• Digital Tools
      •  PDF to Excel
      •  Word to PDF
      • Add and remove PDF watermark
      • Add Page Numbers
      • Copyable PDF maker
      • Merge PDF files
      • Organize PDF
      • PDF to image
      • PDF to PowerPoint
      • PDF to Word
      • PowerPoint to PDF
      • Remove PDF Pages
      • Rotate PDF
      • Separate PDF | Split
      • Image to PDF
    • MASTERS
      • 📚 রাষ্ট্রবিজ্ঞান
        • ১। সাম্প্রতিক রাষ্ট্রচিন্তা
        • ২। সামাজিক পরিবর্তন ও রাজনৈতিক উন্নয়ন
        • ৩। বাংলাদেশের রাজনীতি ইসু ও প্রবণতাসমূহ
        • ৪। শাসনের সমস্যাবলি
        • ৫। নিরাপত্তা অধ্যয়ন
        • ৬। বাংলাদেশের দলীয় রাজনীতি
        • ৭। ভূ-রাজনীতি ও বাংলাদেশ
      • 📚 সমাজবিজ্ঞান
        • ১। সমসাময়িক সমাজবিজ্ঞানের তত্ত্ব
        • ২। মার্কসীয় সমাজবিজ্ঞান
        • ৩। উন্নয়ন ও অনুন্নয়নের সমাজবিজ্ঞান
        • ৪। সংখ্যালঘুর সমাজবিজ্ঞান
        • ৫। জনসংখ্যা, রাজনীতি ও উন্নয়ন
        • ৬। দারিদ্র্যের সমাজবিজ্ঞান
        • ৭। তুলনামূলক সমাজকাঠামো
      • 📚 সমাজকর্ম
        • ১। সামাজিক প্রশাসন
        • ২। উচ্চতর সামাজিক গবেষণা ও পরিসংখ্যান
        • ৩। শিল্প সম্পর্ক ও শ্রম আইন
        • ৪। সংশোধন ও সংশোধনমূলক সেবা
        • ৫। নারী ও পরিবার কল্যাণ
        • ৬। শিশু, যুব ও প্রবীণ কল্যাণ
        • ৭। সমাজকর্মের নির্দেশনা ও কাউন্সেলিং
      • 📚 ইতিহাস
        • ১। ইতিহাস তত্ত্ব ও গবেষণা পদ্ধতি
        • ২। ইউরোপ ও আমেরিকার ইতিহাস (১৯১৯খ্রিস্টাব্দ থেকে)
        • ৩। দক্ষিণ এশিয়ার জাতীয়তাবাদ ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (উনিশ ও বিশ শতক)
        • ৪। বাংলার সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিকসমূহ (নির্বাচিত বিষয়সমূহ)
        • ৫। বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ থেকে বর্তমান)
        • ৬। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস ১৯৪৭ থেকে (বাংলাদেশ ব্যতীত)
        • ৭। আন্তর্জাতিক আইন
      • 📚 ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
        • ১। ইসলামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাস
        • ২। বাংলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থতিক ইতিহাস (১২০০-১৭৬৫ খ্রি:)
        • ৩। মুসলিম ভারতের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ইতিহাস (৭১২-১৭৬৫)
        • ৪। তুরস্ক, ইরান ও আফগানিস্তানের ইতিহাস
        • ৫। আধুনিক মিশর ও উত্তর আফ্রিকার আরব রাষ্ট্রসমূহ
        • ৬। পশ্চিম এশিয়ার আরব রাষ্ট্রসমূহের ইতিহাস
        • ৭। দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাস (১৭৬৫-১৯৭১)
      • 📚বাংলা
        • ১। বাংলা কবিতা
        • ২। বাংলা উপন্যাস
        • ৩। বাংলা ছোটগল্প
        • ৪। বাংলা নাটক
        • ৫। বাংলা প্রবন্ধ
        • ৬। বাংলাদেশের সাহিত্য: কবিতা, গল্প, উপন্যাস এবং প্রবন্ধ
        • ৭। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য
      • 📚 দর্শন
        • ১। ভাষা দর্শন
        • ২। রূপতত্ত্ব ও অস্তিত্ববাদ
        • ৩। জি.ই. ম্যুর এবং রাসেলের দর্শন
        • ৪। প্রয়োগবাদ ও মানবতাবাদ
        • ৫। জ্ঞানবিদ্যা ও অধিবিদ্যা
        • ৬। আল-গাজালি ও ইবনে রুশদের দর্শন
        • ৭। সুফিবাদ
        • ৮। বৌদ্ধ দর্শন
        • ৯। বাঙালির দর্শন (আধুনিক ও সমকালীন)
        • ১০। সমকালীন রাষ্ট্রদর্শন
      • 📚 ব্যবস্থাপনা
        • ১। ব্যবস্থাপনা চিন্তাধারা
        • ২। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়
        • ৩। ব্যবসায় গবেষণা
        • ৪। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা
        • ৫। ব্যবস্থাপনা তথ্য পদ্ধতি
        • ৬। প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন
        • ৭। ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থাপনা
      • 📚 হিসাববিজ্ঞান
        • ১। প্রায়োগিক হিসাববিজ্ঞান তত্ত্ব
        • ২। উচ্চতর উৎপাদন ব্যয় হিসাববিজ্ঞান
        • ৩। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞান
        • ৪। কৌশলগত ব্যবস্থাপনা
        • ৫। কর্পোরেট গভর্ন্য্যান্স
        • ৬। কর্পোরেট আর্থিক প্রর্তিবেদন
        • ৭। কর্পোরেট কর পরিকল্পনা
    • Member Account
    • Member Login
    • Member Logout
    • Member Profile
    • Member Registration
    • Members
    • MS Word
    • Reset Password
    • SYLLABUS 0-12 NCTB BD
    • DEGREE
      • স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (আবশ্যিক)
      • ডিগ্রী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
        • ১ম বর্ষ ডিগ্রী রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • রাজনৈতিক তত্ত্ব
    • HONOURS
      • 📚 অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
        • 📗 ১ম বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান (নতুন সিলেবাস)
        • 📗 ১ম বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান (পুরাতন সিলেবাস)
          • 🔴 স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস
          • 🔴 রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন
          • 🔴 পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা
          • 🔴 প্রধান প্রধান বৈদেশিক সরকার (UK, USA & France) ২১১৯০৫
          • 🔴 লোক প্রশাসন পরিচিতি
          • 🔴 সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি
          • 🔴 সমাজকর্ম পরিচিতি
          • 🔴 অর্থনীতির মৌলনীতি
        • 📗 ২য় বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৭৫৭-১৯৪৭)
          • 🔴 বাংলাদেশের রাজনৈতিক অর্থনীতি
          • 🔴 রাজনীতি ও উন্নয়নে নারী
          • 🔴 প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা
          • 🔴 বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান
          • 🔴 বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি
          • 🔴 বাংলাদেশের অর্থনীতি
        • 📗৩য় বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান
          • 🔴 আন্তর্জাতিক রাজনীতির মূলনীতি
          • 🔴 দক্ষিণ এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি ( ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকা )
          • 🔴 রাজনীতি অধ্যয়নের পদ্ধতি
          • 🔴 শান্তি এবং সংঘাত অধ্যায়ন পরিচিতি
          • 🔴 বাংলাদেশের লোক প্রশাসন
          • 🔴 গবেষণা পদ্ধতি ও পরিসংখ্যান
          • 🔴 রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান
        • 📗 ৪র্থ বর্ষ অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান
          • 🔴 রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিবর্তন ও ধারাবাহিকতা
          • 🔴 বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন
          • 🔴 সরকারি নীতি পরিচিতি
          • 🔴 পূর্ব এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি চীন, জাপান ও দিক্ষণ কোরিয়া
          • 🔴 পরিবেশ ও উন্নয়ন
          • 🔴 বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক
          • 🔴 বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া
          • 🔴 বিশ্বায়ন, আঞ্চলিকতাবাদ ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান
      • 📚 অনার্স সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
        • ১ম বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • ১। প্রারম্ভিক সমাজবিজ্ঞান ২১২০০১
          • সামাজিক ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা ২১২০০৩
          • রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান ২১২০০৫
          • সামাজিক সমস্যা ২১২০০৭
          • স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ২১১৫০১
          • রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিচিতি ২১১৯০৯
          • অর্থনীতির মূলনীতি ২১১৯০৯
        • ২য় বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 💞 প্ররম্ভিক নৃ-বিজ্ঞান
          • 💞 ধ্রুপদী সমাজচিন্তা
          • 💞 সামাজিক পরিসংখ্যান
          • 💞 গবেষণা পদ্ধতি
          • 💞 রাজনৈতিক সংগঠন এবং যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থা
          • 💞 বাংলাদেশের অর্থনীতি
        • ৩য় বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳ধ্রুপদী সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্ব
          • 🌳গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳ধর্মের সমাজবিজ্ঞান ২৩২০০৫
          • 🌳সামাজিক অসমতা
          • 🌳 সমাজ ও সম্প্রদায়
          • 🌳বাংলাদেশের সমাজ কাঠামো
          • 🌳নগর সমাজবিজ্ঞান
          • 🌳সমাজ মনোবিজ্ঞান
        • ৪র্থ বর্ষ অনার্স সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 জেন্ডার, সমাজ ও উন্নয়ন
          • 📢 উন্নয়নের সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 সামাজিক জনবিজ্ঞান
          • 📢 পরিবেশ সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান
          • 📢 সামাজিক পরিবর্তন
          • 📢 বিচ্যুতি ও অপরাধ
          • 📢 শিল্প সমাজবিজ্ঞান
          • কৃষক সমাজ ২৪২০১৭
    • HOME
      • About
      • Blog
      • Contact
      • News
      • Privacy
    • GRAMMAR
      • Arabic Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
    • JOB STUDY
      • Army/Police/BDR/Anchar
      • Bank
      • BCS
      • Govt. job
      • Medical Admission
      • Nibandhon
      • Primary
      • University Admission
      • Bangla
      • English
      • Math
      • General Knowledge Bangladesh
      • General Knowledge International
      • Computer & IT
      • Biology
      • Chemistry
      • Physics
      • Ethics, Values ​​and Good Governance
      • Geography/Environment/Disaster Management
    • JOBS
      • BRAC NGO Job Circular New All Jobs Notice 2023
      • Jobs CANADA
      • Jobs INDIA
      • Jobs USA
Read Aim
Read Aim Read Aim
  • readaim.com
  • 0
আইনের অনুশাসন সম্পর্কে ডাইসির ধারণা সমালোচনা সহ আলোচনা কর।

প্রশ্ন:- আইনের অনুশাসন সম্পর্কে ডাইসির ধারণা সমালোচনা সহ আলোচনা কর।

উত্তর::উপস্থাপনা: অধ্যাপক এ.ভি. ডাইসি তার বিখ্যাত গ্রন্থ “Introduction to the Study of the Law of the Constitution” (১৮৮৫) এ আইনের অনুশাসন (Rule of Law) ধারণাটি ব্যাখ্যা করেন। এটি ব্রিটিশ সংবিধানের অন্যতম মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। ডাইসি আইনের অনুশাসনকে তিনটি প্রধান নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে তুলেছেন।

ডাইসির আইনের অনুশাসনের মূলনীতিসমূহ:-

১. আইনের চূড়ান্ত প্রাধান্য (Supremacy of Law): ডাইসির মতে, রাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তির বা কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা থাকতে পারে না। সকল নাগরিকই আইনের অধীন। কোনো ব্যক্তিকে তার জীবন বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না, যদি না তিনি সাধারণ আদালতে সাধারণ আইন অনুযায়ী কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন। এর অর্থ হল, সরকার বা কোনো কর্তৃপক্ষ তাদের খেয়াল-খুশি মতো কোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না; তাদের সকল কাজ আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও সীমাবদ্ধ থাকবে।

২. আইনের দৃষ্টিতে সমতা (Equality before Law): এই নীতি অনুসারে, দেশের সকল নাগরিক, তাদের পদমর্যাদা, সামাজিক অবস্থান বা সরকারি পদ যাই হোক না কেন, সাধারণ আইনের কাছে সমান। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে একজন সাধারণ পুলিশ অফিসার পর্যন্ত সবাই একই ধরনের অপরাধের জন্য একই আদালতে বিচার লাভ করবে। ডাইসি এই ধারণাকে ফরাসি প্রশাসনিক আইন (droit administratif) থেকে ভিন্ন বলে মনে করেন, যেখানে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সাধারণ নাগরিকদের থেকে আলাদা বিচারিক ব্যবস্থা ছিল।

৩. বিচার বিভাগের সিদ্ধান্তই নাগরিক অধিকারের উৎস (Predominance of Legal Spirit): ডাইসি বিশ্বাস করতেন যে ব্রিটেনে নাগরিকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং অধিকার কোনো লিখিত সংবিধানের মাধ্যমে সুরক্ষিত নয়, বরং বিচার বিভাগের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তা গড়ে উঠেছে। তিনি মনে করতেন, বিচারকরা যখন কোনো নাগরিকের অধিকার বা স্বাধীনতা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করেন, তখন তাদের রায়ই আইনের অনুশাসনের নীতিগুলোকে প্রতিষ্ঠা করে। এই নীতি অনুযায়ী, অধিকারগুলো আইনের ফলস্বরূপ নয়, বরং বিচারিক রায় থেকেই অধিকারের জন্ম হয়।

ডাইসির আইনের অনুশাসনের গুরুত্ব:-

১. ক্ষমতার স্বেচ্ছাচার রোধ: ডাইসির আইনের অনুশাসনের প্রথম এবং প্রধান গুরুত্ব হলো এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে লাগামহীন স্বেচ্ছাচার থেকে রক্ষা করে। এটি নিশ্চিত করে যে কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যক্তিগত খেয়াল-খুশি অনুযায়ী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না, বরং সকলকেই আইন মেনে চলতে হবে। এটি স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে।

২. আইনের চোখে সমতা প্রতিষ্ঠা: এই ধারণাটি সমাজের সকল মানুষের জন্য আইনের চোখে সমতা নিশ্চিত করে। এটি বলে যে সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তি থেকে শুরু করে একজন সাধারণ নাগরিক পর্যন্ত সবাই একই আইনের অধীন এবং একই আদালতে বিচার লাভ করবে। এটি সামাজিক ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীনতা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।

৩. ব্যক্তিস্বাধীনতার সুরক্ষা: ডাইসির মতে, আইনের অনুশাসন মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকারকে সুরক্ষিত করে। যেহেতু কোনো ব্যক্তিকে আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া শাস্তি দেওয়া বা তার সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া যায় না, তাই এটি নাগরিকের জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

৪. বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা: ডাইসির ধারণা বিচার বিভাগের গুরুত্বকে তুলে ধরে। তার মতে, বিচারকরাই জনগণের অধিকার রক্ষা করেন এবং আইনের অনুশাসনকে বাস্তবায়ন করেন। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে অপরিহার্য করে তোলে, যা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৫. সরকার এবং জনগণের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপন: যখন জনগণ দেখে যে সরকার নিজেই আইন মেনে চলছে এবং তাদের কোনো পদক্ষেপ স্বেচ্ছাচারী নয়, তখন সরকার ও জনগণের মধ্যে একটি পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে ওঠে। এটি সুশাসনের জন্য অপরিহার্য।

৬. লিখিত সংবিধানের বিকল্প: ডাইসি মনে করতেন যে ব্রিটিশ সংবিধান অলিখিত হলেও আইনের অনুশাসনই সেখানে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রদান করে। এটি একটি অলিখিত সংবিধানের অধীনেও অধিকার ও স্বাধীনতার সুরক্ষা প্রদানে সহায়তা করে।

আইনের অনুশাসন সম্পর্কে ডাইসির ধারণার সমালোচনা:-

ডাইসির এই ধারণাটি ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়েছে। প্রধান সমালোচকদের মধ্যে আছেন স্যার আইভর জেনিংস, অধ্যাপক এইচ. জে. ল্যাস্কি এবং ডব্লিউ. এ. রবসন। তাদের সমালোচনার মূল দিকগুলো হলো:

১। প্রশাসনিক আইনের অস্তিত্ব উপেক্ষা: ডাইসি ফরাসি প্রশাসনিক আইনকে প্রত্যাখ্যান করলেও, ব্রিটিশ শাসনব্যবস্থায় এর অস্তিত্ব অস্বীকার করতে পারেননি। সরকারি সংস্থাগুলো বিভিন্ন সময়ে বিশেষ ক্ষমতা ও বিচার-বহির্ভূত ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে, যা সাধারণ আদালত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। বিশেষ করে, আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্রে সরকারি কর্মকর্তাদের হাতে ব্যাপক বিবেচনামূলক ক্ষমতা থাকে, যা ডাইসির “আইনের চূড়ান্ত প্রাধান্য” নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

২। অর্থনৈতিক বৈষম্যের উপেক্ষা: ডাইসি কেবল আইনি সমতার কথা বলেছেন, কিন্তু বাস্তব সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের দিকটি উপেক্ষা করেছেন। অধ্যাপক ল্যাস্কি যুক্তি দেন যে, যতক্ষণ পর্যন্ত সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত “আইনের দৃষ্টিতে সমতা” একটি অর্থহীন স্লোগান। সমাজের ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আইন এবং বিচার ব্যবস্থাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে, যা গরিব ও সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য আইনকে অকার্যকর করে তোলে।

৩। সংসদীয় সার্বভৌমত্ব ও মৌলিক অধিকারের অভাব: ডাইসি মনে করতেন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। এর ফলস্বরূপ, পার্লামেন্ট যেকোনো আইন প্রণয়ন করতে পারে, এমনকি যদি তা ব্যক্তির অধিকারের পরিপন্থীও হয়। যেহেতু ব্রিটেনে লিখিত মৌলিক অধিকারের কোনো সাংবিধানিক সুরক্ষা নেই, তাই পার্লামেন্ট যেকোনো সময় সাধারণ আইন পরিবর্তন করে ব্যক্তির স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করতে পারে। এটি আইনের অনুশাসনের মূল উদ্দেশ্য, অর্থাৎ ব্যক্তির স্বাধীনতা রক্ষা, এর পরিপন্থী।

৪। বিচারিক রায়ই অধিকারের একমাত্র উৎস নয়: ডাইসির তৃতীয় নীতিটি বিতর্কিত। কারণ, আধুনিক রাষ্ট্রে অনেক নাগরিক অধিকার আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমেই স্বীকৃত ও সুরক্ষিত হয়। বিচার বিভাগ কেবল সেই আইনগুলোকে প্রয়োগ করে। ডাইসির সময়ের পর থেকে পার্লামেন্ট বিভিন্ন আইন যেমন- মানবাধিকার আইন (Human Rights Act) পাস করেছে, যা নাগরিকদের অধিকারকে সুস্পষ্টভাবে সুরক্ষিত করেছে। তাই, শুধুমাত্র বিচারিক সিদ্ধান্তকে অধিকারের উৎস হিসেবে দেখা ভুল।

৫। সংসদীয় সার্বভৌমত্ব ও আইনের অনুশাসন পরস্পর বিরোধী: ডাইসি একই সাথে সংসদীয় সার্বভৌমত্ব (Parliamentary Sovereignty) এবং আইনের অনুশাসন উভয় নীতিতেই বিশ্বাসী ছিলেন। কিন্তু এই দুটি ধারণার মধ্যে একটি মৌলিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। সংসদীয় সার্বভৌমত্ব মানে হলো পার্লামেন্ট দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী এবং যেকোনো আইন প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারে, এমনকি যদি তা সাধারণ আইনের মৌলিক নীতির পরিপন্থীও হয়। এর ফলে, তত্ত্বগতভাবে, পার্লামেন্ট এমন আইন পাস করতে পারে যা কোনো ব্যক্তির স্বাধীনতাকে সীমিত করে বা বৈষম্য সৃষ্টি করে। এই ক্ষমতা আইনের অনুশাসনের মূল ভিত্তি, অর্থাৎ রাষ্ট্রের স্বেচ্ছাচার থেকে জনগণের অধিকার রক্ষা, এর সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। অনেক সমালোচকের মতে, ব্রিটিশ ব্যবস্থায় সংসদীয় সার্বভৌমত্ব এতটাই শক্তিশালী যে তা আইনের অনুশাসনের ধারণাটিকে দুর্বল করে তোলে।

৬। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সীমাবদ্ধতা: ডাইসির ধারণাটি মূলত ১৯শ শতাব্দীর ব্রিটিশ রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। সেই সময়কার উদারনৈতিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল সীমিত, যা ‘লেসে-ফেয়ার’ (laissez-faire) নামে পরিচিত। কিন্তু ২০শ শতাব্দীর কল্যাণ রাষ্ট্রে (Welfare State) সরকারের ভূমিকা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ইত্যাদি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের কারণে আমলাতন্ত্রের হাতে প্রচুর ক্ষমতা আসে। এই নতুন প্রেক্ষাপটে ডাইসির ধারণাগুলো অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।

৭। জরুরি অবস্থার বিধান উপেক্ষা: ডাইসি তার তত্ত্বে জরুরি অবস্থার সময় সরকারের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগের বিষয়টি উপেক্ষা করেছেন। জরুরি পরিস্থিতিতে, যেমন যুদ্ধ বা মহামারী, সরকার জনগণের মৌলিক অধিকার সীমিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, জনগণের চলাচল, সমাবেশ বা সম্পত্তির অধিকার সাময়িকভাবে স্থগিত করা যায়। এই ধরনের বিশেষ ক্ষমতা ডাইসির “আইনের চূড়ান্ত প্রাধান্য” এবং “আইনের দৃষ্টিতে সমতা” নীতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

৮। সাধারণ আইন ও প্রশাসনিক আইনের পার্থক্য: ডাইসি সাধারণ আইনকে (Common Law) অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন, কিন্তু আধুনিক রাষ্ট্রে প্রশাসনিক আইনের (Administrative Law) ভূমিকা ব্যাপক। প্রশাসনিক আইন হলো সেই নিয়মাবলী যা সরকারি সংস্থা ও কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। ডাইসি ফরাসি প্রশাসনিক আইনকে ব্রিটিশ ব্যবস্থার বিরোধী হিসেবে দেখিয়েছেন, কিন্তু বাস্তবে ব্রিটিশ প্রশাসনিক ব্যবস্থায়ও প্রশাসনিক আইন ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ আদালতের এখতিয়ারের বাইরে।

৯। আধুনিক আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার অবহেলা: ডাইসি বিচারকদের রায়কে অধিকারের প্রধান উৎস হিসেবে দেখেছেন। কিন্তু আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনসভার (পার্লামেন্ট) মাধ্যমে জনগণের অধিকার ব্যাপকভাবে সুরক্ষিত ও বিস্তৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ব্রিটেনের মানবাধিকার আইন (Human Rights Act, ১৯৯৮) বা সমতা আইন (Equality Act, ২০১০) নাগরিকদের জন্য সুনির্দিষ্ট অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে, যা শুধুমাত্র বিচারকের রায় দিয়ে সম্ভব হতো না।

১০। অধিকারের সাংবিধানিক সুরক্ষার অভাব: ডাইসির ধারণা অনুযায়ী, ব্রিটিশ ব্যবস্থায় কোনো লিখিত মৌলিক অধিকারের দলিল নেই। এর ফলে পার্লামেন্ট যেকোনো সময় সাধারণ আইন পরিবর্তন করে জনগণের স্বাধীনতা ও অধিকারকে সংকুচিত করতে পারে। যদিও ডাইসি মনে করতেন সংসদ তা করবে না, তবুও এই ধরনের ক্ষমতা আইনের অনুশাসনের মূল উদ্দেশ্য, অর্থাৎ ব্যক্তিস্বাধীনতার সুরক্ষার জন্য একটি বড় হুমকি। তাই, আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীগণ লিখিত সাংবিধানিক সুরক্ষাকে আইনের অনুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন।

উপসংহার: ডাইসির ধারণাটি আইনের অনুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রারম্ভিক ব্যাখ্যা দিলেও, আধুনিক রাষ্ট্রের জটিলতা ও পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি অনেকাংশে অসম্পূর্ণ এবং কাল্পনিক বলে প্রমাণিত হয়েছে। তা সত্ত্বেও, আইনের অনুশাসন সম্পর্কিত আলোচনায় ডাইসির তিনটি নীতি আজও একটি মৌলিক কাঠামো হিসেবে বিবেচিত।

Tags: আইনের অনুশাসন সম্পর্কে ডাইসিআইনের অনুশাসন সম্পর্কে ডাইসির ধারণাআইনের অনুশাসন সম্পর্কে ডাইসির ধারণা সমালোচনাডাইসি
  • Previous ব্রিটেনে দি দলীয় ব্যবস্থার কারণ গুলো আলোচনা কর।
  • Next বৃটেনের রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা আলোচনা করো।
Read Aim

SUBSCRIBE

    JOB CIRCULAR

    • Media/Ads/Event Mngnt (145)
    • Medical/Pharmaceutical (123)
    • NGO/Organization (323)
    • Production/Operation (142)
    • Research/Consultancy (85)
    • Secretary/Receptionist (188)
    • Security/Support Service (99)
    • Others (59)

    LEARNING & EARNING

    • English Article
    • Bearded Dragon
    • Cats
    • Dogs
    • Guinea Pigs
    • Insurance
    • Lawyer
    • Rabbits
    • Earn Money Online
    • Others

    CATEGORIES

    • Computer (12)
    • DEGREE (4)
    • English Article (27)
    • GRAMMAR (138)
    • Health Tips (2)
    • Honours (1083)
    • Jobs (16)
    • Jobs Study (33)
    • News (1336)
    • PDF BOOK (78)

    RECENT POST

    উত্তর আধুনিকতাবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
    উত্তর আধুনিকতাবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
    সেন্ট সাইমন ও রবার্ট ওয়েনের কাল্পনিক সমাজতন্ত্রের রূপরেখা বিশ্লেষণ কর।
    কাল্পনিক ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলোচনা কর।

    2025 All Rights Reserved readaim.com

    • Contact
    • About
    • Privacy
    • Blog
    • READ AIM
    Have any question? 01745112569 md@readaim.com Free
    • Login
    • Registration
    • Home
    • Class 0-12
    • Masters
    • Honours
    • Degree
    • Grammar
      • Bangla Grammar
      • English Grammar
      • Arabic Grammar
    • Computer
      • MS Word
    • Jobs Study
      • BCS
      • Bank
      • Primary
      • Govt. job
      • Nibandhon
      • Medical Admission
      • University Admission
      • Army/Police/BDR/Anchar
    • Jobs
    • News
    • Tools