• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- আইয়ুব খানের শাসনামলের বৈশিষ্ট্য লিখ।

উত্তর।।ভূমিকা: ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর পাকিস্তানের প্রথম সামরিক শাসন জারির মাধ্যমে জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং প্রায় এক দশক ধরে দেশের শাসনভার পরিচালনা করেন। তার শাসনামল পাকিস্তানের ইতিহাসে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। একদিকে যেমন তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, অন্যদিকে তেমনি মৌলিক গণতন্ত্রের প্রবর্তন এবং রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসনের সীমাবদ্ধতা আরোপের মাধ্যমে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে রুদ্ধ করেছিলেন। আইয়ুব খানের শাসনামলের বৈশিষ্ট্যগুলো পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দার মির্জাকে অপসারণ করে জেনারেল আইয়ুব খান সামরিক আইন জারি করেন এবং ক্ষমতা দখল করেন। এটি ছিল পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম সামরিক অভ্যুত্থান, যা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করে। এই সামরিক শাসন দেশকে প্রায় এক দশক ধরে বেসামরিক শাসনের বাইরে রাখে এবং ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ঘটায়, যা পরবর্তী সময়ে সামরিক হস্তক্ষেপের এক নজির স্থাপন করে। এটি ছিল পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রভাব বিস্তারের একটি সূচনা।

মৌলিক গণতন্ত্রের প্রবর্তন: ১৯৫৯ সালে আইয়ুব খান ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নামক একটি নতুন শাসনব্যবস্থা চালু করেন। এটি ছিল চার স্তরবিশিষ্ট একটি পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি, যেখানে ইউনিয়ন পরিষদ, থানা কাউন্সিল, জেলা কাউন্সিল এবং বিভাগীয় কাউন্সিল গঠিত হয়। এই ব্যবস্থার অধীনে ৮০ হাজার ‘মৌলিক গণতন্ত্রী’ নির্বাচিত হতেন, যারা রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নির্বাচন করতেন। এর উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ দেখানো, কিন্তু এটি ছিল মূলত জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটাধিকার হরণের একটি কৌশল, যা সামরিক শাসনের বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করে।

১৯৬২ সালের সংবিধান প্রণয়ন: ১৯৬২ সালে আইয়ুব খান একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করেন, যা ছিল মূলত একটি রাষ্ট্রপতি-শাসিত সরকার ব্যবস্থা। এই সংবিধানে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ছিল নিরঙ্কুশ এবং মৌলিক গণতন্ত্রীদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বিধান রাখা হয়। সংসদ ছিল দুর্বল এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা খর্ব করার ক্ষমতা তাদের ছিল না। এই সংবিধান পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দুর্বল করে দেয় এবং সামরিক একনায়কতন্ত্রকে সাংবিধানিক বৈধতা দান করে। এর মাধ্যমে আইয়ুব খান তার ক্ষমতাকে সুসংহত করেন।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ‘উন্নয়ন দশক’: আইয়ুব খানের শাসনামলকে ‘উন্নয়ন দশক’ (Decade of Development) হিসেবে প্রচার করা হয়। এই সময়ে কৃষি ও শিল্প উভয় ক্ষেত্রেই কিছু উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়। সবুজ বিপ্লবের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং কিছু বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। বৈদেশিক সাহায্য এবং বিনিয়োগ আকর্ষণ করে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করা হয়। তবে এই উন্নয়নের সুফল মূলত পশ্চিম পাকিস্তানে কেন্দ্রীভূত ছিল, যা পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

শিল্পায়ন ও পুঁজিবাদের বিকাশ: আইয়ুব খানের শাসনামলে শিল্পায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নতুন শিল্প স্থাপন করা হয় এবং বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা হয়। মূলত ‘২২ পরিবার’ নামক একটি সীমিত সংখ্যক ধনী পরিবার এই শিল্পায়নের সিংহভাগ সুবিধা ভোগ করে। এই কেন্দ্রীভূত শিল্পায়ন একদিকে যেমন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এনেছিল, অন্যদিকে তেমনি সম্পদের অসম বণ্টন সৃষ্টি করে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে তেমন প্রভাব ফেলেনি এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়ায়।

ভূমি সংস্কার: আইয়ুব খান কিছু ভূমি সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের অবস্থার উন্নতি। এর মধ্যে জমির মালিকানার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয় এবং উদ্বৃত্ত জমি ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে বিতরণের চেষ্টা করা হয়। তবে এই সংস্কার কর্মসূচিগুলো পুরোপুরি সফল হয়নি এবং এর সুফল খুব সীমিত সংখ্যক কৃষকই পেয়েছিলেন। বৃহৎ জমিদারদের প্রভাব কমানোর চেষ্টা করা হলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।

শিক্ষানীতি ও ছাত্র আন্দোলন: আইয়ুব খানের শাসনামলে একটি নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়, যা শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টির অভিযোগ ওঠে। এই নীতির বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে। ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন ছিল এর অন্যতম উদাহরণ, যা আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এই শিক্ষানীতি শিক্ষার্থীদের অধিকার সীমিত করার চেষ্টা করেছিল, যার ফলস্বরূপ ব্যাপক প্রতিবাদ হয়।

গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ: আইয়ুব খান সরকার গণমাধ্যমকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করত। সংবাদপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশন সরকারের অনুকূলে প্রচার চালাত এবং বিরোধী দলের কণ্ঠরোধ করা হতো। বাকস্বাধীনতা সীমিত করা হয় এবং সরকারের সমালোচনা দমন করা হতো। এই পদক্ষেপগুলো জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে, কারণ তারা বস্তুনিষ্ঠ তথ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। গণমাধ্যমের উপর এই নিয়ন্ত্রণ ছিল আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।

১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ: ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতের সাথে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে পাকিস্তান সামরিকভাবে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে পারেনি এবং তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়। এই যুদ্ধ পাকিস্তানের অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি পায়। যুদ্ধের ফলাফল পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করে, কারণ তারা মনে করত যে তাদের সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তাশখন্দ চুক্তি ও জনরোষ: ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির শর্তাবলী পাকিস্তানের জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না, বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের কাছে। তারা মনে করত, আইয়ুব খান যুদ্ধে অর্জিত কিছু সুবিধা এই চুক্তির মাধ্যমে হারিয়েছে। তাসখন্দ চুক্তির বিরুদ্ধে ব্যাপক জনবিক্ষোভ হয়, যা আইয়ুব খানের জনপ্রিয়তা আরও কমিয়ে দেয়।

পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্য: আইয়ুব খানের শাসনামলে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের সকল গুরুত্বপূর্ণ পদ পশ্চিম পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের দখলে ছিল এবং উন্নয়নের সিংহভাগ বরাদ্দ পশ্চিম পাকিস্তানে ব্যয় করা হতো। এই বৈষম্য পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বঞ্চনার অনুভূতি তৈরি করে, যা বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থানে সহায়ক হয়।

ছয় দফা আন্দোলন: ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর এবং তাসখন্দ চুক্তির প্রতিক্রিয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ‘ছয় দফা’ দাবি উত্থাপন করেন। এটি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের একটি দাবি, যা আইয়ুব খানের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী আন্দোলন তৈরি করে। ছয় দফা আন্দোলন আইয়ুব খানের শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায় এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদকে আরও শক্তিশালী করে।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা: ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে “আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা” নামে একটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় জড়ায়। অভিযোগ করা হয় যে, তিনি ভারতের সহযোগিতায় পূর্ব পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র করছেন। এই মামলা পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে এবং বঙ্গবন্ধুকে একজন জাতীয় বীর হিসেবে তুলে ধরে। এই মামলা আইয়ুব খানের শাসনের বিরুদ্ধে জনরোষকে আরও তীব্র করে তোলে।

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান: ১৯৬৮ সালের শেষ দিকে এবং ১৯৬৯ সালের শুরুতে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান উভয় স্থানেই ব্যাপক গণঅভ্যুত্থান ঘটে। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক এবং সাধারণ জনগণ এই আন্দোলনে অংশ নেয়। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, মৌলিক গণতন্ত্রের ব্যর্থতা, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং গণতন্ত্রের অভাব এই গণঅভ্যুত্থানের প্রধান কারণ ছিল। এই গণঅভ্যুত্থান আইয়ুব খানের পতনকে ত্বরান্বিত করে।

রাজনৈতিক দলের উপর নিষেধাজ্ঞা: আইয়ুব খান ক্ষমতা গ্রহণের পর রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এটি ছিল দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে রুদ্ধ করার একটি সুস্পষ্ট পদক্ষেপ। যদিও পরবর্তীতে এই নিষেধাজ্ঞা আংশিকভাবে তুলে নেওয়া হয়, তবে রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম সীমিত ছিল এবং সরকারের সমালোচনার সুযোগ ছিল না। এই নিষেধাজ্ঞা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দেয়।

বিদেশী নীতিতে পরিবর্তন: আইয়ুব খান সরকার জোটনিরপেক্ষ নীতি থেকে সরে এসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করে। তারা সিয়াটো (SEATO) এবং সেন্টো (CENTO) সামরিক জোটে যোগ দেয়। চীনের সাথেও পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নত হয়। তবে এই নীতিগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিতর্ক সৃষ্টি করে এবং অনেকের কাছে এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীলতা হিসেবে দেখা হয়।

জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ: আইয়ুব খানের শাসনামলে জনগণের মৌলিক অধিকার, যেমন – বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, এবং সমাবেশের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়। সরকারের সমালোচনা করলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতো। এই মৌলিক অধিকার হরণ জনগণের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে এবং আইয়ুব খানের শাসনকে একনায়কতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিতর্ক: ১৯৬৪ সালে আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্রীদের ভোটে নিজেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। এই নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থী ছিলেন ফাতেমা জিন্নাহ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ ওঠে, যা আইয়ুব খানের শাসনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এই বিতর্কিত নির্বাচন জনগণের মধ্যে তার প্রতি আস্থা কমিয়ে দেয়।

উপসংহার: আইয়ুব খানের শাসনামল একদিকে যেমন কিছু অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাক্ষী ছিল, তেমনি অন্যদিকে এটি ছিল গণতন্ত্রের উপর সামরিক স্বৈরাচারের এক বড় আঘাত। মৌলিক গণতন্ত্রের প্রবর্তন, ১৯৬২ সালের সংবিধান এবং রাজনৈতিক দলের উপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে রুদ্ধ করেছিলেন। পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি চরম বৈষম্য এবং ছয় দফা আন্দোলনের মতো জনমুখী আন্দোলনের প্রতি দমনমূলক নীতি গ্রহণ তার পতনের প্রধান কারণ ছিল। আইয়ুব খানের শাসনামল পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ, বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট তৈরিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

একনজরে উত্তর দেখুন
  • ⚔️ সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠা
  • 🗳️ মৌলিক গণতন্ত্রের প্রবর্তন
  • 📜 ১৯৬২ সালের সংবিধান প্রণয়ন
  • 📈 অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ‘উন্নয়ন দশক’
  • 🏭 শিল্পায়ন ও পুঁজিবাদের বিকাশ
  • 🏞️ ভূমি সংস্কার
  • 📚 শিক্ষানীতি ও ছাত্র আন্দোলন
  • 📰 গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ
  • 🛡️ ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ
  • 🤝 তাশখন্দ চুক্তি ও জনরোষ
  • ⚖️ পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্য
  • ✊ ছয় দফা আন্দোলন
  • 🚨 আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
  • 🔥 ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
  • 🚫 রাজনৈতিক দলের উপর নিষেধাজ্ঞা
  • 🌐 বিদেশী নীতিতে পরিবর্তন
  • 🚫 জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ
  • ❌ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিতর্ক
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

জেনারেল আইয়ুব খানের শাসনামল (১৯৫৮-১৯৬৯) পাকিস্তানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়কাল। ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দার মির্জাকে সরিয়ে তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং সামরিক আইন জারি করেন। ১৯৫৯ সালে তিনি ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ ব্যবস্থা চালু করেন, যা ছিল এক পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি। ১৯৬২ সালে তার প্রণীত সংবিধান রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ করে। তার শাসনামলে ‘উন্নয়ন দশক’ (১৯৫৮-১৯৬৮) পালিত হয়, যেখানে জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৫.৭%। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এবং তাসখন্দ চুক্তি তার শাসনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি অর্থনৈতিক বৈষম্য, যেমন – ১৯৬০-৬৫ সালের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে মাথাপিছু আয় ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের ৬৫%, যা এই অঞ্চলে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি করে। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন এবং ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়। অবশেষে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

Tags: আইয়ুব খানের শাসনআইয়ুব খানের শাসন আমলের বৈশিষ্ট্যআইয়ুব খানের শাসনামলের বৈশিষ্ট্য
  • Previous ১৯৬২ সালের ছাত্র আন্দোলন সম্পর্কে যা জান লিখ।
  • Next ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের জয় ও মুসলিম লীগের পরাজয়ের কারণ সমূহ আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1914)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    নবায়নযোগ্য শক্তি বলতে কী বোঝায়?
    করিডোর কী?
    বিচ্ছিন্নতাবাদ কী?
    ‘সমুদ্র নিরাপত্তা’ কী?

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM