• Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools
      • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
      • Copyable PDF maker
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
  • mdreadaim@gmail.com
  • Bangladesh
Login
Read Aim

Read Aim

  • Home
  • Class 0-12
  • Masters
  • Honours
  • Degree
  • Grammar
    • Bangla Grammar
    • English Grammar
    • Arabic Grammar
  • Computer
    • MS Word
  • Jobs Study
    • BCS
    • Bank
    • Primary
    • Govt. job
    • Nibandhon
    • Medical Admission
    • University Admission
    • Army/Police/BDR/Anchar
  • Jobs
  • News
  • Tools
    • আনা গন্ডা ক্যালকুলেটর
    • Copyable PDF maker
    •  PDF to Excel
    •  Word to PDF
    • Add and remove PDF watermark
    • Add Page Numbers
    • Merge PDF files
    • Organize PDF
    • PDF to image
    • PDF to PowerPoint
    • PDF to Word
    • PowerPoint to PDF
    • Remove PDF Pages
    • Rotate PDF
    • Separate PDF | Split
    • Image to PDF
  • readaim.com
  • 0

প্রশ্ন:- সমালোচনাসহ মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারসমূহ বর্ণনা কর।

উত্তর::ভূমিকা: মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ হলো বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। এই আইনটি বিবাহ, তালাক, বহুবিবাহ, দেনমোহর, ভরণপোষণ এবং উত্তরাধিকারের মতো বিষয়গুলোকে শরিয়াহ আইনের পাশাপাশি বিধিবদ্ধ আইনের আওতায় এনেছে। এই অধ্যাদেশটি যুগোপযোগী পরিবর্তনের এক প্রয়াস, যা একইসাথে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

সমালোচনাসহ মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারসমূহ:-

১। বহুবিবাহের নিয়ন্ত্রণ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬-এর মাধ্যমে বহুবিবাহের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করতে পারবে না। অনুমতি পেতে হলে বর্তমান স্ত্রীর লিখিত সম্মতি প্রয়োজন হবে এবং কাউন্সিল উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে সিদ্ধান্ত নেবে। সমালোচকরা মনে করেন, এই বিধানটি পুরুষদের জন্য বহুবিবাহ কঠিন করে দিলেও, এর অপব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। যেমন, সালিশি কাউন্সিল সঠিকভাবে কাজ না করলে বা দুর্নীতি হলে এই আইনের কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে। এছাড়া, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও অনেক বিতর্ক রয়েছে।

২। তালাক প্রক্রিয়া এই আইনের ধারা ৭-এ তালাকের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, স্বামী তালাক দিতে চাইলে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত নোটিশ পাঠাতে হবে এবং তার একটি অনুলিপি স্ত্রীকে দিতে হবে। নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে চেয়ারম্যান উভয় পক্ষের মধ্যে মীমাংসার জন্য একটি সালিশি কাউন্সিল গঠন করবেন। ৯০ দিন পার হওয়ার পর তালাক কার্যকর হবে। এই বিধানটি তালাকের হঠকারী সিদ্ধান্ত রোধ করে এবং উভয় পক্ষকে পুনরায় বিবেচনা করার সুযোগ দেয়, যা নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। তবে, অনেক ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয় না, ফলে তালাক কার্যকর হওয়া নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

৩। স্ত্রী কর্তৃক তালাক মুসলিম পারিবারিক আইনের ধারা ৮-এ বলা হয়েছে যে, কোনো নারী যদি কাবিননামায় তালাক-ই-তৌফিজ বা তালাকের ক্ষমতা পেয়ে থাকেন, তবে তিনি এই আইন অনুযায়ী তালাক দিতে পারবেন। এটি মূলত ইসলামি আইনে স্বীকৃত ‘তালাক-ই-তৌফিজ’-এর আইনি রূপ। এর ফলে নারীরা নিজেদের অধিকার রক্ষায় আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারেন। এটি নারীদের ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। তবে, অনেক ক্ষেত্রে কাবিননামায় এই ধারাটি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয় না বা নারী এই অধিকার সম্পর্কে অবগত থাকেন না, ফলে এই বিধানের সুফল থেকে তারা বঞ্চিত হন।

৪। দেনমোহরের বিধান আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী, মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নিবন্ধনের সময় দেনমোহরের পরিমাণ স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হয়, যা স্ত্রীর অধিকার নিশ্চিত করে। এই আইনের মাধ্যমে দেনমোহর পরিশোধের বাধ্যবাধকতাকে আইনি রূপ দেওয়া হয়েছে। অনেক সমালোচক বলেন যে, এই আইনের মাধ্যমে দেনমোহর আদায় সহজ হয়েছে। তবে, দেনমোহরের অর্থ স্বামীর আর্থিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়, যা অনেক সময় নারীদের জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে।

৫। ভরণপোষণের অধিকার আইনের ধারা ৯-এ স্ত্রীকে ভরণপোষণ প্রদানের বিধান রয়েছে। যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে আইনসম্মতভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয়, তবে স্ত্রী আদালতের মাধ্যমে তা আদায় করতে পারেন। এটি বিবাহবিচ্ছেদের পর বা বিবাহ চলাকালীন সময়েও প্রযোজ্য। এই বিধানটি নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। তবে, ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণে আদালতের সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং তা প্রায়শই জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য পর্যাপ্ত হয় না, যা সমালোচনার একটি বড় বিষয়।

৬। উত্তরাধিকারের পরিবর্তন মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ধারা ৪-এ উত্তরাধিকার সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির ছেলে বা মেয়ে তার জীবদ্দশায় মারা যায়, তবে সেই মৃত ছেলে বা মেয়ের সন্তানরা (নাতি-নাতনি) তাদের প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত হবে না। তারা তাদের পিতামাতার প্রাপ্য অংশ উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করবে। এটি ইসলামি আইনের চিরায়ত ধারার একটি ব্যতিক্রম, যা নাতি-নাতনিদের অধিকার নিশ্চিত করেছে। এই বিধানটি নিয়ে শরিয়াহ পণ্ডিতদের মধ্যে ব্যাপক মতবিরোধ রয়েছে।

৭। সালিশি কাউন্সিলের ভূমিকা এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিবাহ, তালাক ও বহুবিবাহের মতো বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সালিশি কাউন্সিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এই কাউন্সিল চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে গঠিত হয় এবং উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয়। এই কাউন্সিলের উদ্দেশ্য হলো পারিবারিক বিরোধ মীমাংসা করা। তবে, এই কাউন্সিলগুলো প্রায়শই রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্নীতি বা সদস্যদের অদক্ষতার কারণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না, যা আইনের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে।

৮। বিবাহ নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী, মুসলিম বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নিবন্ধনের ফলে বিবাহের একটি আইনি দলিল তৈরি হয়, যা বিবাহ সম্পর্কিত অধিকার ও দায়িত্ব প্রমাণে সহায়ক। এটি নারীর দেনমোহর, ভরণপোষণ এবং অন্যান্য অধিকার নিশ্চিত করে। তবে, এখনো অনেক গ্রামে বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই আইন সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে বিবাহ নিবন্ধন করা হয় না, যা পরবর্তীকালে আইনি জটিলতা সৃষ্টি করে।

৯। কন্যা সন্তানের উত্তরাধিকার যদিও এই আইন সরাসরি কন্যা সন্তানের উত্তরাধিকারের পরিমাণ বৃদ্ধি করেনি, তবে এটি পরোক্ষভাবে নারীর অধিকারকে শক্তিশালী করেছে। বিশেষ করে, যদি কোনো নারীর বাবা মারা যান এবং তার কোনো ভাই না থাকে, তবে তিনি তার চাচার উত্তরাধিকারী হন না, যেমনটি প্রচলিত ছিল। তবে, ধারা ৪-এর মাধ্যমে নাতি-নাতনিদের উত্তরাধিকারের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, যা নারীদের জন্য কিছুটা হলেও সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছে।

১০। নাবালক বিবাহ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর অধীনে বাল্যবিবাহের কোনো সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা নেই। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ১৯২৯-এর অধীনে এটি নিয়ন্ত্রিত হয়। এই আইনের অধীনে বিবাহ নিবন্ধনের সময় বয়স সংক্রান্ত কোনো কঠোর যাচাই-বাছাই করা হয় না, যা বাল্যবিবাহ রোধের ক্ষেত্রে একটি বড় দুর্বলতা। যদিও বর্তমানে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কঠোর আইন রয়েছে, এই অধ্যাদেশে এর কোনো উল্লেখ না থাকা একটি বড় সমালোচনার বিষয়।

১১। সন্তানের জিম্মাদারি এই আইনটি বিবাহবিচ্ছেদের পর সন্তানের জিম্মাদারি (Custody) নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান দেয়নি। এই বিষয়টি প্রচলিত মুসলিম আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, যেখানে একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত সন্তান মায়ের কাছে থাকে এবং তারপর বাবার জিম্মায় চলে যায়। এই বিধানটি প্রায়শই সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হতে পারে। এই আইনে এর সমাধান না থাকায় তা একটি বড় ত্রুটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

১২। স্বেচ্ছায় ইসলাম ত্যাগ এই অধ্যাদেশে স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলে তার পারিবারিক অধিকারের ওপর কী প্রভাব পড়বে, সে সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি শূন্যতা, যা পারিবারিক অধিকার ও উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করতে পারে। এই বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট বিধান না থাকায় আইনি জটিলতা এড়াতে সংশ্লিষ্ট আইনগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যায়।

১৩। ধর্মীয় আইনের সাথে দ্বন্দ্ব এই অধ্যাদেশটি কিছু ক্ষেত্রে প্রচলিত ইসলামি আইন বা শরিয়াহ আইনের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক, বিশেষ করে উত্তরাধিকারের ধারা ৪-এর ক্ষেত্রে। এই দ্বন্দ্বটি ধর্মীয় নেতাদের এবং সমাজের একাংশের সমালোচনার কারণ। তারা মনে করেন, এটি ধর্মীয় আইনের মৌলিক নীতির লঙ্ঘন। অন্যদিকে, আধুনিক ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার মানুষরা এই পরিবর্তনকে সাধুবাদ জানান এবং সমাজের উন্নয়নের জন্য এটি অপরিহার্য বলে মনে করেন।

১৪। অপরাধের বিচার এই আইনটি কিছু বিধানের লঙ্ঘন যেমন, সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া বহুবিবাহের ক্ষেত্রে অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছে এবং এর জন্য শাস্তির বিধান রেখেছে। এটি আইনটিকে শুধুমাত্র একটি বিধিবদ্ধ নিয়ম হিসেবে না রেখে এর লঙ্ঘনের জন্য আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। তবে, এই শাস্তির পরিমাণ অনেক ক্ষেত্রে খুবই সামান্য এবং তা অপরাধ দমনে যথেষ্ট কার্যকরী নয়।

১৫। আইনের কার্যকারিতা এই আইনের অনেক বিধান কাগজে-কলমে যতটা কার্যকর, বাস্তবে ততটা নয়। বিশেষ করে, সালিশি কাউন্সিলগুলো যথাযথভাবে কাজ না করলে বা স্থানীয় প্রভাবশালীদের দ্বারা প্রভাবিত হলে আইনের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। গ্রাম্য সালিশি বা সমাজের প্রথাগত বিচার ব্যবস্থার কারণে অনেক ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানগুলো লঙ্ঘিত হয়, যা এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

১৬। সচেতনতার অভাব মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। বিশেষ করে, গ্রামের দরিদ্র ও অশিক্ষিত নারীরা এই আইন এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে প্রায়শই অজ্ঞ থাকেন। ফলে তারা তাদের আইনি অধিকার আদায় করতে ব্যর্থ হন। সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি, যা এই আইনের একটি দুর্বল দিক।

১৭। সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এই আইনটি ১৯৬১ সালে প্রণীত হয়েছে এবং সময়ের সাথে সাথে এর অনেক ধারার কার্যকারিতা ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আধুনিক সমাজে নারী-পুরুষের সমতা ও অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এই আইনটির সংস্কার প্রয়োজন। বিশেষ করে, সন্তানের জিম্মাদারি, দেনমোহর, এবং ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে আরও যুগোপযোগী বিধান অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

উপসংহার: মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ হলো মুসলিম পারিবারিক জীবনকে আধুনিক আইনের আওতায় আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি বহুবিবাহের নিয়ন্ত্রণ, তালাকের বিধান এবং উত্তরাধিকারের মতো বিষয়গুলোতে নারীদের অধিকার রক্ষায় কিছুটা হলেও সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। তবে, এর কিছু ধারা প্রচলিত শরিয়াহ আইনের সাথে সাংঘর্ষিক এবং কিছু ক্ষেত্রে এর দুর্বলতা ও বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে। ভবিষ্যতে এই আইনকে আরও যুগোপযোগী করতে সংস্কারের প্রয়োজন, যা মুসলিম সমাজের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নারী-পুরুষের অধিকারের ভারসাম্য রক্ষা করবে।

একনজরে উত্তর দেখুন

১। বহুবিবাহের নিয়ন্ত্রণ ২। তালাক প্রক্রিয়া ৩। স্ত্রী কর্তৃক তালাক ৪। দেনমোহরের বিধান ৫। ভরণপোষণের অধিকার ৬। উত্তরাধিকারের পরিবর্তন ৭। সালিশি কাউন্সিলের ভূমিকা ৮। বিবাহ নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা ৯। কন্যা সন্তানের উত্তরাধিকার ১০। নাবালক বিবাহ ১১। সন্তানের জিম্মাদারি ১২। স্বেচ্ছায় ইসলাম ত্যাগ ১৩। ধর্মীয় আইনের সাথে দ্বন্দ্ব ১৪। অপরাধের বিচার ১৫। আইনের কার্যকারিতা ১৬। সচেতনতার অভাব ১৭। সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা।

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১, যা মূলত তৎকালীন পাকিস্তান সরকার কর্তৃক প্রণীত হয়েছিল, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম পারিবারিক আইনের আধুনিকীকরণ। এটি ১৯৫৬ সালে গঠিত একটি কমিশন, যার প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন ছিলেন, তার সুপারিশের ভিত্তিতে প্রণীত হয়। এই আইনটি বাস্তবায়নের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে এর ধারা ৪ (উত্তরাধিকার) নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়, বিশেষ করে ধর্মীয় পণ্ডিতদের মধ্যে। বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের সংবিধানের আলোকে এই আইনটি বহাল রাখা হয়। ২০০৩ সালের একটি জরিপ অনুযায়ী, এই আইনের দুর্বল বাস্তবায়নের কারণে অনেক নারী তাদের আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি মুসলিম বিশ্বের মধ্যে পারিবারিক আইনে সংস্কারের এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

Tags: ১৯৬১মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৬১সমালোচনাসহ মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ
  • Previous বাংলাদেশ সরকারের শিশু কল্যাণ কার্যক্রম আলোচনা কর।
  • Next ১৯৭৪ সালের শিশু আইনের মূল ধারাসমূহ বর্ণনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1914)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    নবায়নযোগ্য শক্তি বলতে কী বোঝায়?
    করিডোর কী?
    বিচ্ছিন্নতাবাদ কী?
    ‘সমুদ্র নিরাপত্তা’ কী?

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM