• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- বাংলাদেশের অধিবাসীদের অর্থ সামাজিক জীবনধারায় ভূ-প্রকৃতির প্রভাব আলোচনা কর।

উত্তর::প্রাককথা:- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ। এর ভূ-প্রকৃতি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়, যা এখানকার মানুষের জীবন ও জীবিকাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। নদী-নালা, খাল-বিল, উর্বর সমভূমি, সবুজ পাহাড় আর সুবিশাল উপকূল—এই সবকিছুর সমন্বয়ে গঠিত ভূ-প্রকৃতিই যুগ যুগ ধরে এদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক কাঠামোকে রূপদান করে আসছে। তাই বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রা বুঝতে হলে এর ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যকে জানা অপরিহার্য।

১। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি গঠন: বাংলাদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকাই প্লাবন সমভূমি, যা নদীবাহিত পলি দ্বারা গঠিত। এই উর্বর মাটি ধান, পাট, গম, ইক্ষু ও বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ফলে দেশের অর্থনীতি মূলত কৃষিভিত্তিক হয়ে উঠেছে এবং অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। অনুকূল ভূ-প্রকৃতিই এখানকার মানুষকে কৃষিজীবী হতে উৎসাহিত করেছে।

২। নদীভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা: জালের মতো ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য নদ-নদী প্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে, যেখানে সড়কপথের উন্নয়ন ততটা সহজসাধ্য ছিল না, সেখানে নৌপথই ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতের মূল ভিত্তি। এই নদীগুলোই পণ্য পরিবহনের খরচ কমিয়ে এনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সচল রেখেছে এবং গ্রামীণ হাট-বাজারের বিকাশে সহায়তা করেছে।

৩। মৎস্য সম্পদের প্রাচুর্য: অসংখ্য নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশকে মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ করেছে। মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে অন্যতম। দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ মাছ ধরা, চাষ করা এবং বাজারজাতকরণের সাথে জড়িত। এই ভূ-প্রাকৃতিক আশীর্বাদ একদিকে যেমন আমিষের চাহিদা মেটাচ্ছে, তেমনি রপ্তানি আয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

৪। শিল্পের অবস্থান নির্ধারণ: ভূ-প্রকৃতি দেশের শিল্পের অবস্থানকেও প্রভাবিত করেছে। উদাহরণস্বরূপ, নদী তীরবর্তী এবং বন্দর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে পাটকল, বস্ত্রকল এবং অন্যান্য ভারী শিল্প গড়ে উঠেছে। কারণ, এসব স্থানে কাঁচামাল আনা ও উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করা সহজ। আবার, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ গ্যাস ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ আবিষ্কৃত হওয়ায় সেখানে সার কারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে।

৫। জনবসতির বিন্যাস: ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনবসতির ঘনত্বে তারতম্য দেখা যায়। উর্বর সমভূমি অঞ্চলে জীবনযাত্রা সহজ হওয়ায় এবং কৃষিকাজের সুযোগ বেশি থাকায় সেখানে জনবসতি অত্যন্ত ঘন। পক্ষান্তরে, পাহাড়ি ও উপকূলীয় দুর্যোগপ্রবণ এলাকাগুলোতে জীবন ধারণ কঠিন হওয়ায় জনবসতি তুলনামূলকভাবে কম। নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকায় মানুষ ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়, যা তাদের সামাজিক জীবনকে অস্থিতিশীল করে তোলে।

৬। খাদ্যাভ্যাসের ভিন্নতা: ভূ-প্রকৃতির তারতম্য মানুষের খাদ্যাভ্যাসেও প্রভাব ফেলে। নদী ও বিল অঞ্চলের মানুষ স্বাভাবিকভাবেই মাছ-ভাত বেশি খায়, যা তাদের প্রধান খাদ্য। আবার, উত্তরাঞ্চলের মানুষ, যেখানে নদী-নালার সংখ্যা কম, তাদের খাদ্যতালিকায় ভাতের পাশাপাশি রুটি ও শাক-সবজির প্রাধান্য দেখা যায়। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ তাদের নিজস্ব উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও জুম চাষের ফসলের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

৭। পোশাক-পরিচ্ছদের ভিন্নতা: বাংলাদেশের জলবায়ু ও ভূ-প্রকৃতি এখানকার মানুষের পোশাককেও প্রভাবিত করেছে। আর্দ্র ও উষ্ণ আবহাওয়ার কারণে এদেশের মানুষ সাধারণত হালকা ও সুতির পোশাক পরতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। বর্ষাকালে কাদা-পানি থেকে বাঁচতে এবং শীতকালে উত্তরাঞ্চলের ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে মানুষের পোশাকে ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। এই অভিযোজন মূলত ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথেই সম্পর্কিত।

৮। ঘরবাড়ির নির্মাণশৈলী: ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘরবাড়ির নির্মাণশৈলীতে পার্থক্য দেখা যায়। বন্যাপ্রবণ এলাকায় মানুষ উঁচু ভিটিতে বা বাঁশের খুঁটির উপর ঘর তৈরি করে। পাহাড়ি ঢালে আদিবাসীরা বিশেষ কৌশলে তাদের ঘর নির্মাণ করে। উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পেতে মজবুত ও নিচু চালাযুক্ত ঘরবাড়ি তৈরি করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়, যা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে খাপ খাইয়ে চলার একটি প্রচেষ্টা।

৯। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের উপর প্রভাব: ভূ-প্রকৃতি মানুষের মন-মানসিকতা ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের উপরেও সূক্ষ্ম প্রভাব ফেলে। সমতল ভূমির মানুষের জীবনযাত্রা তুলনামূলকভাবে সহজ হওয়ায় তারা সাধারণত শান্ত ও অতিথিপরায়ণ হয়। অন্যদিকে, পাহাড়ি ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষকে প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সাথে সংগ্রাম করে বাঁচতে হয়, যা তাদের কষ্টসহিষ্ণু, সাহসী ও সংগ্রামী করে তুলেছে।

১০। পর্যটন শিল্পের বিকাশ: বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতি পর্যটন শিল্পের বিকাশে বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কক্সবাজারের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, পার্বত্য চট্টগ্রামের সবুজ পাহাড়, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন এবং সিলেটের চা বাগান দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এই স্থানগুলোকে কেন্দ্র করে হোটেল, মোটেল ও পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

 

১১। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জীবন সংগ্রাম: নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় বাংলাদেশকে প্রায় প্রতি বছর বন্যা, নদী ভাঙন, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হয়। এই দুর্যোগগুলো মানুষের জীবন ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি করে, কৃষিকে ব্যাহত করে এবং উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। এর ফলে, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষকে এক অনিশ্চিত ও সংগ্রামী জীবনযাপন করতে হয়, যা তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে দুর্বল করে দেয়।

১২। বনজ সম্পদের ভূমিকা: দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকা এবং দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবন মূল্যবান বনজ সম্পদে পরিপূর্ণ। সুন্দরবনের সুন্দরী, গেওয়া, গরান গাছ এবং পাহাড়ি অঞ্চলের সেগুন, গর্জন, চাপালিশ কাঠ ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বন থেকে মধু, মোম ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ সংগ্রহ করে বহু মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

১৩। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সুবিধা: বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ উপকূল এবং চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দ্বার উন্মুক্ত করেছে। এই বন্দরগুলো দিয়ে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সিংহভাগ পরিচালিত হয়। এই কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান বাংলাদেশকে বহির্বিশ্বের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করেছে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

১৪। নৃ-তাত্ত্বিক বৈচিত্র্য: ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার কারণে বাংলাদেশে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উদ্ভব হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠী বসবাস করে, যাদের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সমতলের বাঙালিদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা পাহাড়ি পরিবেশে জুম চাষ এবং নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে জীবনধারণ করে, যা দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করেছে।

১৫। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদের উৎস: বাংলাদেশের ভূ-গঠন প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ও বিভিন্ন খনিজ সম্পদের উৎসস্থল। তিতাস, হবিগঞ্জ, কৈলাসটিলার মতো গ্যাসক্ষেত্রগুলো দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করে। বড়পুকুরিয়ার কয়লা খনি বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলো দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে, যা ভূ-প্রকৃতির এক বিশেষ দান।

১৬। সংস্কৃতি ও উৎসবের উপর প্রভাব: ভূ-প্রকৃতি ও ঋতুচক্র এদেশের সংস্কৃতি ও উৎসবকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। নবান্ন উৎসব, বর্ষবরণ, পৌষ সংক্রান্তি ইত্যাদি উৎসবগুলো কৃষিকাজ ও ঋতু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত। নদীর সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অঞ্চলে নৌকা বাইচের মতো লোকজ উৎসবের প্রচলন রয়েছে। এই উৎসবগুলো মানুষের সামাজিক জীবনকে আনন্দময় ও রঙিন করে তোলে।

১৭। নদী ভাঙনের আর্থ-সামাজিক প্রভাব: একদিকে নদী যেমন পলি দিয়ে ভূমিকে উর্বর করে, অন্যদিকে নদী ভাঙন প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষকে ভিটেমাটি ছাড়া করে। ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো সর্বস্ব হারিয়ে শহরমুখী হয় এবং বস্তিতে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়। এই ঘটনা দারিদ্র্য বৃদ্ধি, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও অপরাধ প্রবণতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, যা দেশের আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

১৮। উপকূলীয় লবণাক্ততা ও তার প্রভাব: জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বাড়ছে। এর ফলে ফসলি জমিতে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিচ্ছে। এই প্রতিকূল পরিবেশের কারণে মানুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী পেশা ছেড়ে অন্য পেশা গ্রহণে বাধ্য হচ্ছে এবং অনেকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে।

১৯। পাহাড়ি অঞ্চলের স্বতন্ত্র অর্থনীতি: পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূ-প্রকৃতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হওয়ায় সেখানে এক স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এখানকার অধিবাসীরা মূলত জুম চাষ, ফল (আনারস, কলা, কমলা) বাগান এবং বনজ সম্পদ আহরণের উপর নির্ভরশীল। বর্তমানে রাবার ও কাজুবাদামের চাষও জনপ্রিয় হচ্ছে। এই অঞ্চলের দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা অর্থনৈতিক উন্নয়নকে কিছুটা বাধাগ্রস্ত করলেও এর নিজস্ব সম্ভাবনা রয়েছে।

২০। হাওর অঞ্চলের জীবন ও অর্থনীতি: দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত হাওরগুলো এক বিশাল জলরাশি, যা বর্ষাকালে সাগরের রূপ ধারণ করে। এই সময়ে নৌকা হয়ে ওঠে একমাত্র বাহন এবং মাছ ধরাই হয়ে ওঠে প্রধান জীবিকা। আবার শুষ্ক মৌসুমে এই হাওরগুলো বিস্তৃত ফসলের মাঠে পরিণত হয়, যেখানে বোরো ধানের ব্যাপক চাষাবাদ হয়। এই স্বতন্ত্র ভূ-প্রকৃতি হাওর অঞ্চলের মানুষের জন্য এক ভিন্নধর্মী আর্থ-সামাজিক জীবনধারা তৈরি করেছে।

২১। সীমান্তবর্তী বাণিজ্য ও তার প্রভাব: বাংলাদেশের তিন দিকে ভারতের সাথে সীমান্ত রয়েছে, যা ভূ-প্রকৃতি দ্বারা নির্ধারিত। এই সীমান্ত অঞ্চলগুলোতে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাটকে কেন্দ্র করে এক ধরনের স্থানীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি-রপ্তানি করে জীবিকা নির্বাহ করে। এটি একদিকে যেমন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ায়, তেমনি কখনো কখনো চোরাচালানের মতো অবৈধ কার্যকলাপেরও জন্ম দেয়।

উপসংহা: পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক জীবনধারা তার ভূ-প্রকৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কৃষি, বাণিজ্য, বসতি, সংস্কৃতি থেকে শুরু করে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার প্রতিটি ক্ষেত্রে ভূ-প্রকৃতির সুস্পষ্ট প্রভাব বিদ্যমান। এই ভূ-প্রকৃতি একদিকে যেমন অফুরন্ত সম্ভাবনা ও আশীর্বাদের উৎস, তেমনি অন্যদিকে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জও তৈরি করে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই বাংলাদেশ তার অগ্রযাত্রার পথে এগিয়ে চলেছে।

 
একনজরে উত্তর দেখুন

🌾 ১। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি গঠন
⛵ ২। নদীভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা
🐟 ৩। মৎস্য সম্পদের প্রাচুর্য
🏭 ৪। শিল্পের অবস্থান নির্ধারণ
🏘️ ৫। জনবসতির বিন্যাস
🍚 ৬। খাদ্যাভ্যাসের ভিন্নতা
👕 ৭। পোশাক-পরিচ্ছদের ভিন্নতা
🏠 ৮। ঘরবাড়ির নির্মাণশৈলী
🙂 ৯। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের উপর প্রভাব
🏞️ ১০। পর্যটন শিল্পের বিকাশ
🌊 ১১। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জীবন সংগ্রাম
🌳 ১২। বনজ সম্পদের ভূমিকা
🚢 ১৩। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সুবিধা
👩‍🌾 ১৪। নৃ-তাত্ত্বিক বৈচিত্র্য
⛽ ১৫। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদের উৎস
🎉 ১৬। সংস্কৃতি ও উৎসবের উপর প্রভাব
📉 ১৭। নদী ভাঙনের আর্থ-সামাজিক প্রভাব
🧂 ১৮। উপকূলীয় লবণাক্ততা ও তার প্রভাব
⛰️ ১৯। পাহাড়ি অঞ্চলের স্বতন্ত্র অর্থনীতি
🏞️ ২০। হাওর অঞ্চলের জীবন ও অর্থনীতি
🎉 ২১। সীমান্তবর্তী বাণিজ্য ও তার প্রভাব

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির প্রভাব ঐতিহাসিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৫৪ এবং ১৯৭৪ সালের ভয়াবহ বন্যা দেশের কৃষি অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল, যা পরবর্তীতে খাদ্য নিরাপত্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর তথ্যমতে, এখনও দেশের প্রায় ৪০% শ্রমশক্তি কৃষিখাতে নিয়োজিত, যা ভূ-প্রকৃতির উর্বরতার প্রত্যক্ষ ফল। ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আনে এবং উপকূলীয় বাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বাড়লে বাংলাদেশের প্রায় ১৭% ভূমি তলিয়ে যেতে পারে, যা भविष्यে আর্থ-সামাজিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

Tags: অর্থ সামাজিক জীবনধারায় ভূ-প্রকৃতিজনোগোষ্ঠির উপর ভূ-প্রকৃতির প্রভাবভূ-প্রকৃতির প্রভাবমানব জীবনধারায় ভূ-প্রকৃতির প্রভাবসমাজ ও জনোগোষ্ঠিসামাজিক জীবনধারায় ভূ-প্রকৃতির প্রভাব
  • Previous বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
  • Next প্রশ্ন উত্তর ডেমো
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1648)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্ব আলোচনা কর।
    পররাষ্ট্রনীতি কাকে বলে? পররাষ্ট্রনীতির প্রধান উপাদানগুলো আলোচনা কর।
    বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ আলোচনা কর।
    জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে সৃষ্ট প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM