• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- সমালোচনাসহ প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্বটি আলোচনা কর।

উত্তর::প্রস্তাবনা: প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর ‘সাম্যবাদ তত্ত্ব’ মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ধারণা। তাঁর মহাকাব্যিক গ্রন্থ ‘রিপাবলিক’-এ তিনি এমন একটি আদর্শ রাষ্ট্রের blueprint তুলে ধরেছিলেন, যেখানে শাসক ও সৈনিক শ্রেণি ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও পারিবারিক বন্ধন থেকে মুক্ত থেকে রাষ্ট্রের সেবায় সম্পূর্ণভাবে নিজেদের উৎসর্গ করবে। প্লেটোর এই তত্ত্বের মূল লক্ষ্য ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে প্রত্যেকে নিজ নিজ ভূমিকা দক্ষতার সাথে পালন করবে। তবে তাঁর এই তত্ত্ব যেমন প্রশংসা পেয়েছে, তেমনি এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনাও হয়েছে।

প্লেটোর সাম্যবাদের সমালোচনা: -

১. মানব প্রকৃতি বিরোধী: প্লেটোর সাম্যবাদ মানব প্রকৃতির মৌলিক প্রবৃত্তির বিরোধী। পরিবার ও ব্যক্তিগত সম্পত্তির আকাঙ্ক্ষা মানুষের সহজাত। এই দুটিকে অস্বীকার করার মাধ্যমে প্লেটো এমন এক ব্যবস্থা কল্পনা করেছেন যা বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব। মানুষের স্নেহ, মমতা ও ব্যক্তিগত অর্জনের স্পৃহাকে দমন করে রাষ্ট্রীয় ঐক্য আনা অবাস্তব এবং এক প্রকার জবরদস্তি।

২. সৃজনশীলতা ও অনুপ্রেরণার অভাব: ব্যক্তিগত সম্পত্তি না থাকলে মানুষ উদ্ভাবন ও কঠোর পরিশ্রমে উৎসাহ হারায়। অভিভাবক শ্রেণী যদি জানে যে তাদের কাজের কোনো ব্যক্তিগত পুরস্কার নেই এবং তাদের সন্তানরাও এর সুফল পাবে না, তবে তাদের মধ্যে কর্মবিমুখতা ও উদাসীনতা তৈরি হতে পারে। ফলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক অগ্রগতি ও সৃজনশীলতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৩. মনস্তাত্ত্বিক শূন্যতা সৃষ্টি: পরিবার প্রথা বিলুপ্ত হলে এবং সন্তানরা রাষ্ট্র দ্বারা পালিত হলে পিতা-মাতা ও সন্তানের মধ্যেকার স্বাভাবিক স্নেহ-ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। এটি শিশুদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং এক ধরনের পরিচয়হীনতা ও মনস্তাত্ত্বিক শূন্যতা তৈরি করে। পারিবারিক বন্ধনহীন একটি সমাজ আবেগগতভাবে সুস্থির হতে পারে না, যা রাষ্ট্রের জন্যও ক্ষতিকর।

৪. রাষ্ট্রের একনায়কতান্ত্রিক রূপ: প্লেটোর সাম্যবাদ রাষ্ট্রকে ব্যক্তির জীবনের ওপর চরম নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে, যা একনায়কতন্ত্রের নামান্তর। নাগরিকদের ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক এবং সম্পত্তির ওপর রাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য ব্যক্তিস্বাধীনতাকে সম্পূর্ণভাবে হরণ করে। এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রই মুখ্য, ব্যক্তি সেখানে নিছকই রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষার একটি যন্ত্রে পরিণত হয়, তার নিজস্ব কোনো সত্তা থাকে না।

৫. অর্ধ-সাম্যবাদ ও বিভেদ সৃষ্টি: প্লেটোর সাম্যবাদ সার্বজনীন নয়, এটি কেবল অভিভাবক শ্রেণীর জন্য প্রযোজ্য। উৎপাদক শ্রেণী ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও পরিবারের অধিকারী থাকবে। এটি সমাজে দুটি ভিন্ন ধারার জীবনযাত্রা তৈরি করে, যা ঐক্যের পরিবর্তে বিভেদ সৃষ্টি করবে। এই অর্ধ-সাম্যবাদ মূলত শাসক ও শাসিতের মধ্যে একটি অলঙ্ঘনীয় প্রাচীর তৈরি করে রাষ্ট্রের সংহতিকে দুর্বল করে।

প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্বটির বৈশিষ্ট্যসমূহ: -

১। পারিবারিক সাম্যবাদ: প্লেটো মনে করতেন, রাষ্ট্রের শাসক ও সৈনিকদের কোনো ব্যক্তিগত পরিবার থাকা উচিত নয়। তাদের সন্তান-সন্ততিরাও রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে বড় হবে এবং তারা জানবে না কে তাদের প্রকৃত পিতা-মাতা। এর ফলে তারা রাষ্ট্রের প্রতি আরও বেশি অনুগত হবে এবং কোনো ব্যক্তিগত বা পারিবারিক স্বার্থ তাদের কর্তব্য পালনে বাধা দিতে পারবে না। প্লেটোর মতে, ব্যক্তিগত পরিবার মানুষকে স্বার্থপর করে তোলে এবং রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থকে উপেক্ষা করতে শেখায়। তিনি বিশ্বাস করতেন যে পারিবারিক বন্ধন শাসক এবং সৈনিকদের পক্ষপাতদুষ্ট করে তোলে, যা একটি আদর্শ রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। এই ব্যবস্থা রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের মধ্যে একতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তুলবে, কারণ তারা সবাই একটি বৃহত্তর পরিবারের সদস্য হিসেবে নিজেদেরকে দেখতে পাবে।

২। সম্পত্তির সাম্যবাদ: প্লেটো শাসক ও সৈনিক শ্রেণির জন্য কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তির ধারণা সমর্থন করেননি। তাঁর মতে, ব্যক্তিগত সম্পত্তি লোভ, দুর্নীতি এবং শ্রেণি-বৈষম্যের জন্ম দেয়। যদি শাসক ও সৈনিকদের কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি না থাকে, তাহলে তারা কেবল রাষ্ট্রের কল্যাণের জন্যই কাজ করবে। তাদের বসবাসের স্থান, খাদ্য, বস্ত্র ইত্যাদি সবই রাষ্ট্র থেকে সরবরাহ করা হবে। প্লেটো মনে করতেন, অর্থনৈতিক বৈষম্য রাষ্ট্রকে দুর্বল করে এবং সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করে। তাই এই শ্রেণির সদস্যরা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত ভাতা বা অন্যান্য সুবিধা নিয়ে জীবনযাপন করবে, যা তাদের দায়িত্ব পালনে মনোযোগ দিতে সাহায্য করবে এবং কোনো ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করার প্রলোভন থেকে দূরে রাখবে।

৩। জ্ঞানী শাসক ও সাম্যবাদ: প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্ব কেবলমাত্র শাসক ও সৈনিক শ্রেণির জন্য প্রযোজ্য ছিল। তার মতে, সমাজের সাধারণ উৎপাদক শ্রেণি, যেমন কৃষক, কারিগর, ব্যবসায়ীরা, ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং পারিবারিক জীবন যাপনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না। প্লেটোর মতে, শাসক হবেন দার্শনিক রাজারা, যারা প্রজ্ঞা, ন্যায়পরায়ণতা এবং দূরদর্শিতার অধিকারী হবেন। এই জ্ঞানী শাসকরাই সাম্যবাদের মূল নীতিগুলো কার্যকর করবেন এবং রাষ্ট্রের সকলের জন্য ন্যায় নিশ্চিত করবেন। প্লেটো বিশ্বাস করতেন যে, জ্ঞানীরাই একমাত্র মানুষ যারা কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্রের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

৪। সাম্যবাদের সীমাবদ্ধতা: প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্ব সমাজে দুটি স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত করে, যেখানে শাসক ও সৈনিকদের জন্য এক ধরনের নিয়ম এবং উৎপাদক শ্রেণির জন্য অন্য ধরনের নিয়ম প্রচলিত ছিল। এটি সমাজে একটি নতুন ধরনের বৈষম্য তৈরি করতে পারে। তার এই তত্ত্ব সমাজে একটি চরম স্বৈরাচারী শাসনের জন্ম দিতে পারে, যেখানে জনগণের ইচ্ছার কোনো মূল্য নেই এবং শাসক শ্রেণির ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এছাড়াও, ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং পরিবারকে সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা মানব প্রকৃতির মৌলিক চাহিদার বিরুদ্ধে যায়, যা এই তত্ত্বকে বাস্তবায়নের অযোগ্য করে তোলে। এই সীমাবদ্ধতাগুলি এই তত্ত্বের বাস্তব প্রয়োগকে প্রায় অসম্ভব করে তোলে।

৫। স্বার্থপরতা দূরীকরণ: প্লেটোর সাম্যবাদের একটি প্রধান উদ্দেশ্য ছিল শাসক ও সৈনিকদের মধ্যে থেকে ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা দূর করা। তিনি মনে করতেন, যখন একজন ব্যক্তি পরিবার এবং সম্পত্তির মালিকানা থেকে মুক্ত হয়, তখন সে কেবল রাষ্ট্রের স্বার্থ নিয়েই চিন্তা করে। এই ধরনের মানুষরা শুধুমাত্র জনকল্যাণের জন্য কাজ করে, যা একটি আদর্শ রাষ্ট্র গঠনের জন্য অপরিহার্য। প্লেটো বিশ্বাস করতেন যে, ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা সকল সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যার মূল কারণ। তাই এই তত্ত্বের মাধ্যমে তিনি একটি নিঃস্বার্থ ও নিবেদিতপ্রাণ শ্রেণির সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন, যারা রাষ্ট্রের সেবাকেই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করবে।

৬। রাষ্ট্রের ঐক্য ও সংহতি: প্লেটো মনে করতেন, ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং পরিবার রাষ্ট্রের ঐক্য ও সংহতি নষ্ট করে। যখন মানুষের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে, তখন তারা একে অপরের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত হয়। সাম্যবাদের মাধ্যমে তিনি এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন যেখানে সবাই রাষ্ট্রের জন্য কাজ করবে, কোনো ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়। এই তত্ত্বের লক্ষ্য ছিল একটি সুসংহত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে কোনো ধরনের অন্তর্দ্বন্দ্ব থাকবে না। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, শাসক ও সৈনিকদের মধ্যে ব্যক্তিগত স্বার্থের অভাব রাষ্ট্রের সকল শ্রেণির মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করবে।

৭। শাসক শ্রেণির বিশুদ্ধতা রক্ষা: প্লেটোর মতে, শাসক ও সৈনিকদের লোভ, দুর্নীতি এবং নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করার জন্য সাম্যবাদ অপরিহার্য। ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং পরিবার তাদেরকে এসব থেকে দূরে রাখবে। তিনি মনে করতেন, নৈতিকভাবে বিশুদ্ধ শাসক শ্রেণিই একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে। তাই, এই তত্ত্বের মাধ্যমে তিনি শাসক শ্রেণির নৈতিক শুদ্ধতা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন। প্লেটো বিশ্বাস করতেন যে, একজন শাসক যখন কোনো ব্যক্তিগত লাভের আশা না করে, তখন তার সিদ্ধান্তগুলো ন্যায় এবং জনকল্যাণমূলক হয়। এই বিশুদ্ধতা রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব এবং সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৮। আদর্শ রাষ্ট্রের ভিত্তি: প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্ব তাঁর আদর্শ রাষ্ট্র ‘রিপাবলিক’-এর একটি অপরিহার্য অংশ। তাঁর মতে, এই তত্ত্ব ছাড়া একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। এই তত্ত্বটি এমন একটি রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করে, যেখানে প্রত্যেকে তার দায়িত্ব পালন করে এবং রাষ্ট্রের বৃহত্তর কল্যাণে অবদান রাখে। এটি একটি এমন সমাজের চিত্র তুলে ধরেছে, যেখানে প্রতিটি শ্রেণি তাদের নিজ নিজ কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হয়। এই তত্ত্বটি প্লেটোর সামগ্রিক রাজনৈতিক দর্শনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করে।

৯। নারীর সমান অধিকার: প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল নারীর সমান অধিকারের ধারণা। তিনি মনে করতেন, নারীদেরও পুরুষদের মতো সমানভাবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করা উচিত, বিশেষ করে শাসক ও সৈনিক শ্রেণির মধ্যে। প্লেটোর মতে, নারীরাও পুরুষদের মতো বুদ্ধিমত্তা এবং শারীরিক সক্ষমতার অধিকারী হতে পারে, তাই তাদেরও রাষ্ট্রের সেবা করার সুযোগ দেওয়া উচিত। এটি সেই সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে একটি অত্যন্ত প্রগতিশীল ধারণা ছিল, যখন নারীদের সাধারণত গৃহস্থালি কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হতো। এই তত্ত্বের মাধ্যমে প্লেটো সমাজে নারী-পুরুষের মধ্যে বিদ্যমান অসমতা দূর করতে চেয়েছিলেন।

১০। যৌথ পরিবার ও সন্তান পালন: প্লেটো প্রস্তাব করেছিলেন যে শাসক ও সৈনিক শ্রেণির সন্তানরা যৌথভাবে লালিত-পালিত হবে। এই শিশুরা রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে বড় হবে এবং তাদের পিতামাতা কে তা জানবে না। এর ফলে, তারা কোনো নির্দিষ্ট পরিবারের প্রতি নয়, বরং সমগ্র রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করবে। এই ব্যবস্থাটি শিশুদের মধ্যে একতা এবং দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগিয়ে তুলবে। প্লেটো বিশ্বাস করতেন যে, এই ধরনের যৌথ পরিবার ব্যবস্থা শিশুদের মধ্যে ব্যক্তিগত স্বার্থের পরিবর্তে সম্মিলিত স্বার্থের বোধ গড়ে তুলবে। এই শিশুরা তাদের পিতামাতার পরিচয় না জানার কারণে কোনো বিশেষ সুবিধা বা বৈষম্যের শিকার হবে না।

১১। মেধা ও সামর্থ্যের ভিত্তিতে শ্রেণি বিভাজন: প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্ব সমাজে মেধা ও সামর্থ্যের ভিত্তিতে শ্রেণি বিভাজনকে সমর্থন করে। তার মতে, প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ দেওয়া উচিত। শাসক ও সৈনিক শ্রেণি তাদের মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হবে এবং তারা সাম্যবাদের নীতিগুলো মেনে চলবে। এই ব্যবস্থাটি নিশ্চিত করবে যে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্যতম ব্যক্তিরাই অধিষ্ঠিত থাকবেন। প্লেটো বিশ্বাস করতেন যে, একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজে প্রত্যেকে তার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করলে রাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। এই ধরনের শ্রেণি বিভাজন জন্মগত পরিচয়ের পরিবর্তে যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেবে।

১২। ব্যক্তিগত স্বাধীনতা খর্ব: প্লেটোর সাম্যবাদের একটি প্রধান সমালোচনা হলো এটি ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে খর্ব করে। শাসক ও সৈনিকদের ব্যক্তিগত পরিবার এবং সম্পত্তির অধিকার কেড়ে নেওয়া তাদের মৌলিক মানবিক অধিকারের লঙ্ঘন। এই ব্যবস্থাটি মানুষকে কেবল রাষ্ট্রের একটি অংশ হিসেবে গণ্য করে, যার কোনো নিজস্ব ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা নেই। ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অভাব একটি স্বৈরাচারী শাসনের জন্ম দিতে পারে, যেখানে individual-এর কোনো মূল্য নেই। সমালোচকরা মনে করেন যে, মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি এবং মৌলিক অধিকারকে উপেক্ষা করে এই ধরনের ব্যবস্থা কখনোই সফল হতে পারে না।

১৩। মানব প্রকৃতির বিরুদ্ধে: অনেক সমালোচক প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্বকে মানব প্রকৃতির বিরুদ্ধে বলে মনে করেন। মানুষের মধ্যে পরিবার এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তির প্রতি একটি সহজাত টান থাকে। এই সহজাত প্রবৃত্তিগুলোকে উপেক্ষা করে কোনো সামাজিক ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। প্লেটোর এই তত্ত্ব মানব মনের স্বাভাবিক চাহিদাগুলোকে অগ্রাহ্য করে। পারিবারিক বন্ধন এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তির আকাঙ্ক্ষা মানব সমাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা প্লেটোর তত্ত্ব অস্বীকার করে। সমালোচকরা বলেন যে, এই ধরনের একটি অস্বাভাবিক ব্যবস্থা সমাজে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে।

১৪। উৎপাদক শ্রেণির প্রতি বৈষম্য: প্লেটোর সাম্যবাদ কেবল শাসক ও সৈনিক শ্রেণির জন্য প্রযোজ্য ছিল, উৎপাদক শ্রেণির জন্য নয়। এটি সমাজে একটি দ্বৈত ব্যবস্থা তৈরি করে, যেখানে এক শ্রেণির মানুষ সমস্ত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয় এবং অন্য শ্রেণি সকল সুবিধা ভোগ করে। এই বৈষম্য সমাজের মধ্যে অসন্তোষ ও বিভেদ সৃষ্টি করতে পারে। সমালোচকরা বলেন যে, এই ধরনের বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা কোনোভাবেই একটি আদর্শ রাষ্ট্রের ভিত্তি হতে পারে না, কারণ এটি ন্যায়বিচারের মূল নীতির পরিপন্থী। এই তত্ত্বটি একটি শ্রেণি-সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি করে, যা রাষ্ট্রের ঐক্য নষ্ট করতে পারে।

১৫। বাস্তব প্রয়োগের অযোগ্যতা: প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্বকে অনেকেই অবাস্তব এবং প্রয়োগের অযোগ্য বলে মনে করেন। মানব ইতিহাসে এমন কোনো উদাহরণ নেই যেখানে এই ধরনের একটি ব্যবস্থা সফলভাবে কার্যকর করা হয়েছে। ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং পরিবারের অনুপস্থিতি একটি মানুষের জীবন থেকে আনন্দ এবং অনুপ্রেরণা কেড়ে নিতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত সমাজের ক্ষতি করে। এই তত্ত্বটি ইউটোপীয় চিন্তার একটি প্রতিফলন, যা বাস্তবতার সাথে সম্পর্কহীন। সমালোচকরা বলেন যে, এই ধরনের একটি ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে গেলে সমাজের মৌলিক কাঠামো ভেঙে পড়বে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে।

১৬। রাষ্ট্রের একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠা: প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্ব একটি চরম রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত সমাজের জন্ম দিতে পারে, যেখানে শাসক শ্রেণির ওপর কোনো প্রকারের গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এই ব্যবস্থাটি রাষ্ট্রের একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে, যেখানে ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা মতামত প্রকাশের কোনো সুযোগ থাকে না। সমালোচকরা বলেন যে, এই ধরনের একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা স্বাধীনতার পরিপন্থী। রাষ্ট্র যদি সমস্ত ক্ষমতা নিজের হাতে কুক্ষিগত করে, তাহলে জনগণের অধিকার এবং স্বাধীনতা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই তত্ত্বটি একটি স্বৈরাচারী রাষ্ট্রের পথ প্রশস্ত করে, যা গণতন্ত্রের আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক।

১৭। ঐক্য বিনষ্টের সম্ভাবনা: প্লেটো মনে করতেন, তাঁর সাম্যবাদ তত্ত্ব রাষ্ট্রের ঐক্য ও সংহতি বাড়াবে। কিন্তু সমালোচকদের মতে, এই তত্ত্ব বাস্তবে সমাজে বিভেদ ও অসন্তোষ সৃষ্টি করতে পারে। শাসক ও সৈনিক শ্রেণির জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা এবং উৎপাদক শ্রেণির জন্য ভিন্ন ব্যবস্থা, এই ধরনের দ্বৈত নীতি সমাজের মধ্যে শ্রেণি সংঘাতের জন্ম দিতে পারে। এটি রাষ্ট্রের ঐক্য নষ্ট করে এবং সমাজে স্থায়ী অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। সমালোচকরা মনে করেন যে, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে ভারসাম্যহীনতা একটি রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।

১৮। আধুনিক গণতন্ত্রের সাথে বিরোধ: প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্ব আধুনিক গণতন্ত্রের আদর্শের সাথে সম্পূর্ণভাবে বিরোধপূর্ণ। আধুনিক গণতন্ত্রে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার এবং জনগণের নির্বাচিত সরকারই মূল ভিত্তি। প্লেটোর তত্ত্ব এই সকল ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। এটি একটি অগণতান্ত্রিক এবং স্বৈরাচারী ব্যবস্থার প্রস্তাব করে। সমালোচকরা বলেন যে, আধুনিক যুগে এই ধরনের একটি তত্ত্বের কোনো প্রাসঙ্গিকতা নেই। গণতন্ত্রের মূল নীতি হলো জনগণের শাসন, যা প্লেটোর তত্ত্ব সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করে।

উপসংহার: প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্ব একটি বৈপ্লবিক ধারণা হলেও, এর বাস্তবায়ন মানব ইতিহাসে কখনো সম্ভব হয়নি। এটি যেমন একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখিয়েছে, তেমনি এর মধ্যে লুকিয়ে ছিল ব্যক্তি স্বাধীনতার চরম অবজ্ঞা এবং স্বৈরাচারী শাসনের সম্ভাবনা। প্লেটোর এই তত্ত্বটি আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তাকে গভীর ভাবে প্রভাবিত করেছে এবং রাষ্ট্র, সমাজ ও নৈতিকতার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবতে অনুপ্রাণিত করেছে। এটি আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানে একটি অবিস্মরণীয় অবদান হিসেবে চিরকাল বিবেচিত হবে।

একনজরে উত্তর দেখুন

১. 💜 পারিবারিক সাম্যবাদ: শাসক ও সৈনিকদের কোনো ব্যক্তিগত পরিবার থাকবে না।
২. 💙 সম্পত্তির সাম্যবাদ: শাসক ও সৈনিকদের কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি থাকবে না।
৩. 💚 জ্ঞানী শাসক ও সাম্যবাদ: এই তত্ত্ব শুধু শাসক ও সৈনিকদের জন্য প্রযোজ্য।
৪. ❤️ সাম্যবাদের সীমাবদ্ধতা: সমাজে নতুন বৈষম্য ও স্বৈরাচারী শাসনের সম্ভাবনা।
৫. 🧡 স্বার্থপরতা দূরীকরণ: ব্যক্তিগত স্বার্থের পরিবর্তে রাষ্ট্রের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
৬. 💛 রাষ্ট্রের ঐক্য ও সংহতি: ব্যক্তিগত স্বার্থ ত্যাগ করে রাষ্ট্রের সংহতি বজায় রাখা।
৭. 🤍 শাসক শ্রেণির বিশুদ্ধতা রক্ষা: লোভ ও দুর্নীতি থেকে শাসক শ্রেণিকে রক্ষা করা।
৮. 🤎 আদর্শ রাষ্ট্রের ভিত্তি: প্লেটোর আদর্শ রাষ্ট্র ‘রিপাবলিক’-এর একটি অপরিহার্য অংশ।
৯. 💜 নারীর সমান অধিকার: নারীদেরও পুরুষদের মতো সমানভাবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন।
১০. 💙 যৌথ পরিবার ও সন্তান পালন: শিশুদের রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে বড় করা।
১১. 💚 মেধা ও সামর্থ্যের ভিত্তিতে শ্রেণি বিভাজন: যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ বন্টন।
১২. ❤️ ব্যক্তিগত স্বাধীনতা খর্ব: মানুষের মৌলিক স্বাধীনতাকে উপেক্ষা করা।
১৩. 🧡 মানব প্রকৃতির বিরুদ্ধে: মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি ও চাহিদার বিরুদ্ধে এই তত্ত্ব।
১৪. 💛 উৎপাদক শ্রেণির প্রতি বৈষম্য: উৎপাদক শ্রেণির জন্য ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য।
১৫. 🤍 বাস্তব প্রয়োগের অযোগ্যতা: তত্ত্বটি অবাস্তব এবং প্রয়োগযোগ্য নয়।
১৬. 🤎 রাষ্ট্রের একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠা: চরম রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত সমাজের সম্ভাবনা।
১৭. 💜 ঐক্য বিনষ্টের সম্ভাবনা: সমাজে বিভেদ ও শ্রেণি সংঘাত সৃষ্টির সম্ভাবনা।
১৮. 💙 আধুনিক গণতন্ত্রের সাথে বিরোধ: আধুনিক গণতান্ত্রিক আদর্শের সাথে এটি সাংঘর্ষিক।

 
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্বটি তাঁর আনুমানিক ৩৮০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রচিত ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। প্লেটোর এই ধারণাটি তৎকালীন স্পার্টার সামরিক শাসন ব্যবস্থা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন, যেখানে সামরিক শ্রেণি কঠোর নিয়মানুবর্তিতা এবং ব্যক্তিগত ত্যাগের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করত। তাঁর এই তত্ত্বের একটি বিশেষ দিক হলো, এটি শাসক ও সৈনিকদের জন্য ব্যক্তিগত পরিবার ও সম্পত্তির ধারণা বাতিল করে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের চেষ্টা করেছিল। প্লেটোর এই তত্ত্ব পরবর্তীতে বহু সমাজতান্ত্রিক ও সাম্যবাদী চিন্তাবিদকে প্রভাবিত করেছে। উদাহরণস্বরূপ, মধ্যযুগে টমাস মুরের ‘ইউটোপিয়া’ এবং আধুনিক যুগে কার্ল মার্কসের সাম্যবাদী ধারণা প্লেটোর চিন্তার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে বলে মনে করা হয়। তবে, মার্কসের সাম্যবাদ প্লেটোর সাম্যবাদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন, কারণ মার্কস সমাজের সকল শ্রেণির জন্য অর্থনৈতিক সাম্যের কথা বলেন, যেখানে প্লেটো শুধুমাত্র একটি বিশেষ শ্রেণির জন্য এটি সমর্থন করেন।

Tags: প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্বপ্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্বটির সমালোচনাসমালোচনাসহ প্লেটোর সাম্যবাদ তত্ত্ব
  • Previous আধুনিককালে প্লেটোর রাষ্ট্রচিন্তার গুরুত্ব মূল্যায়ন কর।
  • Next গ্রিক রাষ্ট্রচিন্তায় সক্রেটিসের অবদান আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1612)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া আলোচনা কর।
    বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমস্যা ও সম্ভাবনাসমূহ আলোচনা কর।
    বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভূমিকা বর্ণনা কর।
    বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর উপদলীয় কোন্দলের কারণ এবং এর সমাধান আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM