• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- ভারতের জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ণ থাকার কারণসমূহ উল্লেখ কর।

উত্তর::ভূমিকা: ভারত হলো বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য-এর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এতগুলি ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য এবং ঐতিহ্যের মাঝেও দেশটি অটুট বন্ধনে আবদ্ধ। বহু শতাব্দী ধরে বিভিন্ন শাসক ও শক্তি এই ঐক্যে ফাটল ধরাতে চেয়েছে, কিন্তু ভারতের অভ্যন্তরীণ শক্তি, বিশেষত সংবিধান ও জনগণের সম্মিলিত ইচ্ছার কারণে এই সংহতি আজও অক্ষুণ্ণ রয়েছে। ভারতের এই জাতীয় সংহতি বজায় থাকার মূলে রয়েছে কিছু মৌলিক কারণ ও নীতি, যা আমাদের দেশের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে কাজ করে চলেছে।

ভারতের জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ণ থাকার কারণসমূহ:

১।সাংবিধানিক আদর্শ: ভারতের সংবিধান হলো দেশের জাতীয় সংহতি বজায় রাখার প্রধান রক্ষাকবচ। এটি সমস্ত নাগরিককে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমান অধিকার ও মর্যাদা প্রদান করে। সংবিধানের প্রস্তাবনাতেই ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের মতো মূলনীতিগুলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে একই ছাতার তলায় নিয়ে আসে। এই আদর্শগুলি প্রতিটি ভারতীয়র মনে সমান অধিকার ও ন্যায়বিচারের ধারণা গেঁথে দিয়ে দেশের একতাকে সুদৃঢ় করে। সংবিধানের প্রতি জনগণের অগাধ বিশ্বাসই আমাদের ঐক্যকে মজবুত করেছে।

২।ধর্মনিরপেক্ষ নীতি: ধর্মনিরপেক্ষতা ভারতের সংহতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এই নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ধর্মকে প্রাধান্য না দিয়ে সকল ধর্মকে সমানভাবে সম্মান করে এবং তাদের বিকাশের সুযোগ করে দেয়। এর ফলে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষজন নিজেদের ধর্মীয় স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারে এবং একে অপরের প্রতি সহনশীল ও শ্রদ্ধাশীল হতে উৎসাহিত হয়। এই সহাবস্থান বহুত্ববাদী ভারতীয় সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা জাতীয় ঐক্যকে নিবিড় করে তোলে। এই নীতির কারণেই বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একযোগে দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে পারে।

৩।গণতান্ত্রিক শাসন: ভারতের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা জাতীয় সংহতিকে শক্তিশালী করার অন্যতম কারণ। এখানে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে এবং সরকারের নীতি নির্ধারণে অংশ নেয়, যার ফলে প্রতিটি অঞ্চলের ও সম্প্রদায়ের মানুষের স্বার্থ সুরক্ষিত হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংখ্যালঘু ও দুর্বল গোষ্ঠীগুলিও নিজেদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার সুযোগ পায়। নিয়মিত নির্বাচন, বহু-দলীয় ব্যবস্থা এবং জনগণের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেশের মানুষের মধ্যে একতা ও পারস্পরিক নির্ভরতার অনুভূতি সৃষ্টি করে, যা জাতীয় সংহতির ভিত্তি মজবুত করে। গণতন্ত্র মানুষকে রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে অনুভব করায়।

৪।আঞ্চলিক বৈচিত্র্য: ভারতজুড়ে আঞ্চলিক বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও সাংস্কৃতিক দিক থেকে এক গভীর ঐক্য বিদ্যমান। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী অথবা গুজরাট থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন ভাষা, লোকনৃত্য, খাবার ও উৎসবগুলি সম্মিলিতভাবে এক ভারতীয় সংস্কৃতি গঠন করেছে। এই বৈচিত্র্যকে দেশের সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হয়, কোনো বিভেদের কারণ হিসেবে নয়। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ভ্রমণের মাধ্যমে এবং উৎসব পালনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ঘটে, যা বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি বাড়ায় এবং জাতীয় সংহতিকে টিকিয়ে রাখে।

৫।সংহতিমূলক শিক্ষা: দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয় সংহতির বীজ বপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে দেশের ইতিহাস, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং বিভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলা হয়। জাতীয় প্রতীক, জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় উৎসবগুলি উদযাপনের মাধ্যমে ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মনে দেশপ্রেম ও ঐক্যের ধারণা সৃষ্টি করা হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারে যে তারা সবাই বৃহত্তর ভারতীয় সমাজের অংশ। এই শিক্ষাব্যবস্থা ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের কাছাকাছি এনে একটি অভিন্ন জাতীয় পরিচয় গঠনে সাহায্য করে।

৬।অর্থনৈতিক উন্নতি: অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় সংহতিকে আরও মজবুত করা সম্ভব হয়েছে। আঞ্চলিক বৈষম্য কমাতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প এবং সমান সুযোগ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। যখন দেশের সকল অঞ্চলের মানুষ উন্নয়নের ফল ভোগ করে, তখন তাদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও নির্ভরতা বাড়ে। শিল্প, ব্যবসা এবং প্রযুক্তির প্রসারের মাধ্যমে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে শ্রম ও পুঁজির অবাধ আদান-প্রদান হয়, যা দেশের অর্থনীতিকে একসূত্রে বাঁধে। এই আর্থিক সংযোগ বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষকে একই জাতীয় লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করে।

৭।ঐতিহাসিক ঐতিহ্য: ভারতের সুদীর্ঘ ঐতিহাসিক ঐতিহ্য জাতীয় সংহতির পক্ষে একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছে। প্রাচীন কাল থেকেই ভারত বিভিন্ন সাম্রাজ্য ও সংস্কৃতির মিলনক্ষেত্র। মৌর্য, গুপ্ত বা মুঘল সাম্রাজ্যগুলো দেশের বিভিন্ন অংশকে রাজনৈতিকভাবে একীভূত করেছিল। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে এক অভিন্ন লক্ষ্যের জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিল। এই ঐতিহাসিক ঐক্যবোধ এবং স্বাধীনতা অর্জনের যৌথ অভিজ্ঞতা আজও প্রতিটি ভারতীয়র মনে একতার চেতনা জাগিয়ে রাখে।

৮।যোগাযোগ ও পরিবহন: উন্নত যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা দেশের দূরবর্তী অঞ্চলগুলিকে সংযুক্ত করে জাতীয় সংহতিকে অক্ষুণ্ণ রাখতে সহায়তা করে। রেলওয়ে, জাতীয় সড়ক এবং বিমান পরিষেবাগুলি দেশের এক প্রান্তের মানুষকে অন্য প্রান্তে সহজে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। এর ফলে কেবল ব্যবসা-বাণিজ্যেরই উন্নতি হয় না, বরং ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে সরাসরি মেলামেশা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ও ঘটে। তথ্যপ্রযুক্তি এবং মিডিয়ার প্রসারও জাতীয় সংহতির বার্তা দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সহায়ক হয়, যা ভারতকে একটি সংযুক্ত রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে।

শেষকথা: উপসংহারে বলা যায় যে, ভারতের জাতীয় সংহতি কোনো দৈব ঘটনা নয়, বরং এটি আমাদের সংবিধান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং বহুত্ববাদী সংস্কৃতির সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। উপরোক্ত কারণগুলি একটি সুদৃঢ় কাঠামো তৈরি করেছে, যেখানে বৈচিত্র্যকে সম্মান জানানো হয় এবং ঐক্যকে জীবনের মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এই সংহতি বজায় রাখতে প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীলতা ও পারস্পরিক সহনশীলতা অপরিহার্য। এই মৌলিক নীতিগুলিই আগামী দিনে ভারতকে আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করবে।

একনজরে উত্তর দেখুন
  1. সাংবিধানিক আদর্শ
  2. ধর্মনিরপেক্ষ নীতি
  3. গণতান্ত্রিক শাসন
  4. আঞ্চলিক বৈচিত্র্য
  5. সংহতিমূলক শিক্ষা
  6. অর্থনৈতিক উন্নতি
  7. ঐতিহাসিক ঐতিহ্য
  8. যোগাযোগ ও পরিবহন
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ভারতের জাতীয় সংহতি দৃঢ় করার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ঘটনা ও সাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পরেই দেশভাগের যন্ত্রণা সত্ত্বেও সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের নেতৃত্বে ৫৫০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্যকে ভারতীয় ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা দেশের রাজনৈতিক ঐক্য নিশ্চিত করে। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্রের আদর্শগুলি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। ১৯৬১ সালে জওহরলাল নেহরুর উদ্যোগে জাতীয় সংহতি পরিষদ (National Integration Council – NIC) গঠিত হয়, যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি বাড়াতে কাজ করে। এই সকল প্রচেষ্টা ভারতকে বহুত্ববাদী রাষ্ট্র হিসেবে মজবুত করেছে।

Tags: ভারতের জাতীয় সংহতিভারতের জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ণ থাকার কারণসমূহ উল্লেখ কর।
  • Previous পাকিস্তানের জাতীয় সংহতির সমস্যাসমূহ কী কী?
  • Next শ্রীলংকার জাতিগত সংঘাতের কারণ আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1573)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব রাজনীতিতে পরাশক্তির ভূমিকা আলোচনা কর।
    তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিশ্বব্যাংকের ভূমিকা আলোচনা কর।
    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশ্বায়নের প্রভাব আলোচনা কর।
    আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ কি নয়া বিশ্বব্যবস্থার প্রতি হুমকিস্বরূপ? ব্যাখ্যা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM