- readaim.com
- 0
উত্তর।।উপস্থাপনা: বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আমাদের দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অত্যন্ত যুগান্তকারী এবং ঐতিহাসিক অধ্যায়। ১৯৯১ সালের এই সংশোধনীর মাধ্যমেই দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে। এটি বাংলাদেশে পুনরায় গণতন্ত্রের সুবাতাস ফিরিয়ে আনে এবং রাষ্ট্রপরিচালনায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
দ্বাদশ সংশোধনীর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
১। সংসদীয় পদ্ধতির পুনর্বর্তন: এই সংশোধনীর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা। এর মাধ্যমে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা। ফলে দীর্ঘদিনের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটে এবং জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে শাসনভার ন্যস্ত হয়। এটি দেশে জবাবদিহিতামূলক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।
২। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বৃদ্ধি: দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার মূল কেন্দ্রবিন্দু করা হয় প্রধানমন্ত্রীকে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া রাষ্ট্রপতি কেবল প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো কাজ এককভাবে করতে পারেন না। ফলে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ব্যবস্থার কারণে সরকারের নীতি নির্ধারণী কাজ অত্যন্ত গতিশীল এবং শক্তিশালী রূপ লাভ করে।
৩। রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা পরিবর্তন: এই সংশোধনীর ফলে রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রের প্রধান করা হলেও তিনি মূলত একজন নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর হাতে বাস্তব কোনো নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না এবং তিনি মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য থাকেন। তবে জাতীয় সংকটে বা প্রতীকী অর্থে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা অত্যন্ত সম্মানিত ও উচ্চ আসনে বহাল রাখা হয়। এটি সংসদীয় ব্যবস্থার একটি অন্যতম মৌলিক ও আন্তর্জাতিক রূপ।
৪। সংসদ সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: পূর্বে রাষ্ট্রপতি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলেও এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয় জাতীয় সংসদ সদস্যদের ওপর। সংসদ সদস্যরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার অধিকার লাভ করেন। এর ফলে রাষ্ট্রপতির ওপর সংসদের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং রাষ্ট্রপ্রধানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। এই প্রক্রিয়াটি সংসদীয় গণতন্ত্রের আদর্শ রীতির সাথে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ।
৫। দলত্যাগ বিরোধী আইন কঠোরকরণ: রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য এই সংশোধনীতে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অত্যন্ত শক্তিশালী ও কঠোর করা হয়। কোনো সংসদ সদস্য দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে বা দল ত্যাগ করলে তাঁর আসন শূন্য হওয়ার বিধান রাখা হয়। এর ফলে ঘন ঘন সরকার পতনের আশঙ্কা হ্রাস পায় এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরের শৃঙ্খলা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। সংসদ সদস্যদের নীতিহীনভাবে দল পরিবর্তনের সুযোগ বন্ধ করতে এটি বড় ভূমিকা রাখে।
৬। মন্ত্রিসভার যৌথ জবাবদিহিতা: এই সংশোধনীর মাধ্যমে মন্ত্রিসভাকে তাদের সমস্ত কাজের জন্য যৌথভাবে জাতীয় সংসদের কাছে দায়ী থাকার নিয়ম করা হয়। সংসদের আস্থা হারালে পুরো মন্ত্রিসভাকেই পদত্যাগ করতে হয়, যা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অন্যতম মূল ভিত্তি। এর ফলে মন্ত্রীরা এককভাবে সিদ্ধান্ত না নিয়ে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যৌথ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। এই নিয়মটি সরকারের স্বৈরাচারী হয়ে ওঠার পথকে চিরতরে রুদ্ধ করে দেয়।
৭। সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা বৃদ্ধি: সংসদকে কার্যকর ও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন স্থায়ী ও বিশেষ সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা এবং পরিধি অনেক বৃদ্ধি করা হয়। এই কমিটিগুলো বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজ তদারকি করার এবং সরকারকে জবাবদিহি করার আইনি কর্তৃত্ব লাভ করে। ফলে আমলাতন্ত্রের ওপর জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি প্রতিষ্ঠা করা অনেক সহজ হয়ে ওঠে। এটি আইনসভার গুরুত্ব ও কাজের পরিধিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৮। উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্তি: রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ উপ-রাষ্ট্রপতির পদটি এই সংশোধনীর মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়। যেহেতু শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রধানমন্ত্রী চলে আসেন, তাই এই পদের আর কোনো কার্যকারিতা অবশিষ্ট ছিল না। এর ফলে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামোর আকার অনেকটাই ছোট হয়ে আসে এবং রাষ্ট্রীয় অপচয় হ্রাস পায়। শাসন কাঠামোতে দ্বৈত শাসনের জটিলতা নিরসনে এটি অত্যন্ত কার্যকর ছিল।
৯। অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা সীমিতকরণ: সংসদ সেশনে না থাকাকালীন রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা এই সংশোধনীর মাধ্যমে বেশ সীমিত করা হয়। যেকোনো অধ্যাদেশ জারির পর পরবর্তী সংসদ অধিবেশন বসার সাথে সাথেই তা সংসদে উত্থাপন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত না হলে উক্ত অধ্যাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাওয়ার নিয়ম করা হয়। এর ফলে অধ্যাদেশের মাধ্যমে যথেচ্ছ আইন প্রণয়নের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
১০। সংসদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা: দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের আইন প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদকে সর্বোচ্চ সার্বভৌম প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। জনগণের ভোটের অধিকার এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর মূল ক্ষেত্র হয়ে ওঠে এই পবিত্র সংসদ ভবন। রাষ্ট্র পরিচালনার সকল গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও বাজেট পাস করার একক ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়। এটি আইনসভার মর্যাদা ও গৌরবকে পুনরুজ্জীবিত করতে সক্ষম হয়।
১১। গণভোট ব্যবস্থার অবসান: সংবিধানের কিছু মৌলিক ধারা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পূর্বে যে গণভোট বা রেফারেন্ডামের বিধান ছিল, তা এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল করা হয়। সংবিধান সংশোধন করার পূর্ণ একক ক্ষমতা সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনের ওপর ন্যস্ত করা হয়। এর ফলে সংবিধান সংশোধনের জটিল ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়াটি সহজতর হয় এবং সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। জনগণের প্রতিনিধিরাই সংবিধানের চূড়ান্ত অভিভাবক হিসেবে আবির্ভূত হন।
১২। বিচারবিভাগের স্বাধীনতা সুদৃঢ়করণ: এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয় এবং এর মর্যাদা রক্ষা করা হয়। উচ্চ আদালতের বিচারকদের নিয়োগ এবং অপসারণের ক্ষেত্রে সংসদের পরোক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়। বিচারকগণ যাতে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়া স্বাধীনভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারেন, তার আইনি ভিত্তি জোরালো করা হয়। এটি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ ছিল।
১৩। জরুরি অবস্থা ঘোষণার নিয়ম: রাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাকে প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল করা হয়। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন না দিলে রাষ্ট্রপতি দেশে একক সিদ্ধান্ত অনুসারে কোনো জরুরি অবস্থা বা সান্ধ্য আইন জারি করতে পারেন না। এর ফলে অতীতে যেভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জরুরি অবস্থা জারি করা হতো, তার পথ বন্ধ হয়ে যায়। নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় এই নিয়মটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ প্রমাণিত হয়।
১৪। অর্থবিলের বিশেষ মর্যাদা: দেশের অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অর্থবিল পাসের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীকে একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রদান করা হয়। অর্থবিল কেবল রাষ্ট্রপতির সুপারিশক্রমে জাতীয় সংসদেই উত্থাপন করা যাবে এবং সংসদই তা অনুমোদন করবে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির ভেটো বা বাধা দেওয়ার কোনো সাংবিধানিক ক্ষমতা রাখা হয়নি। এর ফলে রাষ্ট্রের বাজেট বাস্তবায়ন এবং অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণের কাজটি অনেক সহজ ও গতিশীল হয়।
১৫। স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ: দ্বাদশ সংশোধনীতে স্থানীয় সরকার তথা ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা ও জেলা পরিষদকে আরও গণতান্ত্রিক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্থানীয় শাসন কাঠামোর জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্রের চর্চা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়। যদিও এর পূর্ণ বাস্তবায়ন পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে হয়েছে, তবুও সংবিধানে এর তাগিদ দেওয়া ছিল অন্যতম ইতিবাচক দিক। এটি ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণে একটি শুভ সূচনা ছিল।
১৬। সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়: এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্যই ছিল দেশে স্বৈরাচারী মনোভাব দূর করে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রেখে কীভাবে একটি রাষ্ট্র সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে, তার একটি সুন্দর আইনি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়। দুর্নীতি দমন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এটি একটি বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। এর ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
১৭। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ: এই সংশোধনীর রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এটি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার সমঝোতার ভিত্তিতে পাস হয়েছিল। তৎকালীন সরকারি ও বিরোধী দল একসঙ্গে বসে ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনটি এনেছিল। এর ফলে দেশের মানুষের মাঝে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং রাজনৈতিক সহনশীলতার এক চমৎকার পরিবেশ তৈরি হয়। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
সংসদীয় গণতন্ত্র বিকাশে এর সহায়কতা
বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্র বিকাশে দ্বাদশ সংশোধনী একটি মাইলফলক এবং এর ভূমিকা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। ১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে যে একদলীয় এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, দ্বাদশ সংশোধনী তার অবসান ঘটায়। এটি ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করে এবং একক ব্যক্তির স্বৈরাচারী হয়ে ওঠার পথ বন্ধ করে দেয়। সংসদকে সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার মাধ্যমে এটি জনগণের সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে দেয়।
দলত্যাগ বিরোধী আইনের কারণে বারবার সরকার পতনের যে রাজনৈতিক অস্থিরতা, তা দূর হয় এবং গণতান্ত্রিক সরকারগুলো তাদের মেয়াদ পূর্ণ করার সুযোগ পায়। সংসদীয় কমিটিগুলোর ক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে প্রশাসনের ওপর আইনসভার নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। সবচেয়ে বড় কথা, সরকারি ও বিরোধী দলের যৌথ সায় এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে এটি পাস হওয়ায় দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, এই সংশোধনী ছাড়া বাংলাদেশে আজকের সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাওয়া অসম্ভব ছিল।
শেষকথা: পরিশেষে বলা যায় যে, দ্বাদশ সংশোধনী বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত প্রগতিশীল ও ইতিবাচক পরিবর্তন। কিছু রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা ৭০ অনুচ্ছেদের কঠোরতা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও সামগ্রিকভাবে এটি দেশে গণতন্ত্রের পুনর্জন্ম ঘটিয়েছে। একক ব্যক্তির ক্ষমতার লোভকে নিয়ন্ত্রণ করে এটি ক্ষমতার গণতান্ত্রিক বণ্টন নিশ্চিত করেছে। আমাদের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে মসৃণ ও টেকসই করতে এই সংশোধনীর অবদান সর্বদা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।