• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- বিচ্যুতিমূলক আচরণ সম্পর্কে মার্টনের মতবাদ আলোচনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: সমাজবিজ্ঞানী রবার্ট কে. মার্টন ১৯৩৮ সালে তাঁর বিখ্যাত “সামাজিক কাঠামো এবং বিচ্যুতি” নামক গবেষণাপত্রে বিচ্যুতিমূলক আচরণ সম্পর্কে তাঁর মতবাদ তুলে ধরেন। তিনি সমাজে বিদ্যমান সাংস্কৃতিক লক্ষ্য ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ের মধ্যে অসামঞ্জস্যতাকে বিচ্যুতিমূলক আচরণের মূল কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। মার্টন দেখিয়েছেন, যখন মানুষ বৈধ উপায়ে সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়, তখন তারা বিচ্যুত পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়।

বিচ্যুতিমূলক আচরণ সম্পর্কে মার্টনের মতবাদ:-

১. উদ্দেশ্য ও মাধ্যম: মার্টন-এর তত্ত্বের মূল ভিত্তি হলো সমাজে প্রচলিত সাংস্কৃতিক উদ্দেশ্য এবং সেই উদ্দেশ্য পূরণের জন্য অনুমোদিত প্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যম। সাংস্কৃতিক উদ্দেশ্য বলতে সাধারণত ধন-সম্পদ, প্রতিপত্তি বা সাফল্য অর্জনের আকাঙ্ক্ষাকে বোঝানো হয়, যা প্রায় সব সমাজে স্বীকৃত। অন্যদিকে, প্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যম হলো সেই উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য অনুমোদিত বৈধ উপায়, যেমন— কঠোর পরিশ্রম, শিক্ষা বা সততা। মার্টন বলেন, যখন এই দুটির মধ্যে ভারসাম্য থাকে, তখন সমাজ স্থিতিশীল থাকে, অন্যথায় বিচ্যুতি ঘটে।

২. সামাজিক চাপ: মার্টন মনে করেন, যখন কোনো সমাজে মানুষের মধ্যে সাফল্য লাভের উচ্চ আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়, কিন্তু সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বা বৈধ মাধ্যম যথেষ্ট পরিমাণে থাকে না, তখন সমাজে এক ধরনের সামাজিক চাপ সৃষ্টি হয়। এই চাপ বিশেষ করে নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, কারণ তাদের কাছে প্রায়ই প্রচলিত বৈধ উপায়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ সীমিত থাকে। এই চাপ থেকেই বিচ্যুতিমূলক আচরণের জন্ম হয়।

৩. অসঙ্গতিপূর্ণ ব্যবস্থা: মার্টন ব্যাখ্যা করেন যে, বিচ্যুতিমূলক আচরণ মূলত একটি অসঙ্গতিপূর্ণ সামাজিক ব্যবস্থার ফল। এটি কোনো ব্যক্তির নৈতিক দুর্বলতা নয়, বরং সামাজিক কাঠামোর ত্রুটির কারণে ঘটে। একটি সমাজে যখন সবার জন্য সমান সুযোগ থাকে না, তখন কিছু মানুষ তাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ভিন্ন, অর্থাৎ বিচ্যুত পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়। মার্টন-এর এই মতবাদ বিচ্যুতিকে ব্যক্তি-কেন্দ্রিক না দেখে সমাজ-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করে।

৪. সাংস্কৃতিক প্রভাব: এই তত্ত্বে মার্টন সমাজের সাংস্কৃতিক প্রভাবকে খুব গুরুত্ব দেন। তিনি দেখিয়েছেন, পশ্চিমা সমাজে যেমন আমেরিকান ড্রিম বা মার্কিন স্বপ্ন, যেখানে বলা হয় যে, যে কেউ কঠোর পরিশ্রম করে সাফল্য অর্জন করতে পারে। এই ধরনের সাংস্কৃতিক আদর্শ সমাজে উচ্চাকাঙ্ক্ষা তৈরি করে। কিন্তু যখন বাস্তবতা ভিন্ন হয় এবং সবার জন্য সমান সুযোগ থাকে না, তখন এই আদর্শই বিচ্যুতিমূলক আচরণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

৫. উদ্দেশ্যের বৈপরীত্য: মার্টন মনে করেন, সমাজে যখন উদ্দেশ্য এবং মাধ্যমের মধ্যে বৈপরীত্য দেখা দেয়, তখনই বিচ্যুতিমূলক আচরণ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো সমাজের মূল লক্ষ্য হয় অর্থনৈতিক সাফল্য, কিন্তু সেই সাফল্য অর্জনের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান বা বৈধ উপায়ে আয়ের সুযোগ না থাকে, তখন মানুষ অবৈধ বা অসামাজিক উপায়ে অর্থ উপার্জনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এই বৈপরীত্যই অপরাধ ও বিচ্যুতির জন্ম দেয়।

৬. সাফল্যের চাপ: আধুনিক সমাজে প্রায়শই সাফল্যকে অতিমাত্রায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই চাপ ব্যক্তির ওপর এমনভাবে কাজ করে যে, সে যেকোনো মূল্যে সফল হতে চায়। যদি বৈধ পথে সাফল্য অর্জনের সম্ভাবনা কম থাকে, তবে মানুষ চুরি, ডাকাতি, ঘুষ বা প্রতারণার আশ্রয় নিতে পারে। মার্টন-এর মতে, এই চাপই বিচ্যুতিমূলক আচরণের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

৭. নবপ্রবর্তনবাদ: মার্টন তাঁর তত্ত্বে নবপ্রবর্তনবাদ (Innovation) নামক একটি প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করেন। এটি ঘটে যখন একজন ব্যক্তি সমাজের সাংস্কৃতিক উদ্দেশ্যগুলো গ্রহণ করে কিন্তু সেগুলো অর্জনের জন্য প্রচলিত ও বৈধ উপায়গুলো প্রত্যাখ্যান করে। এই ধরনের মানুষ সাধারণত চুরি, মাদক ব্যবসা বা অন্যান্য অপরাধমূলক কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে, যা সমাজ কর্তৃক অনুমোদিত নয়। এই আচরণ বিচ্যুতিমূলক আচরণের একটি সাধারণ উদাহরণ।

৮. আচারনিষ্ঠা: মার্টন-এর মতে, আচারনিষ্ঠা (Ritualism) হলো এক ধরনের বিচ্যুতি যেখানে ব্যক্তি সমাজের প্রচলিত লক্ষ্যগুলোকে ত্যাগ করে, কিন্তু মাধ্যমগুলোকে আঁকড়ে ধরে রাখে। এমন মানুষ হয়তো বড়লোক হতে চায় না, কিন্তু তারা প্রতিদিন নিয়ম মেনে কাজ করে যায়, কারণ তারা মনে করে এটাই তাদের জীবনের একমাত্র কাজ। তারা তাদের কাজকে জীবনের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচনা করে এবং লক্ষ্য অর্জনের চাপ থেকে মুক্ত থাকে।

৯. প্রত্যাবর্তনবাদ: মার্টন প্রত্যাবর্তনবাদ (Retreatism) নামক একটি বিচ্যুতিমূলক আচরণ তুলে ধরেন, যা ঘটে যখন একজন ব্যক্তি সমাজের লক্ষ্য এবং মাধ্যম উভয়ই প্রত্যাখ্যান করে। এই ধরনের মানুষ সমাজের মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মাদকাসক্ত, ভবঘুরে বা নিভৃতচারী ব্যক্তিরা এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তারা সমাজের প্রচলিত আদর্শ ও নিয়ম-কানুন থেকে সম্পূর্ণভাবে নিজেদের দূরে সরিয়ে নেয়।

১০. বিদ্রোহবাদ: বিদ্রোহবাদ (Rebellion) হলো সেই বিচ্যুতি, যেখানে ব্যক্তি সমাজের প্রচলিত লক্ষ্য ও মাধ্যম দুটোকেই প্রত্যাখ্যান করে এবং সেগুলোর পরিবর্তে নতুন লক্ষ্য ও নতুন মাধ্যম তৈরি করতে চায়। এই ধরনের মানুষরা প্রচলিত সামাজিক কাঠামোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। বিপ্লবী দল, মৌলবাদী গোষ্ঠী বা নতুন কোনো সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকারী ব্যক্তিরা এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তারা সমাজের কাঠামোগত পরিবর্তন চায়।

১১. ব্যক্তিগত হতাশা: মার্টন মনে করেন, বিচ্যুতিমূলক আচরণের অন্যতম কারণ হলো ব্যক্তিগত হতাশা। যখন একজন ব্যক্তি কঠোর পরিশ্রম করেও সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়, তখন তার মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়। এই হতাশা থেকেই সে বৈধ পথ ছেড়ে অবৈধ বা বিচ্যুত পথ বেছে নেয়। এই হতাশা শুধু অর্থনৈতিক ব্যর্থতার কারণে নয়, সামাজিক মর্যাদা অর্জনে ব্যর্থতার কারণেও হতে পারে।

১২. শিক্ষার প্রভাব: মার্টন বলেন যে, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রায়শই সফলতাকে একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করে। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা তৈরি করে। কিন্তু যখন বাস্তব কর্মজীবনে সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের সুযোগ সীমিত থাকে, তখন হতাশা তৈরি হয় এবং কিছু শিক্ষার্থী বা ব্যক্তি অবৈধ পথে অর্থ উপার্জনের দিকে ঝুঁকতে পারে। শিক্ষার মাধ্যমে তৈরি হওয়া প্রত্যাশা এবং বাস্তবতার মধ্যে এই ব্যবধানই বিচ্যুতির জন্ম দেয়।

১৩. পরিবার ও সমাজের ভূমিকা: মার্টন-এর তত্ত্ব অনুযায়ী, পরিবার ও সমাজের ভূমিকা বিচ্যুতিমূলক আচরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে পরিবারে বা সমাজে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সাফল্য অর্জনের সুযোগ কম থাকে, সেখানে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিচ্যুতিমূলক আচরণ করার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। পরিবার যদি বৈধ উপায়ের গুরুত্ব তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়, তবে বিচ্যুতি আরও বেড়ে যেতে পারে।

১৪. গণমাধ্যমের ভূমিকা: গণমাধ্যম প্রায়শই সমাজে সাফল্যের মিথ্যে চিত্র তুলে ধরে, যেখানে বিলাসবহুল জীবনযাপন, ধন-সম্পদ ও প্রতিপত্তিকে সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে দেখানো হয়। এই ধরনের চিত্র সমাজে সাধারণ মানুষের মধ্যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা তৈরি করে, যা পূরণ করার মতো পর্যাপ্ত সুযোগ অনেকেরই থাকে না। এই ব্যবধানই বিচ্যুতিমূলক আচরণের একটি বড় কারণ হতে পারে।

১৫. শ্রেণিগত পার্থক্য: মার্টন-এর তত্ত্ব শ্রেণিগত পার্থক্যকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তিনি মনে করেন, নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষদের মধ্যে বিচ্যুতিমূলক আচরণ বেশি দেখা যায়, কারণ তাদের কাছে আর্থিক ও সামাজিক সাফল্য অর্জনের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। অন্যদিকে, উচ্চবিত্ত শ্রেণির মানুষেরা তাদের সাফল্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল বৈধ সুযোগ পেয়ে থাকে, তাই তাদের মধ্যে এ ধরনের প্রবণতা কম থাকে।

১৬. সামাজিক অসমতা: মার্টন-এর তত্ত্বের একটি বড় দিক হলো সামাজিক অসমতার ওপর আলোকপাত করা। যখন সমাজে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত সুযোগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অসমতা থাকে, তখন বিচ্যুতিমূলক আচরণ অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই অসমতা সমাজে একদল মানুষকে বৈধ উপায় থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং তাদের অবৈধ পথ বেছে নিতে বাধ্য করে।

১৭. স্বীকৃতির অভাব: যখন কোনো সমাজে একজন ব্যক্তি তার কাজের জন্য উপযুক্ত স্বীকৃতি না পায়, তখন সে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ, একজন শিক্ষার্থী কঠোর পরিশ্রম করেও ভালো ফল করতে না পারলে, বা একজন কর্মচারী দিনের পর দিন কাজ করেও পদোন্নতি না পেলে, তাদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা কাজ করে। এই হতাশা থেকে তারা বিচ্যুত পথ বেছে নিতে পারে।

১৮. ব্যক্তিগত পছন্দের ওপর নিয়ন্ত্রণ: মার্টন-এর তত্ত্ব অনুসারে, সমাজের সাংস্কৃতিক আদর্শ আমাদের ব্যক্তিগত পছন্দ ও লক্ষ্যকে প্রভাবিত করে। আমরা কী চাই, তা প্রায়শই সমাজ আমাদের শেখায়। কিন্তু যখন আমাদের এই চাওয়া পূরণের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ থাকে না, তখন আমরা সমাজের বিরুদ্ধে চলে যাই। এটিই বিচ্যুতিমূলক আচরণের একটি অন্যতম কারণ।

১৯. তত্ত্বের সীমাবদ্ধতা: মার্টন-এর তত্ত্বটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। এটি শুধুমাত্র অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাফল্যের ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়েছে, যা সব ধরনের বিচ্যুতিমূলক আচরণের ব্যাখ্যা দিতে পারে না। যেমন, এটি রাজনৈতিক অপরাধ বা আবেগের বশে ঘটা অপরাধের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা দিতে পারে না। তবে এটি সামাজিক অপরাধের কারণ বিশ্লেষণে একটি শক্তিশালী কাঠামো প্রদান করে।

উপসংহার: রবার্ট কে. মার্টন-এর বিচ্যুতিমূলক আচরণের মতবাদটি সমাজে অপরাধ ও বিচ্যুতির কারণ বোঝার জন্য একটি শক্তিশালী কাঠামো প্রদান করে। তিনি দেখিয়েছেন, অপরাধ কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, বরং এটি সমাজের কাঠামোগত ত্রুটির ফল। যখন সমাজের সাংস্কৃতিক লক্ষ্য ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়, তখন মানুষ ভিন্ন পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়। এই তত্ত্ব সামাজিক অসমতা ও কাঠামোগত সমস্যার ওপর জোর দিয়ে বিচ্যুতিমূলক আচরণকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে শেখায়, যা সমাজ সংস্কার ও অপরাধ প্রতিরোধের জন্য খুবই জরুরি।

একনজরে উত্তর দেখুন

১. 💖 উদ্দেশ্য ও মাধ্যম ২. 🌍 সামাজিক চাপ ৩. ⚖️ অসঙ্গতিপূর্ণ ব্যবস্থা ৪. 📜 সাংস্কৃতিক প্রভাব ৫. 🔄 উদ্দেশ্যের বৈপরীত্য ৬. 🏆 সাফল্যের চাপ ৭. 💡 নবপ্রবর্তনবাদ ৮. 🧘 আচারনিষ্ঠা ৯. 🚶 প্রত্যাবর্তনবাদ ১০. ✊ বিদ্রোহবাদ ১১. 😥 ব্যক্তিগত হতাশা ১২. 🎓 শিক্ষার প্রভাব ১৩. 👨‍👩‍👧‍👦 পরিবার ও সমাজের ভূমিকা ১৪. 📺 গণমাধ্যমের ভূমিকা ১৫. 📈 শ্রেণিগত পার্থক্য ১৬. 🔗 সামাজিক অসমতা ১৭. ⭐ স্বীকৃতির অভাব ১৮. 🎯 ব্যক্তিগত পছন্দের ওপর নিয়ন্ত্রণ ১৯. ⚠️ তত্ত্বের সীমাবদ্ধতা

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

রবার্ট কে. মার্টন ১৯৩৮ সালে তার “সামাজিক কাঠামো এবং বিচ্যুতি” নামক গবেষণাপত্রে এই তত্ত্বটি প্রথম উপস্থাপন করেন, যা আমেরিকান সোসিওলজিক্যাল রিভিউতে প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৫০ থেকে ১৯৬০-এর দশকে আমেরিকায় অপরাধের হার বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে তার তত্ত্বটি বিশেষ প্রাসঙ্গিকতা লাভ করে। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে, অর্থনৈতিক মন্দার সময় বেকারত্ব বাড়লে সমাজে অপরাধের হার বৃদ্ধি পায়, যা মার্টন-এর তত্ত্বকে সমর্থন করে। ১৯৯৫ সালের একটি জরিপে দেখা যায়, আমেরিকায় প্রায় ৬৫% কারাবন্দি তাদের অপরাধের কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক চাপকে দায়ী করেছে। ঐতিহাসিকভাবে, শিল্প বিপ্লবের পর যখন শহরে মানুষের অর্থনৈতিক বৈষম্য বেড়ে যায়, তখন অপরাধ ও বিচ্যুতিমূলক আচরণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। এটি প্রমাণ করে যে, সমাজে যখন অর্থনৈতিক এবং সামাজিক অসমতা বৃদ্ধি পায়, তখন মার্টন-এর তত্ত্ব অনুযায়ী বিচ্যুতিমূলক আচরণ বাড়তে থাকে।

Tags: বিচ্যুতিমূলক আচরণ সম্পর্কে মার্টনের মতবাদ আলোচনা কর।
  • Previous বাংলাদেশের ঈসার ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা আলোচনা করো।
  • Next অপরাধের কারণ সমূহ ব্যাখ্যা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1596)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    বর্তমান বাংলাদেশে বিরোধী দলের ভূমিকা কি যথার্থ বলে মনে কর? যুক্তি দাও।
    দ্বি-দলীয় ব্যবস্থার দোষ-গুণসমূহ বর্ণনা কর।
    একদলীয় ব্যবস্থা কী? একদলীয় ব্যবস্থার দোষ-গুণ আলোচনা কর।
    মরিস দ্যুভারজারের পার্টিতত্ত্ব আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM