• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- মহানগরীতে বস্তি বৃদ্ধির কারণ আলোচনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: শহুরে জীবনযাত্রার অন্যতম জটিল এবং দৃশ্যমান সমস্যা হলো বস্তির বিস্তার। এই সমস্যাটি কেবল একটি সামাজিক বা অর্থনৈতিক সংকট নয়, এটি নগর পরিকল্পনাবিদ, গবেষক এবং নীতিনির্ধারকদের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আধুনিক মহানগরে বস্তির ক্রমবৃদ্ধি এক জটিল প্রক্রিয়ার ফল, যা বহুবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে ঘটে থাকে।

মহানগরীতে বস্তি বৃদ্ধির কারণসমূহ:-

১। কাজের সন্ধানে গ্রাম থেকে স্থানান্তর: গ্রাম ও শহরের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য ব্যাপক। গ্রামের দরিদ্র মানুষ, যারা কৃষি বা অন্যান্য অপ্রচলিত পেশায় নিযুক্ত, তারা শহরে আসে ভালো রোজগার ও উন্নত জীবনের আশায়। শহরে কল-কারখানা, নির্মাণ শিল্প এবং অন্যান্য পরিষেবা খাতে শ্রমিকের চাহিদা থাকে। কিন্তু তাদের আর্থিক সংস্থান কম থাকায় তারা শহরের উঁচু ভাড়ার বাড়ি বা ফ্ল্যাট ভাড়া নিতে পারে না। তাই সস্তা আশ্রয়ের সন্ধানে তারা বস্তি এলাকায় ঠাঁই নেয়, যা বস্তি বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ।

২। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বন্যা, খরা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা বেড়েছে। এসব দুর্যোগে গ্রামের কৃষিজমি, ঘরবাড়ি ও জীবিকা ধ্বংস হয়ে যায়। সর্বস্ব হারানো মানুষেরা বাধ্য হয়ে কাজের খোঁজে শহরে পাড়ি জমায়। কিন্তু শহরে তাদের জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয় বা বাসস্থানের ব্যবস্থা থাকে না। ফলে তারা বস্তি এলাকায় ভিড় করে এবং অস্থায়ী আশ্রয় গড়ে তোলে, যা বস্তি বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

৩। সস্তা শ্রম ও আবাসন ব্যবস্থার অভাব: শহরের দ্রুত অর্থনৈতিক বিকাশ এবং শিল্পায়নের জন্য বিপুল পরিমাণ সস্তা শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। এই শ্রমিকরা শহরে এসে কাজ করতে চাইলেও তাদের জন্য উপযুক্ত ও স্বল্পমূল্যের আবাসনের ব্যবস্থা থাকে না। উচ্চ ভাড়ার ফ্ল্যাট বা বাড়ি ভাড়া নেওয়া তাদের সামর্থ্যের বাইরে। তাই তারা এমন জায়গা খোঁজে যেখানে নামমাত্র খরচে থাকতে পারবে। বস্তিগুলো এই চাহিদা পূরণ করে, কারণ এখানে ভাড়া অনেক কম এবং নিরাপত্তা বা অন্যান্য পরিষেবা নিয়ে কোনো কড়াকড়ি থাকে না।

৪। শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অসমতা: শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শহরের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলকে দ্রুত উন্নত করে তোলে, কিন্তু এর সুফল সবাই পায় না। ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান বাড়তে থাকে। গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠী যখন শহরে আসে, তখন তারা এই অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়। তারা ভালো চাকরি, শিক্ষা বা স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে তারা অপেক্ষাকৃত কম খরচের বস্তি এলাকায় থাকতে বাধ্য হয়, যা বস্তি সম্প্রসারিত হওয়ার একটি বড় কারণ।

৫। অপরিকল্পিত নগরায়ণ: অনেক শহরেই পরিকল্পিত নগরায়ণ বা নগর পরিকল্পনা যথাযথভাবে হয় না। শহরের নির্দিষ্ট অঞ্চলের উন্নয়নের দিকে মনোযোগ থাকলেও প্রান্তিক বা নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন চাহিদা পূরণের দিকে নজর দেওয়া হয় না। ফলে তারা নিজেদের মতো করে বস্তি গড়ে তোলে। সিটি করপোরেশন বা অন্যান্য সরকারি সংস্থাগুলোও এই সমস্যা সমাধানে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়। এতে বস্তিগুলো শহরের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে যায় এবং নতুন বস্তি গড়ে ওঠার পথ সুগম হয়।

৬। বস্তি এলাকায় কম জীবনযাত্রার ব্যয়: শহরের অন্যান্য এলাকার তুলনায় বস্তি এলাকায় জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক কম। এখানে ঘর ভাড়া, খাবার, পানি ও অন্যান্য মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিসের খরচ তুলনামূলকভাবে কম। যারা দিনমজুর বা অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে, তাদের পক্ষে শহরের ব্যয়বহুল জীবন নির্বাহ করা প্রায় অসম্ভব। তাই তারা কম খরচে জীবনধারণের জন্য বস্তি বেছে নেয়, যেখানে তাদের আয়ের সাথে ব্যয়ের ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়।

৭। জমির উচ্চমূল্য: শহরের অভ্যন্তরে জমির মূল্য অত্যন্ত বেশি। দরিদ্র বা নিম্নবিত্ত মানুষের পক্ষে জমি কিনে বাড়ি বানানো প্রায় অকল্পনীয়। এমনকি উচ্চবিত্তদের জন্যও শহরের ভালো এলাকায় জমি কেনা কঠিন। এই উচ্চমূল্যের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষরা সরকারি বা বেসরকারি কোনো আবাসন প্রকল্প থেকে দূরে থাকে। তাই তারা অবৈধ বা খাস জমিতে বস্তি গড়ে তোলে। অনেক সময় বস্তির স্থানীয় মাফিয়ারাও এসব জমি দখল করে বস্তি সম্প্রসারণে সহায়তা করে।

৮। স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগের অভাব: যদিও বস্তি এলাকার মানুষজন শহরের মূলধারার স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত, তবুও গ্রামের তুলনায় শহরে এই সুবিধাগুলো হাতের কাছে থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা বস্তি এলাকায় সীমিত আকারে স্বাস্থ্যসেবা বা শিক্ষার ব্যবস্থা করে। গ্রামের দরিদ্র পরিবারগুলো মনে করে, শহরে থাকলে অন্তত তাদের সন্তানদের জন্য সামান্য হলেও শিক্ষার সুযোগ পাওয়া যাবে, যা গ্রামে দুষ্প্রাপ্য।

৯। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও অবৈধ দখল: অনেক বস্তিই রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠে ও বিস্তার লাভ করে। তারা বস্তিবাসীর ভোটকে পুঁজি করে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করে। ফলে বস্তি উচ্ছেদের মতো পদক্ষেপ প্রায়ই বাধাগ্রস্ত হয়। বস্তি এলাকায় জমি দখল, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড চলে, যা রাজনৈতিক মদদে পরিচালিত হয়। এর ফলে বস্তিগুলো অপসারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং নতুন বস্তি গড়ে ওঠে।

১০। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নগর ঘনত্ব: শহরের জনসংখ্যা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রাকৃতিক বৃদ্ধির পাশাপাশি অভিবাসনের কারণে শহরের জনসংখ্যা ও ঘনত্ব অনেক বেড়েছে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের আবাসন চাহিদা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত আবাসন নেই। ফলে দরিদ্র এবং নিম্ন আয়ের মানুষরা স্বল্প খরচের বাসস্থানের খোঁজে বস্তি বেছে নেয়। এই অতিরিক্ত চাপ বস্তির সম্প্রসারণকে ত্বরান্বিত করে, কারণ চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নেই।

১১। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারি প্রকল্পের অভাব: অনেক দেশেই নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত ও কার্যকর আবাসন প্রকল্প নেই। সরকার কিছু প্রকল্প চালু করলেও সেগুলো প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল এবং সেগুলো বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় লাগে। ফলে দরিদ্র মানুষরা আবাসন সমস্যার সমাধানে সরকারের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজেদের মতো করে বস্তি গড়ে তোলে। সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার অভাবে এই সমস্যা দিন দিন বৃদ্ধি পায়।

১২। সামাজিক নিরাপত্তা ও সংহতির অভাব: গ্রামে মানুষ সামাজিক বন্ধন এবং পারস্পরিক সহায়তার মধ্যে বসবাস করে। কিন্তু শহরে এসে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বস্তিগুলো একটি নতুন সামাজিক সংহতি গড়ে তোলে, যেখানে মানুষ তাদের একই ধরনের আর্থিক অবস্থার কারণে একে অপরের সাথে মিশতে পারে। এখানে তারা নিজেদেরকে নিরাপদ মনে করে এবং তাদের জীবনযাত্রার সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করতে পারে। এই সামাজিক সংহতি বস্তিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

১৩। দুর্নীতি ও দুর্বল আইন প্রয়োগ: বস্তি উচ্ছেদ বা বস্তি নির্মূলের জন্য যে আইন রয়েছে, তা অনেক সময় দুর্বল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা দুর্নীতির কারণে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয় না। ভূমি দখল, অবৈধ নির্মাণ এবং অন্যান্য অনিয়ম দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের সহায়তায় ঘটে থাকে। এই দুর্নীতি বস্তি গড়ে তোলা এবং টিকিয়ে রাখার পেছনে বড় ভূমিকা পালন করে। আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে সহজেই অবৈধ কাজগুলো চালিয়ে নেওয়া যায়।

১৪। পরিবহন ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা: শহরের অনেক স্থানে পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং অপ্রতুল। বিশেষ করে যেসব শ্রমিক বা দিনমজুর কাজ করে, তাদের পক্ষে প্রতিদিন গণপরিবহনে প্রচুর টাকা খরচ করা সম্ভব হয় না। তাই তারা কাজের স্থানের কাছাকাছি এমন জায়গায় থাকতে চায়, যেখানে পায়ে হেঁটে বা কম খরচে যাতায়াত করা সম্ভব। বস্তিগুলো সাধারণত শহরের বাণিজ্যিক কেন্দ্র বা শিল্প এলাকার কাছাকাছি গড়ে ওঠে, যা যাতায়াত খরচ কমাতে সাহায্য করে।

১৫। অপর্যাপ্ত নগর পরিষেবা: শহরগুলোতে পানি, বিদ্যুৎ, পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো মৌলিক পরিষেবাগুলো প্রায়ই অপর্যাপ্ত হয়। এই পরিষেবাগুলো উচ্চ ব্যয়ের কারণে দরিদ্র মানুষরা নিয়মিত নিতে পারে না। বস্তিগুলোতে এই পরিষেবাগুলো প্রায়ই বিনামূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে পাওয়া যায়। ফলে দরিদ্র মানুষের জন্য বস্তি এক ধরনের আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে, যেখানে তারা মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারে।

১৬। গ্রামের চেয়ে তুলনামূলক ভালো সুযোগ-সুবিধা: গ্রামের তুলনায় শহরে কর্মসংস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধা বেশি থাকে। যদিও বস্তিতে থাকা মানে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হওয়া, কিন্তু গ্রামের দারিদ্র্য ও সুযোগ-সুবিধার অভাবের তুলনায় বস্তির জীবন অনেক মানুষের কাছে ভালো মনে হয়। তারা মনে করে, বস্তিতে থেকে তারা তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ভালো জীবন নিশ্চিত করতে পারবে।

১৭। গ্রামীণ অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব: কৃষি ক্ষেত্রে লাভ কম হওয়া, আধুনিক প্রযুক্তির অভাব এবং কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতিতে সংকট দেখা দেয়। অনেক কৃষক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে বা তাদের জীবিকা হারায়। এই অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তারা বাধ্য হয়ে নিজেদের গ্রাম ছেড়ে শহরে পাড়ি জমায়। কিন্তু শহরেও তাদের জন্য কোনো স্থায়ী বা সম্মানজনক কর্মসংস্থান না থাকায় তারা বস্তিতেই আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

১৮। দ্রুত নগরায়ণ ও গ্রামীণ জনসংখ্যা: গ্রামীণ অঞ্চল থেকে শহরে অভিবাসন দ্রুতগতিতে বাড়ছে, কারণ গ্রামের মানুষেরা শহরের উন্নত জীবনযাত্রার প্রতি আকৃষ্ট হয়। এই বিপুল জনসংখ্যার জন্য শহরে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায়, তারা নিজেদের মতো করে অস্থায়ী বাসস্থান গড়ে তোলে। এর ফলে বস্তিগুলো দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং নতুন নতুন বস্তি গড়ে উঠছে, যা নগর কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

১৯। সরকারি নীতির দুর্বলতা: বস্তি উচ্ছেদ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত সরকারি নীতিগুলো প্রায়শই দুর্বল ও অকার্যকর। অনেক সময় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হলেও সেগুলো বস্তিবাসীর চাহিদার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় না। পুনর্বাসিত এলাকায় তাদের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ থাকে না, ফলে তারা আবার বস্তি এলাকায় ফিরে আসে। এই দুর্বল নীতি ও তার বাস্তবায়নের ব্যর্থতা বস্তি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

উপসংহার: মহানগরীতে বস্তি বৃদ্ধি একটি বহুমুখী সমস্যা, যার মূলে রয়েছে অর্থনৈতিক বৈষম্য, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সামাজিক অসমতা। এই সমস্যার সমাধানে শুধুমাত্র বস্তি উচ্ছেদ নয়, বরং দারিদ্র্য বিমোচন, সবার জন্য স্বল্প খরচে আবাসন ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কার্যকর নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উপর জোর দিতে হবে। বস্তিবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা না গেলে এই সমস্যা কখনোই সমাধান হবে না।

একনজরে উত্তর দেখুন

মহানগরীতে বস্তি বৃদ্ধির কারণ

  1. 📍 কাজের সন্ধানে গ্রাম থেকে স্থানান্তর
  2. 🌪️ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন
  3. 💰 সস্তা শ্রম ও আবাসন ব্যবস্থার অভাব
  4. 🏭 শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অসমতা
  5. 🗺️ অপরিকল্পিত নগরায়ণ
  6. ⚖️ বস্তি এলাকায় কম জীবনযাত্রার ব্যয়
  7. 🏠 জমির উচ্চমূল্য
  8. ⚕️ স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগের অভাব
  9. 🤝 রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও অবৈধ দখল
  10. 📈 জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নগর ঘনত্ব
  11. ❌ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারি প্রকল্পের অভাব
  12. 🏘️ সামাজিক নিরাপত্তা ও সংহতির অভাব
  13. 👮‍♀️ দুর্নীতি ও দুর্বল আইন প্রয়োগ
  14. 🚌 পরিবহন ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা
  15. 💧 অপর্যাপ্ত নগর পরিষেবা
  16. ✨ গ্রামের চেয়ে তুলনামূলক ভালো সুযোগ-সুবিধা
  17. 🌾 গ্রামীণ অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব
  18. ➡️ দ্রুত নগরায়ণ ও গ্রামীণ জনসংখ্যা
  19. 📜 সরকারি নীতির দুর্বলতা
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১৯৭০ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে নগরায়ণের হার দ্রুত বৃদ্ধি পায়, যা বস্তি বৃদ্ধির পেছনে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে ১৯৯০-এর দশকে গার্মেন্টস শিল্পের প্রসারের ফলে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের মতো মহানগরগুলোতে শ্রমিকদের আগমন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এই বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের জন্য পর্যাপ্ত আবাসন না থাকায় তারা বস্তি এলাকায় আশ্রয় নেয়। ১৯৯৮ সালের বন্যা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা, যার ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছিল। এই বন্যার পর বহু মানুষ জীবিকার সন্ধানে শহরে এসে বস্তিতে আশ্রয় নিয়েছিল। বিশ্বব্যাংকের একটি জরিপ অনুযায়ী, ২০০০ সালের পর বাংলাদেশের বস্তিগুলোতে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। নগরায়ণ ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি পেলেও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য আবাসন সুবিধা নিশ্চিত না হওয়ায় এই সমস্যাটি বর্তমানে আরও প্রকট হয়েছে।

Tags: নগরীতে বস্তি বৃদ্ধির কারণবস্তিবস্তি বৃদ্ধির কারণমহানগরীতে বস্তিমহানগরীতে বস্তি বৃদ্ধিমহানগরীতে বস্তি বৃদ্ধির কারণ
  • Previous উন্নয়নশীল সমাজে অতি নগরায়নের প্রভাব আলোচনা কর।
  • Next বাংলাদেশের নগরায়নের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1573)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব রাজনীতিতে পরাশক্তির ভূমিকা আলোচনা কর।
    তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিশ্বব্যাংকের ভূমিকা আলোচনা কর।
    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশ্বায়নের প্রভাব আলোচনা কর।
    আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ কি নয়া বিশ্বব্যবস্থার প্রতি হুমকিস্বরূপ? ব্যাখ্যা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM