• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- সেন্ট টমাস একুইনাসকে কেন মধ্য যুগের এরিস্টটল বলা হয়?

উত্তর::প্রস্তাবনা: সেন্ট টমাস অ্যাকুইনাস মধ্যযুগের একজন প্রভাবশালী দার্শনিক ও ধর্মতত্ত্ববিদ ছিলেন। তাঁর দর্শন এবং ধর্মতত্ত্বের মূল ভিত্তি ছিল যুক্তি ও বিশ্বাসকে একত্রিত করা। এই ক্ষেত্রে তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের চিন্তাধারাকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের সাথে মিশিয়েছিলেন, যার ফলে তাকে ‘মধ্যযুগের অ্যারিস্টটল’ উপাধি দেওয়া হয়। এই নিবন্ধে, আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব কেন এই মহান দার্শনিককে এমন একটি সম্মানজনক উপাধি দেওয়া হয়েছে।

সেন্ট টমাস একুইনাসকে কেন মধ্য যুগের এরিস্টটল বলার কারণ:-

১. অ্যারিস্টটলের দর্শনের পুনরুজ্জীবন: সেন্ট টমাস অ্যাকুইনাসের সময়কালে, অ্যারিস্টটলের দর্শন ইউরোপে প্রায় হারিয়ে গিয়েছিল। মুসলিম এবং ইহুদি পণ্ডিতদের কাজের মাধ্যমে এই দর্শন আবার ইউরোপে ফিরে আসে। অ্যাকুইনাসই প্রথম ব্যক্তি যিনি অ্যারিস্টটলের দর্শনকে গভীরভাবে অধ্যয়ন করেন এবং এর মূল নীতিগুলোকে খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সক্ষম হন। তিনি প্রমাণ করেন যে, অ্যারিস্টটলের যুক্তিভিত্তিক দর্শন ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং খ্রিস্টীয় বিশ্বাসের সাথে কোনোভাবেই সাংঘর্ষিক নয়, বরং এটি বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। এই পুনরুজ্জীবন তাকে মধ্যযুগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিকদের মধ্যে স্থান করে দিয়েছে।

২. যুক্তি ও বিশ্বাসের সমন্বয়: অ্যাকুইনাস বিশ্বাস করতেন যে, যুক্তি ও বিশ্বাস দুটি আলাদা বিষয় হলেও একে অপরের পরিপূরক। তিনি অ্যারিস্টটলের যুক্তিবিদ্যা ব্যবহার করে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে, ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং তাঁর গুণাবলী যুক্তির মাধ্যমেও বোঝা সম্ভব। তাঁর মতে, প্রাকৃতিক জ্ঞান (যুক্তি) এবং ঐশ্বরিক জ্ঞান (বিশ্বাস) উভয়ই ঈশ্বরের কাছ থেকে আসে, তাই তাদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব থাকতে পারে না। এই সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে তিনি মধ্যযুগের ধর্মীয় চিন্তাধারায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। তাঁর এই প্রচেষ্টা মধ্যযুগের স্কলাস্টিক দর্শনের একটি প্রধান ভিত্তি হয়ে ওঠে।

৩. আদর্শ রাষ্ট্র এবং নৈতিকতা: অ্যারিস্টটলের মতো অ্যাকুইনাসও মনে করতেন যে, রাষ্ট্র এবং নৈতিকতার মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তিনি অ্যারিস্টটলের ‘পলিটিক্স’ গ্রন্থের ধারণাকে গ্রহণ করে বলেন যে, একটি আদর্শ রাষ্ট্র হলো সেটি যেখানে নাগরিকরা নৈতিক জীবনযাপন করতে পারে এবং নিজেদের চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্থাৎ ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করতে পারে। অ্যাকুইনাসের মতে, রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা, যা ন্যায় ও নৈতিকতার ওপর নির্ভরশীল। এই ধারণার মাধ্যমে তিনি অ্যারিস্টটলের রাজনৈতিক দর্শনকে খ্রিস্টীয় প্রেক্ষাপটে নতুন রূপ দেন।

৪. প্রকৃতি এবং ঐশ্বরিক আইন: অ্যাকুইনাস তাঁর দর্শনে ‘প্রাকৃতিক আইন’ (Natural Law) ধারণার প্রবর্তন করেন, যা অ্যারিস্টটলের নীতিশাস্ত্র থেকে অনুপ্রাণিত। তিনি মনে করতেন যে, ঈশ্বর প্রকৃতিতে কিছু নিয়ম স্থাপন করেছেন যা মানুষ তাদের যুক্তির মাধ্যমে বুঝতে পারে। এই প্রাকৃতিক আইন হলো ঐশ্বরিক আইনেরই একটি অংশ। অ্যাকুইনাস বলেন যে, মানুষ এই প্রাকৃতিক আইন অনুসরণ করে ন্যায় ও ভালো-মন্দের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে। এই ধারণা মধ্যযুগের আইনশাস্ত্র এবং রাজনৈতিক দর্শনে একটি স্থায়ী প্রভাব ফেলেছিল।

৫. আত্মা এবং দেহের সম্পর্ক: অ্যারিস্টটলের মতোই অ্যাকুইনাস বিশ্বাস করতেন যে, আত্মা এবং দেহ অবিচ্ছেদ্য। অ্যারিস্টটলের ‘ফর্ম’ এবং ‘ম্যাটার’ ধারণার ওপর ভিত্তি করে অ্যাকুইনাস বলেন যে, আত্মা হলো দেহের ‘ফর্ম’ এবং দেহ হলো ‘ম্যাটার’। তিনি মনে করতেন যে, আত্মা দেহের সাথে একত্রিত হয়েই একজন সম্পূর্ণ মানুষ তৈরি হয়। প্লেটোর দ্বৈতবাদী ধারণার বিপরীতে অ্যাকুইনাসের এই মতবাদ মধ্যযুগের ধর্মতত্ত্বে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। তিনি বলেন যে, মৃত্যুর পর আত্মা দেহের থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও, পুনরুত্থানের সময় আবার দেহের সাথে মিলিত হবে।

৬. কার্যকারণ তত্ত্ব: অ্যাকুইনাস ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে গিয়ে অ্যারিস্টটলের ‘চারটি কারণ’ (Four Causes) তত্ত্ব ব্যবহার করেন। অ্যারিস্টটল যেকোনো বস্তুর অস্তিত্বের জন্য চারটি কারণের কথা বলেছেন: বস্তুগত কারণ, আকারগত কারণ, কার্যকর কারণ এবং চূড়ান্ত কারণ। অ্যাকুইনাস এই তত্ত্বকে কাজে লাগিয়ে বলেন যে, প্রতিটি কার্যকারণের একটি প্রাথমিক কারণ থাকতে হবে, যা হলো ঈশ্বর। তাঁর মতে, এই মহাবিশ্বের সবকিছুই কোনো না কোনো কারণে অস্তিত্ব লাভ করেছে, এবং এই চূড়ান্ত কারণটি হলেন স্বয়ং ঈশ্বর।

৭. দার্শনিক পদ্ধতি: অ্যাকুইনাস তাঁর দার্শনিক আলোচনার জন্য অ্যারিস্টটলের পদ্ধতি ব্যবহার করেন। অ্যারিস্টটলের মতোই তিনি যুক্তি, সংজ্ঞা এবং শ্রেণিবিন্যাসকে তাঁর দর্শনের মূল হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি তাঁর লেখার মধ্যে সমস্যা, পাল্টা-যুক্তি এবং সমাধান-এই তিনটি ধাপ অনুসরণ করতেন, যা স্কলাস্টিক দর্শনের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল। এই পদ্ধতিগত স্বচ্ছতা এবং যৌক্তিকতার কারণে তাঁর কাজগুলো মধ্যযুগের শিক্ষাব্যবস্থায় অপরিহার্য হয়ে ওঠে।

৮. পদার্থবিদ্যা এবং অধিবিদ্যা: অ্যাকুইনাস অ্যারিস্টটলের পদার্থবিদ্যা এবং অধিবিদ্যাকে খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের সাথে একত্রিত করেন। অ্যারিস্টটল মহাবিশ্বের গঠন এবং তার গতির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। অ্যাকুইনাস এই তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে বলেন যে, মহাবিশ্বের সবকিছুই ঈশ্বরের তৈরি এবং ঈশ্বরের দিকেই গতিশীল। তিনি অ্যারিস্টটলের ‘আনমুভড মুভার’ (unmoved mover) ধারণাটিকে ঈশ্বরের সাথে যুক্ত করেন, অর্থাৎ যিনি সবকিছুকে গতি দেন কিন্তু নিজে স্থির থাকেন।

৯. জ্ঞানতত্ত্ব: অ্যাকুইনাস অ্যারিস্টটলের জ্ঞানতত্ত্বকে গ্রহণ করেন, যেখানে বলা হয় যে, জ্ঞান অর্জিত হয় অভিজ্ঞতার মাধ্যমে। অ্যাকুইনাসের মতে, মানুষের ইন্দ্রিয়গুলো বাহ্যিক জগতের অভিজ্ঞতা লাভ করে এবং মস্তিষ্ক সেই অভিজ্ঞতাগুলোকে ধারণায় রূপান্তর করে। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, মানুষের মন প্রথমে খালি থাকে এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তা পূর্ণ হয়। এই জ্ঞানতত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, আমরা যুক্তির মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে কীভাবে জ্ঞান লাভ করতে পারি।

১০. কর্ম এবং উদ্দেশ্য: অ্যাকুইনাস অ্যারিস্টটলের ‘টেলিওলজি’ বা উদ্দেশ্যবাদ তত্ত্বকে গ্রহণ করেন। এই তত্ত্ব অনুসারে, প্রতিটি জিনিসের একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য থাকে। অ্যাকুইনাসের মতে, প্রতিটি সৃষ্টির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করা। মানুষের সমস্ত কর্মের উদ্দেশ্য হলো ভালো কাজ করা এবং ঈশ্বরের ইচ্ছাকে পূর্ণ করা। এই ধারণার মাধ্যমে তিনি মানব জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য এবং নৈতিকতার মধ্যে একটি সম্পর্ক স্থাপন করেন, যা অ্যারিস্টটলের নীতিশাস্ত্রের একটি খ্রিস্টীয় সংস্করণ।

উপসংহার: সেন্ট টমাস অ্যাকুইনাস মধ্যযুগে অ্যারিস্টটলের দর্শনকে নতুন করে উপস্থাপন করেন এবং তাকে খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের সাথে সফলভাবে যুক্ত করেন। তাঁর এই অসাধারণ কাজ শুধু দর্শন বা ধর্মতত্ত্বকে প্রভাবিত করেনি, বরং মধ্যযুগের শিক্ষা, আইন এবং রাজনৈতিক চিন্তাধারার ওপরও গভীর প্রভাব ফেলেছিল। তিনি অ্যারিস্টটলের যুক্তিনির্ভর পদ্ধতি ব্যবহার করে বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করার চেষ্টা করেন, যার ফলস্বরূপ তিনি ‘মধ্যযুগের অ্যারিস্টটল’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর কাজ আজও আধুনিক দর্শন এবং ধর্মতত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

একনজরে উত্তর দেখুন

১. ✒️ অ্যারিস্টটলের দর্শনের পুনরুজ্জীবন
২. ✒️ যুক্তি ও বিশ্বাসের সমন্বয়
৩. ✒️ আদর্শ রাষ্ট্র এবং নৈতিকতা
৪. ✒️ প্রকৃতি এবং ঐশ্বরিক আইন
৫. ✒️ আত্মা এবং দেহের সম্পর্ক
৬. ✒️ কার্যকারণ তত্ত্ব
৭. ✒️ দার্শনিক পদ্ধতি
৮. ✒️ পদার্থবিদ্যা এবং অধিবিদ্যা
৯. ✒️ জ্ঞানতত্ত্ব
১০. ✒️ কর্ম এবং উদ্দেশ্য

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

সেন্ট টমাস অ্যাকুইনাস ১২২৫ সালে ইতালিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২৭৪ সালে মারা যান। ১২৪৫ সালে তিনি প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যারিস্টটলের দর্শন অধ্যয়ন করেন। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ হলো ‘Summa Theologica’, যা ১২৬৭ সালে শুরু হয়েছিল। এই কাজটি মধ্যযুগের ধর্মতত্ত্বের একটি প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৩২৩ সালে তাকে রোমান ক্যাথলিক চার্চের পক্ষ থেকে সাধু হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

Tags: মধ্য যুগের এরিস্টটলসেন্ট টমাস একুইনাস
  • Previous মার্সিলিও অব পাদুয়ার জীবন ও পরিচয় দাও।
  • Next একুইনাসের মতে শাশ্বত আইন কি?
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1883)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    জাতীয় স্বার্থের সংজ্ঞা দাও।
    ভূ-রাজনীতির বিকাশে হ্যালফোর্ড জে. ম্যাকিন্ডারের অবদান সংক্ষেপে আলোচনা কর।
    পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণ কী?
    ভূ-রাজনীতি এবং রাজনৈতিক ভূগোলের মধ্যকার পার্থক্য কি?

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM