- readaim.com
- 0
উত্তর।।উপস্থাপনা: বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে পঞ্চদশ সংশোধনী একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দূরপ্রসারী ঘটনা। ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে এই সংশোধনী পাস হয়। এর মাধ্যমে বাহাত্তরের মূল সংবিধানের বেশ কিছু মৌলিক নীতি পুনর্বহাল করার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হয়, যা জাতীয় রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈশিষ্ট্যসমূহ
১। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলোপ: এই সংশোধনীর সবচেয়ে প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো পূর্ববর্তী ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত অদলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা। এর ফলে নির্বাচিত দলীয় সরকারের অধীনেই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান পুনরায় চালু হয়। এই পরিবর্তনের পর থেকে নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব এককভাবে নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই একটি সিদ্ধান্ত সুদীর্ঘকাল ধরে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
২। মূলনীতি পুনর্বহাল: ১৯৭২ সালের আদি সংবিধানের চার মূলনীতি অর্থাৎ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা পূর্ণাঙ্গভাবে সংবিধানে ফিরিয়ে আনা হয়। পূর্ববর্তী বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক সরকারের আমলে এই মূলনীতিগুলোতে যে সমস্ত পরিবর্তন বা পরিমার্জন পরিগ্রহ করেছিল, তা এই সংশোধনীর মাধ্যমে দূর করা হয়। এর ফলে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দর্শন হিসেবে পুনরায় বাহাত্তরের চেতনাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং এটিকে সংবিধানের মূল ভিত্তি হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করা হয়।
৩। ধর্মনিরপেক্ষতা পুনরুদ্ধার: সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা নীতিটি পুনরায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিস্থাপন করা পঞ্চদশ সংশোধনীর একটি অন্যতম বড় দিক। দীর্ঘ সময় পর রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতির অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে এটি তার আদি অবস্থান ফিরে পায়। রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবে না—এই চেতনাকে এখানে সমুন্নত করা হয়েছে। তবে একই সাথে দেশের সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।
৪। রাষ্ট্রধর্ম বহাল: ধর্মনিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি এক অভিনব বাস্তবতায় ইসলামকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে সংবিধানে বহাল রাখা হয়। তবে এর সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন এনে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য সকল ধর্মের সমঅধিকার ও সমমর্যাদার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এটি ছিল মূলত দেশের বাস্তব সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং ধর্মীয় অনুভূতির কথা বিবেচনা করে একটি মধ্যপন্থা অবলম্বনের প্রয়াস। ফলে একদিকে যেমন ধর্মনিরপেক্ষতা যুক্ত হয়, অন্যদিকে রাষ্ট্রধর্মের ধারণাও টিকে থাকে।
৫। সংবিধান লঙ্ঘন অপরাধ: সামরিক অভ্যুত্থান কিংবা যেকোনো অসাংবিধানিক উপায়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকে এই সংশোধনীর মাধ্যমে সর্বোচ্চ অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সংবিধানে নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত করে বলা হয় যে, সংবিধান বাতিল, স্থগিত বা অবমাননা করলে তা রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে গণ্য হবে। এই ধরনের জঘন্য অপরাধের জন্য দেশের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার পথ উন্মুক্ত করা হয়। ভবিষ্যতে যেন কোনো শক্তি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করতে না পারে, সেজন্যই এই কঠোর ব্যবস্থা।
৬। মৌলিক বিধান অপরিবর্তনীয়: সংবিধানের একটি বিশাল অংশকে চিরস্থায়ী রূপ দিতে কিছু নির্দিষ্ট ধারাকে সম্পূর্ণ সংশোধন-অযোগ্য ঘোষণা করা হয়। সংবিধানে ৭খ অনুচ্ছেদ সংযোজন করে বলা হয় যে, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগের অনুচ্ছেদসমূহ এবং একাদশ ভাগের সারসংক্ষেপ পরিবর্তন করা যাবে না। এর ফলে পরবর্তীকালের কোনো সংসদ চাইলেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে সংবিধানের এই মৌলিক কাঠামো বা চরিত্র বদলে দিতে পারবে না। এটি সংবিধানের স্থায়িত্ব রক্ষায় একটি বড় পদক্ষেপ।
৭। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সংরক্ষণ: স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়। সংশোধিত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সরকারি ও আধা-সরকারি দপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের চ্যান্সেরিগুলোতে এই প্রতিকৃতি প্রদর্শন করতে হবে। জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যে এই আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করা হয়।
৮। নারী আসন বৃদ্ধি: জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা পয়তাল্লিশ থেকে বৃদ্ধি করে পঞ্চাশে উন্নীত করা হয়। রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ আরও সুদৃঢ় ও কার্যকর করার লক্ষ্যেই এই আসন সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই আসনগুলো পরবর্তী দশ বছরের জন্য কার্যকর রাখার বিধান করা হলেও এটি দেশের সামগ্রিক নারী ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে এটি ছিল একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ।
৯। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্বীকৃতি: বাংলাদেশে বসবাসরত বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণের দায়িত্ব নেওয়া হয়। সংবিধানে ২৩ক অনুচ্ছেদ যুক্ত করে তাদের বৈশিষ্ট্য রক্ষা ও বিকাশের জন্য রাষ্ট্রকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের মূল স্রোতের পাশাপাশি প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করা হয়। এটি দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতির বিকাশে একটি বড় আইনি স্বীকৃতি।
১০। পরিবেশ রক্ষা দায়িত্ব: দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও উন্নয়নের বিষয়টি রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংবিধানে ১৮ক অনুচ্ছেদ যুক্ত করে বন, বন্যপ্রাণী, জলাভূমি এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে এই সংশোধনীটি ছিল অত্যন্ত আধুনিক। এটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নীতি প্রণয়নে একটি স্থায়ী পরিবেশবান্ধব দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
১১। জাতীয় দিবসের স্বীকৃতি: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা এবং ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে স্থায়ী আইনি ভিত্তি দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানে যুক্ত করা হয়। এর ফলে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টির সকল পথ চিরতরে বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। এই ঐতিহাসিক দলিলগুলো এখন বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
১২। নির্বাচনকালীন সময় নির্ধারণ: সংসদ ভেঙে যাওয়া বা মেয়াদ শেষ হওয়ার ক্ষেত্রে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা সুনির্দিষ্ট করা হয়। মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে গেলে পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা তৈরি করা হয়। আর যদি কোনো বিশেষ কারণে সংসদ আগে ভেঙে যায়, তবে ভেঙে যাওয়ার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যেকোনো ধরনের অনিশ্চয়তা বা দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করার লক্ষ্যেই এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
১৩। স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ: সংবিধানে ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা তথা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রতিটি প্রশাসনিক একাংশে নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত স্থানীয় সরকার সুনিশ্চিত করার কথা বলা হয়। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব এলাকায় কর আরোপ ও বাজেট প্রণয়নসহ বেশ কিছু স্বায়ত্তশাসনমূলক ক্ষমতা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্রের সুফল পৌঁছে দিতে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তরান্বিত করতে এটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
১৪। জরুরি অবস্থা নিয়ন্ত্রণ: রাষ্ট্রপতির জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতার ক্ষেত্রে কিছু নতুন শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিঃশত্রুর আক্রমণের কারণে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও তা সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে পরিচালনার নিয়ম করা হয়। এর ফলে নির্বাহী বিভাগের একক সিদ্ধান্তের ওপর একধরনের সংসদীয় নজরদারি প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ তৈরি হয়। নাগরিক অধিকার যেন দীর্ঘ সময়ের জন্য অযৌক্তিকভাবে ক্ষুণ্ন না হয়, সেই সুরক্ষা নিশ্চিত করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য।
১৫। ভোটার তালিকা প্রণয়ন: নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করার জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হয়। ছবিযুক্ত ডিজিটাল ভোটার তালিকা তৈরি এবং প্রতি বছর তা হালনাগাদ করার জন্য আইনি ভিত্তি সুদৃঢ় করা হয়। ভুয়া ভোটার বা ত্রুটিপূর্ণ তালিকা নিয়ে অতীতে যে সমস্ত রাজনৈতিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছিল, তা দূর করতেই এই পদক্ষেপ। এর ফলে নির্বাচন কমিশনের সামগ্রিক কাজের দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাওয়ার একটি আইনি সুযোগ তৈরি হয়।
১৬। নাগরিকত্ব নির্ধারণ স্পষ্টকরণ: বাংলাদেশের নাগরিকদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব নির্ধারণের বিষয়টি এই সংশোধনীর মাধ্যমে আরও স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট করা হয়। সংবিধানে বলা হয় যে, বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে ‘বাঙালি’ এবং নাগরিক হিসেবে ‘বাংলাদেশি’ বলে পরিচিত হবেন। এই ধারাটি অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জাতীয় পরিচয়সংক্রান্ত একটি রাজনৈতিক ও তাত্ত্বিক বিতর্কের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করা হয়। রাষ্ট্রীয় পরিচয় এবং জাতিগত পরিচয়ের মধ্যকার পার্থক্যকে এর মাধ্যমে সাংবিধানিক রূপ দেওয়া হয়।
১৭। বিচারক অপসারণ পদ্ধতি: উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের প্রক্রিয়া নিয়ে সংবিধানে কিছু কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত ও ভিত্তি তৈরি করা হয়। যদিও পরবর্তী সময়ে এটি নিয়ে আরও বিস্তর আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্ক এবং সংশোধনী এসেছে, তবে পঞ্চদশ সংশোধনীতে এর প্রাথমিক রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়। বিচার বিভাগের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখার একটি ভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। সামগ্রিকভাবে বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কাঠামোতে এই সংশোধনীটি একটি নতুন মাত্রা যোগ করে।
উপসংহার: পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের সাংবিধানিক পরিক্রমায় পঞ্চদশ সংশোধনী ছিল একটি অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও যুগান্তকারী আইনি সংস্কার। এটি যেমন বাহাত্তরের মূল সংবিধানের অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে ফিরিয়ে এনেছে, তেমনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ধারায় এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। ভালো-মন্দ মিলিয়ে এই সংশোধনীটি এদেশের শাসনব্যবস্থা, রাজনীতি এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর আজও এক গভীর ও স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।