• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- ভারতের জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ণ থাকার কারণসমূহ উল্লেখ কর।

উত্তর।।উপস্থাপনা: ভারতবর্ষ হলো বিভিন্ন ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের এক বিস্ময়কর মিলনক্ষেত্র। এত বৈচিত্র্য সত্ত্বেও, ভারতীয় জাতীয় সংহতি আজও অক্ষুণ্ণ এবং সুদৃঢ়। এই সংহতি ভারতের আত্মা ও প্রগতির ভিত্তি। এই নিবন্ধে আমরা সেই গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলি আলোচনা করব যা এই বিশাল দেশকে একসূত্রে বেঁধে রেখেছে।

ভারতের জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ণ থাকার কারণসমূহ -

সংবিধানের মৌলিকতা (১) ভারতের সংবিধান শুধুমাত্র একটি আইনি দলিল নয়, এটি দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং মূল্যবোধের প্রতিফলন। এই সংবিধানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিককে সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে এবং ধর্মনিরপেক্ষতাকে মৌলিক নীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। সংবিধানের এই মৌলিক কাঠামো দেশের বিভিন্ন অংশের মানুষকে একই আইনি ছাতার নীচে এনে একতার ভাবনাকে মজবুত করেছে। এতে বিচার, স্বাধীনতা, সমতা এবং ভ্রাতৃত্বের আদর্শগুলি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায়, বিভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও একটি অভিন্ন জাতীয় পরিচয়ের অনুভূতি গড়ে উঠেছে। সংবিধানের এই সমতাবাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রই দেশের ঐক্যকে রক্ষা করার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

গণতন্ত্রের সাফল্য (২) ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং এই গণতন্ত্রের সাফল্যই জাতীয় সংহতি বজায় রাখার একটি অন্যতম প্রধান কারণ। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষেরও সরকার গঠনে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে, যা তাদের মধ্যে দেশ ও ব্যবস্থার প্রতি আস্থার জন্ম দেয়। নির্বাচনের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে সরকার পরিবর্তন বা পুনর্বহালের সুযোগ থাকায় মানুষের ক্ষোভ বা অসন্তোষ সহিংস পথে না গিয়ে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রকাশ পেতে পারে। এই অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা বিভিন্ন গোষ্ঠী ও অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ক্ষমতার ভাগীদার হওয়ার অনুভূতি সৃষ্টি করে, যা বিচ্ছিন্নতার মনোভাবকে প্রশমিত করে এবং জাতীয় ঐক্যের বন্ধনকে দৃঢ় করে।

ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র (৩) ধর্মনিরপেক্ষতা হলো ভারতীয় সংহতির একটি মূল স্তম্ভ। ভারতীয় রাষ্ট্র কোনো বিশেষ ধর্মকে পৃষ্ঠপোষকতা করে না এবং সকল ধর্মকেই সমান চোখে দেখে। সংবিধানে সকল নাগরিককে স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন ও প্রচারের অধিকার দেওয়া হয়েছে, যা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে এবং জাতীয় মূল স্রোতের সঙ্গে তাদের একীভূত হতে সাহায্য করে। এই ধর্মনিরপেক্ষ নীতির কারণেই বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রেখে চলেছেন এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকেন। রাষ্ট্রের এই নিরপেক্ষ অবস্থান নিশ্চিত করে যে ধর্মীয় ভেদাভেদ দেশের রাজনীতি বা সমাজ জীবনে বিভেদ সৃষ্টি না করে ঐক্যের ভাবনাকে আরও জোরদার করবে।

ভাষা-ঐক্যের ভিত্তি (৪) ভারতে অসংখ্য ভাষা প্রচলিত থাকলেও, একটি নির্দিষ্ট ভাষা কখনোই অন্য ভাষার উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। হিন্দি এবং ইংরেজির পাশাপাশি অষ্টম তফসিলের মাধ্যমে দেশের প্রধান ভাষাগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা আঞ্চলিক ভাষাগুলির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। এই বহুভাষিক নীতি প্রতিটি ভাষাগোষ্ঠীর মানুষকে তাদের ভাষাগত পরিচয় বজায় রাখার স্বাধীনতা দিয়েছে, যা তাদের মধ্যে সন্তুষ্টির ভাব তৈরি করে। একই সাথে, সরকারি কাজকর্মে এবং আন্তঃরাজ্য যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি সেতুবন্ধনকারী ভাষার ব্যবহার জাতীয় স্তরে বোঝাপড়া ও যোগাযোগের সুবিধা করে দেয়, ফলে ভাষা বৈচিত্র্য সত্ত্বেও জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ণ থাকে।

ঐতিহ্যের বন্ধন (৫) ভারতবর্ষের রয়েছে এক সুপ্রাচীন ও গৌরবময় ইতিহাস, যা দেশের মানুষকে এক অখণ্ড সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বন্ধনে বেঁধেছে। বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্কৃতিতে ভিন্নতা থাকলেও, সাহিত্য, শিল্পকলা, স্থাপত্য এবং ধর্মীয় আচারের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ ভারতীয়ত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। এই ভাগ করা ইতিহাস এবং ঐতিহ্য দেশের মানুষের মনে একটি অভিন্ন জাতীয় পরিচয়ের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। যেমন- রামায়ণ, মহাভারতের মতো মহাকাব্যগুলি দেশের সর্বত্র সমাদৃত এবং এগুলি আঞ্চলিক পার্থক্য ভুলে মানুষকে এক সূত্রে গাঁথার কাজটি করে। অতীত থেকে প্রবাহিত আসা এই সাংস্কৃতিক যোগসূত্রই দেশের সংহতিকে মজবুত করে তুলেছে।

অর্থনৈতিক উন্নতি ও সুযোগ (৬) অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সুযোগের সমবন্টন জাতীয় সংহতি বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকার বিভিন্ন আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে কাজ করছে এবং দেশের সকল অঞ্চলে সমানভাবে উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে। যখন বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল ভোগ করে এবং জীবিকার সমান সুযোগ পায়, তখন তাদের মধ্যে জাতীয় ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়ে। এই অর্থনৈতিক অগ্রগতি একটি সাধারণ লক্ষ্য নির্ধারণ করে—দেশের সামগ্রিক সমৃদ্ধি—যা আঞ্চলিক ও গোষ্ঠীগত বিভেদকে অতিক্রম করে মানুষকে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে কাজ করতে উৎসাহিত করে।

কেন্দ্র ও রাজ্য সম্পর্ক (৭) ভারতীয় সংবিধানে একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারগুলির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা হয়েছে, যা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে সুদৃঢ় করে। কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশ ও আর্থিক সাহায্য দিলেও, রাজ্য সরকারগুলি নিজ নিজ অঞ্চলের প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক স্বায়ত্তশাসন উপভোগ করে। এই সহকারি যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা রাজ্যগুলিকে তাদের নিজস্ব আঞ্চলিক চাহিদা পূরণের সুযোগ দেয়, ফলে স্বাতন্ত্র্যের দাবি থাকলেও বিচ্ছিন্নতার মনোভাব হ্রাস পায়। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক দেশের অখণ্ডতা ও সংহতিকে মজবুত করতে অপরিহার্য।

গণমাধ্যমের ভূমিকা (৮) দেশের সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও এবং আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যমগুলি জাতীয় সংহতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই গণমাধ্যমগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খবর, সংস্কৃতি ও ভাষাকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দেয়, ফলে আঞ্চলিক বিভেদ কমে আসে এবং বৃহত্তর জাতীয় জীবনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত হয়। জাতীয় সঙ্কট বা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সময় এই মাধ্যমগুলি অভিন্ন বার্তা প্রচারের মাধ্যমে সারা দেশের মানুষকে একই ভাবনায় ঐক্যবদ্ধ করতে সাহায্য করে। এই শক্তিশালী যোগাযোগ ব্যবস্থা মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহানুভূতির জন্ম দেয়, যা জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিকে মজবুত করে।

শিক্ষাব্যবস্থা ও জ্ঞানার্জন (৯) জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থা দেশের প্রতিটি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের বীজ বপন করে। পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে সকল শিক্ষার্থী একটি অভিন্ন ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হয় এবং সংবিধানের মূলনীতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে। এই সাধারণ জ্ঞান এবং মূল্যবোধের শিক্ষাই আঞ্চলিক বা ভাষাগত ভেদাভেদকে তুচ্ছ করে তাদের মধ্যে ভারতীয় হওয়ার অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। এছাড়া, বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যখন একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একত্রে পড়াশোনা করে, তখন তাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় সংহতিকে শক্তিশালী করে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি (১০) সুষ্ঠু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং একটি কার্যকর বিচারব্যবস্থা দেশের নাগরিকদের মধ্যে সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বোধ সৃষ্টি করে, যা জাতীয় সংহতির জন্য অপরিহার্য। রাষ্ট্রের এই ক্ষমতা নিশ্চিত করে যে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী বা বিভেদ সৃষ্টিকারী শক্তি যেন দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে বিঘ্নিত করতে না পারে। পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে শান্তি বজায় রেখে সকল নাগরিকের সমান আইনি অধিকার নিশ্চিত করে। এই সুশাসিত ও সুরক্ষিত পরিবেশ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষকে আশ্বস্ত করে যে তাদের জীবন ও সম্পত্তি নিরাপদ, যা জাতীয় ব্যবস্থার প্রতি তাদের আনুগত্য বাড়ায় এবং ঐক্যের ধারণাকে শক্তিশালী করে।

পারস্পরিক সহনশীলতা (১১) বহু শতাব্দী ধরে চলে আসা পারস্পরিক সহনশীলতা এবং শ্রদ্ধাবোধ ভারতের সংহতির এক অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। ভারতীয় সংস্কৃতিতে ‘অতিথি দেবো ভবঃ’ এবং ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’-এর মতো উচ্চ আদর্শের প্রভাব রয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও সংস্কৃতির মানুষ একে অপরের উৎসব, রীতি ও বিশ্বাসের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। এই সহনশীলতার মনোভাব দেশের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও সংঘাত এড়াতে সাহায্য করে। এই সামাজিক সমঝোতা ও শান্তিময় সহাবস্থানই বিভিন্নতাকে বৈচিত্র্যে রূপান্তরিত করেছে এবং জাতীয় বন্ধনকে অবিচ্ছেদ্য করে তুলেছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রসার (১২) সড়কপথ, রেলপথ, বিমানপথ এবং দ্রুতগামী ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মানুষের যাতায়াত ও যোগাযোগের সুযোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষকে কাছাকাছি এনেছে, যা সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক আদান-প্রদানকে বাড়িয়ে দিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, পর্যটন শিল্প দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সৌন্দর্য ও জীবনধারাকে তুলে ধরে, যা মানুষের মধ্যে একে অপরের প্রতি কৌতূহল ও শ্রদ্ধা বাড়ায়। এই ভৌত এবং ডিজিটাল সংযোগ দেশের সকল নাগরিকের মধ্যে একতার অনুভূতি সৃষ্টি করে, যার ফলে আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতা ক্রমশ কমে আসে।

জাতীয় প্রতীক ও উৎসব (১৩) ভারতের জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত, জাতীয় প্রতীক এবং প্রজাতন্ত্র দিবস, স্বাধীনতা দিবসের মতো জাতীয় উৎসবগুলি দেশের মানুষকে এক অভিন্ন পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করে। এই প্রতীকগুলি দেশের সার্বভৌমত্ব, ইতিহাস এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের আত্মত্যাগকে মনে করিয়ে দেয়। জাতীয় উৎসবগুলি দেশের সর্বত্র একই উদ্দীপনায় পালিত হয়, যা ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে একাত্মতার অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। এই প্রতীক ও উৎসবগুলি দেশের সকল নাগরিককে দল-মত নির্বিশেষে একটি বৃহত্তর জাতীয় পরিচয়ের অংশ হিসেবে নিজেদের দেখতে উৎসাহিত করে, যা সংহতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করে।

রাজনৈতিক দলসমূহের ভূমিকা (১৪) দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল জাতীয় সংহতি ও অখণ্ডতার নীতিতে বিশ্বাসী এবং এই বিষয়ে তারা সহমত পোষণ করে। যদিও আঞ্চলিক দলগুলি তাদের স্থানীয় স্বার্থের জন্য লড়াই করে, তবুও তারা দেশের মূল কাঠামো এবং ঐক্যের প্রতি দায়বদ্ধ থাকে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিতর্ক বা প্রতিযোগিতা থাকলেও, দেশের মৌলিক সংহতির প্রশ্নে তারা প্রায়শই একমত হয়। এই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সংহতির প্রতি সর্বজনীন অঙ্গীকার দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখে এবং বিভেদ সৃষ্টিকারী শক্তির উত্থানকে প্রতিহত করে।

অখণ্ড বিচারব্যবস্থা (১৫) ভারতের বিচারব্যবস্থা এক অখণ্ড ও সমন্বিত রূপ লাভ করেছে, যেখানে সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় হিসেবে কাজ করে এবং নিম্ন আদালতগুলি তার নির্দেশ মেনে চলে। এই অখণ্ড বিচারব্যবস্থা দেশের সকল নাগরিকের জন্য সমান বিচার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করে, যা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মধ্যে ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা তৈরি করে। এই বিচারব্যবস্থা সংবিধানের রক্ষক হিসেবে কাজ করে এবং দেশের মূল কাঠামোর প্রতি চ্যালেঞ্জ সৃষ্টিকারী যে কোনো শক্তিকে প্রতিহত করে। এই কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ রাষ্ট্রের প্রতি তাদের বিশ্বাস অটুট রাখতে পারে, যা জাতীয় ঐক্যের একটি মজবুত ভিত্তি।

ঐতিহাসিক আন্দোলন ও স্মৃতি (১৬) ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন দেশের সকল অঞ্চলের মানুষকে একই লক্ষ্য—ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তি—নিয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। এই আন্দোলনের স্মৃতি ও এর নায়কদের প্রতি শ্রদ্ধা দেশের মানুষকে আজও এক সূত্রে বেঁধে রেখেছে। গান্ধীজি, নেতাজি বা অন্যান্য আঞ্চলিক বীরদের অবদান দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে এক অভিন্ন অনুপ্রেরণার উৎস। এই ভাগ করা ইতিহাস এবং আত্মত্যাগের স্মৃতি মানুষকে তাদের আঞ্চলিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে একটি বৃহত্তর জাতীয় পরিচয়ের অংশ হিসেবে নিজেদের দেখতে উৎসাহিত করে, যা জাতীয় সংহতির বাঁধনকে আরও মজবুত করে।

শেষকথা: ভারতের জাতীয় সংহতি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি সংবিধানের সুদূরপ্রসারী ভাবনা, গণতান্ত্রিক আদর্শের প্রতি গভীর আস্থা এবং দেশের মানুষের পারস্পরিক সহনশীলতার এক জীবন্ত দলিল। বিভিন্নতার মাঝে এই ঐক্যের ধারণাই বিশ্ব মঞ্চে ভারতকে এক অনন্য মর্যাদা এনে দিয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত ভারতীয়রা তাদের সাংবিধানিক মূল্যবোধ ও সহাবস্থানের ঐতিহ্যকে ধরে রাখবে, ততক্ষণ দেশের অখণ্ডতা ও সংহতি অক্ষুণ্ণ থাকবে এবং ভারত প্রগতির পথে এগিয়ে চলবে।

Tags: ভারতের জাতীভারতের জাতীয় সংহতিভারতের জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ণভারতের জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ণ থাকার কারণসমূহ উল্লেখ কর।
  • Previous পাকিস্তানের জাতি গঠনের সমস্যাসমূহ চিহ্নিত কর।
  • Next শ্রীলংকার জাতিগত সংঘাতের কারণসমূহ বিশ্লেষণ কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1572)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিশ্বব্যাংকের ভূমিকা আলোচনা কর।
    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশ্বায়নের প্রভাব আলোচনা কর।
    আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ কি নয়া বিশ্বব্যবস্থার প্রতি হুমকিস্বরূপ? ব্যাখ্যা কর।
    স্নায়ুযুদ্ধোত্তর যুগে আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্বের প্রধান ক্ষেত্রসমূহ বর্ণনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM