• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- মার্ক্স এর মতানুযায়ী সমাজ বিকাশের বিভিন্ন পর্যায় আলোচনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: কার্ল মার্ক্স, একজন যুগান্তকারী চিন্তাবিদ, সমাজ বিকাশের এক গভীর বিশ্লেষণ দিয়েছেন। তিনি দেখিয়েছেন যে মানুষের ইতিহাস কেবল ঘটনাপ্রবাহ নয়, বরং এটি একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া, যা অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এক স্তর থেকে অন্য স্তরে উত্তরণ করে। মার্ক্স-এর মতে, এই পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনই মানব সমাজের বিকাশের মূল চালিকাশক্তি। তাঁর এই তত্ত্ব ইতিহাসের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

মার্ক্স এর মতানুযায়ী সমাজ বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়:-

১. আদিম সাম্যবাদী সমাজ: মার্ক্স-এর মতে মানব সমাজের প্রথম পর্যায় হলো আদিম সাম্যবাদী সমাজ, যেখানে কোনো ব্যক্তিগত মালিকানা ছিল না। মানুষ একসঙ্গে শিকার করত, খাবার সংগ্রহ করত এবং যা পেত তা ভাগ করে নিত। এখানে কোনো শ্রেণি ছিল না, শোষণ ছিল না, কারণ উৎপাদন ব্যবস্থা ছিল খুবই সীমিত এবং সবাই মিলেমিশে কাজ করত। এটি ছিল মানুষের টিকে থাকার জন্য একটি পারস্পরিক সহযোগিতার ব্যবস্থা, যেখানে ব্যক্তিগত সম্পত্তির ধারণাই গড়ে ওঠেনি। এই সমাজ মূলত প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং প্রযুক্তির তেমন কোনো বিকাশ ছিল না।

২. দাস সমাজ: আদিম সাম্যবাদী সমাজের পর আসে দাস সমাজ। এই সমাজে ব্যক্তিগত মালিকানার সূত্রপাত হয় এবং উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নতি ঘটে। উদ্বৃত্ত উৎপাদন হওয়ায় এক শ্রেণি অন্য শ্রেণিকে শোষণ করা শুরু করে। শক্তিশালীরা দুর্বলদের দাস বানিয়ে তাদের শ্রমের ওপর নির্ভর করে। এই সমাজের প্রধান দুটি শ্রেণি হলো দাস মালিক এবং দাস। দাসরা ছিল উৎপাদন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি, কিন্তু তাদের কোনো অধিকার ছিল না। দাস মালিকরা তাদের জীবন ও শ্রমের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখত। এটি ছিল একটি কঠোর শ্রেণি-বিভাজিত সমাজ, যেখানে দাস বিদ্রোহ ছিল একটি সাধারণ ঘটনা।

৩. সামন্ততান্ত্রিক সমাজ: দাস সমাজের পতনের পর আসে সামন্ততান্ত্রিক সমাজ। এই সমাজে ভূমির মালিকানা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সমাজের প্রধান শ্রেণিগুলো ছিল সামন্ত প্রভু এবং ভূমিদাস বা কৃষক। সামন্ত প্রভুরা ছিল বিশাল ভূমির মালিক, আর ভূমিদাসরা তাদের জমিতে কাজ করত। ভূমিদাসরা তাদের শ্রমের বিনিময়ে জমির ওপর থাকার এবং চাষ করার অধিকার পেত। যদিও তাদের দাসদের মতো বিক্রি করা যেত না, কিন্তু তারা সামন্ত প্রভুদের কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকত। এই সময়ে উৎপাদন ব্যবস্থা মূলত কৃষিনির্ভর ছিল এবং শহরগুলো তেমন গড়ে ওঠেনি। সামন্তবাদ ছিল একটি hierarchical বা ক্রমোচ্চ শ্রেণী-বিভক্ত ব্যবস্থা।

৪. পুঁজিবাদী সমাজ: সামন্ততন্ত্রের পতনের পর পুঁজিবাদী সমাজের জন্ম হয়। এটি মার্ক্স-এর বিশ্লেষণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। এই সমাজে উৎপাদন ব্যবস্থার মালিকানা থাকে পুঁজিপতিদের হাতে, যারা লাভ অর্জনের জন্য সবকিছু করে। সমাজের প্রধান দুটি শ্রেণি হলো বুর্জোয়া বা পুঁজিপতি এবং প্রলেতারিয়েত বা শ্রমিক শ্রেণি। পুঁজিপতিরা শ্রমিকদের শ্রম শোষণ করে মুনাফা অর্জন করে। শ্রমিকরা তাদের শ্রমশক্তি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে, কিন্তু উৎপাদনের উপকরণের ওপর তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এই সমাজ অর্থনৈতিক বৈষম্য, প্রতিযোগিতা এবং ঘন ঘন অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত।

৫. সমাজতান্ত্রিক সমাজ: মার্ক্স-এর মতে, পুঁজিবাদী সমাজের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ফলে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটবে। সমাজতন্ত্র হলো এমন একটি সমাজ যেখানে উৎপাদন ব্যবস্থার মালিকানা ব্যক্তিগত না হয়ে সমাজের হাতে থাকবে। এখানে কোনো শ্রেণি বিভাজন থাকবে না এবং শোষণ থাকবে না। এই ব্যবস্থাটি হবে জনগণের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যেখানে সম্পদ এবং উৎপাদনের উপকরণ সবার মধ্যে সমানভাবে বন্টন করা হবে। সমাজতন্ত্রে উৎপাদনের লক্ষ্য হবে মুনাফা অর্জন নয়, বরং সমাজের সবার চাহিদা পূরণ করা। মার্ক্স এটি কে সাম্যবাদের দিকে উত্তরণের একটি অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায় হিসেবে দেখেছেন।

৬. সাম্যবাদী সমাজ: সমাজতন্ত্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা। এই সমাজে রাষ্ট্র বলে কিছু থাকবে না, কারণ রাষ্ট্রের প্রধান কাজ হলো একটি শ্রেণির ওপর অন্য শ্রেণির শাসন বজায় রাখা। যখন কোনো শ্রেণি থাকবে না, তখন রাষ্ট্রের প্রয়োজনও ফুরিয়ে যাবে। সাম্যবাদে থাকবে ‘প্রত্যেকে তার সামর্থ্য অনুযায়ী দেবে এবং প্রত্যেকে তার প্রয়োজন অনুযায়ী পাবে’—এই নীতি। এটি হবে মানুষের সর্বোচ্চ বিকাশের একটি সমাজ, যেখানে অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং শোষণ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হবে। সাম্যবাদকে মার্ক্স মানব সমাজের চূড়ান্ত এবং সর্বোচ্চ পর্যায় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

৭. শ্রেণি সংগ্রাম: মার্ক্স-এর মতে, ইতিহাসের প্রতিটি পর্যায়ই মূলত শ্রেণি সংগ্রামের ইতিহাস। আদিম সাম্যবাদী সমাজ ছাড়া প্রতিটি সমাজে দুটি প্রধান শ্রেণি বিদ্যমান ছিল, যাদের স্বার্থ একে অপরের বিপরীত। দাস মালিক ও দাস, সামন্ত প্রভু ও ভূমিদাস, এবং পুঁজিপতি ও শ্রমিক—এই শ্রেণিগুলোর মধ্যে নিরন্তর দ্বন্দ্ব চলে এসেছে। এই দ্বন্দ্বই সমাজকে এক পর্যায় থেকে অন্য পর্যায়ে চালিত করে। মার্ক্স দেখিয়েছেন যে এই সংগ্রামই সামাজিক পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি।

৮. ঐতিহাসিক বস্তুবাদ: মার্ক্স-এর সমাজ বিকাশের তত্ত্বটি ঐতিহাসিক বস্তুবাদের ওপর ভিত্তি করে গঠিত। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, সমাজের পরিবর্তন বা ইতিহাসকে বুঝতে হলে তার অর্থনৈতিক ভিত্তি বা ‘উৎপাদন সম্পর্ক’কে বুঝতে হবে। মানুষের চিন্তাভাবনা, সংস্কৃতি, এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা—সবকিছুই এই অর্থনৈতিক ভিত্তির দ্বারা প্রভাবিত হয়। মার্ক্স দেখিয়েছেন যে অর্থনৈতিক কাঠামোই সমাজের superstructure বা উপরি-কাঠামোকে নির্ধারণ করে, এবং এই উপরি-কাঠামোই ইতিহাসকে পরিচালিত করে।

৯. ভিত্তি ও উপরি-কাঠামো: ঐতিহাসিক বস্তুবাদ অনুযায়ী, একটি সমাজের অর্থনৈতিক কাঠামো হলো তার ভিত্তি বা base, আর আইন, ধর্ম, সংস্কৃতি, রাজনৈতিক ব্যবস্থা ইত্যাদি হলো উপরি-কাঠামো বা superstructure। ভিত্তিই উপরি-কাঠামোকে নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন, পুঁজিবাদী সমাজে মুনাফা অর্জনের জন্য এমন আইন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে যা পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষা করে। মার্ক্স এই দুটি কাঠামোর সম্পর্ককে খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।

১০. উৎপাদন সম্পর্ক: মার্ক্স-এর মতে, উৎপাদন সম্পর্ক সমাজের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি হলো মানুষের মধ্যেকার সম্পর্ক যা উৎপাদন প্রক্রিয়ার সময় গড়ে ওঠে। যেমন, দাস সমাজে দাস মালিক ও দাসের মধ্যে সম্পর্ক, সামন্ততান্ত্রিক সমাজে সামন্ত প্রভু ও ভূমিদাসের মধ্যে সম্পর্ক, এবং পুঁজিবাদী সমাজে পুঁজিপতি ও শ্রমিকের মধ্যে সম্পর্ক। এই সম্পর্কগুলিই শ্রেণি বিভাজন তৈরি করে এবং সামাজিক দ্বন্দ্বের জন্ম দেয়।

১১. উৎপাদন পদ্ধতি: উৎপাদন পদ্ধতি বলতে মার্ক্স বোঝাতে চেয়েছেন যে কীভাবে উৎপাদন করা হয়। এটিতে উৎপাদন শক্তি (যেমন- শ্রম, যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি) এবং উৎপাদন সম্পর্ক—এই দুটি উপাদান অন্তর্ভুক্ত। সমাজ বিকাশের প্রতিটি পর্যায়ে উৎপাদন পদ্ধতিই পরিবর্তিত হয়, যা নতুন উৎপাদন সম্পর্ক এবং নতুন সামাজিক কাঠামোর জন্ম দেয়। যখন উৎপাদন শক্তি পুরানো উৎপাদন সম্পর্ককে ছাড়িয়ে যায়, তখন সামাজিক বিপ্লব অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে।

১২. পুঁজির সঞ্চালন: পুঁজিবাদী সমাজে পুঁজির সঞ্চালন একটি অবিরাম প্রক্রিয়া। পুঁজিপতিরা পুঁজি দিয়ে কাঁচামাল এবং শ্রম কেনে, পণ্য উৎপাদন করে এবং তা বাজারে বিক্রি করে আরো বেশি পুঁজি অর্জন করে। এই প্রক্রিয়াটি নিরন্তর চলতে থাকে, যা মুনাফা বৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষা থেকে চালিত হয়। মার্ক্স দেখিয়েছেন যে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদের উদ্বৃত্ত শ্রম শোষণ করা হয়।

১৩. অ Alienation (শ্রম থেকে বিচ্ছিন্নতা): মার্ক্স-এর মতে, পুঁজিবাদী সমাজে শ্রমিকরা তাদের শ্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। শ্রমিকরা কেবল নির্দিষ্ট একটি কাজ করে এবং তাদের তৈরি করা পণ্যের উপর তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তারা নিজেদের শ্রমশক্তিকে একটি পণ্যের মতো বিক্রি করে, যা তাদের মানবিক সত্তাকে ক্ষুণ্ণ করে। এই বিচ্ছিন্নতা শ্রমিকের মানসিক এবং শারীরিক উভয় দিক থেকেই শোষণ করে।

১৪. উদ্বৃত্ত মূল্য: মার্ক্স-এর তত্ত্বের একটি মূল ধারণা হলো উদ্বৃত্ত মূল্য বা surplus value। শ্রমিকরা যে পরিমাণ শ্রম দেয় তার বিনিময়ে যে মজুরি পায় তা তার শ্রমের প্রকৃত মূল্যের থেকে কম। এই উদ্বৃত্ত মূল্যই পুঁজিপতিদের মুনাফার প্রধান উৎস। পুঁজিপতিরা শ্রমিকের এই উদ্বৃত্ত শ্রমকে শোষণ করে বিশাল সম্পদ গড়ে তোলে, যা সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়ায়।

১৫. শ্রমিক শ্রেণির জাগরণ: মার্ক্স বিশ্বাস করতেন যে পুঁজিবাদী সমাজে শ্রমিক শ্রেণির জাগরণ অবশ্যম্ভাবী। যখন শোষণ চরমে পৌঁছাবে এবং শ্রমিকরা তাদের সাধারণ স্বার্থ সম্পর্কে সচেতন হবে, তখন তারা সংগঠিত হবে এবং পুঁজিপতিদের বিরুদ্ধে বিপ্লব করবে। এই বিপ্লবের মাধ্যমেই নতুন সমাজব্যবস্থা, অর্থাৎ সমাজতন্ত্রের জন্ম হবে। এটি মার্ক্স-এর তত্ত্বের একটি মৌলিক দিক।

১৬. সামাজিক বিপ্লব: মার্ক্স-এর মতে, একটি সামাজিক বিপ্লব ঘটে যখন সমাজের অর্থনৈতিক ভিত্তি এবং উপরি-কাঠামোর মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। পুরোনো উৎপাদন সম্পর্ক নতুন উৎপাদন শক্তির বিকাশে বাধা দেয়, যার ফলে সমাজে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়। এই অস্থিরতা শেষ পর্যন্ত সামাজিক বিপ্লবের জন্ম দেয়, যা পুরোনো সমাজব্যবস্থাকে ভেঙে দেয় এবং নতুন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে।

১৭. রাষ্ট্রের বিলুপ্তি: মার্ক্স বিশ্বাস করতেন যে সাম্যবাদী সমাজে রাষ্ট্র বলে কিছু থাকবে না। পুঁজিবাদী সমাজে রাষ্ট্র পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষা করার একটি হাতিয়ার মাত্র। কিন্তু যখন শ্রেণি বিলুপ্ত হবে এবং উৎপাদন ব্যবস্থা সমাজের সবার নিয়ন্ত্রণে আসবে, তখন রাষ্ট্রের আর কোনো প্রয়োজন থাকবে না। মার্ক্স এর মতে, এই ‘রাষ্ট্রের বিলুপ্তি’ মানব সমাজের সর্বোচ্চ বিকাশের একটি লক্ষণ।

১৮. সর্বহারা বা শ্রমিক শ্রেণির একনায়কত্ব: সমাজতন্ত্রে পৌঁছানোর জন্য মার্ক্স ‘সর্বহারা বা শ্রমিক শ্রেণির একনায়কত্ব’ (dictatorship of the proletariat) -এর ধারণা দিয়েছেন। এই ধারণা অনুযায়ী, পুঁজিবাদ থেকে সাম্যবাদে রূপান্তরের সময় শ্রমিক শ্রেণি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করবে এবং এটি তাদের স্বার্থ অনুযায়ী পরিচালনা করবে। এই সময়ের মধ্যে পুঁজিবাদী সমাজের অবশিষ্টাংশ নির্মূল করা হবে এবং সমাজতান্ত্রিক উৎপাদন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে। এটি একটি অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায়।

উপসংহার: মার্ক্স-এর সমাজ বিকাশের তত্ত্ব ইতিহাসের এক নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে। তিনি দেখিয়েছেন যে মানুষের ইতিহাস কেবল রাজা-বাদশার কাহিনি নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক সম্পর্কের পরিবর্তন এবং শ্রেণি সংগ্রামের এক জটিল প্রক্রিয়া। তাঁর এই বিশ্লেষণ মানুষকে সমাজের কাঠামো এবং পরিবর্তনের মূল কারণ সম্পর্কে গভীর ধারণা দিয়েছে। তাঁর দর্শন আজও সমাজবিজ্ঞানী এবং রাজনীতিবিদদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়।

একনজরে উত্তর দেখুন

✅ আদিম সাম্যবাদী সমাজ 💸 দাস সমাজ 🏰 সামন্ততান্ত্রিক সমাজ 🏙️ পুঁজিবাদী সমাজ 🤝 সমাজতান্ত্রিক সমাজ 🌈 সাম্যবাদী সমাজ 🤼 শ্রেণি সংগ্রাম ⏳ ঐতিহাসিক বস্তুবাদ 🏗️ ভিত্তি ও উপরি-কাঠামো 🔗 উৎপাদন সম্পর্ক ⚙️ উৎপাদন পদ্ধতি 💰 পুঁজির সঞ্চালন 🚫 শ্রম থেকে বিচ্ছিন্নতা 📈 উদ্বৃত্ত মূল্য 📢 শ্রমিক শ্রেণির জাগরণ 🔥 সামাজিক বিপ্লব 👻 রাষ্ট্রের বিলুপ্তি 👑 সর্বহারা বা শ্রমিক শ্রেণির একনায়কত্ব

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

কার্ল মার্ক্স-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রচনা ‘Das Kapital’ (মূলত জার্মান ভাষায় প্রকাশিত), যার প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৬৭ সালে। এই গ্রন্থে তিনি পুঁজিবাদী সমাজের কাঠামোর বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছেন। মার্ক্স তাঁর বন্ধু ও সহযোগী ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস-এর সাথে মিলে ‘The Communist Manifesto’ প্রকাশ করেন ১৮৪৮ সালে, যা বিশ্বজুড়ে কমিউনিস্ট আন্দোলনের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব মার্ক্স-এর তত্ত্ব দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল, যা লেনিনের নেতৃত্বে প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। পরবর্তীকালে, চীনের ১৯৪৯ সালের বিপ্লব, কিউবার ১৯৫৯ সালের বিপ্লব সহ বিশ্বের বহু ঐতিহাসিক আন্দোলন মার্ক্স-এর ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। বিংশ শতাব্দীতে মার্ক্সবাদী চিন্তা সারা বিশ্বে সামাজিক এবং রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

Tags: মার্ক্স এর মতানুযায়ী সমাজ বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়মার্ক্স এর মতানুযায়ী সমাজ বিকাশের বিভিন্ন পর্যায় আলোচনা কর।
  • Previous উদ্যান চাষ ও পশুপালন সমাজ সম্পর্কে আলোচনা কর।
  • Next সমাজ জীবনের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1567)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    স্নায়ু যুদ্ধোত্তর বিশ্বের নতুন আন্তর্জাতিক ক্ষমতা বিন্যাস সংক্ষেপে তুলে ধর।
    জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের করণীয়সমূহ আলোচনা কর।
    অর্থনৈতিক নিরাপত্তা অর্জনে বাংলাদেশের করণীয়সমূহ আলোচনা কর।
    তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহের উপর বিশ্বায়নের অভিঘাত আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM