• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনার জন্য কী পদক্ষেপ বিবেচ্য হওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর।

উত্তর।।উপস্থাপনা: বাংলাদেশের বিদ্যমান সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় কার্যত সমস্ত নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুঞ্জীভূত থাকে, যা অনেক সময় ক্ষমতার ভারসাম্যকে বিঘ্নিত করে। একটি সুসংহত ও টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিনির্মাণের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে একটি যৌক্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য আনা আজ সময়ের দাবি। এই ভারসাম্য স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা রোধে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।

ক্ষমতার ভারসাম্য আনার প্রস্তাবিত পদক্ষেপসমূহ

১। নিয়োগ ক্ষমতা বণ্টন: রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হতে পারে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী এককভাবে নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং মানবাধিকার কমিশনের মতো সংস্থায় নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। যদি এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ভেটো বা যৌথ অনুমোদনের ব্যবস্থা করা যায়, তবে ক্ষমতার একটি চমৎকার ভারসাম্য তৈরি হবে। এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা এবং জনগণের আস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।

২। অধ্যাদেশ জারির স্বাধীনতা: সংসদ অধিবেশন না থাকলে জরুরি প্রয়োজনে অধ্যাদেশ জারির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা উচিত। বর্তমান সংবিধানে প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার লিখিত পরামর্শ ছাড়া রাষ্ট্রপতি কোনো অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন না। এই নিয়মের পরিবর্তন ঘটিয়ে বিশেষ জাতীয় সংকটে রাষ্ট্রপতিকে স্বউদ্যোগে অধ্যাদেশ জারির সীমিত ক্ষমতা দেওয়া যেতে পারে। এর ফলে যেকোনো জাতীয় জরুরি অবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান দ্রুত এবং স্বাধীনভাবে দেশের স্বার্থে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

৩। সংসদ ভাঙার একচ্ছত্রতা: সংসদ ভেঙে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর একক পরামর্শের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে রাষ্ট্রপতির বিবেচনামূলক ক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যদি কোনো প্রধানমন্ত্রী সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান বা দেশে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়, তবে রাষ্ট্রপতি যেন নিজস্ব বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বর্তমান ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হওয়ার আগেই সংসদ ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করতে পারেন, যা অগণতান্ত্রিক। রাষ্ট্রপতিকে এই ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আইনি এখতিয়ার দিলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা অনেক সহজ হবে।

৪। বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়া: উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাকে কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবমুখী করা উচিত। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দেওয়া হয়, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে। রাষ্ট্রপতি যদি একটি স্বাধীন জুডিশিয়াল কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সরাসরি বিচারক নিয়োগের চূড়ান্ত ক্ষমতা পান, তবে তা বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করবে। এই পদক্ষেপটি রাষ্ট্রের প্রধান তিনটি অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

五। উপাচার্য নিয়োগের স্বাধীনতা: দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে মহামান্য রাষ্ট্রপতির চ্যান্সেলর হিসেবে স্বাধীন ক্ষমতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো সারসংক্ষেপের ভিত্তিতেই উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রায়শই রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার লাভ করে এবং শিক্ষার গুণগত মান ব্যাহত হয়। রাষ্ট্রপতি যদি সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে শিক্ষাবিদদের নিয়ে গঠিত প্যানেল থেকে উপাচার্য নিয়োগ দিতে পারেন, তবে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক কলঙ্ক থেকে মুক্ত হতে পারবে।

৬। ক্ষমা প্রদর্শনের যৌক্তিকতা: সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সাজা মকুব বা ক্ষমা প্রদর্শনের একচ্ছত্র ক্ষমতাকে একটি স্বাধীন জবাবদিহিতামূলক কাঠামোর আওতায় আনা দরকার। বর্তমানে এই ক্ষমতাটি মূলত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর ভিত্তি করে কার্যকর করা হয়ে থাকে। রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেক সময় কুখ্যাত অপরাধীদের সাজা মাফ করে দেওয়ার নজির দেখা যায়, যা বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি করে। একটি উচ্চপর্যায়ের স্ক্রিনিং কমিটির সুপারিশ সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি এই ক্ষমতা প্রয়োগ করলে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হবে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ হবে।

৭। জরুরি অবস্থা ঘোষণা: দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর আগাম প্রতিস্বাক্ষর বা পরামর্শের বাধ্যবাধকতা শিথিল করা অত্যন্ত প্রয়োজন। জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে বা যুদ্ধাবস্থা তৈরি হলে রাষ্ট্রপতির নিজস্ব মূল্যায়নের ভিত্তিতে জরুরি অবস্থা জারির ক্ষমতা থাকা উচিত। বর্তমান ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া রাষ্ট্রপতি দেশের চরম সংকটেও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, যা রাষ্ট্রপ্রধানের পদের মর্যাদাকে খর্ব করে। এই নিয়ম সংশোধন করলে যেকোনো আকস্মিক জাতীয় বিপর্যয় বা নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্রপ্রধান অত্যন্ত দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন।

৮। দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা: বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক কাঠামোতে ক্ষমতার ভারসাম্য আনার জন্য দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ বা আইনসভা গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। উচ্চকক্ষে বিভিন্ন পেশাজীবী, বিশেষজ্ঞ ও সমাজের লব্ধপ্রতিষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার নিয়ন্ত্রণ থাকবে সরাসরি রাষ্ট্রপতির হাতে। নিম্নকক্ষ বা জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন করলে উচ্চকক্ষ তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করে সংশোধনের প্রস্তাব দিতে পারবে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের একক ইচ্ছা বা স্বৈরাচারী আইন পাসের প্রবণতার ওপর একটি শক্তিশালী সাংবিধানিক লাগাম টানা সম্ভব হবে।

৯। গণভোটের পুনঃপ্রবর্তন: জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন বা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের মতো বিষয়ে গণভোট ডাকার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করা উচিত। অতীতে সংবিধানে গণভোটের বিধান থাকলেও পরবর্তীকালে তা বাতিল করা হয়েছে, যা জনগণের প্রত্যক্ষ ক্ষমতার পরিপন্থী। প্রধানমন্ত্রী যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেন যা জনস্বার্থের বিরোধী, তবে রাষ্ট্রপতি জনগণের রায় নেওয়ার জন্য গণভোটের ডাক দিতে পারবেন। এই ব্যবস্থাটি প্রবর্তিত হলে সরকারের যেকোনো একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এটি একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করবে।

১০। যৌথ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা: জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে রাষ্ট্রপতির সাথে যৌথ নেতৃত্বের সংস্কৃতি গড়ে তোলা দরকার। রাষ্ট্রপতি হলেন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কোনো আদেশ দিতে পারেন না। একটি জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন করে যার প্রধান থাকবেন রাষ্ট্রপতি এবং নির্বাহী প্রধান থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, এমন ব্যবস্থা করা যেতে পারে। প্রতিরক্ষা খাতের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে দুই শীর্ষ পদের যৌথ সিদ্ধান্ত দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্বকে আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ করবে।

১১। বিল পাসের ভেটো: জাতীয় সংসদে পাস হওয়া যেকোনো বিলে সম্মতি দেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ভেটো বা পুনর্বিবেচনার ক্ষমতাকে আরও সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী করা উচিত। বর্তমান সংবিধানে রাষ্ট্রপতি কোনো বিল সংসদে ফেরত পাঠালেও সংসদ তা পুনরায় পাস করলে তিনি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন। এই সীমাবদ্ধতা দূর করে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত ভেটো দেওয়ার বা বিলটি সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে পাঠানোর এখতিয়ার থাকা উচিত। এর ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে যেকোনো অসাংবিধানিক বা বিতর্কিত আইন পাস করার ক্ষেত্রে সরকারের ওপর একটি কার্যকর আইনি বাধা তৈরি হবে।

১২। দলীয় পদের অবসান: রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সমস্ত রাজনৈতিক বা দলীয় পদ-পদবি থেকে সম্পূর্ণ ইস্তফা দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকতে হবে। আমাদের দেশে প্রায়শই ক্ষমতাসীন দলের অনুগত কোনো প্রবীণ নেতাকে এই আলংকারিক পদে বসানো হয়, যার ফলে তিনি দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেন না। রাষ্ট্রপতি পদটি যদি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক এবং নিরপেক্ষ চরিত্রের হয়, তবে তিনি সরকারের যেকোনো ভুলের সুষ্ঠু সমালোচনা করতে পারবেন। দলীয় প্রভাবমুক্ত একজন রাষ্ট্রপ্রধানই কেবল প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার সমান্তরালে দেশের সাধারণ মানুষের প্রকৃত অভিভাবক হয়ে উঠতে পারেন।

১৩। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ: সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কঠোরতা আংশিকভাবে শিথিল করা প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতা হ্রাসের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি পদক্ষেপ। এই অনুচ্ছেদের কারণে সরকারি দলের কোনো সংসদ সদস্য সরকারের বা প্রধানমন্ত্রীর নীতি বা বিলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন না। এই নিয়মের সংশোধন করে শুধুমাত্র বাজেট এবং অনাস্থা প্রস্তাব ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে सांसदों স্বাধীন মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া উচিত। সংসদ সদস্যরা যখন স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবেন, তখন প্রধানমন্ত্রীর একক কর্তৃত্ব হ্রাস পাবে এবং আইনসভা একটি সার্থকময় ও প্রাণবন্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

১৪। তথ্য পাওয়ার অধিকার: প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে রাষ্ট্রের সার্বিক শাসনকার্য ও পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য নিয়মিত পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রাষ্ট্রপতির থাকা উচিত। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে দেশ পরিচালনার বিষয়ে অবহিত করেন, তবে তা অনেক সময় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। রাষ্ট্রপতি যদি যেকোনো মন্ত্রণালয়ের নথি বা সিদ্ধান্ত সরাসরি তলব করার এবং তা পর্যালোচনার আইনি ক্ষমতা পান, তবে শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে। এই তদারকি ক্ষমতার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি সরকারের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের ওপর একটি পরোক্ষ ও ইতিবাচক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হবেন।

১৫। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান: নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও ভূমিকা বাড়ানো ক্ষমতার ভারসাম্য আনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপায় হতে পারে। নির্বাচনের সময় যখন সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়, তখন রুটিন কাজের বাইরে সরকারের সমস্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির অধীনে থাকা উচিত। এই সময় নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সরাসরি রাষ্ট্রপতির নির্দেশনায় পরিচালিত হবে, প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নয়। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচনকালীন রাষ্ট্রপ্রধানের এই শক্তিশালী ভূমিকা অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হবে।

১৬। বিশেষ তদন্ত কমিশন: সরকারের কোনো উচ্চপর্যায়ের দুর্নীতি বা অনিয়ম তদন্তের জন্য রাষ্ট্রপতির নিজস্ব উদ্যোগে বিশেষ কমিশন গঠনের ক্ষমতা থাকা বাঞ্ছনীয়। বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন বা অন্যান্য তদন্ত সংস্থাগুলো পরোক্ষভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে। রাষ্ট্রপতি যদি সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের সমন্বয়ে স্বাধীন তদন্ত দল গঠন করতে পারেন, তবে বড় বড় অনিয়ম ধামাচাপা দেওয়া সম্ভব হবে না। এই ক্ষমতাটি সরকারকে সবসময় জবাবদিহিতার মধ্যে রাখতে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে একটি বড় অস্ত্র হিসেবে কাজ করবে।

১৭। দলীয় মনোনয়ন প্রথা: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি পরিবর্তন করে সরাসরি জনগণের ভোটে অথবা একটি বিশেষ নির্বাচকমণ্ডলীর মাধ্যমে করার ব্যবস্থা বিবেচনা করা যেতে পারে। বর্তমানে জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, যার ফলে তিনি কার্যত প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত ব্যক্তি হন। যদি এই নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার করে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি ও সংসদ সদস্যদের যৌথ ভোটে করা যায়, তবে রাষ্ট্রপতির নৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় হবে। একজন স্বাধীনভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান স্বভাবতই প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার অন্ধ অনুকরণ না করে দেশের স্বার্থে দৃঢ় অবস্থান নিতে পারবেন।

সর্বশেষ: পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়ন কোনো একক পদের মর্যাদা কমানোর বিষয় নয়, বরং এটি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রয়াস। ক্ষমতার এই যৌক্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টন দেশের সুশাসন, আইনের শাসন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে অনবদ্য ভূমিকা রাখবে। একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনে এই সাংবিধানিক সংস্কারসমূহ অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করা উচিত।

Tags: ক্ষমতার ভারসাম্যপ্রধানমন্ত্রীপ্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্যবাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থারাষ্ট্রপতির
  • Previous বাংলাদেশের কয়েকজন স্বপ্নদর্শী রাজনৈতিক নেতার কার্যক্রম আলোচনা কর। 
  • Next বাংলাদেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করার উপায়সমূহ আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1914)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    নবায়নযোগ্য শক্তি বলতে কী বোঝায়?
    করিডোর কী?
    বিচ্ছিন্নতাবাদ কী?
    ‘সমুদ্র নিরাপত্তা’ কী?

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM