• Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
    • Home
    • Class 0-12
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
  • mdreadaim@gmail.com
  • Read at Home
Login > Register
Read Aim
Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • readaim.com
  • 0
পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক বৈষম্য পর্যালোচনা কর।

প্রশ্ন:- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক বৈষম্য পর্যালোচনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর গঠিত হয়েছিল পাকিস্তান, যা ভৌগোলিকভাবে পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) এবং পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে গঠিত ছিল। আদর্শগতভাবে এক হলেও, এই দুটি অংশের মধ্যে শুরু থেকেই রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্য বিদ্যমান ছিল। পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানকে নিজেদের উপনিবেশের মতো দেখত, যা বাঙালিদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল এবং পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই নিবন্ধে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান রাজনৈতিক ও সামরিক বৈষম্যগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে।

১। গণতন্ত্রের অভাব: ১৯৪৭ সালের পর থেকে পশ্চিম পাকিস্তান নিজেদের হাতেই ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছিল। সামরিক ও আমলাতান্ত্রিক এলিটদের প্রভাব ছিল অপ্রতিরোধ্য। গণতন্ত্র জনগণের শাসন হলেও, পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মতামতকে বরাবরই উপেক্ষা করা হয়েছে। জাতীয় পরিষদের আসন বণ্টনে পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও পশ্চিম পাকিস্তান নানা অজুহাতে নির্বাচন বিলম্বিত করেছে এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করেনি। এই কারণে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক বঞ্চনার অনুভূতি দিন দিন তীব্র হচ্ছিল, যা স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ বপন করেছিল।

২। রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের অভাব: পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে বেশি হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে তারা বরাবরই বৈষম্যের শিকার হয়েছে। জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা তাদের জনসংখ্যার অনুপাতে ছিল না। কেন্দ্রীয় সরকারে পূর্ব পাকিস্তানের মন্ত্রী, আমলা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সংখ্যা ছিল নগণ্য। এই অসম প্রতিনিধিত্বের কারণে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি-দাওয়া কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পৌঁছাতো না এবং তাদের স্বার্থ উপেক্ষিত হতো, যা রাজনৈতিকভাবে তাদের প্রান্তিক করে তুলেছিল।

৩। ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ: পশ্চিম পাকিস্তানের হাতে সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত ছিল। সামরিক শাসন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ছিল না। কেন্দ্রীয় সরকার পূর্ব পাকিস্তানের ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিত এবং তাদের স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে উপেক্ষা করত। এই ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে এক ধরনের পরাধীনতার অনুভূতি তৈরি করেছিল, যা তাদের মধ্যে বিদ্রোহের জন্ম দিয়েছিল।

৪। সামরিক বাহিনীতে বৈষম্য: পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব ছিল অত্যন্ত সীমিত। সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রায় সবাই ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের। সামরিক ব্যয় বরাদ্দের সিংহভাগই পশ্চিম পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় হতো, যখন পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তা বরাবরই উপেক্ষিত হয়েছে। এই বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে নিরাপত্তাহীনতা ও অবহেলার বোধ তৈরি করেছিল এবং তাদের মধ্যে সামরিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছিল।

৫। সামরিক ব্যয়ের অসম বণ্টন: পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার সামরিক ব্যয়ের সিংহভাগ পশ্চিম পাকিস্তানে ব্যয় করত। পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল দুর্বল এবং আধুনিক অস্ত্রের অভাব ছিল। অন্যদিকে, পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক ছাউনিগুলোতে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হতো, যা পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের কাছে ছিল স্পষ্ট বৈষম্যের প্রতীক। এই অসম বণ্টন পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বাধা সৃষ্টি করেছিল এবং তাদের মধ্যে গভীর অসন্তোষের জন্ম দিয়েছিল।

৬। সামরিক শাসনের প্রভাব: পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে সামরিক শাসনের প্রভাব ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান প্রমুখ সামরিক শাসকরা পশ্চিম পাকিস্তানের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছেন। সামরিক আইন জারি করে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের আন্দোলনকে দমন করা হয়েছে। এই সামরিক শাসন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করেছে এবং পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে, যা তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল।

৭। সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ: পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি সংস্কৃতি ও ভাষার ওপর আক্রমণ চালিয়েছিল। উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রচেষ্টা এবং বাংলা ভাষার মর্যাদা হরণের চেষ্টা বাঙালিদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল এই সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রথম বড় প্রতিবাদ। সংস্কৃতি ও ভাষার ওপর এই আক্রমণ পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বিভেদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।

৮। আর্থিক বৈষম্য: পূর্ব পাকিস্তান থেকে উৎপাদিত পাট, চা, চামড়া ইত্যাদি পণ্য রপ্তানি করে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়নে ব্যয় করা হতো। পূর্ব পাকিস্তানের শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে তেমন কোনো বিনিয়োগ করা হয়নি। এই আর্থিক বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে দিয়েছিল এবং তাদের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করেছিল, যা তাদের মধ্যে গভীর অসন্তোষের কারণ হয়েছিল।

৯। উন্নয়ন কার্যক্রমে অসমতা: পশ্চিম পাকিস্তানের শহরগুলো আধুনিক অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা দিয়ে গড়ে উঠছিল, যেখানে পূর্ব পাকিস্তানের শহর ও গ্রামগুলো ছিল অবহেলিত। সড়ক, রেল, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নে পূর্ব পাকিস্তান ছিল পিছিয়ে। এই অসম উন্নয়ন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে আরও বঞ্চিত বোধ করিয়েছিল এবং তাদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল।

১০। কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির বৈষম্য: কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদস্থ চাকরিতে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের প্রতিনিধিত্ব ছিল নগণ্য। বেশিরভাগ পদই পশ্চিম পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের দ্বারা পূরণ করা হতো। এই বৈষম্যের কারণে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষিত তরুণরা কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছিল, যা তাদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল।

১১। গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ: পশ্চিম পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার গণমাধ্যমের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছিল। পূর্ব পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলো স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশ করতে পারত না। সরকারের বিরুদ্ধে কোনো খবর প্রকাশ করলে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হতো। এই নিয়ন্ত্রণ জনগণের মধ্যে সঠিক তথ্য প্রবাহে বাধা দিত এবং তাদের মধ্যে অসন্তোষ আরও বাড়িয়ে দিত।

১২। বিচার ব্যবস্থায় প্রভাব: পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী বিচার ব্যবস্থার ওপর প্রভাব বিস্তার করত। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের বিরুদ্ধে নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় সুষ্ঠু বিচার পাওয়া কঠিন ছিল। এই বিচারিক বৈষম্য জনগণের মধ্যে ন্যায়বিচার প্রাপ্তির আশা কমিয়ে দিয়েছিল এবং তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল।

১৩। শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য: শিক্ষা খাতে পূর্ব পাকিস্তানে বরাদ্দ ছিল খুবই কম। উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রছাত্রীদের সুযোগ ছিল সীমিত। পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল অবহেলিত। এই বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানের মেধা বিকাশে বাধা সৃষ্টি করেছিল।

১৪। প্রাকৃতিক দুর্যোগে অবহেলা: পূর্ব পাকিস্তান ছিল প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ এলাকা। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি দুর্যোগে পশ্চিম পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা ছিল অপ্রতুল। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সরকারের উদাসীনতা পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছিল।

১৫। কৃষি ও শিল্প নীতিতে বৈষম্য: পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি ছিল কৃষি, বিশেষ করে পাট চাষ। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি নীতিতে পাট চাষিদের স্বার্থ রক্ষা করা হয়নি। শিল্প নীতিতে পূর্ব পাকিস্তানের শিল্পায়নকে উৎসাহিত করা হয়নি, বরং পশ্চিম পাকিস্তানের শিল্প বিকাশকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল। এই বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড দুর্বল করে দিয়েছিল।

১৬। ভূখণ্ডগত বিচ্ছিন্নতা ও যোগাযোগ: পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে প্রায় ১২০০ মাইলের ভৌগোলিক দূরত্ব ছিল। এই দূরত্ব উভয় অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করেছিল। পশ্চিম পাকিস্তান এই ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতাকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের ক্ষেত্রে ব্যবহার করত এবং পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের দাবি-দাওয়া উপেক্ষা করত।

১৭। রাজনৈতিক বন্দী ও দমন-পীড়ন: পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক কর্মীদের প্রায়শই গ্রেফতার ও নির্যাতন করত। বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন দমন করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিত এবং অসংখ্য মানুষকে কারাবন্দী করত। এই দমন-পীড়ন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে খর্ব করেছিল।

১৮। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদাসীনতা: পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ততটা স্পষ্ট ছিল না। অনেক আন্তর্জাতিক শক্তি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চায়নি, যা পশ্চিম পাকিস্তানকে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর তাদের প্রভাব বজায় রাখতে সাহায্য করেছিল।

১৯। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত হলেও, তার আগেও বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়া হয়েছিল এবং নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই অনিয়ম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের বিশ্বাস নষ্ট করে দিয়েছিল।

২০। অর্থনৈতিক শোষণ: পূর্ব পাকিস্তানকে পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনৈতিক উপনিবেশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তান থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে পশ্চিম পাকিস্তানের শিল্পে ব্যবহার করা হতো এবং উৎপাদিত পণ্য পূর্ব পাকিস্তানে চড়া দামে বিক্রি করা হতো। এই শোষণ পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।

২১। মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি: উপরোক্ত সকল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক বৈষম্য পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দিয়েছিল। এই বৈষম্যগুলোই বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটিয়েছিল এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল, যার ফলশ্রুতিতে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল।

পরিশেষ: পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান রাজনৈতিক ও সামরিক বৈষম্যগুলো কেবল প্রশাসনিক সমস্যা ছিল না, বরং তা ছিল একটি গভীর অন্যায় ও শোষণের প্রতিচ্ছবি। এই বৈষম্যগুলো বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল এবং তাদের মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তুলেছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে, যা বিশ্ব ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

একনজরে উত্তর দেখুন

১। 🔵 গণতন্ত্রের অভাব
২। 🔴 রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের অভাব
৩। 🟢 ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ
৪। 🟡 সামরিক বাহিনীতে বৈষম্য
৫। 🟠 সামরিক ব্যয়ের অসম বণ্টন
৬। 🟣 সামরিক শাসনের প্রভাব
৭। 🟤 সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ
৮। ⚫ আর্থিক বৈষম্য
৯। ⚪ উন্নয়ন কার্যক্রমে অসমতা
১০। 🔵 কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির বৈষম্য
১১। 🔴 গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ
১২। 🟢 বিচার ব্যবস্থায় প্রভাব
১৩। 🟡 শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য
১৪। 🟠 প্রাকৃতিক দুর্যোগে অবহেলা
১৫। 🟣 কৃষি ও শিল্প নীতিতে বৈষম্য
১৬। 🟤 ভূখণ্ডগত বিচ্ছিন্নতা ও যোগাযোগ
১৭। ⚫ রাজনৈতিক বন্দী ও দমন-পীড়ন
১৮। ⚪ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদাসীনতা
১৯। 🔵 নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়ম
২০। 🔴 অর্থনৈতিক শোষণ
২১। 🟢 মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যের মূলে ছিল ১৯৪৮ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ‘উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ ঘোষণার মতো ঐতিহাসিক ঘটনা। ১৯৫০-এর দশকে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পশ্চিম পাকিস্তানের তুলনায় কম ছিল, যদিও পূর্ব পাকিস্তান থেকে উৎপাদিত পণ্য, বিশেষ করে পাট, পাকিস্তানের মোট বৈদেশিক আয়ের সিংহভাগ যোগাতো। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৫০-এর দশকে পাকিস্তানের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৭০% আসত পূর্ব পাকিস্তান থেকে, কিন্তু এর মাত্র ২৫% পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়নে ব্যয় হতো। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়, যা সামরিক বৈষম্যকে আরও প্রকট করে তোলে। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানায়, যা ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং পরবর্তীতে ২৬শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পথ প্রশস্ত করে। এই বৈষম্যই পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেয়।

Tags: পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক বৈষম্যপূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানপূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক বৈষম্য
  • Previous পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
  • Next পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্য মূলক নীতিসমূহ আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE


    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1082)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1253)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    পাকিস্তানের গণতন্ত্রায়নের সমস্যা সমাধানের উপায় আলোচনা কর।
    ভারতে সংসদীয় গণতন্ত্রের সফলতার কারণগুলো ব্যাখ্যা কর।
    সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে নেপালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণসমূহ আলোচনা কর।
    পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM