• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বিস্তারিত আলোচনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: ভাষা নদীর স্রোতের মতো বহমান ও পরিবর্তনশীল। হাজার বছরের পথ পরিক্রমায় নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে জন্মলাভ করেছে আমাদের প্রিয় বাংলা ভাষা। পৃথিবীর অন্যতম সমৃদ্ধ ও শ্রুতিমধুর এই ভাষার রয়েছে এক গৌরবময় ইতিহাস। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে এর জন্ম থেকে আজকের আধুনিক রূপ পর্যন্ত বিবর্তন এক দীর্ঘ ও আকর্ষণীয় অধ্যায়, যা জানা প্রত্যেক বাঙালির জন্য অপরিহার্য।

১। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী: বাংলা ভাষার মূল উৎস হলো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী। প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মধ্য এশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে বা ইউরোপের পূর্বাঞ্চলে বসবাসকারী একটি জাতি এই ভাষায় কথা বলত। কালের পরিক্রমায় তারা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়লে তাদের ভাষাও নানা শাখায় বিভক্ত হয়ে পড়ে। বাংলা ভাষা এই আদি ভাষাগোষ্ঠীর ‘শতম’ শাখার অন্তর্গত, যা এর সুদূর অতীতের পরিচয় বহন করে।

২। আর্য ভাষার আগমন: ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর যে শাখাটি ইরান ও ভারতীয় উপমহাদেশে প্রবেশ করে, তা ইন্দো-ইরানীয় বা আর্য শাখা নামে পরিচিত। খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ১৫০০ অব্দের দিকে আর্যরা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রবেশ করে এবং তাদের কথ্য ভাষা থেকে বৈদিক ও সংস্কৃত ভাষার জন্ম হয়। এই আর্য ভাষাই হলো বাংলা ভাষার ঊর্ধ্বতন বংশধর, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন আঞ্চলিক রূপ লাভ করতে শুরু করে।

৩। প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা: ভারতীয় উপমহাদেশে আর্যদের ভাষার প্রথম স্তরটি হলো প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা। এর দুটি প্রধান রূপ হলো বৈদিক ও সংস্কৃত। বৈদিক ভাষা ছিল মূলত ধর্মীয় স্তোত্র ও মন্ত্রের ভাষা, আর সংস্কৃত ছিল সাহিত্য ও পাণ্ডিত্যের ভাষা। যদিও সাধারণ মানুষ এই পরিশীলিত ভাষায় কথা বলত না, তবুও বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার ও ব্যাকরণিক কাঠামোতে এর গভীর প্রভাব বিদ্যমান।

৪। মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা (প্রাকৃত): সাধারণ মানুষের কথ্য ভাষা হিসেবে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা বিবর্তিত হয়ে মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার জন্ম দেয়, যা ‘প্রাকৃত’ নামে পরিচিত। খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দ থেকে ১০০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই ভাষার প্রচলন ছিল। এ সময় অশোকের শিলালিপি সহ বিভিন্ন সাহিত্য এই প্রাকৃত ভাষায় রচিত হয়। এই প্রাকৃত ভাষাই বাংলা ভাষার জননী হিসেবে সরাসরি ভূমিকা পালন করেছে।

৫। মাগধী প্রাকৃত: ভৌগোলিক অবস্থান এবং আঞ্চলিক প্রভাবের কারণে প্রাকৃত ভাষা বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে পড়ে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ‘মাগধী প্রাকৃত’, যা মগধ বা বিহার অঞ্চলে প্রচলিত ছিল। বাংলা ভাষা এই মাগধী প্রাকৃত থেকেই উদ্ভূত হয়েছে বলে অধিকাংশ ভাষাবিদ একমত। এই স্তর থেকেই বাংলা তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য অর্জন করতে শুরু করে এবং অন্যান্য ভাষা থেকে আলাদা হতে থাকে।

৬। অপভ্রংশ-অবহট্ঠ স্তর: মাগধী প্রাকৃত ভাষা আরও পরিবর্তিত ও সরল হয়ে ‘মাগধী অপভ্রংশ’ এবং পরবর্তীতে ‘অবহট্ঠ’ স্তরে প্রবেশ করে। ‘অপভ্রংশ’ শব্দের অর্থ ‘বিকৃত’ বা ‘নষ্ট’, যা মূলত প্রাকৃত ভাষার সরলীকৃত রূপকে বোঝায়। ভাষাবিদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, এই মাগধী অপভ্রংশ থেকেই দশম শতাব্দীর দিকে বাংলা, অসমীয়া ও ওড়িয়া ভাষার জন্ম হয়েছে। এটিই বাংলা ভাষার জন্মের ঠিক আগের পর্যায়।

৭। প্রাচীন বাংলা (চর্যাপদ): বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদকে গণ্য করা হয়। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে এটি আবিষ্কার করেন। এর রচনাকাল আনুমানিক ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। চর্যাপদের ভাষায় বাংলা ভাষার অপরিণত রূপ ফুটে উঠেছে, যা তৎকালীন সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনের প্রতিচ্ছবি বহন করে। এটিই হলো আমাদের ভাষার শৈশবকাল।

৮। তুর্কি বিজয় ও ফারসির প্রভাব: ১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের পর থেকে এদেশে মুসলিম শাসনের সূচনা হয়। এর ফলে রাজকার্যে এবং সামাজিক জীবনে আরবি ও ফারসি ভাষার ব্যাপক প্রভাব পড়ে। হাজার হাজার ফারসি শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারে প্রবেশ করে আমাদের ভাষাকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। আইন, প্রশাসন, ব্যবসা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই প্রভাব আজও সুস্পষ্ট।

৯। মধ্যযুগীয় বাংলা (শ্রীকৃষ্ণকীর্তন): চতুর্দশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা ভাষার মধ্যযুগ বলা হয়। এই যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক নিদর্শন হলো বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য। চর্যাপদের সন্ধ্যা ভাষার পর এতেই বাংলা ভাষার অপেক্ষাকৃত পরিণত রূপ দেখা যায়। এই সময়েই মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, অনুবাদ সাহিত্য ইত্যাদি রচনার মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিকশিত হতে থাকে।

১০। চৈতন্যদেবের প্রভাব: পঞ্চদশ শতকে শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাব বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে। তিনি সংস্কৃতির পরিবর্তে সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা বাংলায় তাঁর ভাব ও ধর্মমত প্রচার করেন। এর ফলে বাংলা ভাষা সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং তাঁর অনুসারীদের রচিত বৈষ্ণব পদাবলির মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যায়।

১১। সুলতান ও মোঘল আমলে পৃষ্ঠপোষকতা: বাংলার স্বাধীন সুলতান এবং পরবর্তীতে মোঘল শাসকেরাও বাংলা ভাষার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁরা সভাকবি নিয়োগ করে রামায়ণ, মহাভারতের মতো সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করান। সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ, আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এবং সম্রাট আকবরের মতো শাসকের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষা রাজদরবারেও মর্যাদা লাভ করে।

১২। ইউরোপীয়দের আগমন ও গদ্যের সূচনা: আঠারো শতকে ইংরেজসহ অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তির আগমনের ফলে বাংলা ভাষায় আবার নতুন পরিবর্তন আসে। মুদ্রণযন্ত্রের প্রতিষ্ঠা এবং ইংরেজদের প্রশাসনিক প্রয়োজনে বাংলা গদ্যের সূচনা হয়। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ এবং মিশনারিরা বাংলা গদ্যের কাঠামো তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, যা বাংলা ভাষাকে আধুনিকতার পথে চালিত করে।

১৩। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ (১৮০০): বাংলা গদ্যের বিকাশে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। তৎকালীন ইংরেজ প্রশাসকদের বাংলা শেখানোর জন্য ১৮০০ সালে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখানকার পণ্ডিত উইলিয়াম কেরি, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, রামরাম বসু প্রমুখ বাংলা পাঠ্যপুস্তক রচনা করে বাংলা গদ্যের প্রাথমিক রূপ নির্মাণ করেন, যা ছিল সুশৃঙ্খল ও প্রাতিষ্ঠানিক।

১৪। রাজা রামমোহন রায়ের অবদান: আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে রাজা রামমোহন রায়কে কৃতিত্ব দেওয়া হয়। তিনি প্রথম বাংলা ভাষায় দর্শন, ধর্ম ও সামাজিক বিষয়ের মতো জটিল আলোচনা উপস্থাপন করেন। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য প্রথম সাবলীল ও যুক্তিনিষ্ঠ রূপ লাভ করে। তিনি বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেও ভাষার কাঠামোকে সুসংহত করেন।

১৫। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সংস্কার: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে তার শৈশবকাল থেকে যৌবনে পৌঁছে দেন। তিনি যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার, সরল ও প্রাঞ্জল বাক্য গঠন এবং শব্দচয়নের মাধ্যমে বাংলা গদ্যকে এক শিল্পরূপ দান করেন। তাঁর রচিত ‘বর্ণপরিচয়’ থেকে শুরু করে ‘শকুন্তলা’ ও ‘সীতার বনবাস’ পর্যন্ত প্রতিটি রচনা বাংলা গদ্যের পথকে মসৃণ করেছে।

১৬। সাহিত্যিকদের হাতে আধুনিক রূপ: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, কাজী নজরুল ইসলাম প্রমুখ সাহিত্যিকের লেখনীতে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য তার স্বর্ণযুগে প্রবেশ করে। রবীন্দ্রনাথ একাই বাংলা ভাষাকে বিশ্বসাহিত্যের দরবারে পরিচিত করান এবং এর প্রতিটি শাখাকে সমৃদ্ধ করেন। তাঁদের হাতেই বাংলা ভাষা ভাব প্রকাশের এক শক্তিশালী ও শৈল্পিক মাধ্যমে পরিণত হয়।

১৭। চলিত ভাষার প্রতিষ্ঠা: পূর্বে সাধু ভাষা সাহিত্যের প্রধান মাধ্যম থাকলেও, প্রমথ চৌধুরীর নেতৃত্বে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতির সাহিত্যিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি দেখান যে, মুখের ভাষাই হলো জীবন্ত ভাষা এবং এটিই সাহিত্যের সবচেয়ে উপযোগী বাহন। তাঁর এই প্রচেষ্টা বাংলা ভাষাকে আরও গতিশীল ও সাধারণ মানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসে।

১৮। দেশভাগ ও ভাষার সংগ্রাম (১৯৪৭-১৯৫২): ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ভাষার উপর আঘাত আসে। উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বাঙালিরা তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলে। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও অনেকে ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করেন। এই আত্মত্যাগ বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করে।

১৯। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি: ভাষা আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ফলে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এটি ছিল বাঙালির জাতীয়তাবাদের এক বিশাল বিজয় এবং এই চেতনাই পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পথ প্রশস্ত করে। ভাষা আন্দোলন বিশ্বের ইতিহাসে ভাষার জন্য সংগ্রামের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।

২০। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা: বাঙালির ভাষা আন্দোলনের এই মহান আত্মত্যাগকে সম্মান জানিয়ে ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর ফলে বাংলা ভাষার সংগ্রাম বিশ্বের সকল মাতৃভাষার অধিকার রক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এটি বাংলা ভাষার জন্য এক অসামান্য গৌরব ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

২১। বর্তমান অবস্থা ও বিশ্বায়ন: বর্তমানে বাংলা ভাষা প্রায় ৩০ কোটি মানুষের মুখের ভাষা এবং বিশ্বের সপ্তম বহুল প্রচলিত ভাষা। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেট, কম্পিউটার ও মোবাইলে বাংলার ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে। যদিও বিশ্বায়নের প্রভাবে কিছু ক্ষেত্রে ভাষার বিকৃতি ঘটছে, তবুও নতুন নতুন শব্দ গ্রহণ করে এবং নতুন মাধ্যমে বিকশিত হয়ে বাংলা ভাষা প্রতিনিয়ত নিজেকে সমৃদ্ধ করে চলেছে।

উপসংহার: হাজার বছরের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষা আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছে। চর্যাপদের অস্পষ্টতা থেকে শুরু করে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের গদ্যচর্চা, বিদ্যাসাগরের সংস্কার এবং ভাষা আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী ইতিহাস—সবই এর ক্রমবিকাশের গৌরবময় সাক্ষী। আমাদের দায়িত্ব এই মহান ঐতিহ্যকে রক্ষা করা এবং শুদ্ধ চর্চার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর মহিমাকে পৌঁছে দেওয়া।

একনজরে উত্তর দেখুন

📜 ১। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী
📖 ২। আর্য ভাষার আগমন
🕉️ ৩। প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা
🗣️ ৪। মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা (প্রাকৃত)
🌏 ৫। মাগধী প্রাকৃত
📖 ৬। অপভ্রংশ-অবহট্ঠ স্তর
📝 ৭। প্রাচীন বাংলা (চর্যাপদ)
🕌 ৮। তুর্কি বিজয় ও ফারসির প্রভাব
📖 ৯। মধ্যযুগীয় বাংলা (শ্রীকৃষ্ণকীর্তন)
🙏 ১০। চৈতন্যদেবের প্রভাব
👑 ১১। সুলতান ও মোঘল আমলে পৃষ্ঠপোষকতা
📖 ১২। ইউরোপীয়দের আগমন ও গদ্যের সূচনা
🏛️ ১৩। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ (১৮০০)
🧔 ১৪। রাজা রামমোহন রায়ের অবদান
✍️ ১৫। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সংস্কার
✒️ ১৬। সাহিত্যিকদের হাতে আধুনিক রূপ
💬 ১৭। চলিত ভাষার প্রতিষ্ঠা
🔥 ১৮। দেশভাগ ও ভাষার সংগ্রাম (১৯৪৭-১৯৫২)
📖 ১৯। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি
🌐 ২০। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা
💻 ২১। বর্তমান অবস্থা ও বিশ্বায়ন

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বাংলা ভাষার ইতিহাসের কালানুক্রম বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। ভাষাবিদদের মতে, ৯৫০ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়। এর প্রাচীনতম নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলা গদ্যের প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা শুরু হয়। একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হলো, ১৯৪৮ সালের ১১ই মার্চ ভাষার দাবিতে প্রথম হরতাল পালিত হয়। পরবর্তীতে, ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির আত্মত্যাগের পর ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিতে বাধ্য হয়। সবশেষে, ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে, যা ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে।

Tags: ক্রমবিকাশ আলোচনা করপত্তি ও ক্রমবিকাশবাংলা ভাষাবাংলা ভাষার উৎপত্তিবাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশবাংলা ভাষার ক্রমবিকাশভাষার উৎপত্তি
  • Previous স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বাংলা ভাষার অবদান আলোচনা কর।
  • Next বাংলাদেশের অধিবাসীদের অর্থ সামাজিক জীবনধারায় ভূ-প্রকৃতির প্রভাব
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1650)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার প্রধান প্রধান সমস্যাসমূহ আলোচনা কর। 
    ভূ-রাজনীতির উপাদানসমূহ আলোচনা কর।
    বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্ব আলোচনা কর।
    পররাষ্ট্রনীতি কাকে বলে? পররাষ্ট্রনীতির প্রধান উপাদানগুলো আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM