• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- রোমান সভ্যতার বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনা কর।

উত্তর।।প্রারম্ভ: প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী সভ্যতা হলো রোমান সভ্যতা। ইতালির ছোট্ট শহর রোম থেকে এর বিস্তার ঘটেছিল সুবিশাল সাম্রাজ্যে। প্রায় এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এই সভ্যতা শুধু ইতালিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল অংশ জুড়ে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করেছিল। রোমানরা তাদের স্থাপত্য, আইন, সামরিক শক্তি, এবং শাসনব্যবস্থা দিয়ে মানবসভ্যতাকে নতুন দিগন্তে পৌঁছে দিয়েছিল। এই নিবন্ধে আমরা রোমান সভ্যতার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করব।

রোমান সভ্যতার বৈশিষ্ট্যসমূহ: -

১. আইন ও বিচারব্যবস্থা: রোমানদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানগুলির মধ্যে একটি হলো তাদের আইনব্যবস্থা। তারা লিখিত আইন প্রণয়ন করেছিল, যা ‘টোয়েলভ টেবিলস’ নামে পরিচিত। এই আইনগুলি ছিল একটি সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থার ভিত্তি। রোমানরা বিশ্বাস করত যে আইন সবার জন্য সমান এবং এটি কেবল সমাজের উচ্চবিত্তদের জন্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের জন্যও প্রযোজ্য। তাদের প্রণীত আইন, বিচারপ্রক্রিয়া এবং বিচারালয় গঠনের ধারণা আধুনিক বিশ্বের আইনি ব্যবস্থার উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। আজও অনেক দেশের বিচারব্যবস্থা রোমান আইনের মূল নীতিগুলির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা তাদের আইনকে একটি চিরন্তন রূপ দিয়েছে।

২. সামরিক শক্তি ও সাম্রাজ্যবাদ: রোমানদের সামরিক দক্ষতা ছিল অতুলনীয়। তাদের সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনী, যাকে ‘লিজিয়ন’ বলা হতো, ছিল বিজয়ের মূল ভিত্তি। এই লিজিয়নগুলি কেবল যুদ্ধেই পারদর্শী ছিল না, বরং রাস্তা ও দুর্গ নির্মাণেও তাদের দক্ষতা ছিল অসাধারণ। রোমানরা তাদের সামরিক শক্তির জোরে ভূমধ্যসাগরের প্রায় পুরো এলাকা নিজেদের দখলে আনতে সক্ষম হয়েছিল। তাদের এই সাম্রাজ্যবাদ নীতির কারণে রোমানরা বিশাল ভূখণ্ডের উপর শাসন প্রতিষ্ঠা করে, যা ইতিহাসে বিরল। তাদের সামরিক কৌশল এবং শৃঙ্খলার কারণে তারা দীর্ঘকাল ধরে তাদের সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে পেরেছিল।

৩. প্রকৌশল ও স্থাপত্য: রোমানরা ছিল অসাধারণ স্থপতি ও প্রকৌশলী। তাদের তৈরি রাস্তাঘাট, সেতু, জলাধার, এবং জল সরবরাহ ব্যবস্থা (অ্যাকুইডাক্ট) আজও তাদের দক্ষতার পরিচয় বহন করে। কলিসিয়াম, প্যানথিয়ন এবং রোমান ফোরামের মতো স্থাপত্যগুলি তাদের কারিগরি জ্ঞান ও শৈল্পিক রুচির চূড়ান্ত নিদর্শন। তারা কংক্রিটের ব্যবহার জানত, যা তাদের বিশাল ও টেকসই স্থাপত্য তৈরিতে সাহায্য করেছিল। রোমানদের তৈরি রাস্তাগুলি এমনভাবে নির্মিত হয়েছিল যে, তা কয়েক হাজার বছর পরেও ব্যবহার উপযোগী ছিল, যা তাদের প্রকৌশল জ্ঞানের গভীরতা প্রমাণ করে।

৪. ল্যাটিন ভাষা ও সাহিত্য: রোমানদের ভাষা ছিল ল্যাটিন, যা পরবর্তীতে ইউরোপের অনেক ভাষার জন্ম দিয়েছে, যেমন- ইতালীয়, ফরাসি, স্প্যানিশ এবং পর্তুগিজ। এই ভাষা রোমান সাম্রাজ্যের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং তা জ্ঞানের আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ভার্জিল, হোরেস এবং সিসেরোর মতো বিখ্যাত রোমান কবি ও সাহিত্যিকদের লেখনী আজও সাহিত্যের জগতে উচ্চমানের নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়। তাদের সাহিত্যকর্ম রোমান সমাজের জীবনযাত্রা, দর্শন, এবং ইতিহাস সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য প্রদান করে।

৫. সামাজিক স্তরবিন্যাস: রোমান সমাজ কয়েকটি শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। সমাজের শীর্ষে ছিল ‘প্যাট্রিসিয়ান’ বা অভিজাত শ্রেণি, যাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা ছিল। এরপর ছিল ‘প্লেবিয়ান’ বা সাধারণ মানুষ, যাদের অধিকার সীমিত ছিল। সমাজের সর্বনিম্ন স্তরে ছিল দাসেরা, যাদের কোনো অধিকার ছিল না। রোমান সমাজে এই শ্রেণি বিভাজন অত্যন্ত কঠোর ছিল, যদিও সময়ের সাথে সাথে প্লেবিয়ানদের অধিকার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল। এই সামাজিক কাঠামো রোমান সাম্রাজ্যের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

৬. পাবলিক সার্ভিস ও নগর পরিকল্পনা: রোমানরা তাদের শহরগুলিকে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলেছিল। তারা উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পাবলিক স্নানাগার, ফোরাম, থিয়েটার এবং স্টেডিয়াম নির্মাণ করেছিল। এসব পাবলিক সার্ভিস সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করেছিল। রোমান ফোরাম ছিল শহরের কেন্দ্র, যেখানে রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। তাদের নগর পরিকল্পনা আধুনিক নগর পরিকল্পনার একটি প্রাথমিক মডেল হিসেবে কাজ করে, যা আজও অনেক ক্ষেত্রে অনুকরণীয়।

৭. ধর্ম ও দেবদেবীর উপাসনা: রোমানরা মূলত বহু-ঈশ্বরবাদী ছিল এবং তারা গ্রিক দেবদেবীদের অনুকরণে নিজেদের দেবদেবীর উপাসনা করত। জুপিটার (জিউস), জুনো (হেরা), এবং ভেনাস (অ্যাফ্রোডাইটি) তাদের প্রধান দেবদেবী ছিল। তারা মনে করত যে, এই দেবদেবীরা তাদের জীবন ও সাম্রাজ্যের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করে। রোমানরা তাদের ধর্মানুষ্ঠানগুলি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করত। তবে, সময়ের সাথে সাথে খ্রিস্টধর্মের উত্থান হয় এবং রোমান সাম্রাজ্যের শেষভাগে এটি প্রধান ধর্মে পরিণত হয়।

৮. কৃষি ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা: রোমান অর্থনীতির মূল ভিত্তি ছিল কৃষি। তারা উন্নত কৃষি পদ্ধতি ব্যবহার করত এবং বিশাল সাম্রাজ্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করত। জলপাই, আঙুর এবং শস্য ছিল তাদের প্রধান ফসল। রোমানরা বাণিজ্য ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা বিভিন্ন প্রদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন করে এবং মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করে, যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সহজ করে তুলেছিল। রোমান সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি তাদের সামরিক শক্তি এবং স্থাপত্যের উন্নয়নে সহায়ক হয়েছিল।

৯. শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা: রোমানরা জ্ঞানচর্চায় গ্রিকদের মতো গভীর দার্শনিক না হলেও, তারা ব্যবহারিক জ্ঞানের উপর জোর দিত। তারা বক্তৃতা, আইন, এবং সামরিক কৌশল শেখার উপর গুরুত্ব দিত। রোমান সমাজে শিশুদের শিক্ষা দেওয়া হতো, যেখানে ব্যাকরণ, সাহিত্য এবং গণিত শেখানো হতো। ধনী পরিবারের সন্তানরা ব্যক্তিগত শিক্ষকের কাছে পড়াশোনা করত। যদিও রোমানরা নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের চেয়ে গ্রিকদের জ্ঞানকে কাজে লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিত, তাদের এই জ্ঞানচর্চা রোমান সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক কার্যক্রমে সহায়ক হয়েছিল।

১০. পরিবার ও পারিবারিক জীবন: রোমান সমাজে পরিবার ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। পরিবারের প্রধান ছিল পিতা, যার হাতে ছিল অসীম ক্ষমতা। পরিবারের সদস্যরা তার আদেশ মেনে চলত। রোমান পরিবার ছিল একটি অর্থনৈতিক এবং সামাজিক একক। বিবাহকে একটি পবিত্র সম্পর্ক হিসেবে গণ্য করা হতো এবং পরিবারের সম্মান রক্ষা করা ছিল প্রতিটি সদস্যের দায়িত্ব। নারীদের অধিকার সীমিত ছিল, তবে সময়ের সাথে সাথে তাদের সামাজিক অবস্থান কিছুটা উন্নত হয়েছিল।

১১. দাসপ্রথা: রোমান সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল দাসপ্রথা। দাসেরা ছিল যুদ্ধের বন্দী, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি অথবা ক্রয়কৃত মানুষ। তারা সমাজের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থান করত এবং তাদের কোনো অধিকার ছিল না। দাসেরা কৃষিকাজ, নির্মাণকাজ, এবং গৃহস্থালি কাজসহ বিভিন্ন ধরনের শ্রমের কাজ করত। এই দাসপ্রথা রোমান অর্থনীতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং রোমান সমাজের অভিজাত শ্রেণি দাসদের শ্রমের উপর নির্ভরশীল ছিল।

১২. রোমান ফোরাম: রোমান ফোরাম ছিল রোমান সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র। এটি ছিল একটি বিশাল উন্মুক্ত স্থান, যেখানে রাজনৈতিক, সামাজিক, এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। ফোরামের চারপাশে ছিল মন্দির, বিচারালয়, এবং বিভিন্ন সরকারি ভবন। এটি শুধু রোমের কেন্দ্র ছিল না, বরং রোমান সাম্রাজ্যের ক্ষমতা ও সংস্কৃতির প্রতীক ছিল। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা দেওয়া হতো, আইন প্রণয়ন করা হতো, এবং জনগণের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতো।

১৩. প্রাদেশিক শাসন: রোমানরা তাদের বিশাল সাম্রাজ্যকে বিভিন্ন প্রদেশে বিভক্ত করে শাসন করত। প্রতিটি প্রদেশের জন্য একজন গভর্নর নিয়োগ করা হতো, যিনি রোমের সম্রাটের অধীনে থেকে শাসন পরিচালনা করতেন। এই প্রাদেশিক শাসনব্যবস্থা রোমানদের সাম্রাজ্যের বিশাল এলাকাকে সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করেছিল। এটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন এবং কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের মধ্যে একটি ভারসাম্য তৈরি করে।

১৪. গণতন্ত্রের ধারণা: রোমানরা প্রথমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিল, যেখানে ক্ষমতা জনগণের হাতে ছিল, যদিও তা পুরোপুরি গণতান্ত্রিক ছিল না। তাদের শাসনব্যবস্থা ছিল সিনেট, ম্যাজিস্ট্রেট এবং গণপরিষদের সমন্বয়ে গঠিত। সিনেট ছিল অভিজাতদের দ্বারা পরিচালিত একটি পরিষদ, যারা আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। এই প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থা আধুনিক গণতন্ত্রের ধারণার বিকাশে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল, যদিও পরে তা সাম্রাজ্যবাদী শাসনের অধীনে চলে যায়।

১৫. জল সরবরাহ ব্যবস্থা (অ্যাকুইডাক্ট): রোমানদের প্রকৌশল দক্ষতার একটি অসাধারণ উদাহরণ হলো অ্যাকুইডাক্ট। এটি ছিল জল সরবরাহের জন্য নির্মিত বিশাল কাঠামো। এই অ্যাকুইডাক্টের মাধ্যমে তারা দূরবর্তী পাহাড় থেকে শহরে বিশুদ্ধ পানি নিয়ে আসত। এই উন্নত জল সরবরাহ ব্যবস্থা রোমান শহরগুলিতে জনস্বাস্থ্যের উন্নতিতে ব্যাপক সহায়তা করেছিল এবং পাবলিক স্নানাগার, ফোয়ারা এবং ব্যক্তিগত বাড়িতে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করেছিল।

১৬. সড়কপথের নেটওয়ার্ক: রোমানরা একটি বিস্তৃত সড়কপথের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিল যা তাদের সাম্রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তকে সংযুক্ত করত। এই সড়কগুলি সামরিক অভিযান, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। রোমানদের সড়কগুলি এতটাই টেকসই ছিল যে, সেগুলির কিছু অংশ আজও টিকে আছে। এই সড়কপথগুলি রোমান সাম্রাজ্যের ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

১৭. বিনোদন ও গ্ল্যাডিয়েটর খেলা: রোমানরা বিনোদনপ্রিয় ছিল এবং তারা বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করত। গ্ল্যাডিয়েটর খেলা ছিল সবচেয়ে জনপ্রিয়। কলিসিয়ামের মতো বিশাল অ্যাম্ফিথিয়েটারে দাস ও যুদ্ধবন্দীদের একে অপরের সাথে লড়াই করানো হতো। এই খেলাগুলি ছিল রোমান জনগণের জন্য একটি বিনোদনমূলক মাধ্যম, যা তাদের জীবনের কঠোরতা থেকে কিছুটা মুক্তি দিত।

১৮. মুদ্রা ও বাণিজ্য: রোমানরা একটি সুসংগঠিত মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করেছিল, যা তাদের অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সহজ করে তুলেছিল। রোমান মুদ্রা ছিল সাম্রাজ্যের সর্বত্র স্বীকৃত এবং এটি বাণিজ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রোমানরা বিভিন্ন প্রদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপন করে এবং দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি-রপ্তানি করত, যা তাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছিল।

১৯. স্থাপত্যশৈলীতে গ্রিক প্রভাব: রোমানরা গ্রিক স্থাপত্যশৈলী থেকে ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিল। তারা গ্রিকদের মন্দির, কলাম এবং স্থাপত্যের অন্যান্য উপাদান ব্যবহার করত। তবে, রোমানরা নিজস্ব কিছু নতুনত্বও যোগ করেছিল, যেমন- আর্চ (খিলান) এবং কংক্রিটের ব্যবহার। গ্রিক ও রোমান স্থাপত্যের এই মিশ্রণ এক নতুন শৈলীর জন্ম দিয়েছিল যা আজও বিদ্যমান।

২০. রোমান সেনাবাহিনীতে পদাতিক ও অশ্বারোহী: রোমান সেনাবাহিনীতে পদাতিক (ইনফ্যান্ট্রি) এবং অশ্বারোহী (ক্যাভ্যালরি) উভয়ই ছিল। পদাতিক বাহিনী ছিল সেনাবাহিনীর মূল শক্তি, যারা সুশৃঙ্খলভাবে যুদ্ধ করত। অশ্বারোহী বাহিনী তাদের দ্রুত গতি ও কার্যকর আক্রমণের জন্য ব্যবহৃত হতো। এই দুই ধরনের সেনার সমন্বয় রোমানদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব নিশ্চিত করেছিল।

২১. সাম্রাজ্যের পতনের কারণ: রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পিছনে অনেক কারণ ছিল, যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, অর্থনৈতিক সংকট, সামরিক বাহিনীর দুর্বলতা এবং বর্বর জাতিগোষ্ঠীর আক্রমণ অন্যতম। বিশাল সাম্রাজ্যের শাসনভার পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল এবং বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছিল। এই কারণগুলির সম্মিলিত প্রভাবে রোমান সাম্রাজ্যের পতন হয়, যা পশ্চিমা বিশ্বের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

উপসংহার: রোমান সভ্যতা মানব ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় রচনা করেছে। তাদের আইন, স্থাপত্য, প্রকৌশল, ভাষা এবং সামরিক ব্যবস্থা আধুনিক বিশ্বের ভিত্তি স্থাপন করেছে। যদিও রোমান সাম্রাজ্যের পতন হয়েছিল, তাদের রেখে যাওয়া সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রভাব আজও আমাদের সমাজে বিদ্যমান। রোমানদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপন পদ্ধতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অমূল্য শিক্ষা হিসেবে কাজ করে। তাদের স্থাপত্য আজও রোমানদের সৃজনশীলতা এবং ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

একনজরে উত্তর দেখুন

১. আইন ও বিচারব্যবস্থা
২. সামরিক শক্তি ও সাম্রাজ্যবাদ
৩. প্রকৌশল ও স্থাপত্য
৪. ল্যাটিন ভাষা ও সাহিত্য
৫. সামাজিক স্তরবিন্যাস
৬. পাবলিক সার্ভিস ও নগর পরিকল্পনা
৭. ধর্ম ও দেবদেবীর উপাসনা
৮. কৃষি ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা
৯. শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা
১০. পরিবার ও পারিবারিক জীবন
১১. দাসপ্রথা
১২. রোমান ফোরাম
১৩. প্রাদেশিক শাসন
১৪. গণতন্ত্রের ধারণা
১৫. জল সরবরাহ ব্যবস্থা (অ্যাকুইডাক্ট)
১৬. সড়কপথের নেটওয়ার্ক
১৭. বিনোদন ও গ্ল্যাডিয়েটর খেলা
১৮. মুদ্রা ও বাণিজ্য
১৯. স্থাপত্যশৈলীতে গ্রিক প্রভাব
২০. রোমান সেনাবাহিনীতে পদাতিক ও অশ্বারোহী
২১. সাম্রাজ্যের পতনের কারণ

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

রোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিতর্ক থাকলেও, প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী ৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোম শহর প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ১৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত রোমানরা কার্থেজীয়দের বিরুদ্ধে তিনটি পিউনিক যুদ্ধে জয়লাভ করে ভূমধ্যসাগরের প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়। এরপর ৪৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জুলিয়াস সিজারের হত্যাকাণ্ড রোমান প্রজাতন্ত্রের পতনের ইঙ্গিত দেয়। এর পরে ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে অক্টাভিয়ান সিজার (পরবর্তীতে অগাস্টাস) প্রথম রোমান সম্রাট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং রোমান সাম্রাজ্যের সূচনা হয়। রোমান সাম্রাজ্য ৪০৯ খ্রিস্টাব্দে গথদের দ্বারা রোম অবরোধ এবং ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিম রোমান সাম্রাজ্যের পতনের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটে। এই দীর্ঘ সময়কালে রোমানরা অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য, যেমন- কলিসিয়াম (৭০-৮০ খ্রিস্টাব্দ) এবং প্যানথিয়ন (১২৫ খ্রিস্টাব্দ) নির্মাণ করে। রোমানরা তাদের সামরিক কৌশল এবং উন্নত সড়কপথের নেটওয়ার্ক দিয়ে একটি বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল।

Tags: রোমান সভ্যতারোমান সভ্যতার বৈশিষ্ট্য
  • Previous রোমান সভ্যতা পতনের কারণগুলো আলোচনা কর।
  • Next “মানুষ-ই সবকিছুর পরিমাপক” উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যাকর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1673)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    বাংলাদেশের সীমান্ত সমস্যার কারণসমূহ বর্ণনা কর।
    পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি-চুক্তি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ আলোচনা কর ।
    বাংলাদেশ-ভারত পানি বণ্টন সমস্যার স্বরূপ আলোচনা কর।
    বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM