• Digital Tools
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Merge PDF files
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
    • MASTERS
      • 📚 রাষ্ট্রবিজ্ঞান
        • ১। সাম্প্রতিক রাষ্ট্রচিন্তা
        • ২। সামাজিক পরিবর্তন ও রাজনৈতিক উন্নয়ন
        • ৩। বাংলাদেশের রাজনীতি ইসু ও প্রবণতাসমূহ
        • ৪। শাসনের সমস্যাবলি
        • ৫। নিরাপত্তা অধ্যয়ন
        • ৬। বাংলাদেশের দলীয় রাজনীতি
        • ৭। ভূ-রাজনীতি ও বাংলাদেশ
      • 📚 সমাজবিজ্ঞান
        • ১। সমসাময়িক সমাজবিজ্ঞানের তত্ত্ব
        • ২। মার্কসীয় সমাজবিজ্ঞান
        • ৩। উন্নয়ন ও অনুন্নয়নের সমাজবিজ্ঞান
        • ৪। সংখ্যালঘুর সমাজবিজ্ঞান
        • ৫। জনসংখ্যা, রাজনীতি ও উন্নয়ন
        • ৬। দারিদ্র্যের সমাজবিজ্ঞান
        • ৭। তুলনামূলক সমাজকাঠামো
      • 📚 সমাজকর্ম
        • ১। সামাজিক প্রশাসন
        • ২। উচ্চতর সামাজিক গবেষণা ও পরিসংখ্যান
        • ৩। শিল্প সম্পর্ক ও শ্রম আইন
        • ৪। সংশোধন ও সংশোধনমূলক সেবা
        • ৫। নারী ও পরিবার কল্যাণ
        • ৬। শিশু, যুব ও প্রবীণ কল্যাণ
        • ৭। সমাজকর্মের নির্দেশনা ও কাউন্সেলিং
      • 📚 ইতিহাস
        • ১। ইতিহাস তত্ত্ব ও গবেষণা পদ্ধতি
        • ২। ইউরোপ ও আমেরিকার ইতিহাস (১৯১৯খ্রিস্টাব্দ থেকে)
        • ৩। দক্ষিণ এশিয়ার জাতীয়তাবাদ ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (উনিশ ও বিশ শতক)
        • ৪। বাংলার সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিকসমূহ (নির্বাচিত বিষয়সমূহ)
        • ৫। বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ থেকে বর্তমান)
        • ৬। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস ১৯৪৭ থেকে (বাংলাদেশ ব্যতীত)
        • ৭। আন্তর্জাতিক আইন
      • 📚 ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
        • ১। ইসলামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাস
        • ২। বাংলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থতিক ইতিহাস (১২০০-১৭৬৫ খ্রি:)
        • ৩। মুসলিম ভারতের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ইতিহাস (৭১২-১৭৬৫)
        • ৪। তুরস্ক, ইরান ও আফগানিস্তানের ইতিহাস
        • ৫। আধুনিক মিশর ও উত্তর আফ্রিকার আরব রাষ্ট্রসমূহ
        • ৬। পশ্চিম এশিয়ার আরব রাষ্ট্রসমূহের ইতিহাস
        • ৭। দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাস (১৭৬৫-১৯৭১)
      • 📚বাংলা
        • ১। বাংলা কবিতা
        • ২। বাংলা উপন্যাস
        • ৩। বাংলা ছোটগল্প
        • ৪। বাংলা নাটক
        • ৫। বাংলা প্রবন্ধ
        • ৬। বাংলাদেশের সাহিত্য: কবিতা, গল্প, উপন্যাস এবং প্রবন্ধ
        • ৭। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য
      • 📚 দর্শন
        • ১। ভাষা দর্শন
        • ২। রূপতত্ত্ব ও অস্তিত্ববাদ
        • ৩। জি.ই. ম্যুর এবং রাসেলের দর্শন
        • ৪। প্রয়োগবাদ ও মানবতাবাদ
        • ৫। জ্ঞানবিদ্যা ও অধিবিদ্যা
        • ৬। আল-গাজালি ও ইবনে রুশদের দর্শন
        • ৭। সুফিবাদ
        • ৮। বৌদ্ধ দর্শন
        • ৯। বাঙালির দর্শন (আধুনিক ও সমকালীন)
        • ১০। সমকালীন রাষ্ট্রদর্শন
      • 📚 ব্যবস্থাপনা
        • ১। ব্যবস্থাপনা চিন্তাধারা
        • ২। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়
        • ৩। ব্যবসায় গবেষণা
        • ৪। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা
        • ৫। ব্যবস্থাপনা তথ্য পদ্ধতি
        • ৬। প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন
        • ৭। ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থাপনা
      • 📚 হিসাববিজ্ঞান
        • ১। প্রায়োগিক হিসাববিজ্ঞান তত্ত্ব
        • ২। উচ্চতর উৎপাদন ব্যয় হিসাববিজ্ঞান
        • ৩। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞান
        • ৪। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা
        • ৫। কর্পোরেট গভর্ন্য্যান্স
        • ৬। কর্পোরেট আর্থিক প্রর্তিবেদন
        • ৭। কর্পোরেট কর পরিকল্পনা
    • Member Account
    • Member Login
    • Member Logout
    • Member Profile
    • Member Registration
    • Members
    • MS Word
    • Reset Password
    • SYLLABUS 0-12 NCTB BD
    • DEGREE
      • স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (আবশ্যিক)
      • ডিগ্রী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
        • ১ম বর্ষ ডিগ্রী রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • রাজনৈতিক তত্ত্ব
    • HONOURS
      • 📚 অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
        • 📗 ১ম বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান (নতুন সিলেবাস)
        • 📗 ১ম বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান (পুরাতন সিলেবাস)
          • 🔴 স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস
          • 🔴 রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন
          • 🔴 পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা
          • 🔴 প্রধান প্রধান বৈদেশিক সরকার (UK, USA & France) ২১১৯০৫
          • 🔴 লোক প্রশাসন পরিচিতি
          • 🔴 সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি
          • 🔴 সমাজকর্ম পরিচিতি
          • 🔴 অর্থনীতির মৌলনীতি
        • 📗 ২য় বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৭৫৭-১৯৪৭)
          • 🔴 বাংলাদেশের রাজনৈতিক অর্থনীতি
          • 🔴 রাজনীতি ও উন্নয়নে নারী
          • 🔴 প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা
          • 🔴 বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান
          • 🔴 বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি
          • 🔴 বাংলাদেশের অর্থনীতি
        • 📗৩য় বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান
          • 🔴 আন্তর্জাতিক রাজনীতির মূলনীতি
          • 🔴 দক্ষিণ এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি ( ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকা )
          • 🔴 রাজনীতি অধ্যয়নের পদ্ধতি
          • 🔴 শান্তি এবং সংঘাত অধ্যায়ন পরিচিতি
          • 🔴 বাংলাদেশের লোক প্রশাসন
          • 🔴 গবেষণা পদ্ধতি ও পরিসংখ্যান
          • 🔴 রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান
        • 📗 ৪র্থ বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিবর্তন ও ধারাবাহিকতা
          • 🔴 বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন
          • 🔴 সরকারি নীতি পরিচিতি
          • 🔴 পূর্ব এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি চীন, জাপান ও দিক্ষণ কোরিয়া
          • 🔴 পরিবেশ ও উন্নয়ন
          • 🔴 বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক
          • 🔴 বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া
          • 🔴 বিশ্বায়ন, আঞ্চলিকতাবাদ ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান
      • 📚 অনার্স সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
        • ১ম বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • ১। প্রারম্ভিক সমাজবিজ্ঞান ২১২০০১
          • সামাজিক ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা ২১২০০৩
          • রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান ২১২০০৫
          • সামাজিক সমস্যা ২১২০০৭
          • স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ২১১৫০১
          • রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি ২১১৯০৯
          • অর্থনীতির মূলনীতি ২১১৯০৯
        • ২য় বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 💞 প্ররম্ভিক নৃ-বিজ্ঞান
          • 💞 ধ্রুপদী সমাজচিন্তা
          • 💞 সামাজিক পরিসংখ্যান
          • 💞 গবেষণা পদ্ধতি
          • 💞 রাজনৈতিক সংগঠন এবং যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থা
          • 💞 বাংলাদেশের অর্থনীতি
        • ৩য় বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳ধ্রুপদী সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্ব
          • 🌳গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳ধর্মের সমাজবিজ্ঞান ২৩২০০৫
          • 🌳সামাজিক অসমতা
          • 🌳 সমাজ ও সম্প্রদায়
          • 🌳বাংলাদেশের সমাজ কাঠামো
          • 🌳নগর সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳সমাজ মনোবিজ্ঞান
        • ৪র্থ বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 জেন্ডার, সমাজ ও উন্নয়ন
          • 📢 উন্নয়নের সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 সামাজিক জনবিজ্ঞান
          • 📢 পরিবেশ সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 সামাজিক পরিবর্তন
          • 📢 বিচ্যুতি ও অপরাধ
          • 📢 শিল্প সমাজবিজ্ঞান
          • কৃষক সমাজ ২৪২০১৭
    • HOME
      • About
      • Blog
      • Contact
      • News
      • Privacy
    • GRAMMAR
      • Arabic Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
    • JOB STUDY
      • Army/Police/BDR/Anchar
      • Bank
      • BCS
      • Govt. job
      • Medical Admission
      • Nibandhon
      • Primary
      • University Admission
      • Bangla
      • English
      • Math
      • General Knowledge Bangladesh
      • General Knowledge International
      • Computer & IT
      • Biology
      • Chemistry
      • Physics
      • Ethics, Values ​​and Good Governance
      • Geography/Environment/Disaster Management
    • JOBS
      • BRAC NGO Job Circular New All Jobs Notice 2023
      • Jobs CANADA
      • Jobs INDIA
      • Jobs USA
Read Aim
Read Aim Read Aim
  • readaim.com
  • 0
প্রথা কি ব্রিটেনে প্রথা কেন মান্য করা হয়।

প্রশ্ন:- প্রথা কি? ব্রিটেনে প্রথা কেন মান্য করা হয়।

উত্তর::সূচনা: ব্রিটিশ সমাজ ও সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো তাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও প্রথা। এসব প্রথা কেবল অতীতের স্মৃতিচিহ্ন নয়, বরং বর্তমান সমাজের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ইতিহাসের গভীর শিকড় থেকে জন্ম নেওয়া এই প্রথাগুলো ব্রিটিশদের জাতীয় পরিচয়, সামাজিক সংহতি এবং আইনি কাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করে।

প্রথা - এর পরিচয়:-

শাব্দিক অর্থ: ‘প্রথা’ শব্দটি এসেছে ‘প্র’ (বিশেষ বা অতিরিক্ত) এবং ‘স্থা’ (স্থিতি বা অবস্থান) থেকে। এর শাব্দিক অর্থ হলো ‘একটি বিশেষ বা অতিরিক্ত অবস্থান বা রীতি যা দীর্ঘকাল ধরে সমাজে প্রচলিত আছে’। ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘Custom’ এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘consuetudo’ থেকে, যার অর্থ ‘অভ্যাস’ বা ‘রীতি’।

প্রথা হলো কোনো সমাজে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত এমন এক ধরনের রীতিনীতি বা নিয়ম, যা অলিখিত ও অপ্রাতিষ্ঠানিক হলেও সমাজের বেশিরভাগ মানুষ তা মেনে চলে। এটি কোনো আইন দ্বারা বাধ্যতামূলক নয়, বরং সামাজিক স্বীকৃতি ও অভ্যাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। প্রথা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মৌখিকভাবে বা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়। এটি সমাজের আচার-ব্যবহার, বিশ্বাস, মূল্যবোধ এবং জীবনযাত্রার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যেমন, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, উৎসব-পার্বণ, বিবাহরীতি বা অতিথি আপ্যায়নের নিয়মগুলো প্রথার উদাহরণ।

বিভিন্ন গবেষক ও মনীষীর প্রদত্ত সংজ্ঞা:-

বিভিন্ন সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিক প্রথাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে সংজ্ঞায়িত করেছেন। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞা দেওয়া হলো:

১। অগবার্ন ও নিমকফ: তাদের মতে, “প্রথা হল সেইসব কার্যপ্রণালী যা সমাজের সদস্যদের কাছে স্বীকৃত এবং গৃহীত।” (Ogburn and Nimkoff: “Customs are the ways of doing things that are socially accepted and approved by the members of the society.”)

২। সিসেরো: তিনি প্রথাকে “ঐতিহ্য ও দীর্ঘদিনের অভ্যাসের সমষ্টি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। (Cicero: “Custom is the sum of traditions and long-standing habits.”)

৩। অ্যারিস্টটল: তিনি প্রথাকে “আইনের বাইরে মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণের একটি শক্তিশালী মাধ্যম” বলেছেন। (Aristotle: “Custom is a powerful means of controlling human behavior outside of law.”)

৪। লুথার গুলিক: তার মতে, “প্রথা হচ্ছে সেই সামাজিক অভ্যাস ও আচরণ যা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে প্রচলিত এবং স্বীকৃত।” (Luther Gulick: “Customs are the social habits and behaviors that are prevalent and recognized within a specific group.”)

৫। এমিল ডুর্খেইম: তিনি প্রথাকে “সামাজিক সংহতির একটি অপরিহার্য উপাদান” হিসেবে দেখেছেন, যা সমাজের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় করে। (Émile Durkheim: “Custom is an essential element of social solidarity that strengthens the relationships among the members of the society.”)

৬। অক্সফোর্ড ডিকশনারি: এটি প্রথাকে “একটি সম্প্রদায়ের বা স্থানের মানুষের দ্বারা দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত এবং ব্যাপকভাবে প্রচলিত আচরণ বা অনুশীলন” হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে। (Oxford Dictionary: “Custom is a traditional and widely accepted way of behaving or doing something that is specific to a particular society, place, or time.”)

৭। ম্যাক্স ওয়েবার: তিনি প্রথাকে “দীর্ঘদিনের অভ্যাসের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সামাজিক কার্যকলাপের একটি সাধারণ প্যাটার্ন” বলেছেন। (Max Weber: “Custom is a regular pattern of social action based on long-standing habit.”)

প্রথা হলো কোনো সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এমন এক ধরনের অলিখিত, অনানুষ্ঠানিক ও স্বতঃস্ফূর্ত নিয়ম, যা সমাজের মানুষের আচার-আচরণ, বিশ্বাস এবং মূল্যবোধকে প্রভাবিত করে এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি সমাজের সদস্যদের পারস্পরিক স্বীকৃতি ও অভ্যাসের মাধ্যমে টিকে থাকে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বাহিত হয়।

ব্রিটেনে প্রথা মাণ্য করার কারণ:-

১। ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতা: ব্রিটিশরা তাদের ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতাকে অত্যন্ত সম্মান করে। বহু শতাব্দী ধরে চলে আসা প্রথাগুলো তাদের ইতিহাসের জীবন্ত দলিল। এসব প্রথা সমাজের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে সাংস্কৃতিক জ্ঞান ও মূল্যবোধ প্রবাহিত করে। উদাহরণস্বরূপ, রাজপরিবারের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা, যেমন – সিংহাসন আরোহণ বা বিবাহের মতো ঘটনাগুলো অতীতের সঙ্গে বর্তমানের সেতুবন্ধন তৈরি করে। এই ধারাবাহিকতা তাদের জাতীয় পরিচয়কে সুদৃঢ় করে এবং এক ধরনের মানসিক নিরাপত্তা প্রদান করে।

২। সামাজিক সংহতি: প্রথাগুলো ব্রিটিশ সমাজে এক ধরনের সামাজিক সংহতি ও ঐক্য গড়ে তোলে। বিভিন্ন ধরনের প্রথাগত অনুষ্ঠান ও উৎসব, যেমন – ক্রিসমাস, গাই ফকস নাইট, বা রয়্যাল টি পার্টি, মানুষকে একত্রিত করে। এসব অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিশে, যা সামাজিক বন্ধনকে শক্তিশালী করে। এর ফলে, তারা নিজেদেরকে একটি বৃহত্তর সম্প্রদায়ের অংশ হিসেবে অনুভব করে, যা সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বৃদ্ধি করে।

৩। আইনি ব্যবস্থা ও সংবিধান: ব্রিটেনের আইনি ব্যবস্থায় প্রথা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি অলিখিত সংবিধানের একটি অংশ, যা কমন ল নামে পরিচিত। শত শত বছর ধরে আদালতের রায় এবং সংসদীয় প্রথা ব্রিটিশ আইনের ভিত্তি তৈরি করেছে। এই প্রথাগুলো লিখিত আইনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ এবং সমাজের স্থিতিশীলতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। এই অলিখিত সংবিধান ব্রিটিশদের কাছে খুবই মূল্যবান, কারণ এটি নমনীয় এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তনশীল।

৪। জাতীয় পরিচয় ও গর্ব: প্রথাগুলো ব্রিটিশদের মধ্যে এক ধরনের জাতীয় গর্ব এবং পরিচয়ের অনুভূতি তৈরি করে। যেমন – ইউনিফর্ম পরিহিত বাছি গার্ড, বা ঐতিহাসিক রয়্যাল প্যালেসের মতো বিষয়গুলো তাদের জাতীয় প্রতীক। এসব প্রথা তাদের অতীত গৌরব, সামরিক শক্তি এবং সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে। এই জাতীয় গর্ব ব্রিটিশ নাগরিকদের মধ্যে দেশপ্রেম এবং নিজেদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা তৈরি করে।

৫। শিক্ষাব্যবস্থায় প্রথা: ব্রিটিশ শিক্ষাব্যবস্থায় প্রথাগত মূল্যবোধ ও শিষ্টাচারের ওপর জোর দেওয়া হয়। পাবলিক স্কুলগুলোতে নির্দিষ্ট ধরনের পোশাক, খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ এবং দলবদ্ধ হয়ে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তোলা হয়। এই প্রথাগুলো কেবল একাডেমিক শিক্ষা নয়, বরং একজন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি ব্রিটিশ সমাজের কাঠামোগত ভিত্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৬। শিষ্টাচার ও আচরণ: ব্রিটিশ সমাজে প্রথাগত শিষ্টাচার ও আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট সামাজিক পরিস্থিতিতে কীভাবে আচরণ করতে হয়, তার অলিখিত নিয়মকানুন সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুশৃঙ্খলতা বজায় রাখে। যেমন – লাইনে দাঁড়ানো, ‘প্লিজ’ এবং ‘থ্যাংক ইউ’ ব্যবহার করা, এবং ব্যক্তিগত দূরত্ব বজায় রাখা ইত্যাদি প্রথাগুলো দৈনন্দিন জীবনে শৃঙ্খলা নিয়ে আসে। এই ধরনের আচরণগত প্রথাগুলো সামাজিক মিথস্ক্রিয়াকে মসৃণ করে।

৭। রাজতন্ত্রের গুরুত্ব: রাজতন্ত্র ব্রিটিশ প্রথার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদিও এর রাজনৈতিক ক্ষমতা সীমিত, তবে এটি দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং স্থিতিশীলতার প্রতীক। রাজপরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন প্রথাগত অনুষ্ঠান, দাতব্য কাজ এবং সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে জনগণের সঙ্গে এক ধরনের মানসিক সংযোগ স্থাপন করে। এটি জাতিকে একত্রিত করে এবং ব্রিটিশ পরিচয়ের একটি মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

৮। আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রথা: ব্রিটেনের আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রথাগুলো বিশ্বজুড়ে সুনামের অধিকারী। যেমন – লন্ডন সিটির আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো শত শত বছর ধরে নির্দিষ্ট কিছু প্রথা মেনে চলে আসছে, যা তাদের নির্ভরযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়িয়েছে। এসব প্রথা বাজারের স্থিতিশীলতা এবং বাণিজ্যিক লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। এই প্রথাগত পদ্ধতিগুলো ব্রিটিশ অর্থনীতিকে শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে।

৯। প্রযুক্তি ও আধুনিকতার সঙ্গে সমন্বয়: আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্বায়নের যুগেও ব্রিটিশরা তাদের প্রথাগুলোকে প্রাসঙ্গিক রাখতে সক্ষম হয়েছে। তারা পুরোনো প্রথাগুলোকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করে, যা তরুণ প্রজন্মের কাছেও আকর্ষণীয়। উদাহরণস্বরূপ, রাজপরিবারের অনুষ্ঠানগুলো এখন টেলিভিশন এবং সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়, যা বিশ্বজুড়ে দর্শক আকর্ষণ করে। এই সমন্বয় প্রথাগুলোকে বিলুপ্ত না হতে দিয়ে বরং তাদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।

১০। নমনীয়তা ও অভিযোজন ক্ষমতা: ব্রিটিশ প্রথাগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তাদের নমনীয়তা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক প্রথা পরিবর্তিত হয়েছে বা নতুন রূপ ধারণ করেছে। এই অভিযোজন ক্ষমতা প্রথাগুলোকে অপ্রাসঙ্গিক হওয়া থেকে রক্ষা করে। যেমন – অতীতের কিছু কঠোর প্রথা এখন শিথিল করা হয়েছে যাতে সমাজের বৈচিত্র্যকে আরও ভালোভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। এই নমনীয়তা ব্রিটিশ সমাজকে গতিশীল এবং আধুনিক করে তুলেছে।

১১। সামাজিক স্থিতিশীলতা: প্রথাগুলো সমাজের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। প্রথাগত কাঠামো মানুষকে কী প্রত্যাশা করতে হবে তা বুঝতে সাহায্য করে, যা সমাজে এক ধরনের নিরাপত্তা বোধ তৈরি করে। প্রথাগুলো যদি হঠাৎ করে ভেঙে যায়, তাহলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। তাই, ব্রিটিশরা প্রথাগুলোকে ধরে রাখে যাতে তাদের সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকে এবং আকস্মিক পরিবর্তন এড়ানো যায়।

১২। রাজনৈতিক ব্যবস্থা: ব্রিটিশ সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রথা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন – প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার গঠন, পার্লামেন্টের অধিবেশন পরিচালনা, এবং স্পিকারের ভূমিকা ইত্যাদি অনেক কিছুই প্রথা দ্বারা পরিচালিত হয়। এসব প্রথা লিখিত আইন না হলেও সংসদীয় কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এসব প্রথা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

১৩। সাংস্কৃতিক বিনিময়: প্রথাগত অনুষ্ঠানগুলো প্রায়শই আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ, রয়্যাল অ্যাঙ্কাস্ট এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক উৎসবগুলোতে সারা বিশ্ব থেকে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এটি কেবল দেশের অর্থনীতিকে উপকৃত করে না, বরং ব্রিটিশ সংস্কৃতিকে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরে। এর মাধ্যমে অন্যান্য সংস্কৃতিও ব্রিটেনের প্রথা সম্পর্কে জানতে পারে, যা পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায়।

১৪। ঐতিহাসিক সম্মান: ব্রিটিশরা তাদের ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের এবং ঘটনার প্রতি গভীর সম্মান দেখায়, যা প্রথার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। যেমন – বিভিন্ন স্মৃতিসৌধ, আনুষ্ঠানিক স্মৃতিস্তম্ভ এবং বার্ষিক স্মারক দিবসগুলো দেশের ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই প্রথাগুলো নতুন প্রজন্মকে তাদের পূর্বপুরুষদের ত্যাগ ও অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং তাদের মধ্যে ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা তৈরি করে।

১৫। শ্রমিক শ্রেণীর প্রথা: ব্রিটেনের শ্রমিক শ্রেণীর মধ্যেও কিছু নির্দিষ্ট প্রথা প্রচলিত আছে। যেমন – পাব সংস্কৃতি, ফুটবল ম্যাচ দেখা এবং নির্দিষ্ট কিছু ছুটির দিনে পারিবারিক মিলন ইত্যাদি। এই প্রথাগুলো তাদের সামাজিক জীবনকে সমৃদ্ধ করে এবং তাদের মধ্যে এক ধরনের শ্রেণিবোধ তৈরি করে। এই প্রথাগুলো তাদের পরিচয় এবং জীবনের আনন্দকে সংজ্ঞায়িত করে।

১৬। পরিবেশগত প্রথা: প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়েও কিছু প্রথা দেখা যায়। যেমন – ঐতিহ্যবাহী ব্রিটিশ উদ্যান তৈরি, বাগান করা এবং গ্রামাঞ্চলের সৌন্দর্য বজায় রাখার জন্য কিছু প্রথা প্রচলিত আছে। এসব প্রথা কেবল সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

১৭। ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও প্রতীক: ব্রিটেনের প্রথাগত পোশাক এবং প্রতীকগুলো জাতীয় পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। উদাহরণস্বরূপ, স্কটিশ কেল্ট এবং হাইল্যান্ড পোশাক, বা ইংল্যান্ডের সেন্ট জর্জের ক্রস ইত্যাদি। এসব প্রতীক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত হয় এবং জাতীয় পরিচয়কে শক্তিশালী করে। এই ধরনের প্রতীকগুলো জনগণের মধ্যে এক ধরনের অভিন্নতা তৈরি করে।

উপসংহার: সবশেষে বলা যায়, ব্রিটেনে প্রথা মান্য করার কারণ বহুবিধ এবং গভীর। এটি কেবল অতীতকে ধরে রাখার প্রবণতা নয়, বরং এক সুসংহত, স্থিতিশীল এবং গর্বিত জাতি গঠনের মূল ভিত্তি। প্রথাগুলো ব্রিটিশ সমাজের কাঠামোকে দৃঢ় করে, সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি করে এবং তাদের জাতীয় পরিচয়কে সংজ্ঞায়িত করে।

একনজরে উত্তর দেখুন
  1. ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতা
  2. সামাজিক সংহতি
  3. আইনি ব্যবস্থা ও সংবিধান
  4. জাতীয় পরিচয় ও গর্ব
  5. শিক্ষাব্যবস্থায় প্রথা
  6. শিষ্টাচার ও আচরণ
  7. রাজতন্ত্রের গুরুত্ব
  8. আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রথা
  9. প্রযুক্তি ও আধুনিকতার সঙ্গে সমন্বয়
  10. নমনীয়তা ও অভিযোজন ক্ষমতা
  11. সামাজিক স্থিতিশীলতা
  12. রাজনৈতিক ব্যবস্থা
  13. সাংস্কৃতিক বিনিময়
  14. ঐতিহাসিক সম্মান
  15. শ্রমিক শ্রেণীর প্রথা
  16. পরিবেশগত প্রথা
  17. ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও প্রতীক
প্রশ্নটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ব্রিটেনে প্রথা মান্য করার পেছনে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট গুরুত্বপূর্ণ। ১১০০ শতাব্দী থেকে কমন ল-এর উদ্ভব হয়, যা প্রথাভিত্তিক আইনি ব্যবস্থার সূচনা করে। ১৬৮৯ সালের বিল অফ রাইটস-এর মাধ্যমে পার্লামেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সীমিত হয়, যা প্রথাগত ক্ষমতার ভারসাম্যের এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত। আধুনিক যুগে, ২০২০ সালে একটি জরিপে দেখা যায়, ব্রিটিশ জনগণের ৬০% এরও বেশি মানুষ রাজতন্ত্রকে দেশের ঐতিহ্য ও প্রথার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সমর্থন করে। এটি প্রমাণ করে যে, ব্রিটিশরা এখনো তাদের ঐতিহ্যকে মূল্যবান মনে করে। ১৯৫৩ সালে দ্বিতীয় রানী এলিজাবেথের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানটি টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়, যা প্রথাকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করে এবং বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

Tags: প্রথাপ্রথা কি?ব্রিটেনে প্রথা কেন মান্য করা হয়।ব্রিটেনে প্রথা কেন মান্য করার কারণব্রিটেনের প্রথা
  • Previous ব্রিটিশ প্রধান মন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা কর।
  • Next ব্রিটিশ সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলো আলোচনা কর।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1336)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    উত্তর আধুনিকতাবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
    উত্তর আধুনিকতাবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
    সেন্ট সাইমন ও রবার্ট ওয়েনের কাল্পনিক সমাজতন্ত্রের রূপরেখা বিশ্লেষণ কর।
    কাল্পনিক ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM
    Have any question? 01745112569 md@readaim.com Free
    • Login
    • Registration
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools