• Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
    • Home
    • Class 0-12
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
  • mdreadaim@gmail.com
  • Read at Home
Login > Register
Read Aim
Read Aim
  • Home
  • Class 0-12
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • readaim.com
  • 0
১৯৬৬ সালের ৬ দফা কর্মসূচি ব্যখ্যা

প্রশ্ন:- ১৯৬৬ সালের ৬ দফা কর্মসূচি ব্যখ্যা কর।

উত্তর।।ভূমিকা: ১৯৬৬ সালের ছয়-দফা কর্মসূচি ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) জনগণের স্বায়ত্তশাসন ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আদায়ের এক ঐতিহাসিক সনদ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক উত্থাপিত এই ছয়টি দাবি কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না, বরং এটি ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। এই দফাগুলো বাঙালির জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে এক নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছিল এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে এক অসামান্য ভূমিকা পালন করে।

১। প্রথম দফা: শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি: প্রথম দফায় প্রস্তাব করা হয় যে, পাকিস্তানে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। এতে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে আইনসভা গঠিত হবে। এই দফার মূল লক্ষ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানে প্রকৃত গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং পশ্চিম পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের একচেটিয়া ক্ষমতা হ্রাস করা। এটি ছিল জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসন পরিচালনার একটি স্পষ্ট দাবি।

২। দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা: দ্বিতীয় দফায় বলা হয় যে, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা কেবল প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক নীতি এই দুটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে। বাকি সকল ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যগুলোর (প্রদেশগুলোর) হাতে ন্যস্ত থাকবে। এই দফার উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ বন্ধ করা এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী আইন প্রণয়ন ও শাসনকার্য পরিচালনা করার সুযোগ পেত।

৩। তৃতীয় দফা: মুদ্রা ও অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা: তৃতীয় দফায় দুটি বিকল্প প্রস্তাব করা হয়। প্রথমত, পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য সহজে বিনিময়যোগ্য দুটি পৃথক মুদ্রা প্রবর্তন করা হবে, যা উভয় অঞ্চলের মধ্যে মূলধন পাচার রোধ করবে। দ্বিতীয়ত, যদি একক মুদ্রা প্রবর্তন করা হয়, তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে এমন একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থাকবে, যার ক্ষমতা থাকবে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পৃথক ও কার্যকর মুদ্রা নীতি প্রণয়নের। এই দফাটি অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে একটি কার্যকর পদক্ষেপ ছিল।

৪। চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর ও শুল্ক নির্ধারণের ক্ষমতা: চতুর্থ দফায় বলা হয় যে, সকল প্রকার রাজস্ব, কর ও শুল্ক ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকার তাদের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য অঙ্গরাজ্যগুলোর ধার্যকৃত রাজস্বের একটি নির্দিষ্ট অংশ পাবে। এই দফার উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজস্বের উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা, যাতে তাদের উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত তহবিল নিশ্চিত করা যায়। এটি ছিল অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

৫। পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রা: পঞ্চম দফায় বলা হয় যে, প্রতিটি অঙ্গরাজ্য নিজেদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখবে। কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা অঙ্গরাজ্যগুলো সমানুপাতিক হারে অথবা সংবিধানের নির্ধারিত হারে প্রদান করবে। এছাড়া, প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিদেশে বাণিজ্য চুক্তি করার ক্ষমতা দেওয়া হবে। এই দফাটি পূর্ব পাকিস্তানের বৈদেশিক বাণিজ্যের উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

৬। ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী বা মিলিশিয়া গঠন: ষষ্ঠ দফায় প্রস্তাব করা হয় যে, পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার জন্য একটি আঞ্চলিক সেনাবাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করা হবে। এই দফার উদ্দেশ্য ছিল ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের অরক্ষিত অবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধ করা এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এটি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দীর্ঘদিনের সামরিক সুরক্ষার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এবং আত্মরক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা।

৭। গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা: ছয় দফার মূল লক্ষ্য ছিল আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তানে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করা। এটি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটাধিকার এবং সংসদীয় পদ্ধতির সরকারের উপর জোর দিয়েছিল, যা ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা। ছয় দফা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিগুলোকে শক্তিশালী করার দাবি জানিয়েছিল।

৮। অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ: ছয় দফার প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে একটি ছিল পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বিরাজমান চরম অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা। পৃথক মুদ্রা, রাজস্ব ও বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত করার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এটি ছিল পূর্ব বাংলার জনগণের প্রতি অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে একটি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।

৯। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণ: ছয় দফা পূর্ব পাকিস্তানের জন্য প্রায় পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবি করেছিল। প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক নীতি ছাড়া সকল ক্ষমতা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত করার প্রস্তাব ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের চূড়ান্ত রূপ। এটি পূর্ব বাংলার মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি সুস্পষ্ট ঘোষণা ছিল, যা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও উন্নয়নের পথ সুগম করবে।

১০। বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ: ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। এই দাবিগুলো পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে তাদের স্বতন্ত্র জাতিসত্তা, ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি আরও সচেতন করে তোলে এবং পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণমূলক নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করে। এটি বাঙালি জাতির জন্য একটি অভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।

১১। আইয়ুব খানের শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ: ছয় দফা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই দাবিগুলো আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র এবং কেন্দ্রীভূত শাসন ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো উন্মোচন করে দেয়। ছয় দফার প্রতি জনগণের ব্যাপক সমর্থন আইয়ুব খানের সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং তার পতনকে ত্বরান্বিত করে।

১২। স্বাধীনতার পথে প্রথম সোপান: যদিও ছয় দফা সরাসরি স্বাধীনতার দাবি ছিল না, তবে এটি ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সোপান। ছয় দফার প্রতিটি দফাই পূর্ব পাকিস্তানের জন্য এমন ব্যাপক স্বায়ত্তশাসনের কথা বলতো, যা প্রকারান্তরে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকেই প্রতিবিম্বিত করে। এটি ছিল বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত ধাপ এবং ভবিষ্যতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ভিত্তি।

১৩। জনগণের সমর্থন ও গণআন্দোলন: ছয় দফা কর্মসূচি পূর্ব পাকিস্তানের আপামর জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, বুদ্ধিজীবী এবং সাধারণ মানুষ এই দাবিগুলোকে নিজেদের মুক্তির সনদ হিসেবে গ্রহণ করে। ছয় দফার পক্ষে সারা দেশে ব্যাপক জনসভা, মিছিল ও আন্দোলন গড়ে ওঠে, যা এটিকে একটি গণআন্দোলনে পরিণত করে।

১৪। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠা: ছয় দফা কর্মসূচি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পূর্ব পাকিস্তানের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। ছয় দফা উত্থাপন এবং এর পক্ষে নিরলস সংগ্রাম তাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে এবং বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে তাকে পরিচিতি এনে দেয়। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব এই আন্দোলনকে সফলতার দিকে নিয়ে যায়।

১৫। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা: ছয় দফার জনপ্রিয়তা আইয়ুব খানকে শঙ্কিত করে তোলে। এর প্রতিক্রিয়ায় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যদের বিরুদ্ধে “আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা” দায়ের করেন, যেখানে অভিযোগ করা হয় যে তারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। এই মামলা অবশ্য ছয় দফার প্রতি জনগণের সমর্থনকে আরও বাড়িয়ে দেয় এবং বঙ্গবন্ধুকে জাতীয় বীরে পরিণত করে।

উপসংহার: ১৯৬৬ সালের ছয়-দফা কর্মসূচি ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। এটি কেবল কিছু রাজনৈতিক দাবি ছিল না, বরং এটি ছিল বাঙালির দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। এই ছয়টি দাবি বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনাকে এক নতুন মাত্রায় উন্নীত করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করে। ছয় দফা চিরকাল বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

একনজরে উত্তর দেখুন
  1. 📜 প্রথম দফা: শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
  2. 🏛️ দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. 💰 তৃতীয় দফা: মুদ্রা ও অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা
  4. 📊 চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর ও শুল্ক নির্ধারণের ক্ষমতা
  5. 🌍 পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রা
  6. 🛡️ ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী বা মিলিশিয়া গঠন
  7. 🗳️ গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা
  8. ⚖️ অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ
  9. 🚨 প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণ
  10. 🚨 বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ
  11. ✊ আইয়ুব খানের শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ
  12. 🌟 স্বাধীনতার পথে প্রথম সোপান
  13. 👥 জনগণের সমর্থন ও গণআন্দোলন
  14. 👑 বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠা
  15. 🚨 আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন। এই কর্মসূচি মূলত পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দাবি করে। এই দফার মূল লক্ষ্য ছিল ১৯৫৮ সাল থেকে চলে আসা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের অধীনে পূর্ব পাকিস্তানের উপর চাপানো অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বৈষম্য দূর করা। ছয় দফার প্রথম দফায় যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির সরকার, দ্বিতীয় দফায় প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক নীতি ছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিতকরণ, তৃতীয় দফায় পৃথক মুদ্রা ব্যবস্থা, চতুর্থ দফায় রাজস্ব ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা প্রদেশের হাতে, পঞ্চম দফায় বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ এবং ষষ্ঠ দফায় আঞ্চলিক মিলিশিয়া গঠনের দাবি করা হয়। এই কর্মসূচি বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং এর ফলস্বরূপ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ প্রশস্ত হয়।

Tags: ১৯৬৬ সালের ৬ দফা১৯৬৬ সালের ৬ দফা কর্মসূচি১৯৬৬ সালের ৬ দফা কর্মসূচি ব্যখ্যা কর।১৯৬৬ সালের ৬ দফার দফাসমূহ
  • Previous ছয় দাফা কর্মসূচিকে কেন বাঙ্গালিদের ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।
  • Next ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের পটভূমি ও গুরুত্ব সম্পর্কে লিখ।
Read Aim

SUBSCRIBE


    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1082)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1253)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    পাকিস্তানের গণতন্ত্রায়নের সমস্যা সমাধানের উপায় আলোচনা কর।
    ভারতে সংসদীয় গণতন্ত্রের সফলতার কারণগুলো ব্যাখ্যা কর।
    সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে নেপালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণসমূহ আলোচনা কর।
    পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM