• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- বাঙালি জাতীয়তাবাদের উদ্ভব ও বিকাশধারা আলোচনা কর।

উত্তর।।উপস্থাপনা: বাঙালি জাতীয়তাবাদ কেবল একটি রাজনৈতিক আদর্শ নয়, বরং এটি হাজার বছরের শোষণ, বঞ্চনা আর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা এক মহাকাব্য। সুদীর্ঘকাল ধরে এ অঞ্চলের মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি এবং ভৌগোলিক ঐক্য এক অনন্য চেতনার জন্ম দিয়েছে, যা পরবর্তীকালে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

বাঙালি জাতীয়তাবাদের উদ্ভব ও বিকাশধারা:

১। ভৌগোলিক ঐক্য: প্রাচীনকাল থেকেই গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বিধৌত এই পলিমাটি বাঙালিকে একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে আবদ্ধ করেছে। এখানকার নদীমাতৃক প্রকৃতি এবং জলবায়ু মানুষের জীবনযাত্রা ও মানসিকতা গঠনে অভিন্ন ভূমিকা পালন করেছে। এই ভৌগোলিক ধারাবাহিকতা বাঙালিকে অন্যান্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠী থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে তুলেছে। নিজস্ব ভূখণ্ডের প্রতি এই গভীর মমত্ববোধই পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদের প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে।

২। ভাষাগত চেতনা: বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল চালিকাশক্তি হলো তার মাতৃভাষা বাংলা। হাজার বছর ধরে নানা প্রতিকূলতার মাঝেও সাধারণ মানুষ এই ভাষাকে টিকিয়ে রেখেছে। চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের সাহিত্য হয়ে আধুনিক কাল পর্যন্ত বাংলা ভাষা বাঙালিদেরকে এক সূত্রে গেঁথেছে। ভাষার এই অভিন্ন বন্ধনই আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে নিজেদের অধিকার রক্ষা করতে হয় এবং সংস্কৃতির মর্যাদা ধরে রাখতে হয়।

৩। নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য: বাঙালি কোনো একক জাতিগোষ্ঠী নয়, বরং এটি একটি শঙ্কর জাতি হিসেবে পরিচিত। অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, আর্য ও মঙ্গোলীয় রক্তধারার সংমিশ্রণে এই জাতির নৃবিজ্ঞানের কাঠামোটি তৈরি হয়েছে। এই বিচিত্র নৃতাত্ত্বিক সমন্বয় দীর্ঘকাল ধরে বাঙালিদের মাঝে এক অভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের জন্ম দিয়েছে। এই অনন্য নৃতাত্ত্বিক মেলবন্ধনই আমাদের সংস্কৃতির মূল শক্তি এবং জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

৪। সাংস্কৃতিক সমন্বয়: বাংলার সংস্কৃতি সবসময়ই ছিল অত্যন্ত উদার, সহনশীল এবং অসাম্প্রদায়িক প্রকৃতির। এখানে বাউল, সুফি এবং লোকসংগীতের ধারা মানুষকে ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে বাঁচতে শিখিয়েছে। উৎসব-পার্বণে বাঙালির এই যৌথ অংশগ্রহণ সংস্কৃতির এক অভিন্ন রূপ গড়ে তুলেছে। এই সমন্বিত সংস্কৃতিই ইতিহাসের প্রতিটি সংকটে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ হতে এবং নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে প্রেরণা জুগিয়েছে।

৫। ঔপনিবেশিক শাসন: ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের আগমন বাংলার অর্থনীতি, সমাজ ও রাজনীতিতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছিল। দীর্ঘ দুইশত বছরের শোষণ ও বঞ্চনা বাঙালিদের মনে পরাধীনতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। ইংরেজদের ‘ভাগ কর এবং শাসন কর’ নীতির বিরুদ্ধে এ দেশের মানুষ বারবার রুখে দাঁড়িয়েছে। এই দীর্ঘস্থায়ী ঔপনিবেশিক বিরোধী আন্দোলনই অবদমিত বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে রাজনৈতিকভাবে সচেতন করে তোলে।

৬। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন: ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ বাংলার ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মোড় পরিবর্তনকারী রাজনৈতিক ঘটনা। ব্রিটিশদের এই বিভেদনীতির বিরুদ্ধে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে ওঠে, যা স্বদেশী আন্দোলন নামে পরিচিত। এই আন্দোলনের মাধ্যমেই বাঙালিরা প্রথম বুঝতে পারে যে ঐক্যবদ্ধ শক্তির গুরুত্ব কতটা অপরিসীম। বঙ্গভঙ্গ রদ করার এই সফল সংগ্রাম বাঙালির আত্মবিশ্বাস ও জাতীয়তাবাদী চেতনাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

৭। লাহোর প্রস্তাব: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবে ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলো নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের দাবি করা হয়েছিল। তৎকালীন বাংলার সিংহভাগ মানুষ এই আশায় এতে সমর্থন দিয়েছিল যে তারা একটি স্বাধীন সত্তা পাবে। কিন্তু পরবর্তীতে এই প্রস্তাবের মূল চেতনাকে বিকৃত করে এক কৃত্রিম পাকিস্তান রাষ্ট্র তৈরি করা হয়। এই ঐতিহাসিক প্রতারণা বাঙালিদেরকে নিজেদের স্বাধিকার ও মুক্তির বিষয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছিল।

৮। সাম্প্রদায়িক দ্বিজাতিতত্ত্ব: ১৯৪৭ সালে ধর্মীয় উন্মাদনা ও দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের জন্ম হয়। কিন্তু ধর্ম যে একটি আধুনিক রাষ্ট্রের স্থায়ী ভিত্তি হতে পারে না, তা খুব দ্রুতই প্রমাণিত হয়ে যায়। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে হাজার মাইলের ভৌগোলিক দূরত্বের পাশাপাশি ছিল আকাশ-পাতাল সাংস্কৃতিক ব্যবধান। ফলে কৃত্রিম এই পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পরপরই বাঙালিরা নিজেদের ভুল বুঝতে পারে।

৯। ভাষা আন্দোলন: ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বাংলার ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয়। এই রক্তক্ষয়ী সংগ্রামই প্রমাণ করে যে ধর্মের চেয়ে সংস্কৃতির টান কত বেশি শক্তিশালী। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির এই আত্মত্যাগই মূলত অসাম্প্রদায়িক বাঙালি জাতীয়তাবাদের আনুষ্ঠানিক জন্ম দেয়।

১০। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তীতে ‘মুসলিম’ শব্দটি বর্জন রাজনৈতিক ইতিহাসে এক মাইলফলক। এই দলের হাত ধরেই বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন এক সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করতে শুরু করে। মওলানা ভাসানী, শামসুল হক এবং তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এই দল আপামর জনসাধারণের মুখপত্রে পরিণত হয়। দলটির অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি দেশের মানুষকে একটি সাধারণ রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছিল।

১১। যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন: ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক বিজয় ছিল এক বিশাল রাজনৈতিক বিস্ফোরণ। শেরে বাংলা, ভাসানী ও সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে গঠিত এই ফ্রন্ট শোষক শাসকগোষ্ঠীকে চরমভাবে পরাজিত করে। ২১ দফার এই নির্বাচনী ইশতেহার ছিল বাঙালির অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির প্রথম সুনির্দিষ্ট দলিল। এই বিজয় বাঙালিদের মনে এই বিশ্বাস দৃঢ় করে যে ব্যালটের মাধ্যমেও অধিকার আদায় সম্ভব।

১২। সামরিক শাসন: ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন জারি বাঙালির গণতান্ত্রিক অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে খর্ব করে দেয়। এই একনায়কতান্ত্রিক শাসন পূর্ব পাকিস্তানের ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শোষণ আরও তীব্রতর করে তোলে। কিন্তু বুটের তলাতেও বাঙালির স্বাধিকারের আকাঙ্ক্ষাকে দমিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি, বরং তা আরও বেগবান হয়েছে। ছাত্র ও বুদ্ধিজীবী সমাজ এই স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত গোপনে ও প্রকাশ্যে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

১৩। ছয় দফা: ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উত্থাপন করেন ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি। এই দাবিগুলো ছিল মূলত বাঙালির অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের এক অনন্য রূপরেখা। দ্রুতই এই ছয় দফা দেশের সাধারণ মানুষের মাঝে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ম্যাগনা কার্টা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এই দাবির পক্ষেই সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান একাট্টা হয়ে পশ্চিম পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দেয়।

১৪। আগরতলা মামলা: ছয় দফা আন্দোলনকে নস্যাৎ করতে আইয়ুব সরকার শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে। এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা বাংলার মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দেয়, যা পাকিস্তানি শাসকদের হিতে বিপরীত হয়। মামলার কারণে শেখ মুজিব রাতারাতি বাঙালির অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হন। এই ঘটনা জাতীয়তাবাদী চেতনাকে বিচ্ছিন্ন আন্দোলন থেকে একটি গণবিস্ফোরণের দিকে ধাবিত করে।

১৫। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল ছাত্র, শ্রমিক এবং আমজনতার এক অভূতপূর্ব সম্মিলিত মহাসংগ্রাম। এই তীব্র আন্দোলনের মুখে আইয়ুব খানের পতন ঘটে এবং বঙ্গবন্ধু জেল থেকে বীরের বেশে মুক্ত হয়ে আসেন। এই গণঅভ্যুত্থান আইয়ুবের একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে বাঙালিকে স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এই সময়েই শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

১৬। সত্তরের নির্বাচন: ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের পক্ষে এক ঐতিহাসিক গণভোটের মতো। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে একক বিজয় লাভ করে। এই রায়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতি বিশ্ববাসীকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই নির্ধারণ করতে চায়। কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক জান্তা এই গণতান্ত্রিক রায়কে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

১৭। অসহযোগ আন্দোলন: ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে এক অভূতপূর্ব অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। তৎকালীন সময়ে ঢাকা থেকে শুরু করে প্রতিটি জেলা ও গ্রাম পর্যন্ত পাকিস্তানি প্রশাসনের কার্যকারিতা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকেই তখন দেশের মূল শাসনভার পরিচালিত হতে থাকে। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে তিনি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন।

১৮। মহান মুক্তিযুদ্ধ: ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালোরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম গণহত্যার জবাবে বাঙালিরা সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার পর দীর্ঘ নয় মাস ধরে চলে এক রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধ। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত আর দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাঙালি জাতি লাভ করে চূড়ান্ত বিজয়। এই গৌরবময় সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবাদ তার পূর্ণতা পায় এবং বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

শেষকথা: পরিশেষে বলা যায়, বাঙালি জাতীয়তাবাদ কোনো আকস্মিক ঘটনার ফসল নয়, বরং এটি সুদীর্ঘকাল ধরে চলে আসা ধারাবাহিক সংগ্রামের এক অনিবার্য পরিণতি। ভাষা, সংস্কৃতি ও অধিকার আদায়ের যে চেতনা ১৯৫২ সালে বীজ হিসেবে রোপিত হয়েছিল, ১৯৭১ সালে তা একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রূপ ধারণ করে। আজ আমাদের পবিত্র দায়িত্ব হলো এই জাতীয়তাবাদের মূল চেতনাকে ধারণ করে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

Tags: জাতীয়তাবাদবাঙালি জাতী উদ্ভব ও বিকাশবাঙালি জাতীয়তাবাদবাঙালি জাতীয়তাবাদের উদ্ভববাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ
  • Previous ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয়ের কারণ কী ছিল?
  • Next ভাষা আন্দোলনের বিবরণ দাও।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1449)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ও রাজনৈতিক তাৎপর্য আলোচনা কর।
    ১৯৭০ সালের নির্বাচনের মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল।
    স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ৬ দফা কর্মসূচির তাৎপর্যব্যাখ্যা কর।
    ১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগের ছয়দফা কর্মসূচির বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর। তুমি কি মনে কর যে, ছয়দফা কর্মসূচিতে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল?

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM