• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
  • mdreadaim@gmail.com
  • Vurtual
Login
Read Aim
Read Aim Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
  • readaim.com
  • 0
সমাজ সংস্কারে ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান বর্ণানা কর।

প্রশ্ন:- সমাজ সংস্কারে ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান বর্ণানা কর।

উত্তর::ভূমিকা: উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি ছিলেন একাধারে একজন পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ, এবং মহান সমাজ সংস্কারক। তাঁর জীবন উৎসর্গীকৃত ছিল সমাজের কুসংস্কার দূরীকরণ, শিক্ষা বিস্তার এবং নারী কল্যাণের জন্য। তাঁর অবদান বাংলার সমাজকে এক নতুন দিশা দিয়েছিল, যা আজও আমাদের পথ দেখায়।

সমাজ সংস্কারে ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান:-

১। বিধবা বিবাহ প্রচলন: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সবচেয়ে বড় এবং যুগান্তকারী অবদান হলো বিধবা বিবাহ প্রবর্তন। সেই সময় সমাজে বিধবাদের জীবন ছিল চরম দুর্বিষহ। তাদের পুনর্বিবাহের কোনো সুযোগ ছিল না, এবং তাদের প্রায়শই সামাজিকভাবে নিগৃহীত হতে হতো। বিদ্যাসাগর শাস্ত্রের প্রামাণ্য দলিল তুলে ধরে প্রমাণ করেন যে বিধবা বিবাহ হিন্দু ধর্মশাস্ত্রমতে বৈধ। বহু প্রতিকূলতা, তীব্র বিরোধিতা ও সামাজিক চাপের মুখেও তিনি অবিচল ছিলেন। তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ ১৮৫৬ সালে ব্রিটিশ সরকার ‘বিধবা বিবাহ আইন’ পাশ করে, যা ভারতীয় সমাজে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।

২। বহুবিবাহ রোধ: বহুবিবাহ প্রথা ছিল তৎকালীন সমাজের আরেকটি গুরুতর ব্যাধি। বিশেষ করে কুলীন ব্রাহ্মণদের মধ্যে এই প্রথা ব্যাপক প্রচলিত ছিল। একজন পুরুষ একাধিক বিবাহ করতে পারত, যার ফলে নারীদের জীবন অত্যন্ত করুণ হয়ে উঠত। বিদ্যাসাগর এই প্রথার বিরুদ্ধেও জোরালো প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। তিনি সরকারের কাছে আবেদন জানান যাতে এই প্রথা আইন করে বন্ধ করা হয়। যদিও তাঁর জীবদ্দশায় এই আইন সম্পূর্ণ কার্যকর করা সম্ভব হয়নি, তবুও তাঁর আন্দোলন এই প্রথার বিরুদ্ধে জনমত গঠনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৩। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ: বাল্যবিবাহ ছিল উনিশ শতকের সমাজের আরেকটি কুসংস্কার। অল্পবয়সী মেয়েদের বিবাহ দেওয়া হতো, যার ফলে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার আগেই মাতৃত্বের বোঝা বহন করত। এর ফলে তাদের স্বাস্থ্যহানি হতো এবং অকালে অনেকে মৃত্যুবরণ করত। বিদ্যাসাগর এই অমানবিক প্রথার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন। তিনি বিভিন্ন লেখালেখি ও জনসভার মাধ্যমে এই প্রথার কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করেন। তাঁর এই আন্দোলন ভবিষ্যতে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের পথ প্রশস্ত করেছিল।

৪। নারী শিক্ষা: বিদ্যাসাগর বিশ্বাস করতেন যে সমাজের অগ্রগতি নির্ভর করে নারী শিক্ষার উপর। তিনি জানতেন যে নারীরা শিক্ষিত না হলে সমাজ কখনো সম্পূর্ণভাবে উন্নত হতে পারবে না। তাই তিনি নারী শিক্ষার প্রসারে সর্বাত্মক চেষ্টা করেন। তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে বহু বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। তাঁর অনুপ্রেরণায় ও তত্ত্বাবধানে কলকাতায় বহু বালিকা বিদ্যালয় গড়ে ওঠে। ১৮৪৯ সালে বেথুন স্কুল প্রতিষ্ঠা ছিল নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে এক মাইলফলক, যার সাথে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি নারী শিক্ষার জন্য আর্থিক সাহায্যও প্রদান করতেন।

৫। স্বাক্ষরতা বৃদ্ধি: শুধুমাত্র নারীদের জন্যই নয়, সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের জন্য শিক্ষা প্রসারে বিদ্যাসাগরের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি মনে করতেন, শিক্ষার আলো সবার জন্য উন্মুক্ত হওয়া উচিত, যাতে সমাজের কোনো অংশই পিছিয়ে না থাকে। তিনি বিভিন্ন জায়গায় নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করেন যাতে প্রাপ্তবয়স্করাও দিনের কাজ শেষে লেখাপড়া করতে পারে। তিনি বাংলা ভাষার বর্ণমালা সংস্কার করে ‘বর্ণপরিচয়’ নামক একটি সহজ পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন, যা বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে এক নতুন ভিত্তি দেয়। তাঁর এই কাজ সাধারণ মানুষের কাছে শিক্ষা সহজলভ্য করে তোলে।

৬। সমাজ সংস্কারের মূল ভিত্তি: বিদ্যাসাগরের সমাজ সংস্কারের মূল ভিত্তি ছিল মানবিকতা ও যুক্তিবাদ। তিনি অন্ধবিশ্বাস এবং কুসংস্কারের তীব্র বিরোধী ছিলেন। তিনি সমাজকে দেখতেন যুক্তির আলোকে এবং সংস্কারের পথে। তাঁর সমস্ত আন্দোলনই ছিল গভীর মানবিক বোধ থেকে উদ্ভূত। তিনি মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতেন, এবং এর জন্য তিনি তৎকালীন সমাজের প্রচলিত প্রথার বিরুদ্ধে যেতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি। তাঁর যুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি বাংলার নবজাগরণে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।

৭। বাংলা গদ্যের জনক: বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর আগে বাংলা গদ্য ছিল দুর্বোধ্য এবং জটিল। তিনি সংস্কৃতবহুল ভাষা পরিহার করে সহজ, সরল ও সাবলীল গদ্যশৈলী প্রবর্তন করেন। তাঁর রচিত ‘শকুন্তলা’, ‘সীতার বনবাস’, ‘ভ্রান্তিবিলাস’ প্রভৃতি গ্রন্থ বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। তাঁর এই সাহিত্যকর্ম শুধু শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যেই নয়, বরং বাংলা ভাষাকে একটি শক্তিশালী ও পরিশীলিত রূপ দিতেও সাহায্য করেছিল। এর মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে সাহিত্যকে সহজলভ্য করে তোলেন।

৮। দুর্নীতি দমন: বিদ্যাসাগর ছিলেন একজন সৎ এবং নিষ্ঠাবান মানুষ। তিনি তার কর্মজীবনে কখনো দুর্নীতির সঙ্গে আপস করেননি। তিনি শিক্ষাবিভাগের পরিদর্শক থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পরিদর্শন করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তিনি মনে করতেন যে একটি সুস্থ সমাজ গঠনে সততা অপরিহার্য। তিনি নিজে যেমন সৎ ছিলেন, তেমনি অন্যদেরও সততার পথে চলতে অনুপ্রাণিত করতেন। তাঁর এই আদর্শ আজও আমাদের জন্য অনুসরণীয়।

৯। চিকিৎসা পরিষেবা: সমাজের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতেও বিদ্যাসাগরের অবদান ছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন যে একটি সুস্থ জাতি গঠনে স্বাস্থ্যসেবা অপরিহার্য। তিনি বিভিন্ন সময় দরিদ্র ও পীড়িত মানুষের জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির চেষ্টা করেন। তিনি তার নিজের অর্থ দিয়েও বহু দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেন। তাঁর এই মানবিক দিকটি তাকে একজন প্রকৃত সমাজসেবকের মর্যাদা দেয়।

১০। নৈশ বিদ্যালয়: দিনের বেলায় কাজ করার কারণে যারা লেখাপড়ার সুযোগ পেত না, তাদের জন্য বিদ্যাসাগর নৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেন। এই বিদ্যালয়গুলোতে সন্ধ্যা বা রাতে ক্লাস নেওয়া হতো, যাতে শ্রমিক, কৃষক বা অন্যান্য পেশাজীবীরাও লেখাপড়া শিখতে পারে। এটি ছিল এক অসাধারণ উদ্যোগ, যা সমাজে শিক্ষার বিস্তার ঘটিয়েছিল। এই বিদ্যালয়গুলো নিরক্ষরতা দূরীকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

১১। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন: বিদ্যাসাগর মনে করতেন যে নারীদের শুধুমাত্র শিক্ষা দিলেই হবে না, তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করাও জরুরি। তিনি বিভিন্নভাবে নারীদের স্বনির্ভর হওয়ার জন্য উৎসাহিত করতেন। তিনি জানতেন যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া নারী মুক্তি সম্ভব নয়। এই চিন্তাধারা ছিল তাঁর সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে। এই ধারণা আজও নারী ক্ষমতায়নের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

১২। গ্রামাঞ্চলে শিক্ষা: বিদ্যাসাগর শুধু শহরেই নয়, গ্রামাঞ্চলেও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন। তিনি বিভিন্ন গ্রামে স্কুল স্থাপনের উদ্যোগ নেন এবং সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাহায্য প্রদান করতেন। তিনি মনে করতেন যে সমাজের প্রতিটি স্তরের এবং প্রতিটি ভৌগোলিক অঞ্চলের মানুষের কাছে শিক্ষা পৌঁছানো উচিত। তাঁর এই প্রচেষ্টা গ্রামীণ বাংলার শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

১৩। সংবাদপত্র প্রকাশ: বিদ্যাসাগর বিভিন্ন সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরতেন। তিনি ‘সোমপ্রকাশ’ নামে একটি পত্রিকাও প্রকাশ করতেন, যা সমাজের কুসংস্কার, অবিচার এবং সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করত। এই পত্রিকাটি তৎকালীন সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করত এবং জনমত গঠনে সহায়তা করত। এটি ছিল তাঁর সমাজ সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

১৪। নৈতিকতা ও আদর্শ: বিদ্যাসাগর ছিলেন নৈতিকতা ও আদর্শের এক মূর্ত প্রতীক। তিনি তার ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবনে সর্বদা উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ মেনে চলতেন। তিনি গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য তার সর্বস্ব বিলিয়ে দিতেন। তার এই মহান আদর্শ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। তিনি পরোপকারী, দয়ালু এবং নিঃস্বার্থ ছিলেন। তার এই গুণাবলী তাকে একজন আদর্শ মানব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

১৫। শিক্ষক প্রশিক্ষণ: শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছিলেন বিদ্যাসাগর। তিনি মনে করতেন যে একজন দক্ষ শিক্ষক ছাড়া ভালো শিক্ষা প্রদান সম্ভব নয়। তাই তিনি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষণ উপকরণ সরবরাহ করেন। এর ফলে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান অনেক বৃদ্ধি পায়।

১৬। সহায়তা ও দান: বিদ্যাসাগরের জীবন ছিল দান ও ত্যাগের এক অনন্য উদাহরণ। তিনি দরিদ্র ও পীড়িত মানুষের জন্য তার নিজের অর্থ ব্যয় করতে কখনো দ্বিধা করেননি। তিনি বিভিন্ন জনহিতকর কাজে যেমন হাসপাতাল ও অনাথ আশ্রম প্রতিষ্ঠায় আর্থিক সাহায্য প্রদান করতেন। তার এই উদারতা ও নিঃস্বার্থতা তাকে সকলের কাছে প্রিয় করে তোলে। তিনি তার উপার্জনের সিংহভাগই মানুষের কল্যাণে ব্যয় করতেন।

১৭। মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি: বিদ্যাসাগরের সমাজ সংস্কারের মূল প্রেরণা ছিল তার গভীর মানবতাবাদ। তিনি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতি সমান ভালোবাসা ও সহানুভূতি দেখিয়েছেন। তিনি কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করেননি, বরং সমগ্র মানবজাতির কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন। তাঁর এই উদার এবং মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি তাকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

১৮। যুক্তিনির্ভর চিন্তা: বিদ্যাসাগর ছিলেন একজন যুক্তিবাদী মানুষ। তিনি কোনো প্রথা বা বিশ্বাসকে অন্ধভাবে মেনে নিতেন না। তিনি সবকিছুর পেছনে যুক্তি ও কারণ খুঁজতেন। তিনি তার লেখায় ও বক্তৃতায় যুক্তিনির্ভর আলোচনার মাধ্যমে সমাজের কুসংস্কারগুলোকে তুলে ধরতেন। এই যুক্তিনির্ভর চিন্তাধারা তৎকালীন সমাজে এক নতুন চিন্তার উন্মেষ ঘটায় এবং মানুষকে প্রথাগত অন্ধত্ব থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করে।

১৯। নৈশভোজের আয়োজন: বিদ্যাসাগর বিভিন্ন সময় সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করতেন। তিনি মনে করতেন যে মানুষ হিসেবে আমাদের সকলের দায়িত্ব একে অপরের পাশে দাঁড়ানো। এই ধরনের কাজগুলো সমাজের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধন গড়ে তুলতে সাহায্য করত। তার এই মানবিক উদ্যোগগুলো তাকে একজন প্রকৃত মানবপ্রেমী হিসেবে পরিচিত করে।

উপসংহার: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন এক মহৎপ্রাণ পুরুষ, যিনি তাঁর কর্ম, চিন্তা ও আদর্শ দিয়ে বাংলার সমাজকে নতুন করে গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর প্রবর্তিত বিধবা বিবাহ আইন থেকে শুরু করে নারী শিক্ষার প্রসার, বাংলা গদ্যের সংস্কার এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতিষ্ঠা—সবকিছুই আমাদের পথ দেখায়। তিনি ছিলেন এক সত্যিকার মানবতাবাদী, যিনি আজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তাঁর অবদান চিরকাল আমাদের সমাজে প্রেরণা যোগাবে।

একনজরে উত্তর দেখুন

💖 বিধবা বিবাহ প্রচলন ❌ বহুবিবাহ রোধ 🧒 বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ 👩‍🎓 নারী শিক্ষা 📚 স্বাক্ষরতা বৃদ্ধি 💡 সমাজ সংস্কারের মূল ভিত্তি 🖋️ বাংলা গদ্যের জনক 🚫 দুর্নীতি দমন 🏥 চিকিৎসা পরিষেবা 🌃 নৈশ বিদ্যালয় 💰 অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন গ্রামের শিক্ষা 📰 সংবাদপত্র প্রকাশ ⚖️ নৈতিকতা ও আদর্শ 🧑‍🏫 শিক্ষক প্রশিক্ষণ 🤝 সহায়তা ও দান 🫂 মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি 🧠 যুক্তিনির্ভর চিন্তা 🍽️ নৈশভোজের আয়োজন।

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সমাজ সংস্কারের যাত্রা ছিল এক দীর্ঘ ও চ্যালেঞ্জিং পথ। ১৮৫৫ সালে তিনি ‘বিধবা বিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কিনা’ শীর্ষক একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেন, যা এই আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপন করে। এর ফলস্বরূপ, ১৮৫৬ সালের ২৬শে জুলাই ‘বিধবা বিবাহ আইন’ (Act XV) পাশ হয়। ১৮৬৩ সালে তিনি নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য ‘নারীশিক্ষা বিধায়ক’ নামে একটি পুস্তিকা রচনা করেন। তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাজ ছিল ‘বর্ণপরিচয়’, যা ১৮৫৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা বর্ণমালা শেখার পদ্ধতিকে সহজ করে তোলে। এছাড়া, ১৮৬৭ সালে তিনি বহুবিবাহ রদ করার জন্য সরকারের কাছে একটি আবেদনপত্র জমা দেন, যেখানে প্রায় ২৫,০০০ মানুষ স্বাক্ষর করেছিল। এই ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে, বিদ্যাসাগরের প্রতিটি পদক্ষেপই ছিল সুপরিকল্পিত এবং সমাজের গভীর পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত।

  • Previous নারী শিক্ষা বিস্তার ও সামাজ সংস্কারে বেগম রোকেয়ার অবদান ব্যাখ্যা।
  • Next একে ফজলুল হক কে ছিলেন? সমাজ কল্যাণে তাঁর অবদান বর্ণনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1365)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    নয়া গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য বর্ণনা কর।
    আদর্শবাদের সংজ্ঞা দাও।
    “একদেশ সমাজতন্ত্র” তত্ত্বটি ব্যাখ্যা কর।
    মার্কসবাদ ও লেনিনবাদের মধ্যে পার্থক্য কী?

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM