• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- ক্রীতদাস প্রথার পক্ষে এরিস্টটলের যুক্তিগুলো কি কি?

উত্তর।।ভূমিকা: প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের দর্শন মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক অনস্বীকার্য ভূমিকা পালন করেছে। তাঁর রাজনৈতিক, নৈতিক এবং সামাজিক চিন্তাধারা আজও আলোচনা ও বিতর্কের বিষয়। যদিও তাঁর অনেক মতবাদকে আধুনিক সমাজ গ্রহণ করেছে, তবে তাঁর কিছু বিতর্কিত ধারণা রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো দাস প্রথার পক্ষে তাঁর যুক্তি। অ্যারিস্টটল তাঁর সময়ের প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী দাসত্বকে একটি প্রাকৃতিক এবং অপরিহার্য সামাজিক ব্যবস্থা হিসেবে দেখেছিলেন। তাঁর যুক্তিগুলো আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে অমানবিক মনে হলেও, তৎকালীন গ্রিক সমাজের প্রেক্ষাপটে এই ধারণাগুলো বিশ্লেষণ করা জরুরি।

ক্রীতদাস প্রথার পক্ষে এরিস্টটলের যুক্তিসমূহ:

১. প্রাকৃতিক দাসত্ব: অ্যারিস্টটল তাঁর ‘পলিটিক্স’ গ্রন্থে দাসত্বকে দুটি ভাগে ভাগ করেছেন: প্রাকৃতিক দাসত্ব ও আইনগত দাসত্ব। তিনি বিশ্বাস করতেন যে কিছু মানুষ জন্মগতভাবেই দাসত্বের জন্য উপযুক্ত, কারণ তাদের বুদ্ধিমত্তা ও যুক্তিবোধ কম। তাদের প্রধান গুণ হলো শারীরিক শক্তি। এই ধরনের মানুষদের তিনি ‘প্রাকৃতিক দাস’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর মতে, প্রকৃতি যেমন শাসক ও শাসিতের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে, তেমনি বুদ্ধিমান ও শারীরিক শক্তিসম্পন্ন মানুষদের মধ্যেও পার্থক্য তৈরি করে। তাই, এই ধরনের মানুষদের শাসক বা প্রভুর অধীনে থাকাটা তাদের ও সমাজের উভয়ের জন্যই মঙ্গলজনক।

২. শাসকের প্রয়োজনীয়তা:  অ্যারিস্টটলের মতে, যেমন একজন মানুষের দেহ তার আত্মার দ্বারা পরিচালিত হয়, তেমনি দাসদেরও তাদের প্রভুর দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত। তিনি মনে করতেন, দাসদের নিজেদের ভালো-মন্দ বোঝার মতো পর্যাপ্ত যুক্তিবোধ থাকে না। তাই, তাদের একজন প্রজ্ঞাবান ও বুদ্ধিমান প্রভুর তত্ত্বাবধানে থাকা অপরিহার্য। প্রভু তার দাসদের জীবনযাপন, কাজ এবং নৈতিক বিকাশের জন্য সঠিক নির্দেশনা দিতে পারে। এই শাসন দাসদের জন্য এক ধরনের সুরক্ষা এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিত করে, যা তাদের নিজেদের মধ্যে স্বকীয়ভাবে গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

৩. সমাজের অর্থনৈতিক ভিত্তি:  অ্যারিস্টটলের যুগে, দাসপ্রথা ছিল গ্রিক অর্থনীতির মূল ভিত্তি। কৃষিকাজ, খনি এবং অন্যান্য উৎপাদনমূলক কাজে দাসদের শ্রম ব্যবহার করা হতো। অ্যারিস্টটল এই অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে অস্বীকার করেননি, বরং একে একটি যৌক্তিক এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হিসেবে দেখেছিলেন। তিনি মনে করতেন, নাগরিকদের যদি রাষ্ট্র পরিচালনা, দর্শন চর্চা এবং শিল্পকলার মতো উন্নত কাজে মনোনিবেশ করতে হয়, তবে তাদের অবশ্যই দৈনন্দিন শ্রম থেকে মুক্তি দেওয়া উচিত। আর এই শ্রমের দায়িত্ব দাসদের উপর ন্যস্ত করাই ছিল যুক্তিযুক্ত।

৪. প্রভুর দায়িত্ব:  অ্যারিস্টটল কেবল দাসত্বের পক্ষে যুক্তি দেননি, বরং দাসদের প্রতি প্রভুর কিছু নৈতিক দায়িত্বের কথাও বলেছেন। তিনি মনে করতেন, একজন ভালো প্রভুর উচিত তার দাসদের প্রতি সদয় আচরণ করা, তাদের শারীরিক নির্যাতন না করা এবং তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। তার মতে, দাসদের সাথে ভালো ব্যবহার করা হলে তারা আরো বেশি অনুগত ও কর্মঠ হয়ে ওঠে। এটি প্রভু এবং দাস উভয়ের জন্যই একটি উপকারী সম্পর্ক তৈরি করে, যা সমাজের স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি।

৫. দাসদের কল্যাণের যুক্তি:  অ্যারিস্টটলের মতে, দাসত্ব দাসদের জন্য এক ধরনের কল্যাণ বয়ে আনে। কারণ, তাদের নিজেদের জীবন পরিচালনার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয় না, যা তাদের জন্য কঠিন হতে পারত। তাদের জীবন পরিচালিত হয় একজন জ্ঞানী ও যুক্তিবাদী প্রভুর দ্বারা, যিনি তাদের ভালো-মন্দ বোঝেন। এর ফলে দাসরা একধরনের মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পায় এবং তাদের জীবন সহজ ও সরল থাকে। এই অর্থে, দাসত্ব তাদের জন্য এক ধরনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রদান করে।

৬. পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ অ্যারিস্টটল দাসদের পরিবারের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখেছেন। তিনি মনে করতেন, যেমন একজন গৃহকর্তা তার স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি দায়িত্ব পালন করেন, তেমনি তার দাসদের প্রতিও তার দায়িত্ব থাকে। এই সম্পর্কের মধ্যে এক ধরনের স্নেহ ও অভিভাবকত্বের ধারণা ছিল। তিনি দাসদেরকে চলন্ত যন্ত্রের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যা গৃহস্থালীর কাজগুলোকে সহজ করে তোলে। এই অর্থে, দাসত্ব ছিল পারিবারিক জীবনের একটি স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয় অংশ।

৭. শাসক ও শাসিতের স্বাভাবিক সম্পর্ক:  অ্যারিস্টটলের মতে, প্রকৃতিতে সবকিছুর মধ্যেই একটি স্বাভাবিক শ্রেণিবিন্যাস রয়েছে। যেমন পুরুষ নারীর উপর শাসন করে, আত্মা দেহের উপর শাসন করে, তেমনি বুদ্ধিমান মানুষরা কম বুদ্ধিমান মানুষদের উপর শাসন করবে, এটাই স্বাভাবিক। দাসপ্রথা ছিল এই প্রাকৃতিক নিয়মেরই একটি প্রতিফলন। তিনি বিশ্বাস করতেন, এই ধরনের অসম সম্পর্ক কেবল সমাজে নয়, বরং প্রকৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রে বিদ্যমান।

৮. যুদ্ধবন্দিদের দাসত্ব:  অ্যারিস্টটল যুদ্ধের মাধ্যমে পরাজিত শত্রুদের দাস হিসেবে গ্রহণ করাকে বৈধ মনে করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, যেহেতু তারা যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে, তাই তাদের ভাগ্য দাসত্বের সঙ্গে জড়িত। তবে তিনি এই বিষয়ে একটি সতর্কবাণীও দিয়েছিলেন। তার মতে, যদি কোনো ব্যক্তি অন্যায়ভাবে দাসত্ব বরণ করে, তবে তা অনৈতিক। কিন্তু যারা প্রাকৃতিক দাস, তাদের ক্ষেত্রে দাসত্ব ন্যায্য।

৯. গ্রিক নাগরিকদের স্বাধীনতা:  অ্যারিস্টটল মনে করতেন, গ্রিকরা জন্মগতভাবে স্বাধীন এবং তারা অন্য কোনো জাতির উপর দাসত্ব চাপিয়ে দেবে না। বরং, তিনি মনে করতেন, অন্যান্য বর্বর জাতির লোকেরা জন্মগতভাবেই দাসত্বের জন্য উপযুক্ত। এই ধারণাটি গ্রিকদের শ্রেষ্ঠত্বের একটি প্রতিফলন ছিল, যা তৎকালীন গ্রিক সমাজের এক সাধারণ বিশ্বাস ছিল। এই ধারণা গ্রিকদের নিজেদের মধ্যে দাসপ্রথার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে নিরুৎসাহিত করে।

১০. রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা:  অ্যারিস্টটলের মতে, দাসপ্রথা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একটি অপরিহার্য ব্যবস্থা ছিল। যখন সমাজের একটি বড় অংশ শ্রমের দায়িত্ব থেকে মুক্ত থাকে, তখন তারা রাষ্ট্র পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং দার্শনিক আলোচনায় মনোনিবেশ করতে পারে। এই ব্যবস্থা সমাজে একধরনের শৃঙ্খলা ও ভারসাম্য তৈরি করে, যা প্লেটোর মতো তিনিও একটি আদর্শ রাষ্ট্রের জন্য জরুরি মনে করতেন।

উপসংহার: অ্যারিস্টটলের দাসপ্রথা সম্পর্কিত যুক্তিগুলো তৎকালীন গ্রিক সমাজের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও দার্শনিক প্রেক্ষাপটে গড়ে উঠেছিল। যদিও আধুনিক যুগে এই ধারণাগুলো সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য ও অমানবিক, তবে এটি তাঁর সময়ের বাস্তবতা এবং চিন্তাভাবনার প্রতিফলন। দাসপ্রথার পক্ষে তাঁর যুক্তিগুলো আমাদের দেখিয়ে দেয় যে, কীভাবে একজন মহান দার্শনিকের চিন্তাধারাও সময়ের সীমাবদ্ধতার দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে।

একনজরে উত্তর দেখুন
  1. প্রাকৃতিক দাসত্ব
  2. শাসকের প্রয়োজনীয়তা
  3. সমাজের অর্থনৈতিক ভিত্তি
  4. প্রভুর দায়িত্ব
  5. দাসদের কল্যাণের যুক্তি
  6. পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ
  7. শাসক ও শাসিতের স্বাভাবিক সম্পর্ক
  8. যুদ্ধবন্দিদের দাসত্ব
  9. গ্রিক নাগরিকদের স্বাধীনতা
  10. রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

অ্যারিস্টটলের দাসপ্রথার পক্ষে যুক্তিগুলো খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাঁর এই তত্ত্ব পরবর্তীকালে রোমান সাম্রাজ্য ও মধ্যযুগের পণ্ডিতদের প্রভাবিত করে। ১৭শ এবং ১৮শ শতাব্দীতে আমেরিকায় দাসপ্রথার পক্ষে দেওয়া যুক্তিগুলোর সঙ্গে অ্যারিস্টটলের অনেক যুক্তির মিল পাওয়া যায়। ১৯৬০ সালে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত সিভিল রাইটস মুভমেন্টের (Civil Rights Movement) মাধ্যমে দাসপ্রথা ও বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে এক প্রবল প্রতিবাদ গড়ে ওঠে।

Tags: ক্রীতদাস প্রথার পক্ষে এরিস্টটলের  যুক্তিক্রীতদাস প্রথার পক্ষে এরিস্টটলের যুক্তি
  • Previous সর্বোত্তম রাষ্ট্র ও সর্বোত্তম কার্যকর রাষ্ট্রের মধ্যে রার্থক্য দেখাও।
  • Next এরিস্টটলের মধ্য তন্ত্র কী?
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1877)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    ভূ-রাজনীতির বৈশিষ্ট্য কী?
    রাজনৈতিক জোট গঠনের পক্ষে যুক্তি দাও।
    দল ও সরকারের মধ্যে সম্পর্ক নির্দেশ কর।
    প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্বাচনের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM