং উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে অনেক কম বিনিয়োগ করা হয়। প্রকৌশল ও চিকিৎসা শিক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ছিল খুবই অপ্রতুল। এই বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার সুযোগ সীমিত করে দেয় এবং তাদের ভবিষ্যতকে অনিশ্চিত করে তোলে।

৬। সংস্কৃতি ও ভাষার ওপর আঘাত: উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানের সংস্কৃতির চাপিয়ে দেওয়ার এক নির্লজ্জ প্রচেষ্টা। বাঙালিরা তাদের মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে জীবন দেয়। পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী বাংলা সংস্কৃতিকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে, যা বাঙালিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের জন্ম দেয়।

৭। বিদেশি সাহায্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বৈষম্য: বিদেশি সাহায্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্তানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হতো। আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলো থেকে প্রাপ্ত সাহায্য পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়নে খুব কমই ব্যয় করা হতো। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পশ্চিম পাকিস্তানে শিল্প স্থাপনে উৎসাহিত করা হতো, যার ফলে পূর্ব পাকিস্তানের শিল্পায়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি।

৮। পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে বৈষম্য: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলোতে পূর্ব পাকিস্তানের তুলনায় পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রাখা হতো। পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বারবার বিলম্বিত করা হতো বা বাতিল করা হতো। এর ফলে পশ্চিম পাকিস্তানের শহরগুলো দ্রুত উন্নত হলেও পূর্ব পাকিস্তানের গ্রামগুলো অনুন্নত থেকে যায়।

৯। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন বৈষম্য: অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও পশ্চিম পাকিস্তানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। সড়ক, রেল ও বিমান যোগাযোগের ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্তানে ব্যাপক বিনিয়োগ করা হলেও পূর্ব পাকিস্তানে এই খাতে বিনিয়োগ ছিল খুবই সীমিত। এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।

১০। নিয়োগ ও পদোন্নতিতে বৈষম্য: সরকারি, আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে বাঙালিদের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করা হতো। পশ্চিম পাকিস্তানিরা অগ্রাধিকার পেত এবং অনেক ক্ষেত্রে বাঙালিদের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাদের বঞ্চিত করা হতো। এই বৈষম্য বাঙালিদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের জন্ম দেয়।

১১। গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ ও বৈষম্য: গণমাধ্যম, বিশেষ করে রেডিও এবং টেলিভিশন, পশ্চিম পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পূর্ব পাকিস্তানের সংস্কৃতি, ভাষা ও জীবনযাপনকে এই গণমাধ্যমগুলোতে খুব কমই প্রচার করা হতো। বেশিরভাগ সংবাদ ও অনুষ্ঠান পশ্চিম পাকিস্তানের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রচারিত হতো, যা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে বঞ্চনার অনুভূতি বাড়িয়ে তোলে।

১২। বিচার ব্যবস্থায় বৈষম্য: বিচার ব্যবস্থায়ও পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হতো। উচ্চ আদালতে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব ছিল খুবই সীমিত, এবং বিচারিক প্রক্রিয়া প্রায়শই পশ্চিম পাকিস্তানের স্বার্থ রক্ষা করত। এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা কমে যায়।

১৩। রাজস্ব সংগ্রহ ও বণ্টনে বৈষম্য: পূর্ব পাকিস্তান থেকে সংগৃহীত রাজস্বের সিংহভাগ পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়নে ব্যয় করা হতো। যদিও পূর্ব পাকিস্তান কৃষি পণ্য (যেমন পাট) রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করত, এই অর্থের একটি বড় অংশ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হয়ে যেত। রাজস্ব বণ্টনে এই গুরুতর বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অর্থনৈতিক দুরবস্থাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

১৪। প্রাকৃতিক সম্পদের শোষন: পূর্ব পাকিস্তানের প্রাকৃতিক সম্পদ, যেমন গ্যাস, চা, ও পাট, পশ্চিম পাকিস্তানের স্বার্থে ব্যবহার করা হতো। এই সম্পদগুলো থেকে অর্জিত লাভের একটি বড় অংশ পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়নে ব্যয় না করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হতো। এটি পূর্ব পাকিস্তানের প্রাকৃতিক সম্পদের উপর পশ্চিম পাকিস্তানের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণেরই ফল ছিল।

১৫। কৃষি ও সেচ খাতে বৈষম্য: পূর্ব পাকিস্তান মূলত কৃষিনির্ভর হওয়া সত্ত্বেও, কৃষি ও সেচ খাতের উন্নয়নে এখানে খুব কম বিনিয়োগ করা হয়। পশ্চিম পাকিস্তানে বিশাল সেচ প্রকল্প এবং কৃষি উন্নয়নে প্রচুর অর্থ ব্যয় করা হলেও, পূর্ব পাকিস্তানে কৃষকদের দুর্দশা কমানোর কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

১৬। শিল্প ও বাণিজ্যে বৈষম্য: পূর্ব পাকিস্তানের শিল্প ও বাণিজ্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা করা হয়। পশ্চিম পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের পূর্ব পাকিস্তানে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হলেও, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি করা হয়নি। এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানে শিল্প বিকাশের গতি মন্থর ছিল এবং বাণিজ্য ক্ষেত্রেও পশ্চিম পাকিস্তানের ব্যবসায়ীরা আধিপত্য বিস্তার করে।

১৭। জনসংখ্যা অনুপাতে কম প্রতিনিধিত্ব: পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে বেশি হওয়া সত্ত্বেও, জাতীয় পরিষদ এবং প্রাদেশিক পরিষদ উভয় ক্ষেত্রেই তাদের জনসংখ্যা অনুপাতে কম প্রতিনিধিত্ব ছিল। এটি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর সরাসরি আঘাত এবং তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা খর্ব করার একটি বড় কৌশল।

১৮। জনস্বাস্থ্য খাতে বৈষম্য: জনস্বাস্থ্য খাতেও পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়। হাসপাতাল, চিকিৎসা কেন্দ্র এবং জনস্বাস্থ্য কর্মসূচির জন্য পশ্চিম পাকিস্তানের তুলনায় পূর্ব পাকিস্তানে অনেক কম বরাদ্দ রাখা হতো। এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের স্বাস্থ্যসেবার মান ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের।

১৯। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় অবহেলা: পূর্ব পাকিস্তান প্রায়শই ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হতো। কিন্তু দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় পশ্চিম পাকিস্তান সরকার ছিল চরম উদাসীন। পর্যাপ্ত সাহায্য ও ত্রাণ সরবরাহ করা হতো না, যার ফলে লাখ লাখ মানুষের জীবনহানি ও দুর্ভোগের শিকার হতো। এই অবহেলা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি বাড়িয়ে তোলে।

২০। পাকিস্তান আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন: পাকিস্তান আন্দোলনের সময় মুসলিম লীগ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের প্রতি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার অধিকাংশই স্বাধীনতা লাভের পর লঙ্ঘন করা হয়। স্বায়ত্তশাসন এবং অর্থনৈতিক মুক্তির প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়নি, যা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে হতাশা ও বিদ্রোহের জন্ম দেয়।

উপসংহার: পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্যমূলক নীতিগুলো শুধুমাত্র ভৌগোলিক দূরত্বই বাড়ায়নি, বরং দুই অঞ্চলের জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যবধানকেও প্রকট করে তুলেছিল। এই ধারাবাহিক শোষণ ও বঞ্চনা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মনে স্বাধীনতার বীজ বপন করে এবং অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেয়। এই বৈষম্যমূলক নীতিগুলো পাকিস্তানের অখণ্ডতার জন্য এক চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল এবং এর ফলস্বরূপ একটি নতুন জাতিসত্তার উন্মোচন ঘটে।

একনজরে উত্তর দেখুন
  • ১। অর্থনৈতিক বৈষম্য
  • ২। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বৈষম্য
  • ৩। সামরিক ক্ষেত্রে বৈষম্য
  • ৪। রাজনৈতিক বৈষম্য
  • ৫। শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য
  • ৬। সংস্কৃতি ও ভাষার ওপর আঘাত
  • ৭। বিদেশি সাহায্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বৈষম্য
  • ৮। পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে বৈষম্য
  • ৯। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন বৈষম্য
  • ১০। নিয়োগ ও পদোন্নতিতে বৈষম্য
  • ১১। গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ ও বৈষম্য
  • ১২। বিচার ব্যবস্থায় বৈষম্য
  • ১৩। রাজস্ব সংগ্রহ ও বণ্টনে বৈষম্য
  • ১৪। প্রাকৃতিক সম্পদের শোষণ
  • ১৫। কৃষি ও সেচ খাতে বৈষম্য
  • ১৬। শিল্প ও বাণিজ্যে বৈষম্য
  • ১৭। জনসংখ্যা অনুপাতে কম প্রতিনিধিত্ব
  • ১৮। জনস্বাস্থ্য খাতে বৈষম্য
  • ১৯। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় অবহেলা
  • ২০। পাকিস্তান আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গঠনের পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্য শুরু হয়। ১৯৫০ এর দশকে, পূর্ব পাকিস্তানের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে কম ছিল। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথম স্ফুলিঙ্গ ছিল। ১৯৫৬ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে বেশি হওয়া সত্ত্বেও, কেন্দ্রীয় সরকারে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব ছিল অপ্রতুল। ১৯৬০-এর দশকে, পূর্ব পাকিস্তানের শিল্পায়ন ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের তুলনায় অনেক পিছিয়ে। ১৯৬২ সালের শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করে। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা দাবি এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে একটি সুস্পষ্ট দলিল ছিল। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় সত্ত্বেও ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি এবং ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের অপারেশন সার্চলাইট ছিল এই বৈষম্যের চরম পরিণতি, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা করে।

Tags: পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানপূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্যপূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্য মূলক নীতিসমূহ
  • Previous পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক বৈষম্য পর্যালোচনা।
  • Next ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পটভূমি আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1914)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    নবায়নযোগ্য শক্তি বলতে কী বোঝায়?
    করিডোর কী?
    বিচ্ছিন্নতাবাদ কী?
    ‘সমুদ্র নিরাপত্তা’ কী?

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM