• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের কারণ ও ফলাফল আলোচনা কর।

উত্তর।।উপস্থাপনা: ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের সমকালীন ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল ও যুগান্তকারী অধ্যায়। দীর্ঘ আট বছরের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্র, জনতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মিলিত আন্দোলন ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে এক অভূতপূর্ব গণবিস্ফোরণে রূপ নেয়। এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশে গণতন্ত্রের পুনরুত্থান নিশ্চিত করেছিল।

১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের কারণ ও ফলাফল

১। সামরিক শাসন জারি: ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ দোসরা চৈত্র তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল এইচ এম এরশাদ এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তিনি দেশের বৈধ সংবিধান স্থগিত করে সামরিক আইন জারি করেন এবং নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ঘোষণা করেন। এই অসাংবিধানিক ক্ষমতা দখল ও দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক ধারাকে স্তব্ধ করে দেওয়াই ছিল এই গণঅভ্যুত্থানের মূল ভিত্তি ও প্রথম প্রধান কারণ।

২। গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ: এরশাদ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকার পুরোপুরি হরণ করে। রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয় এবং যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। স্বৈরাচারী কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনার ফলে জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়, যা পরবর্তী সময়ে আন্দোলনকে বেগবান করে তোলে।

৩। মজিদ খানের শিক্ষানীতি: ১৯৮২ সালে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ড. মজিদ খান একটি অত্যন্ত বিতর্কিত ও গণবিরোধী শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেন। এই শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক স্তর থেকেই আরবি ও ইংরেজি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা অর্জনের পথকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সীমিত করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। ছাত্রসমাজ এটিকে গরিবের উচ্চশিক্ষা বঞ্চিত করার চক্রান্ত হিসেবে দেখে তীব্র আন্দোলনে ফেটে পড়ে।

৪। ছাত্র আন্দোলন ও হত্যাকাণ্ড: ১৯৮৩ সালের ১৪ ও ১৫ই ফেব্রুয়ারি মজিদ খানের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের মিছিলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে জাফর, জয়নাল, কাঞ্চন, মোজাম্মেলসহ বেশ কয়েকজন ছাত্র নির্মমভাবে নিহত এবং বহু ছাত্র নিখোঁজ হন। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড তৎকালীন ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের মনে এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা ও স্থায়ী ক্ষোভের জন্ম দেয়।

৫। উপজেলা পদ্ধতি প্রবর্তন: স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার নিজের ক্ষমতার ভিত্তি মজবুত করতে এবং গ্রামীণ এলাকায় নিজস্ব একদল অনুগত লোক তৈরি করতে উপজেলা পদ্ধতি চালু করেন। ১৯৮৫ সালে প্রবল রাজনৈতিক বিরোধিতার মুখেও জোরপূর্বক বিতর্কিত উপজেলা নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার চরম আকার ধারণ করে, যা সাধারণ মানুষকে সরকারের বিরুদ্ধে আরও বেশি ক্ষুব্ধ করে তোলে।

৬। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ: এরশাদ সরকারের শাসনামলে গণমাধ্যমের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রন ও সেন্সরশিপ আরোপ করা হয়েছিল। সরকারের সমালোচনা করে কোনো সংবাদ বা কলাম প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল এবং আদেশ অমান্য করলে পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হতো। স্বাধীন মতপ্রকাশের এই অবরুদ্ধ পরিবেশ বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও সচেতন সমাজকে রাজপথে নেমে আন্দোলন করতে বাধ্য করেছিল।

৭। অর্থনৈতিক চরম বিপর্যয়: স্বৈরাচারী শাসনামলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল এবং ঋণের বোঝা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছিল। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি, ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচার চরম আকার ধারণ করে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে চলে যায়, যার ফলে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শামিল হয়।

৮। দলীয়করণ ও দুর্নীতি: রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে এরশাদ সরকার ব্যাপক দলীয়করণ এবং স্বজনপ্রীতির চাদরে ঢেকে ফেলেছিল। মেধার মূল্যায়ন বাদ দিয়ে কেবল অনুগত ও চাটুকারদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হতো, যা সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে চরম হতাশার সৃষ্টি করে। এই ব্যাপক প্রশাসনিক বৈষম্য ও দুর্নীতি দূর করার জন্য সর্বস্তরের মানুষ আন্দোলনে যুক্ত হয়।

৯। বিরোধী দলগুলোর ঐক্য: দীর্ঘ সময় ধরে বিচ্ছিন্নভাবে আন্দোলন করার পর ১৯৮৭ সাল থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো একক উদ্দেশ্যে ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন আট দল, বিএনপির নেতৃত্বাধীন সাত দল এবং বামপন্থী পাঁচ দল মিলে একটি শক্তিশালী জোট গঠন করে। রাজনৈতিক দলগুলোর এই ঐতিহাসিক মোর্চা ও ঘোষণা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকে এক সুসংহত রূপ দান করে।

১০। নূর হোসেনের আত্মত্যাগ: ১৯৮৭ সালের ১০ই নভেম্বর ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি চলাকালীন যুবলীগ নেতা নূর হোসেন বুকে ও পিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ স্লোগান লিখে রাজপথে নামেন। জিরো পয়েন্ট এলাকায় তৎকালীন স্বৈরাচারী পুলিশের গুলিতে তিনি নির্মমভাবে শহীদ হন। নূর হোসেনের এই অনন্য ও জীবন্ত আত্মত্যাগ পুরো জাতিকে এক অভাবনীয় আবেগে নাড়া দেয় এবং আন্দোলনকে চূড়ান্ত রূপ দেয়।

১১। সার্বভৌম সংসদের দাবি: এরশাদ সরকার ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে সম্পূর্ণ প্রহসনমূলক ও ভোটারবিহীন জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে। দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলসমূহ এই একতরফা ও ভুয়া নির্বাচনগুলো বর্জন করে। এর ফলে গঠিত সংসদ তার বৈধতা ও জনগণের আস্থা হারায়। পরবর্তীতে দেশের সর্বস্তরের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সার্বভৌম সংসদের দাবিতে রাজপথে নেমে আসে।

১২। তিন জোটের রূপরেখা: ১৯৯০ সালের ১৯শে নভেম্বর আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও বামপন্থীদের সমন্বয়ে গঠিত তিনটি রাজনৈতিক জোট একটি যৌথ ঘোষণা বা রূপরেখা প্রকাশ করে। এই ঐতিহাসিক রূপরেখায় এরশাদ সরকারের পদত্যাগ এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি উত্থাপন করা হয়। এই রূপরেখা আন্দোলনের লক্ষ্যকে সুনির্দিষ্ট করে এবং বিজয়কে ত্বরান্বিত করে।

১৩। ডা. মিলনের শাহাদাত: ১৯৯০ সালের ২৭শে নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে স্বৈরাচারী সরকারের লেলিয়ে দেওয়া গুণ্ডাবাহিনীর গুলিতে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের নেতা ডা. শামসুল আলম মিলন শহীদ হন। একজন স্বনামধন্য চিকিৎসকের এই আকস্মিক হত্যাকাণ্ড আন্দোলনকে দাবানলের মতো দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়। এই ঘটনার পর সরকার দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলেও বিক্ষুব্ধ জনতা তা অমান্য করে রাজপথে নেমে আসে।

১৪। স্বৈরাচারী সরকারের পতন: আন্দোলনের তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে অবশেষে ১৯৯০ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর রাতে জেনারেল এরশাদ পদত্যাগের ঘোষণা দিতে বাধ্য হন। এরপর ৬ই ডিসেম্বর তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদের নিকট তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৯ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।

১৫। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিষ্ঠা: এই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় ও তাৎক্ষণিক ফলাফল ছিল সম্পূর্ণ নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ একটি অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন। প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকার দেশে একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়। এই ব্যবস্থাটি পরবর্তী দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে একটি অনুকরণীয় ও স্থায়ী মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৬। গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক পুনরুত্থান: ১৯৯০ সালের এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের ফলে বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের দ্বার পুনরায় উন্মোচিত হয়। ১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি অত্যন্ত অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে দেশের জনগণ দীর্ঘকাল পর তাদের ভোটাধিকার ফিরে পায় এবং একটি নির্বাচিত সরকার গঠিত হয়।

১৭। সংসদীয় পদ্ধতির প্রবর্তন: গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদে সকল রাজনৈতিক দলের সম্মতিক্রমে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে পুনরায় সংসদীয় শাসন পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত একনায়কতান্ত্রিক ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভাকে সংসদের কাছে জবাবদিহি করার নিয়ম চালু করা হয়। এর ফলে রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয় এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।

১৮। গণমাধ্যমের আংশিক মুক্তি: স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর দেশের সংবাদমাধ্যম ও সংবাদপত্রের ওপর থেকে দীর্ঘদিনের কালো আইন ও কঠোর সেন্সরশিপ তুলে নেওয়া হয়। রেডিও ও টেলিভিশনে রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য প্রচারের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার সুযোগ তৈরি হয়। এর ফলে দেশে বাকস্বাধীনতা, মুক্ত চিন্তার বিকাশ এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা তুলনামূলকভাবে অনেক বৃদ্ধি পায়, যা একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য অপরিহার্য ছিল।

উপসংহার: ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় ও যুগান্তকারী ঘটনা। ছাত্র, জনতা, শ্রমিক ও বুদ্ধিজীবীদের সম্মিলিত আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্ত হয়েছিল এ দেশের প্রিয় গণতন্ত্র। এই ঐতিহাসিক আন্দোলন কেবল একজন স্বৈরশাসকের পতনই ঘটায়নি, বরং জনগণের ভোটাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করেছিল। তাই বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও চেতনা রক্ষা করার ইতিহাসে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের অবদান চিরকাল অম্লান ও ভাস্বর হয়ে থাকবে।

Tags: ১৯৯০১৯৯০ গণঅভ্যুত্থানের কারণ ও ফলাফল১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের কারণ ও ফলাফল
  • Previous বাংলাদেশের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপের ফলাফল লিখ।
  • Next এরশাদ সরকারের পতনের কারণসমূহ উল্লেখ কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1471)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়লাভের কারণসমূহ আলোচনা কর।
    বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের সফলতার জন্য সরকারি দল ও বিরোধী দলের ভূমিকা আলোচনা কর।
    বাংলাদেশের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপের কারণসমূহ ব্যাখ্যা কর।
    সামরিক হস্তক্ষেপের অনুঘটক গুলো বিশ্লেষণ কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM