• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা দাবি বর্ণনা কর।

প্রশ্ন:- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা দাবি বর্ণনা কর।

উত্তর।।ভূমিকা: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত ১১ দফা দাবি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকার আদায়ের এক মূর্ত প্রতীক ছিল। এই দাবিগুলো কেবল ছাত্রদের আকাঙ্ক্ষা ছিল না, বরং তা ছিল আপামর জনসাধারণের শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর। স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকারের পতন এবং একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়েই এই ১১ দফা দাবির জন্ম হয়েছিল, যা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

১। গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা: গণতন্ত্র জনগণের শাসন। আইয়ুব খানের সামরিক শাসন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। এই দফায় প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়। সামরিক শাসন জনগণের অংশগ্রহণের পথ রুদ্ধ করে দেওয়ায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছিল। এই দাবিটি শুধু রাজনৈতিক অধিকারের বিষয় ছিল না, বরং এটি ছিল জনগণের সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনার একটি সুস্পষ্ট বার্তা। এর ফলে শাসন ব্যবস্থায় জনগণের প্রকৃত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পথ প্রশস্ত হতো এবং স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটত।

২। প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার ও সংসদীয় সরকার: এই দফায় সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি কার্যকর সংসদীয় সরকার গঠনের দাবি জানানো হয়। সামরিক শাসনের অধীনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারত না, যার ফলে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিল না। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বুঝতে পেরেছিল যে, জনগণের প্রকৃত ক্ষমতা কেবল তখনই প্রতিষ্ঠিত হতে পারে যখন তারা তাদের প্রতিনিধিদের সরাসরি নির্বাচিত করতে পারবে। একটি শক্তিশালী সংসদীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারতো যে, সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে এবং তাদের ইচ্ছানুযায়ী দেশ পরিচালিত হবে।

৩। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণ: ৬ দফা দাবির ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। এই দফায় পূর্ব পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সকল ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, কেবল প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক নীতি ছাড়া। পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনৈতিক শোষণ এবং রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়ে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য এই স্বায়ত্তশাসনকে অপরিহার্য মনে করেছিল। এই দাবিটি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের নিজস্ব সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং সামাজিক অগ্রগতির একটি ভিত্তি, যা তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে সুদৃঢ় করত।

৪। ব্যাংক, বীমা ও বৃহৎ শিল্প জাতীয়করণ: এই দফায় দেশের সকল ব্যাংক, বীমা এবং বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণের দাবি জানানো হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা এবং ব্যক্তিগত মালিকানার মাধ্যমে সৃষ্ট অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা। সেই সময়ে দেশের অধিকাংশ শিল্প ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অবাঙালি পুঁজিপতিদের নিয়ন্ত্রণে ছিল, যার ফলে সাধারণ মানুষ শোষণের শিকার হতো। জাতীয়করণের মাধ্যমে এই সম্পদগুলো রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে এনে জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল, যা একটি সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার দিকে ইঙ্গিত করে।

৫। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ: ভূমি রাজস্ব বাতিল, খাজনা হ্রাস এবং কৃষকদের জন্য সমবায়ভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থার প্রবর্তন এই দফার প্রধান দাবি ছিল। কৃষকদের শোষণ থেকে মুক্তি দেওয়া এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই দাবি উত্থাপিত হয়। সেই সময়ে কৃষকরা উচ্চ খাজনা এবং মহাজনদের ঋণের জালে জর্জরিত ছিল। এই পদক্ষেপগুলো কৃষকদের অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিত এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হতো। এটি কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নের পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলত।

৬। শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও বিস্তার: শিক্ষাকে গণমুখী করা, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন, শিক্ষায় বৈষম্য দূরীকরণ এবং ছাত্রদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। তৎকালীন শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল ব্যয়বহুল এবং সকলের জন্য সহজলভ্য ছিল না। এই দফায় শিক্ষাকে সকলের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রতিটি শিশুর জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়। এটি একটি শিক্ষিত ও সচেতন সমাজ গঠনে অপরিহার্য ছিল, যা দেশের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত।

৭। শ্রমিকদের অধিকার ও ন্যায্য মজুরি: শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার, ন্যায্য মজুরি বৃদ্ধি এবং কাজের উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি এই দফার অন্তর্ভুক্ত ছিল। তৎকালীন সময়ে শ্রমিকরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল এবং কম মজুরিতে অমানবিক পরিবেশে কাজ করতে বাধ্য হতো। এই দাবিটি শ্রমিক শ্রেণীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শ্রমিকদের সংঘবদ্ধ হয়ে নিজেদের দাবি আদায়ের সুযোগ দিয়ে এটি একটি শক্তিশালী শ্রমিক আন্দোলনের পথ খুলে দেয়।

৮। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা: বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণরূপে পৃথক করার দাবি এই দফায় উত্থাপিত হয়। সামরিক শাসনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছিল, যার ফলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। একটি স্বাধীন বিচার বিভাগই পারে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ করতে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে। এই দাবিটি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে অপরিহার্য ছিল। এটি নিশ্চিত করত যে, কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাবের বাইরে থেকে বিচারকার্য পরিচালিত হবে।

৯। জরুরি অবস্থা ও কালো আইন প্রত্যাহার: জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং সকল দমনমূলক কালো আইন বাতিল করার দাবি জানানো হয়। সামরিক শাসনামলে জরুরি অবস্থা জারি করে জনগণের বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল। সভা-সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, যা জনগণের প্রতিবাদ করার ক্ষমতাকে সীমিত করে দিয়েছিল। এই দাবিগুলো ছিল গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য অপরিহার্য, যেখানে জনগণ নির্ভয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারত এবং নিজেদের অধিকারের জন্য আন্দোলন করতে পারত।

১০। রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি ও দমন-পীড়ন বন্ধ: সকল রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দেওয়া এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার দাবি এই দফার অন্তর্ভুক্ত ছিল। সামরিক শাসনামলে হাজার হাজার রাজনৈতিক কর্মী ও ছাত্রনেতাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে কারাগারে আটক রাখা হয়েছিল। এই দাবিটি ছিল মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদের অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি পদক্ষেপ। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে আসার জন্য একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করত।

১১। পূর্ব পাকিস্তানে নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপন: এই দফায় পূর্ব পাকিস্তানে নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপনের দাবি জানানো হয়। এর মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সামরিক বাহিনীর সদর দফতরগুলো পশ্চিম পাকিস্তানে অবস্থিত হওয়ায় পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তা উপেক্ষিত হচ্ছিল। এই দাবিটি পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সমতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। এটি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মনে নিরাপত্তা ও আত্মবিশ্বাসের অনুভূতি জাগিয়ে তুলত।

উপসংহার: ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা দাবি কেবল তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেই প্রভাবিত করেনি, বরং এটি বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। এই দাবিগুলো ছিল শোষণমুক্ত, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন, যা পরবর্তীকালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ১১ দফা দাবি বাঙালির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যা আজও আমাদের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামে অনুপ্রেরণা যোগায়।

একনজরে উত্তর দেখুন

১। 📚 গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা
২। 🗳️ প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার ও সংসদীয় সরকার
৩। ⚖️ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণ
৪। 💰 ব্যাংক, বীমা ও বৃহৎ শিল্প জাতীয়করণ
৫। 🧑‍🌾 কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ
৬। 📚 শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও বিস্তার
৭। 👷 শ্রমিকদের অধিকার ও ন্যায্য মজুরি
৮। 🏛️ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
৯। 🚫 জরুরি অবস্থা ও কালো আইন প্রত্যাহার
১০। 🕊️ রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি ও দমন-পীড়ন বন্ধ
১১। ⚓ পূর্ব পাকিস্তানে নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপন

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মূল কারণ ছিল আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসন এবং পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি। ১৯৫৮ সালের সামরিক আইন জারির পর থেকে রাজনৈতিক কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। ৬ দফা আন্দোলন (১৯৬৬) ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের প্রথম জোরালো দাবি। এর পরপরই ছাত্র সমাজ এই আন্দোলনকে আরও বেগবান করে ১১ দফা দাবি উত্থাপন করে, যা ছিল ৬ দফার সম্প্রসারিত রূপ। এই আন্দোলন এতটাই তীব্র হয়েছিল যে, আইয়ুব খান ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন ২৫ মার্চ ১৯৬৯ তারিখে। পরবর্তীতে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এই ১১ দফার ফসল হিসেবে দেখা যেতে পারে, যা বাঙালির স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়।

Tags: ছাত্র সংগ্রাম পরিষদছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফাছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা দাবি
  • Previous ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এর বিভিন্ন পর্যায় তুলে ধর।
  • Next আগরতলা মামলা কারণ ও ফলাফল আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1432)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    ভারতের উন্নয়ন মডেল নিয়ে আলোচনা কর।
    উন্নয়ন মডেল বা কৌশলসমূহ বর্ণনা কর।
    বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে সামাজিক পরিবর্তন ও রাজনৈতিক উন্নয়নে আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী ও সাহায্য সংস্থাসমূহের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।
    বিশ্বব্যাংকের কাঠামো ও কার্যাবলী আলোচনা কর। কেন বিশ্বব্যাংক সমালোচনার সম্মুখীন হয়?

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM