• Digital Tools
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Merge PDF files
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
    • MASTERS
      • 📚 রাষ্ট্রবিজ্ঞান
        • ১। সাম্প্রতিক রাষ্ট্রচিন্তা
        • ২। সামাজিক পরিবর্তন ও রাজনৈতিক উন্নয়ন
        • ৩। বাংলাদেশের রাজনীতি ইসু ও প্রবণতাসমূহ
        • ৪। শাসনের সমস্যাবলি
        • ৫। নিরাপত্তা অধ্যয়ন
        • ৬। বাংলাদেশের দলীয় রাজনীতি
        • ৭। ভূ-রাজনীতি ও বাংলাদেশ
      • 📚 সমাজবিজ্ঞান
        • ১। সমসাময়িক সমাজবিজ্ঞানের তত্ত্ব
        • ২। মার্কসীয় সমাজবিজ্ঞান
        • ৩। উন্নয়ন ও অনুন্নয়নের সমাজবিজ্ঞান
        • ৪। সংখ্যালঘুর সমাজবিজ্ঞান
        • ৫। জনসংখ্যা, রাজনীতি ও উন্নয়ন
        • ৬। দারিদ্র্যের সমাজবিজ্ঞান
        • ৭। তুলনামূলক সমাজকাঠামো
      • 📚 সমাজকর্ম
        • ১। সামাজিক প্রশাসন
        • ২। উচ্চতর সামাজিক গবেষণা ও পরিসংখ্যান
        • ৩। শিল্প সম্পর্ক ও শ্রম আইন
        • ৪। সংশোধন ও সংশোধনমূলক সেবা
        • ৫। নারী ও পরিবার কল্যাণ
        • ৬। শিশু, যুব ও প্রবীণ কল্যাণ
        • ৭। সমাজকর্মের নির্দেশনা ও কাউন্সেলিং
      • 📚 ইতিহাস
        • ১। ইতিহাস তত্ত্ব ও গবেষণা পদ্ধতি
        • ২। ইউরোপ ও আমেরিকার ইতিহাস (১৯১৯খ্রিস্টাব্দ থেকে)
        • ৩। দক্ষিণ এশিয়ার জাতীয়তাবাদ ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (উনিশ ও বিশ শতক)
        • ৪। বাংলার সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিকসমূহ (নির্বাচিত বিষয়সমূহ)
        • ৫। বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ থেকে বর্তমান)
        • ৬। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস ১৯৪৭ থেকে (বাংলাদেশ ব্যতীত)
        • ৭। আন্তর্জাতিক আইন
      • 📚 ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
        • ১। ইসলামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাস
        • ২। বাংলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থতিক ইতিহাস (১২০০-১৭৬৫ খ্রি:)
        • ৩। মুসলিম ভারতের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ইতিহাস (৭১২-১৭৬৫)
        • ৪। তুরস্ক, ইরান ও আফগানিস্তানের ইতিহাস
        • ৫। আধুনিক মিশর ও উত্তর আফ্রিকার আরব রাষ্ট্রসমূহ
        • ৬। পশ্চিম এশিয়ার আরব রাষ্ট্রসমূহের ইতিহাস
        • ৭। দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাস (১৭৬৫-১৯৭১)
      • 📚বাংলা
        • ১। বাংলা কবিতা
        • ২। বাংলা উপন্যাস
        • ৩। বাংলা ছোটগল্প
        • ৪। বাংলা নাটক
        • ৫। বাংলা প্রবন্ধ
        • ৬। বাংলাদেশের সাহিত্য: কবিতা, গল্প, উপন্যাস এবং প্রবন্ধ
        • ৭। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য
      • 📚 দর্শন
        • ১। ভাষা দর্শন
        • ২। রূপতত্ত্ব ও অস্তিত্ববাদ
        • ৩। জি.ই. ম্যুর এবং রাসেলের দর্শন
        • ৪। প্রয়োগবাদ ও মানবতাবাদ
        • ৫। জ্ঞানবিদ্যা ও অধিবিদ্যা
        • ৬। আল-গাজালি ও ইবনে রুশদের দর্শন
        • ৭। সুফিবাদ
        • ৮। বৌদ্ধ দর্শন
        • ৯। বাঙালির দর্শন (আধুনিক ও সমকালীন)
        • ১০। সমকালীন রাষ্ট্রদর্শন
      • 📚 ব্যবস্থাপনা
        • ১। ব্যবস্থাপনা চিন্তাধারা
        • ২। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়
        • ৩। ব্যবসায় গবেষণা
        • ৪। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা
        • ৫। ব্যবস্থাপনা তথ্য পদ্ধতি
        • ৬। প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন
        • ৭। ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থাপনা
      • 📚 হিসাববিজ্ঞান
        • ১। প্রায়োগিক হিসাববিজ্ঞান তত্ত্ব
        • ২। উচ্চতর উৎপাদন ব্যয় হিসাববিজ্ঞান
        • ৩। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞান
        • ৪। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা
        • ৫। কর্পোরেট গভর্ন্য্যান্স
        • ৬। কর্পোরেট আর্থিক প্রর্তিবেদন
        • ৭। কর্পোরেট কর পরিকল্পনা
    • Member Account
    • Member Login
    • Member Logout
    • Member Profile
    • Member Registration
    • Members
    • MS Word
    • Reset Password
    • SYLLABUS 0-12 NCTB BD
    • DEGREE
      • স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (আবশ্যিক)
      • ডিগ্রী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
        • ১ম বর্ষ ডিগ্রী রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • রাজনৈতিক তত্ত্ব
    • HONOURS
      • 📚 অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
        • 📗 ১ম বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান (নতুন সিলেবাস)
        • 📗 ১ম বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান (পুরাতন সিলেবাস)
          • 🔴 স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস
          • 🔴 রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন
          • 🔴 পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা
          • 🔴 প্রধান প্রধান বৈদেশিক সরকার (UK, USA & France) ২১১৯০৫
          • 🔴 লোক প্রশাসন পরিচিতি
          • 🔴 সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি
          • 🔴 সমাজকর্ম পরিচিতি
          • 🔴 অর্থনীতির মৌলনীতি
        • 📗 ২য় বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৭৫৭-১৯৪৭)
          • 🔴 বাংলাদেশের রাজনৈতিক অর্থনীতি
          • 🔴 রাজনীতি ও উন্নয়নে নারী
          • 🔴 প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা
          • 🔴 বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান
          • 🔴 বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি
          • 🔴 বাংলাদেশের অর্থনীতি
        • 📗৩য় বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান
          • 🔴 আন্তর্জাতিক রাজনীতির মূলনীতি
          • 🔴 দক্ষিণ এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি ( ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকা )
          • 🔴 রাজনীতি অধ্যয়নের পদ্ধতি
          • 🔴 শান্তি এবং সংঘাত অধ্যায়ন পরিচিতি
          • 🔴 বাংলাদেশের লোক প্রশাসন
          • 🔴 গবেষণা পদ্ধতি ও পরিসংখ্যান
          • 🔴 রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান
        • 📗 ৪র্থ বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিবর্তন ও ধারাবাহিকতা
          • 🔴 বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন
          • 🔴 সরকারি নীতি পরিচিতি
          • 🔴 পূর্ব এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি চীন, জাপান ও দিক্ষণ কোরিয়া
          • 🔴 পরিবেশ ও উন্নয়ন
          • 🔴 বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক
          • 🔴 বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া
          • 🔴 বিশ্বায়ন, আঞ্চলিকতাবাদ ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান
      • 📚 অনার্স সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
        • ১ম বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • ১। প্রারম্ভিক সমাজবিজ্ঞান ২১২০০১
          • সামাজিক ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা ২১২০০৩
          • রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান ২১২০০৫
          • সামাজিক সমস্যা ২১২০০৭
          • স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ২১১৫০১
          • রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি ২১১৯০৯
          • অর্থনীতির মূলনীতি ২১১৯০৯
        • ২য় বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 💞 প্ররম্ভিক নৃ-বিজ্ঞান
          • 💞 ধ্রুপদী সমাজচিন্তা
          • 💞 সামাজিক পরিসংখ্যান
          • 💞 গবেষণা পদ্ধতি
          • 💞 রাজনৈতিক সংগঠন এবং যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থা
          • 💞 বাংলাদেশের অর্থনীতি
        • ৩য় বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳ধ্রুপদী সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্ব
          • 🌳গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳ধর্মের সমাজবিজ্ঞান ২৩২০০৫
          • 🌳সামাজিক অসমতা
          • 🌳 সমাজ ও সম্প্রদায়
          • 🌳বাংলাদেশের সমাজ কাঠামো
          • 🌳নগর সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳সমাজ মনোবিজ্ঞান
        • ৪র্থ বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 জেন্ডার, সমাজ ও উন্নয়ন
          • 📢 উন্নয়নের সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 সামাজিক জনবিজ্ঞান
          • 📢 পরিবেশ সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 সামাজিক পরিবর্তন
          • 📢 বিচ্যুতি ও অপরাধ
          • 📢 শিল্প সমাজবিজ্ঞান
          • কৃষক সমাজ ২৪২০১৭
    • HOME
      • About
      • Blog
      • Contact
      • News
      • Privacy
    • GRAMMAR
      • Arabic Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
    • JOB STUDY
      • Army/Police/BDR/Anchar
      • Bank
      • BCS
      • Govt. job
      • Medical Admission
      • Nibandhon
      • Primary
      • University Admission
      • Bangla
      • English
      • Math
      • General Knowledge Bangladesh
      • General Knowledge International
      • Computer & IT
      • Biology
      • Chemistry
      • Physics
      • Ethics, Values ​​and Good Governance
      • Geography/Environment/Disaster Management
    • JOBS
      • BRAC NGO Job Circular New All Jobs Notice 2023
      • Jobs CANADA
      • Jobs INDIA
      • Jobs USA
Read Aim
Read Aim Read Aim
  • readaim.com
  • 0
ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব ও বিকাশ আলোচনা কর।

প্রশ্ন:- ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব ও বিকাশ আলোচনা কর।

উত্তর::উপস্থাপনা: ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতা কেবল একটি রাজনৈতিক বা সামাজিক সমস্যা ছিল না, এটি ছিল একটি গভীর মানসিক বিভাজন, যা শতাব্দীব্যাপী বিকশিত হয়ে এসেছে। হিন্দু ও মুসলিমদের সহাবস্থানের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও, নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, রাজনৈতিক চাল এবং ঔপনিবেশিক শক্তির কৌশলের কারণে এই অঞ্চলে সাম্প্রদায়িকতার বীজ উপ্ত হয় এবং ধীরে ধীরে তা এক বিষবৃক্ষে পরিণত হয়। এই বিভাজনই পরবর্তীতে উপমহাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রকে চিরতরে পাল্টে দিয়েছে। এই নিবন্ধে ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব ও বিকাশের বিভিন্ন দিক আলোচনা করা হবে।

১। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সহাবস্থান: ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু ও মুসলিমদের সহাবস্থান হাজার বছরের পুরনো। মুঘল শাসনামলে যেমন সম্রাট আকবরের মতো শাসক ধর্মীয় সহনশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। ঈদ, দুর্গাপূজা, হোলি—সব উৎসবই অনেকে মিলেমিশে উদযাপন করতেন। সেই সময় ধর্মীয় পরিচয় যতটা ব্যক্তিগত ছিল, জাতিগত পরিচয় ততটা প্রকট ছিল না। তবে, ক্ষমতার পালাবদল এবং কিছু শাসকের ধর্মীয় গোঁড়ামি মাঝে মাঝে ধর্মীয় বিভেদের জন্ম দিলেও, তা ব্যাপক রূপ নেয়নি।

২। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও ‘ভাগ করো ও শাসন করো’ নীতি: ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতার বিকাশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ‘ভাগ করো ও শাসন করো’ (Divide and Rule) নীতি ছিল সবচেয়ে বড় অনুঘটক। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর ব্রিটিশরা মুসলিমদেরকে তাদের শাসনের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখতে শুরু করে এবং হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে নিজেদের শাসনকে দীর্ঘায়িত করার কৌশল অবলম্বন করে। তারা উভয় সম্প্রদায়কে একে অপরের বিরুদ্ধে উস্কে দিত এবং প্রশাসনিক সংস্কারে সাম্প্রদায়িক বিভেদকে কাজে লাগাত। এই নীতিই সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্পকে আরও ছড়িয়ে দেয়।

৩। শিক্ষাগত বৈষম্য ও মুসলিম সমাজের পশ্চাদপদতা: ব্রিটিশ শাসনের শুরুর দিকে মুসলিমরা আধুনিক শিক্ষা গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে এবং সরকারি চাকরিতে হিন্দুদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ে। স্যার সৈয়দ আহমদ খানের মতো মুসলিম নেতারা মুসলিমদের এই পশ্চাদপদতা দূর করার চেষ্টা করলেও, শিক্ষাগত বৈষম্য মুসলিম সমাজে এক ধরনের হতাশা সৃষ্টি করে। এই হতাশা তাদের মধ্যে একটি স্বতন্ত্র পরিচয়ের আকাঙ্ক্ষা জন্মায় এবং ব্রিটিশ ও হিন্দুদের প্রতি এক ধরনের দূরত্ব তৈরি করে, যা সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে আরও গভীর করে।

৪। ভাষা বিতর্ক ও বিভেদ: ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দি-উর্দু বিতর্ক ভাষার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িক বিভেদ উস্কে দেয়। যখন উত্তর ভারতে সরকারি ভাষা হিসেবে হিন্দির প্রচলন বাড়ানো হয়, তখন মুসলিমরা উর্দুকে তাদের ভাষা হিসেবে ধরে নেয় এবং এর পক্ষে অবস্থান নেয়। এই ভাষাগত বিভেদ ধীরে ধীরে ধর্মীয় পরিচয়ের সাথে মিশে যায় এবং হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সাংস্কৃতিক দূরত্ব বাড়িয়ে তোলে। এটি কেবল একটি ভাষাগত বিতর্ক ছিল না, বরং এটি ছিল এক সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সংগ্রাম।

৫। সংগঠিত রাজনৈতিক সাম্প্রদায়িকতা: ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ এবং ১৯১৫ সালে হিন্দু মহাসভা-র মতো সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিষ্ঠা সাম্প্রদায়িকতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মুসলিম লীগ মুসলিমদের স্বতন্ত্র স্বার্থ রক্ষার দাবি জানায়, আর হিন্দু মহাসভা হিন্দু জাতীয়তাবাদের উপর জোর দেয়। এই দলগুলো ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে মানুষকে সংগঠিত করে এবং তাদের মধ্যে অন্যের প্রতি অবিশ্বাস ও বিদ্বেষ ছড়াতে থাকে, যা রাজনৈতিক সাম্প্রদায়িকতাকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।

৬। পৃথক নির্বাচন মণ্ডলী: ১৯০৯ সালের মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইনে মুসলিমদের জন্য পৃথক নির্বাচন মণ্ডলী প্রবর্তন করা হয়। এর ফলে মুসলিম ভোটাররা কেবল মুসলিম প্রার্থীকেই ভোট দিতে পারত এবং হিন্দুরা কেবল হিন্দু প্রার্থীকে। এই ব্যবস্থা ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে রাজনীতিকে পরিচালিত করে এবং হিন্দু-মুসলিম ঐক্যকে দুর্বল করে দেয়। এটি ছিল ব্রিটিশদের ‘ভাগ করো ও শাসন করো’ নীতির এক সুস্পষ্ট বাস্তবায়ন, যা সাম্প্রদায়িক বিভেদকে সাংবিধানিক বৈধতা দেয়।

৭। খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের ব্যর্থতা: ১৯২০-এর দশকে খেলাফত আন্দোলন (প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তুরস্কের খলিফার পদ বিলুপ্তির প্রতিবাদে মুসলিমদের আন্দোলন) এবং মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের এক দারুণ উদাহরণ সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু এই ঐক্য ছিল ক্ষণস্থায়ী। আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার পর মুসলিমরা নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ে এবং হিন্দুদের থেকে নিজেদের দূরত্ব বাড়িয়ে নেয়। এই ব্যর্থতা সাম্প্রদায়িক বিভেদকে আরও জোরালো করে।

৮। নেহেরু রিপোর্টের প্রতিক্রিয়া: ১৯২৮ সালে কংগ্রেস কর্তৃক প্রকাশিত নেহেরু রিপোর্টে পৃথক নির্বাচন মণ্ডলী বাতিল করার প্রস্তাব করা হয়, যা মুসলিম নেতাদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে। মুসলিম লীগ এই রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে এবং মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তার ‘চৌদ্দ দফা দাবি’ উত্থাপন করেন, যেখানে মুসলিমদের জন্য পৃথক অধিকারের কথা বলা হয়। এই ঘটনা কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেয় এবং সাম্প্রদায়িক মেরুকরণকে তীব্র করে।

৯। ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন ও অভিজ্ঞতা: ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন সাম্প্রদায়িকতার বিকাশে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। এই নির্বাচনে কংগ্রেস অধিকাংশ প্রদেশে জয়লাভ করে এবং সরকার গঠন করে। কংগ্রেস শাসিত প্রদেশগুলোতে মুসলিম লীগ অভিযোগ করে যে, মুসলিমদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে, তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতি অসম্মান দেখানো হচ্ছে। এই অভিজ্ঞতা মুসলিমদের মধ্যে অবিশ্বাস ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তোলে এবং একটি পৃথক রাষ্ট্রের দাবিকে আরও জোরালো করে।

১০। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভূমিকা ও দ্বিজাতি তত্ত্বের জনপ্রিয়তা: মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, যিনি একসময় হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের প্রতীক ছিলেন, ১৯৩০-এর দশকের শেষভাগে এসে দ্বিজাতি তত্ত্বের একনিষ্ঠ প্রচারকে পরিণত হন। তিনি জোর দিয়ে বলতে থাকেন যে, হিন্দু ও মুসলিম দুটি ভিন্ন জাতি এবং তাদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র প্রয়োজন। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং দ্বিজাতি তত্ত্বের জনপ্রিয়তা মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি পৃথক আবাসভূমির আকাঙ্ক্ষাকে তীব্র করে তোলে, যা সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে চূড়ান্ত পরিণতিতে নিয়ে যায়।

১১। লাহোর প্রস্তাব (১৯৪০): ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব ছিল সাম্প্রদায়িকতার বিকাশের এক চূড়ান্ত পর্যায়। এই প্রস্তাবে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোকে নিয়ে একটি বা একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি করা হয়। এটি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্বের রাজনৈতিক রূপায়ণ এবং পাকিস্তান সৃষ্টির প্রথম আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ। এই প্রস্তাব ভারতের বিভাজনকে অনিবার্য করে তোলে এবং হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ককে আরও বিষিয়ে তোলে।

১২। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও রাজনৈতিক মেরুকরণ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে ব্রিটিশ সরকার ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন কামনা করে। কংগ্রেস ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের ডাক দিলে মুসলিম লীগ ব্রিটিশদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় এবং বিনিময়ে পৃথক রাষ্ট্রের দাবিকে আরও জোরালো করে। এই সময়ে ব্রিটিশ সরকারও মুসলিম লীগের দাবির প্রতি কিছুটা ইতিবাচক মনোভাব দেখায়, যা রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও তীব্র করে।

১৩। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও বিভীষিকা: ১৯৪৬ সালের কলকাতার ভয়াবহ দাঙ্গা (গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং) এবং এর পরবর্তী নোয়াখালী ও বিহারের দাঙ্গাগুলো সাম্প্রদায়িকতার ভয়াবহ রূপ তুলে ধরে। এই দাঙ্গাগুলো লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন কেড়ে নেয় এবং হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে গভীর অবিশ্বাস ও শত্রুতা তৈরি করে। এই বিভীষিকা উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজনের আকাঙ্ক্ষাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে এবং একটি অখণ্ড ভারতের সম্ভাবনা প্রায় বিলীন করে দেয়।

১৪। মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা ও দেশভাগ: ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থা ব্রিটিশ সরকারকে ভারত ভাগের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা (১৯৪৭) অনুযায়ী, ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ভারত বিভাজিত হয় এবং পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম নেয়। এটি ছিল সাম্প্রদায়িকতার চূড়ান্ত পরিণতি, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের বাস্তুচ্যুতি এবং সীমাহীন দুর্ভোগের জন্ম দেয়।

১৫। মিডিয়া ও প্রচারণার ভূমিকা: সে সময়কার সংবাদপত্র এবং অন্যান্য প্রচারমাধ্যম সাম্প্রদায়িক বিভেদ উস্কে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ পরিবেশন, গুজব ছড়ানো এবং একে অপরের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে। এটি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি করে এবং তাদের মধ্যে অন্যের প্রতি অবিশ্বাস সৃষ্টি করে, যা সাম্প্রদায়িকতা বিকাশে ইন্ধন জোগায়।

১৬। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনৈক্য: যদিও হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে অনেক সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ছিল, তবে কিছু মৌলিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য ছিল, যা সাম্প্রদায়িকতাকে প্রভাবিত করে। বিবাহ প্রথা, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে ভিন্নতা ছিল। রাজনৈতিক নেতারা এই পার্থক্যগুলোকে কাজে লাগিয়ে বিভেদ সৃষ্টি করেন।

১৭। আর্থ-সামাজিক বিভেদ: অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে কিছু বিভেদ ছিল। যেমন, বাংলায় অনেক জমিদার ছিলেন হিন্দু এবং অনেক দরিদ্র কৃষক ছিলেন মুসলিম। এই আর্থ-সামাজিক বিভেদকে ধর্মীয় মোড়কে উপস্থাপন করে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দেওয়া হয়। দরিদ্র মুসলিম কৃষকদের মধ্যে জমিদারদের প্রতি অসন্তোষকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়া হয়েছিল।

১৮। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা: কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমেও সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করা হয়েছিল। ইতিহাসকে পক্ষপাতমূলকভাবে উপস্থাপন করা হতো, যেখানে এক সম্প্রদায়ের অর্জনকে মহিমান্বিত করে অন্যকে হেয় করা হতো। এটি তরুণ প্রজন্মের মনে সাম্প্রদায়িক ধারণা তৈরি করতে সাহায্য করে।

১৯। রাজনৈতিক দলগুলোর সুবিধা গ্রহণ: তৎকালীন রাজনৈতিক দলগুলো, যেমন- মুসলিম লীগ এবং হিন্দু মহাসভা, ক্ষমতা দখলের জন্য সাম্প্রদায়িকতাকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। তারা ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে জনসমর্থন আদায় করত এবং নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধি করত। এই রাজনৈতিক সুবিধা গ্রহণ সাম্প্রদায়িকতার বিকাশকে ত্বরান্বিত করে।

২০। জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতার অভাব: তৎকালীন সাধারণ জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতার অভাব ছিল। অনেকে রাজনৈতিক নেতাদের উস্কানিতে প্রভাবিত হয়ে সাম্প্রদায়িক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সাম্প্রদায়িকতার নেতিবাচক পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতার অভাবও এর বিকাশে ভূমিকা রাখে।

শেষকাথা: ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব ও বিকাশ ছিল একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া, যা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক নীতি, রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিভেদের ফল। যদিও হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সহাবস্থানের দীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল, তবে কিছু বিশেষ ঐতিহাসিক ঘটনা এবং নেতাদের কৌশলী পদক্ষেপ এই সম্প্রীতিকে ভেঙে দেয়। এর চূড়ান্ত পরিণতি ছিল ১৯৪৭ সালের বিভাজন, যা ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক গভীর ক্ষত রেখে গেছে। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহনশীলতার গুরুত্ব উপলব্ধি করা উচিত।

একনজরে উত্তর দেখুন

📜 ১। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সহাবস্থান
👑 ২। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও ‘ভাগ করো ও শাসন করো’ নীতি
🎓 ৩। শিক্ষাগত বৈষম্য ও মুসলিম সমাজের পশ্চাদপদতা
🗣️ ৪। ভাষা বিতর্ক ও বিভেদ
🚩 ৫। সংগঠিত রাজনৈতিক সাম্প্রদায়িকতা
🗳️ ৬। পৃথক নির্বাচন মণ্ডলী
🤝 ৭। খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের ব্যর্থতা
📄 ৮। নেহেরু রিপোর্টের প্রতিক্রিয়া
🗓️ ৯। ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন ও অভিজ্ঞতা
👤 ১০। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভূমিকা ও দ্বিজাতি তত্ত্বের জনপ্রিয়তা
📢 ১১। লাহোর প্রস্তাব (১৯৪০)
⚔️ ১২। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও রাজনৈতিক মেরুকরণ
🔥 ১৩। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও বিভীষিকা
🗺️ ১৪। মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা ও দেশভাগ
📰 ১৫। মিডিয়া ও প্রচারণার ভূমিকা
🎭 ১৬। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনৈক্য
💰 ১৭। আর্থ-সামাজিক বিভেদ
🏫 ১৮। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা
📈 ১৯। রাজনৈতিক দলগুলোর সুবিধা গ্রহণ
🧠 ২০। জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতার অভাব

প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতার বীজ ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ‘ভাগ করো ও শাসন করো’ নীতিতে নিহিত। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর এই নীতি আরও জোরদার হয়। ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা সাম্প্রদায়িক রাজনীতির সূচনা করে। ১৯০৯ সালের মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইনে প্রবর্তিত পৃথক নির্বাচন মণ্ডলী বিভাজনকে সাংবিধানিক রূপ দেয়। ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের অভিজ্ঞতা মুসলিমদের মধ্যে অবিশ্বাস বাড়ায়। ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে দ্বিজাতি তত্ত্বের রাজনৈতিক প্রতিফলন ঘটে। ১৯৪৬ সালের ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ দাঙ্গা সাম্প্রদায়িকতার ভয়াবহতা তুলে ধরে, যা ১৯৪৭ সালের দেশভাগের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ নেয়।

Tags: ভারতীয় উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব ও বিকাশসাম্প্রদায়িকতাসাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব ও বিকাশ
  • Previous ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পটভূমি আলোচনা কর।
  • Next অখন্ড স্বাধীন বাংলা গঠন এর পরিকল্পনা ব্যাখ্যা কর। এ পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছিল কেন?
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1336)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    উত্তর আধুনিকতাবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
    উত্তর আধুনিকতাবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
    সেন্ট সাইমন ও রবার্ট ওয়েনের কাল্পনিক সমাজতন্ত্রের রূপরেখা বিশ্লেষণ কর।
    কাল্পনিক ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM
    Have any question? 01745112569 md@readaim.com Free
    • Login
    • Registration
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools