• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- ১৯৫৬ সালের সংবিধানের অধীনে প্রবর্তিত সংসদীয় শাসনব্যবস্থার কার্যকারিতা আলোচনা কর।

উত্তর।।উপস্থাপনা: ১৯৫৬ সালের সংবিধান ছিল স্বাধীন পাকিস্তানের প্রথম লিখিত শাসনতন্ত্র। বহু বছরের রাজনৈতিক অবিসংবাদিত সংগ্রাম ও চুলচেরা বিশ্লেষণের পর এই সংবিধানের মাধ্যমে দেশে একটি সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই ব্যবস্থাটি দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং সুদূরপ্রসারী অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।

সংসদীয় শাসনব্যবস্থার কার্যকারিতা

১। সংসদীয় রূপ: ১৯৫৬ সালের সংবিধানে দেশে একটি খাঁটি সংসদীয় বা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এই ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীপরিষদকে প্রকৃত শাসন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রের প্রধান করা হলেও তিনি মূলত একজন নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। সমস্ত নির্বাহী সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণের কাজ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রীপরিষদের মাধ্যমেই সম্পাদিত হতো।

২। আইনসভার প্রাধান্য: এই শাসনব্যবস্থায় জাতীয় আইনসভা বা পার্লামেন্টকে সমস্ত ক্ষমতার মূল উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হতো। আইনসভার সদস্যরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন এবং দেশের যেকোনো আইন প্রণয়নের সার্বভৌম অধিকার তাদের ছিল। মন্ত্রীপরিষদ তাদের যাবতীয় নীতি ও কাজের জন্য একক এবং যৌথভাবে এই আইনসভার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকত। আইনসভার আস্থা হারালে সরকারের পতন অনিবার্য ছিল, যা গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতাকে নিশ্চিত করেছিল।

৩। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা: সংসদীয় ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যাপক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছিল। তিনি ছিলেন মন্ত্রীপরিষদের প্রধান এবং জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের অবিসংবাদিত নেতা। রাষ্ট্রপতির নামে দেশের যাবতীয় শাসনকার্য পরিচালিত হলেও মূলত প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হতো। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ ও বরখাস্ত করতেন, যা তাঁর অসীম ক্ষমতার প্রকাশ ঘটায়।

৪। যৌথ দায়িত্বশীলতা: এই শাসনব্যবস্থার অন্যতম মূল ভিত্তি ছিল মন্ত্রীপরিষদের যৌথ দায়িত্বশীলতার নীতি। মন্ত্রীপরিষদের যেকোনো সিদ্ধান্ত সমস্ত মন্ত্রীর একক ও যৌথ সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করা হতো। কোনো একজন মন্ত্রীর ব্যর্থতা বা নীতির দায় পুরো সরকারের ওপর বর্তাত। আইনসভায় সরকারের কোনো নীতি বা বিল পাস না হলে পুরো মন্ত্রীপরিষদকে পদত্যাগ করতে হতো, যা দলীয় সংহতি ও শাসনতান্ত্রিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করেছিল।

৫। নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান: ১৯৫৬ সালের সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদমর্যাদা দেওয়া হলেও তাঁর ক্ষমতা ছিল অত্যন্ত সীমিত ও অলংকারিক। তিনি দেশের শাসনতান্ত্রিক প্রধান হিসেবে কেবল রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতাগুলো সম্পন্ন করতেন। স্বীয় বিবেচনা খাটিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তাঁর খুবই কম ছিল এবং প্রায় সব ক্ষেত্রেই প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ মেনে চলা তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক ছিল। ফলে রাষ্ট্রপ্রধানের পদটি কেবলই একটি প্রতীকী রূপ ধারণ করেছিল।

৬। এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা: এই সংবিধানে ‘জাতীয় পরিষদ’ নামে একটি এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভার বিধান রাখা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থায় সাধারণত দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা থাকলেও পাকিস্তানের প্রেক্ষাপটে এটিকে এককক্ষবিশিষ্ট করা হয়। এর ফলে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত ও সহজতর হয়েছিল এবং জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। এই আইনসভা দেশের সামগ্রিক শাসননীতি নিয়ন্ত্রণ ও বাজেট পাসের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ক্ষমতা ভোগ করত।

৭। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন: সংসদীয় ব্যবস্থার সফল প্রয়োগের জন্য এই সংবিধানে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টনের জন্য সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাদেশিক সরকারগুলোকে নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার যথেষ্ট স্বাধীনতা দেওয়া হয়। এর ফলে আঞ্চলিক ক্ষোভ প্রশমন এবং স্থানীয় পর্যায়ে সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চার একটি নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

৮। মৌলিক অধিকার: ১৯৫৬ সালের সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং সেগুলোর আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। নাগরিকদের বাক-স্বাধীনতা, সভা-সমাবেশের অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার মতো বিষয়গুলো সংসদীয় ব্যবস্থার কার্যকারিতাকে আরও প্রাণবন্ত করেছিল। সরকার বা আইনসভা চাইলেই জনগণের এই মৌলিক অধিকারগুলো কেড়ে নিতে পারত না, যা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে সুসংহত করতে সাহায্য করেছিল।

৯। বিচারবিভাগের স্বাধীনতা: শাসনব্যবস্থাকে স্বৈরাচারী মনোভাব থেকে মুক্ত রাখতে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচারবিভাগ গঠন করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আইনসভা বা শাসন বিভাগের যেকোনো অসাংবিধানিক পদক্ষেপ বাতিল করার ক্ষমতা আদালতের ছিল। বিচারকদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ফলে তারা কোনো রাজনৈতিক চাপ ছাড়াই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হতেন।

১০। যুগ্ম তালিকা: কেন্দ্র ও প্রদেশের শাসনতান্ত্রিক কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য সংবিধানে একটি যুগ্ম বা সমবর্তী তালিকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এই তালিকায় এমন কিছু বিষয় ছিল যার ওপর কেন্দ্র ও প্রদেশ উভয় সরকারই আইন প্রণয়ন করতে পারত। তবে কোনো বিষয়ে বিরোধ দেখা দিলে কেন্দ্রীয় আইনের প্রাধান্য বজায় থাকত। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় সংহতি এবং আঞ্চলিক প্রয়োজনের মধ্যে একটি চমৎকার ভারসাম্য রক্ষা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

১১। ইসলামী প্রজাতন্ত্র: এই সংবিধানের মাধ্যমে পাকিস্তানকে একটি ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যা সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। রাষ্ট্রে কোরআন ও সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাস না করার বিধান রাখা হয়েছিল। তবে এর পাশাপাশি অমুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়া হয়। এটি দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় আবেগ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মধ্যে সমন্বয় সাধনের একটি প্রয়াস ছিল।

১২। রাষ্ট্রভাষা স্বীকৃতি: দীর্ঘ আন্দোলনের পর এই সংবিধানের মাধ্যমে বাংলা ও উর্দুকে সমভাবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এটি ছিল সংসদীয় রাজনীতির একটি অন্যতম বড় সাফল্য ও কার্যকারিতার প্রমাণ। এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দাবি পূরণ হয়। রাষ্ট্রভাষার এই স্বীকৃতি দুই অঞ্চলের মধ্যে বিরাজমান তীব্র রাজনৈতিক বৈষম্য ও মানসিক দূরত্ব কিছুটা হলেও কমাতে সাহায্য করেছিল।

১৩। জরুরি অবস্থা: সংবিধানে দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব বিঘ্নিত হলে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান রাখা হয়েছিল। তবে এই ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও আইনসভার অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা ছিল। সংকটকালীন সময়ে দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করার জন্য এই ধারাটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারত। কিন্তু পরবর্তীকালে এই ধারার অপব্যবহারই সংসদীয় ব্যবস্থার পতনের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

১৪। রাজনৈতিক অস্থিরতা: সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত হলেও বাস্তব ক্ষেত্রে তীব্র রাজনৈতিক দলীয় কোন্দল ও অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল। কোনো রাজনৈতিক দলই এককভাবে দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল সরকার গঠন করতে পারছিল না। ঘন ঘন দলবদল এবং ক্ষমতার লোভের কারণে মন্ত্রীপরিষদের স্থায়িত্ব মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। এই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার ফলে সাধারণ মানুষের মনে সংসদীয় ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গভীর সংশয়ের সৃষ্টি হয়।

১৫। আমলাতান্ত্রিক হস্তক্ষেপ: এই শাসনব্যবস্থার কার্যকারিতা খর্ব করার পেছনে তৎকালীন শক্তিশালী আমলাতন্ত্র ও সামরিক বাহিনীর নেতিবাচক ভূমিকা ছিল স্পষ্ট। বেসামরিক রাজনীতিবিদদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে উচ্চপদস্থ আমলারা রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণে সরাসরি হস্তক্ষেপ শুরু করেন। এর ফলে নির্বাচিত মন্ত্রীপরিষদের কার্যকারিতা অনেকাংশে হ্রাস পায় এবং প্রকৃত ক্ষমতা আমলাদের হাতে চলে যায়। এই প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশকে ভেতর থেকে সম্পূর্ণ দুর্বল করে দিয়েছিল।

১৬। গভর্নর জেনারেল: অতীত ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপ্রধান বা রাষ্ট্রপতির পদটিতে বসা ব্যক্তিরা নিজেদের কেবল নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখতে চাননি। বিশেষ করে ইস্কান্দার মির্জার মতো ব্যক্তিত্বরা সংসদীয় রীতিনীতি উপেক্ষা করে প্রায়শই ক্ষমতার অপব্যবহার করতেন। তারা পর্দার আড়াল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ভাঙা-গড়ার খেলায় মেতে উঠতেন। রাষ্ট্রপ্রধানের এই অসাংবিধানিক ও অতি-সক্রিয় ভূমিকা সংসদীয় ব্যবস্থার সফল কার্যকারিতার পথে সবচেয়ে বড় বাধা ছিল।

১৭। স্বল্পস্থায়ী কার্যকাল: ১৯৫৬ সালের সংবিধানের অধীনে প্রবর্তিত সংসদীয় শাসনব্যবস্থাটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেনি এবং এর কার্যকাল ছিল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। মাত্র আড়াই বছরের মাথায় ১৯৫৮ সালের অক্টোবর মাসে সামরিক শাসন জারির মাধ্যমে এই সংবিধান বাতিল করা হয়। ফলে এই ব্যবস্থার সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো পুরোপুরি বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায়নি। এই অকালমৃত্যু পাকিস্তানের ইতিহাসে এক দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক ও সামরিক সংকটের জন্ম দিয়েছিল।

শেষকথা: পরিশেষে বলা যায়, ১৯৫৬ সালের সংবিধানের সংসদীয় শাসনব্যবস্থাটি তাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত চমৎকার এবং গণতান্ত্রিক ছিল। কিন্তু বাস্তবায়ন পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের দূরদর্শিতার অভাব, তীব্র দলীয় কোন্দল এবং আমলাতান্ত্রিক ও সামরিক চক্রান্তের কারণে এটি সফল হতে পারেনি। মাত্র আড়াই বছরের মাথায় সামরিক শাসনের আঘাতে এর অবসান ঘটলেও, বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন এবং পরবর্তীকালের শাসনতান্ত্রিক বিকাশে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

Tags: ১৯৫৬১৯৫৬ সালের সংবিধানের অধীনে প্রবর্তিত সংসদীয় শাসনব্যবস্থার কার্যকারিতা আলোচনা কর
  • Previous ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারির প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ কর। 
  • Next ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বর্ণনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1448)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    ১৯৭০ সালের নির্বাচনের মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল।
    স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ৬ দফা কর্মসূচির তাৎপর্যব্যাখ্যা কর।
    ১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগের ছয়দফা কর্মসূচির বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর। তুমি কি মনে কর যে, ছয়দফা কর্মসূচিতে স্বাধীন বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল?
    ১৯৬২ সালের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য সমূহ আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM