• Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
    • Home
    • Class 0-12
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
  • mdreadaim@gmail.com
  • Read at Home
Login > Register
Read Aim
Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • readaim.com
  • 0
বিচ্যুতি ও অপরাধ সম্পর্কিত সাদারল্যান্ডের বিভিন্নমুখী মেলামেশা তত্ত্বটি আলোচনা কর।

প্রশ্ন:- বিচ্যুতি ও অপরাধ সম্পর্কিত সাদারল্যান্ডের বিভিন্নমুখী মেলামেশা তত্ত্বটি আলোচনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: এডউইন সাদারল্যান্ডের বহুমুখী মেলামেশা তত্ত্ব (Differential Association Theory) সমাজবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, যা বিচ্যুতি ও অপরাধের কারণ ব্যাখ্যা করে। এই তত্ত্ব অনুসারে, অপরাধ জন্মগত বা বংশগত নয়, বরং এটি শেখার একটি প্রক্রিয়া। এই ধারণাটি দেখায় যে মানুষ কীভাবে তাদের সামাজিক পরিবেশ থেকে অপরাধমূলক আচরণ, মনোভাব এবং মূল্যবোধ শিখে থাকে।

সাদারল্যান্ডের বহুমুখী মেলামেশা তত্ত্বের আলোচনা:-

১। অপরাধ শিক্ষণ প্রক্রিয়া: অপরাধ কোনো বংশগত বিষয় নয়, বরং এটি শেখার একটি প্রক্রিয়া। মানুষ ঠিক যেমনভাবে কোনো বৈধ কাজ বা দক্ষতা অর্জন করে, ঠিক সেইভাবে অপরাধমূলক আচরণও তার পারিপার্শ্বিক সমাজ থেকে শিখে থাকে। এই শিক্ষা প্রক্রিয়াটি মূলত অন্যদের সাথে ঘনিষ্ঠ মেলামেশার মাধ্যমে ঘটে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একজন শিশু যদি এমন একটি পরিবেশে বড় হয় যেখানে চুরি করাকে স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়, তবে সে সহজেই এই আচরণটি শিখে ফেলবে। এই তত্ত্বটি অপরাধের কারণ হিসেবে জন্মগত বা মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তে সামাজিক মিথস্ক্রিয়াকে গুরুত্ব দেয়।

২। অপরাধমূলক আচরণ শেখা: অপরাধমূলক আচরণ শেখা হয় মূলত অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে। এই যোগাযোগ সাধারণত ছোট এবং অন্তরঙ্গ গোষ্ঠী যেমন- পরিবার, বন্ধু-বান্ধব বা প্রতিবেশীদের মধ্যে ঘটে। যখন একজন ব্যক্তি অপরাধীদের সাথে বেশি সময় কাটায়, তখন সে তাদের কাছ থেকে অপরাধ করার কৌশল, যুক্তি এবং মনোভাব আয়ত্ত করে। এই প্রক্রিয়াটি একটি স্বাভাবিক সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মতো, যেখানে একজন ব্যক্তি তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকে নিয়ম, রীতিনীতি এবং মূল্যবোধের পাশাপাশি অপরাধমূলক আচরণও শিখে নেয়।

৩। কৌশল ও উদ্দেশ্য: অপরাধ শেখার প্রক্রিয়ার মধ্যে অপরাধ করার কৌশল এবং উদ্দেশ্য উভয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকে। একজন ব্যক্তি শুধু অপরাধমূলক আচরণই শেখে না, বরং কীভাবে সেটি করতে হয় তাও শেখে। যেমন, একজন পকেটমার তার শিকারকে কীভাবে বিভ্রান্ত করতে হয় তা তার সতীর্থদের কাছ থেকে শিখে। একইসঙ্গে, তারা অপরাধের পেছনের যুক্তিও শিখে নেয়, যেমন- ‘টাকা উপার্জনের অন্য কোনো উপায় নেই’ কিংবা ‘সরকার অন্যায়ভাবে জনগণের সম্পদ লুন্ঠন করছে, তাই এর থেকে কিছুটা নিজের কাছে নেওয়া অন্যায় নয়’।

৪। আচরণের দিকনির্দেশ: ব্যক্তি যখন তার জীবনে অপরাধ ও বৈধ উভয় আচরণের সংস্পর্শে আসে, তখন তার আচরণ কোন দিকে যাবে তা নির্ভর করে কোন আচরণের প্রতি তার আকর্ষণ বেশি। যখন অপরাধমূলক আচরণের প্রতি সমর্থন বা প্ররোচনা বৈধ আচরণের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়, তখন ব্যক্তি অপরাধের দিকে ঝুঁকতে থাকে। এটি এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে একজন ব্যক্তি অপরাধের পক্ষে এবং বিপক্ষে উভয় ধরনের যুক্তির সম্মুখীন হয়, এবং শেষ পর্যন্ত অপরাধের পক্ষের যুক্তিগুলো বেশি প্রাধান্য পায়। এই ভারসাম্যহীনতাই ব্যক্তিকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে প্ররোচিত করে।

৫। ঘন ঘন ও দীর্ঘ মেলামেশা: সাদারল্যান্ডের তত্ত্ব অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি কার সঙ্গে কতটা ঘন ঘন এবং কত দীর্ঘ সময় ধরে মেলামেশা করছে তার উপর নির্ভর করে সে কতটা অপরাধমূলক আচরণ শিখবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন কিশোর বেশিরভাগ সময় অপরাধপ্রবণ বন্ধুদের সাথে কাটায়, তবে তার অপরাধী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এই তত্ত্বটি শুধু মেলামেশার সংখ্যাকেই গুরুত্ব দেয় না, বরং এর স্থায়িত্ব, পুনরাবৃত্তি, এবং গুরুত্বকেও বিবেচনা করে। অর্থাৎ, শুধুমাত্র একবার কোনো অপরাধীর সংস্পর্শে এলে কেউ অপরাধী হয়ে যায় না, বরং নিয়মিত ও দীর্ঘস্থায়ী সংস্পর্শই তাকে অপরাধের পথে ঠেলে দেয়।

৬। পরিবার ও বন্ধু-বান্ধব: অপরাধ শেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে পরিবার ও বন্ধুবান্ধব। পরিবারের সদস্যরা যদি অপরাধী হয়, তবে শিশুরা খুব ছোটবেলা থেকেই অপরাধমূলক আচরণকে স্বাভাবিক মনে করে এবং শিখে ফেলে। একইরকমভাবে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন একটি বন্ধু-গোষ্ঠীর অংশ হয় যেখানে অপরাধকে একটি স্বাভাবিক বা বীরত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে দেখা হয়, তবে সেই ব্যক্তি সহজেই সেই পথে পা বাড়াতে পারে। এই ধরনের ঘনিষ্ঠ সামাজিক সম্পর্কগুলো ব্যক্তির মূল্যবোধ এবং আচরণের উপর গভীর প্রভাব ফেলে।

৭। শিক্ষার ধরন: সাদারল্যান্ড মনে করতেন, অপরাধ শেখার পদ্ধতি অন্যান্য বৈধ দক্ষতা শেখার মতোই। একজন ব্যক্তি যেমন স্কুল, কলেজ বা কর্মক্ষেত্রে কোনো পেশাদার দক্ষতা শেখে, ঠিক তেমনই অপরাধমূলক আচরণও শেখে। এক্ষেত্রে পার্থক্য হলো, অপরাধের শিক্ষা অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে সংঘটিত হয়, যেখানে সমাজের প্রচলিত নিয়ম ও আইনকে অমান্য করা হয়। এই শিক্ষা প্রক্রিয়ায় একজন ব্যক্তি শুধুমাত্র অপরাধ করার পদ্ধতিই শেখে না, বরং অপরাধের পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি এবং মনোভাবও আয়ত্ত করে।

৮। সামাজিক সংহতির অভাব: সমাজে যখন সামাজিক সংহতি বা নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়, তখন অপরাধমূলক মেলামেশার সুযোগ বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, যেসব এলাকায় পারিবারিক কাঠামো ভেঙে গেছে বা সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতা কম, সেখানে তরুণরা অপরাধী দল বা গ্যাং-এর প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। এর কারণ হলো, এই ধরনের পরিবেশে তারা অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন ও শিক্ষা সহজেই খুঁজে পায়। সমাজের দুর্বল নিয়ন্ত্রণই অপরাধের জন্য উর্বর ক্ষেত্র তৈরি করে।

৯। প্রচলিত মূল্যবোধের দ্বন্দ্ব: সমাজ যখন বৈধ ও অবৈধ উভয় মূল্যবোধের সহাবস্থান করে, তখন ব্যক্তি তার আচরণের জন্য একটি দ্বন্দ্বপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। একদিকে সমাজ তাকে ভালো ও আইনানুগ জীবন যাপনের জন্য চাপ দেয়, অন্যদিকে তার চারপাশের কিছু মানুষ তাকে অপরাধমূলক কাজের জন্য উৎসাহিত করে। এই দ্বন্দ্বের ফলে ব্যক্তি কোন পথ বেছে নেবে তা নির্ভর করে তার পারিপার্শ্বিক মেলামেশা কোন দিকে বেশি প্রভাব ফেলছে। অর্থাৎ, সমাজের নৈতিক মানদণ্ড যখন দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন এই ধরনের দ্বন্দ্বপূর্ণ পরিস্থিতি আরও বেশি জটিল হয়ে ওঠে।

১০। দুর্বল সামাজিক নিয়ন্ত্রণ: সামাজিক নিয়ন্ত্রণের অভাব বা দুর্বলতা অপরাধমূলক আচরণের জন্ম দেয়। যখন পরিবার, স্কুল, চার্চ, বা অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সদস্যদের ওপর সঠিক নিয়ন্ত্রণ রাখতে ব্যর্থ হয়, তখন ব্যক্তি অপরাধী মেলামেশার দিকে ঝুঁকতে পারে। দুর্বল নিয়ন্ত্রণ থাকলে ব্যক্তিরা সমাজের মূলধারার নিয়ম-কানুন মেনে চলার পরিবর্তে নিজেদের জন্য নতুন নিয়ম তৈরি করে নেয়। এর ফলে সমাজে বিচ্যুতি ও অপরাধ বৃদ্ধি পায় এবং এটি তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

খাতে সহায়তা করতে পারে। যদিও সাদারল্যান্ড তার তত্ত্বে এসব মাধ্যমের কথা সরাসরি উল্লেখ করেননি, তবে তার তত্ত্বের মূলনীতি আধুনিক সমাজের প্রেক্ষাপটেও প্রাসঙ্গিক। এই মাধ্যমগুলো অপরাধমূলক আচরণ ও কৌশল সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে এবং সেগুলোকে স্বাভাবিক করে তোলে।

১৪। নৈতিকতার আপেক্ষিকতা: সাদারল্যান্ড মনে করতেন, অপরাধের সংজ্ঞা ও নৈতিকতার ধারণা আপেক্ষিক। অর্থাৎ, এক সমাজে যা অপরাধ, অন্য সমাজে তা নাও হতে পারে। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, যখন একজন ব্যক্তি অপরাধী মেলামেশার মাধ্যমে নৈতিকতার একটি ভিন্ন মানদণ্ড গ্রহণ করে, তখন সে আইন অমান্য করাকে অন্যায় মনে করে না। উদাহরণস্বরূপ, কোনো গ্যাং-এর সদস্য চুরি করাকে তাদের গোষ্ঠীর নিয়ম মেনে চলা বলে মনে করে, যদিও সমাজের প্রচলিত আইন একে অপরাধ বলে গণ্য করে।

১৫। সামাজিক স্তরবিন্যাস: সমাজের বিভিন্ন স্তর বা শ্রেণি কীভাবে অপরাধকে প্রভাবিত করে, তা এই তত্ত্বের মাধ্যমে বোঝা যায়। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া ও সমাজের নিম্নস্তরের মানুষেরা প্রায়শই এমন পরিবেশে বসবাস করে যেখানে অপরাধমূলক আচরণের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা বেশি। এই কারণে এই তত্ত্বটি দেখায় যে দারিদ্র্য সরাসরি অপরাধের কারণ না হলেও, এটি এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে যেখানে অপরাধ শেখার সুযোগ বৃদ্ধি পায়।

১১। অপরাধের পুনরাবৃত্তি: সাদারল্যান্ডের তত্ত্বটি ব্যাখ্যা করে যে কেন একজন ব্যক্তি অপরাধের পুনরাবৃত্তি করে। একবার যখন একজন ব্যক্তি অপরাধী মেলামেশার মাধ্যমে অপরাধমূলক আচরণ শিখে ফেলে, তখন সে এটি তার জীবনের একটি অংশ হিসেবে গ্রহণ করে। এমনকি জেল থেকে ফিরে আসার পরেও যদি সে আবার তার পুরোনো অপরাধী বন্ধু-বান্ধবের সংস্পর্শে আসে, তবে তার পক্ষে বৈধ জীবন যাপন করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই পুনরাবৃত্তি ঘটে কারণ অপরাধমূলক মেলামেশা তার মধ্যে অপরাধের প্রতি আরও বেশি সমর্থন তৈরি করে।

১২। পরিবেশের প্রভাব: মানুষের আচরণ তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশ দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়। একটি ব্যক্তি যে পরিবেশে বসবাস করে, সেই পরিবেশের সামাজিক রীতিনীতি, মূল্যবোধ এবং আচরণের ধারা তার ব্যক্তিত্ব গঠনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। যদি কোনো ব্যক্তির পরিবেশ অপরাধমূলক আচরণের প্রতি সহনশীল হয়, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধের দিকে বেশি ঝুঁকবে। উদাহরণস্বরূপ, যেসব এলাকায় অর্থনৈতিক বৈষম্য বেশি এবং অপরাধীদের দাপট বেশি, সেখানে তরুণ-তরুণীরা সহজেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে।

১৩। যোগাযোগের মাধ্যম: অপরাধমূলক আচরণ শেখার জন্য কেবল মানুষের সাথে সরাসরি যোগাযোগই একমাত্র মাধ্যম নয়, বরং আজকাল বিভিন্ন ধরনের যোগাযোগ মাধ্যম যেমন- ইন্টারনেট, সামাজিক মাধ্যম, বা চলচ্চিত্রের মতো মাধ্যমও অপরাধমূলক আচরণ শে

১৬। অপরাধের পেশা: এই তত্ত্ব অনুযায়ী, অপরাধ একটি পেশা হিসেবেও শেখা হতে পারে। যেমন- একজন পেশাদার অপরাধী অন্য আরেকজন নবীন অপরাধীকে তার ‘পেশার’ সব কৌশল ও নিয়ম শিখিয়ে দেয়। এই প্রক্রিয়াটি অনেকটা একজন শিক্ষক তার শিক্ষার্থীকে যেভাবে প্রশিক্ষণ দেয়, ঠিক তেমনই। এর মাধ্যমে অপরাধের জ্ঞান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র নতুন সদস্যদেরকে চুরি, ডাকাতি, বা প্রতারণার কৌশল শিখিয়ে থাকে।

১৭। ব্যক্তিগত পার্থক্যের ভূমিকা: যদিও সাদারল্যান্ডের তত্ত্বটি মূলত সামাজিক পরিবেশের উপর জোর দেয়, এটি ব্যক্তিগত পার্থক্যের ভূমিকাকেও একেবারে অস্বীকার করে না। একজন ব্যক্তি কতটুকু অপরাধমূলক আচরণের সংস্পর্শে আসবে এবং সেই আচরণগুলো কতটুকু গ্রহণ করবে, তা তার ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য, যেমন- ব্যক্তিত্ব, মানসিকতা, এবং প্রতিরোধ ক্ষমতার উপরও নির্ভর করে। তবে এই তত্ত্বের মূল ফোকাস হলো বাহ্যিক সামাজিক পরিবেশ, যা ব্যক্তিকে অপরাধমূলক পথে ধাবিত করে।

উপসংহার: সাদারল্যান্ডের বহুমুখী মেলামেশা তত্ত্বটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে অপরাধ কোনো জন্মগত বিষয় নয়, বরং এটি একটি সামাজিক শিক্ষা প্রক্রিয়া। এটি দেখায় যে মানুষ তাদের পরিবেশ থেকে, বিশেষ করে ঘনিষ্ঠ সামাজিক গোষ্ঠী থেকে, অপরাধমূলক আচরণ, কৌশল এবং মূল্যবোধ শিখে থাকে। এই তত্ত্বটি অপরাধ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সমাজ সংস্কার এবং ইতিবাচক সামাজিকীকরণের গুরুত্ব তুলে ধরে। এই তত্ত্বটি আজও অপরাধের কারণ বিশ্লেষণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

একনজরে উত্তর দেখুন

🪚 অপরাধ শিক্ষণ প্রক্রিয়া ⚖️ অপরাধমূলক আচরণ শেখা 🎯 কৌশল ও উদ্দেশ্য 🧭 আচরণের দিকনির্দেশ 🕰️ ঘন ঘন ও দীর্ঘ মেলামেশা 👨‍👩‍👧 পরিবার ও বন্ধু-বান্ধব 📚 শিক্ষার ধরন ⛓️ সামাজিক সংহতির অভাব ⚔️ প্রচলিত মূল্যবোধের দ্বন্দ্ব 🧱 দুর্বল সামাজিক নিয়ন্ত্রণ 🔄 অপরাধের পুনরাবৃত্তি 🏞️ পরিবেশের প্রভাব 🌐 যোগাযোগের মাধ্যম ⚖️ নৈতিকতার আপেক্ষিকতা 📈 সামাজিক স্তরবিন্যাস 🛠️ অপরাধের পেশা 👤 ব্যক্তিগত পার্থক্যের ভূমিকা

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

এডউইন এইচ. সাদারল্যান্ড ১৯৩৯ সালে তার এই যুগান্তকারী তত্ত্বটি প্রথম প্রকাশ করেন তার ‘Principles of Criminology’ গ্রন্থে। ১৯৪০-এর দশকে তিনি “শ্বেতকায় অপরাধ” (white-collar crime) নামক একটি নতুন ধারণা প্রবর্তন করেন, যেখানে তিনি দেখান যে উচ্চবিত্তরাও আর্থিক অপরাধে জড়িত হয় এবং এটি তাদের সামাজিক মেলামেশার মাধ্যমে ঘটে। ১৯৩৯ সালে তিনি আমেরিকান সোসিওলজিক্যাল সোসাইটির সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৫০-এর দশকে তার তত্ত্বটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং অপরাধবিজ্ঞানে সামাজিক শিক্ষা তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করে। তাঁর এই কাজ প্রমাণ করে যে অপরাধ কোনো বিশেষ শ্রেণির বা গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয়, বরং এটি একটি শেখার প্রক্রিয়া যা যেকোনো সামাজিক স্তরেই ঘটতে পারে।

Tags: বিচ্যুতি ও অপরাধবিচ্যুতি ও অপরাধ সম্পর্কিত  সাদারল্যান্ডের বিভিন্নমুখী মেলামেশা তত্ত্বসাদারল্যান্ড
  • Previous বাংলাদেশের স্বাস্থ্যহীনতার যেকোনো পাঁচটি কারণ।
  • Next সামাজিক নিয়ন্ত্রণের বাহন সমূহ আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE


    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1082)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1253)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    পাকিস্তানের গণতন্ত্রায়নের সমস্যা সমাধানের উপায় আলোচনা কর।
    ভারতে সংসদীয় গণতন্ত্রের সফলতার কারণগুলো ব্যাখ্যা কর।
    সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে নেপালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণসমূহ আলোচনা কর।
    পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM